জয়ন্ত কৃপালানি অভিনেতা, পরিচালক, অভিনয় শিক্ষক; ছোটপর্দার অন্যতম বিখ্যাত ধারাবাহিক ‘খানদান’ ও বহু বিজ্ঞাপনের পরিচিত মুখ। দীর্ঘ কর্মজীবনে নানা বিজ্ঞাপন সংস্থার সঙ্গে ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে যুক্ত।
পণ্ডিত তন্ময় বসু একালের অন্যতম তালবাদ্য বিশারদ, তবলাবাদক, সুরকার ও অভিনেতা। তিনি ফারুক্কাবাদ ঘরানার প্রবাদপ্রতিম পণ্ডিত শঙ্কর ঘোষের শিষ্য। পণ্ডিত রবিশঙ্কর এবং ওস্তাদ আমজাদ আলি খান-এর সঙ্গে সারা বিশ্বে অনুষ্ঠান করেছেন, সঙ্গত করেছেন প্রখ্যাত কর্ণাটকি শাস্ত্রীয় ভায়োলিন বিশেষজ্ঞ ডক্টর এল. সুব্রহ্ম্যনিয়ম-এর সঙ্গে। পত্তন করেছেন তাল তন্ত্র, একটি অনবদ্য ওয়ার্ল্ড মিউজিক প্রজেক্ট, যার প্রধান বিষয় তালবাদ্যচর্চ্চা।
শুভা মুদ্গল হিন্দুস্থানী ধ্রুপদী সঙ্গীতশিল্পী। খেয়াল, ঠুমরি-দাদরার পাশাপাশি জনপ্রিয় ভারতীয় সঙ্গীত নিয়েও তাঁর কাজ ব্যাপক ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। সঙ্গীত সাধনার জন্য পেয়েছেন নানান দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার। ভারতীয় সঙ্গীতের নানা আশ্চর্য জগতের গভীরে তিনি কয়েক দশক ধরে একাধারে সুরকার-গীতিকার, শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং লেখক।
অনুপম রায় গায়ক, সুরকার, গীতিকার। ২০১০ সালে ‘অটোগ্রাফ’ ছবিতে তাঁর গলায় গাওয়া গান ‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও’ এবং ‘বেঁচে থাকার গান’ তাঁকে জনপ্রিয় করে তোলে। ২০১৫ সালে ‘পিকু’ ছবির সঙ্গীত পরিচালনার মধ্যে দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ এবং ছবিটির আবহসঙ্গীতের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান। শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে ২০১৬ সালে পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সঙ্গীতচর্চার পাশাপাশি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতা ও ছোটগল্পও লেখেন।
নন্দিতা দাস অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র পরিচালক। দশটি ভাষায় চল্লিশের-ও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। পরিচালকের ভূমিকায় তাঁর দ্বিতীয় ছবি ‘মান্টো’। ২০১১ সালে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান শেভাল্যিয়ে অউরদ্য দ্য আঃ এত দ্য ল্যেত-এ ভূষিত হন নন্দিতা এবং প্রথম ভারতীয় হিসাবে যোগ দেন ওয়াশিংটন ডি.সি-র ইন্টারন্যাশনাল উইমেনস ফোরাম-এ।
সুদেষ্ণা রায়ের জীবন শুরু শিক্ষকতা দিয়ে। তারপর সাংবাদিক, বহু নামী সংবাদপত্র ও পত্রিকায় কাজ করেছেন। টেলিভিশন সাংবাদিকতা করেছেন, সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন, সিরিয়াল পরিচালনাও করেছেন। এর পর শুরু সিনেমা পরিচালনা, কিছু উল্লেখযোগ্য ছবি: ‘তিন ইয়ারি কথা’, ‘ক্রস কানেকশন’, ‘যদি love দিলে না প্রাণে’, ‘শ্রাবণের ধারা’। এখন কাজ করেন শিশু অধিকার সুরক্ষা আয়োগের বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে।
সাগুফতা শারমীন তানিয়া ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক। বর্তমানে প্রবাসী এই লেখকের বইয়ের সংখ্যা আট। লিখেছেন ‘ওয়াসফিরি’, ‘এশিয়া লিটেরারি রিভিউ’ এবং ‘সিটি প্রেস’-এর মতো সাহিত্য-জার্নালে। ২০১৯ সালে পেয়েছেন বাংলা একাডেমির সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ পুরস্কার।
মালবিকা ব্যানার্জি টাটা স্টিল লিটেরারি মিটের পরিচালক। সাংবাদিক হিসাবে পথ চলা শুরু। ১৯৯৮ সালে স্বামী জিৎ ব্যানার্জির সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠা করেন ক্রীড়া বিপণন সংস্থা ‘গেমপ্ল্যান’ (‘ডাকবাংলা’ যে কোম্পানির অধীন)। এই সংস্থা বিশ্ব জুড়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো আরও অনেক খেলোয়াড় এবং বিখ্যাত ক্রীড়ানুষ্ঠানের ‘ম্যানেজমেন্ট’ বা তত্ত্বাবধান করেছে। মালবিকা কলকাতার অন্যতম বিখ্যাত পোশাক বিপণি ‘বাইলুম’-এরও অংশীদার।
সঞ্চারী মুখোপাধ্যায় লেখক, সম্পাদক, সাংবাদিক। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সামাজিক নানান ঘটনাবলি নিয়ে লিখে চলেছেন। এইসব লেখার মধ্যে ধরা পড়ে তাঁর অনন্য বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি। প্রকাশিত বই : ‘একটা কষ্ট লজ্জা ভয়’।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
ডেভিড বেঞ্জামিন জেমস, এম বি ই, প্রাক্তন ইংল্যান্ড ফুটবলার, বিখ্যাত গোলরক্ষক। ১৯৯৭ এবং ২০১০-এর মধ্যে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ৫৩ ম্যাচে ; ইউরো ২০০৮ এবং ২০১০ ফুটবল বিশ্বকাপ অভিযানে ইংল্যান্ডের অন্যতম গোলরক্ষক ছিলেন।
ডেভিড বেঞ্জামিন জেমস, এম বি ই, প্রাক্তন ইংল্যান্ড ফুটবলার, বিখ্যাত গোলরক্ষক। ১৯৯৭ এবং ২০১০-এর মধ্যে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ৫৩ ম্যাচে ; ইউরো ২০০৮ এবং ২০১০ ফুটবল বিশ্বকাপ অভিযানে ইংল্যান্ডের অন্যতম গোলরক্ষক ছিলেন।