খ্যাতনামা ক্রীড়া-সাংবাদিক, বিনোদন-সাংবাদিক, লেখক, বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শো-র সঞ্চালক। খ্যাত সংবাদপত্রে কাজ করেছেন ও করছেন। তাঁর নিজস্ব লেখার ধরন বাংলা ক্রীড়া-সাংবাদিকতায় বদল এনে দেয়। সচিন, সৌরভ ছাড়াও খেলাধুলোর রথী-মহারথীদের নিয়ে এবং বিনোদন-জগতের খ্যাতনামাদের নিয়ে প্রচুর বই লিখেছেন।
সুব্রত মজুমদার একটি বেসরকারি সংস্থায় সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে চাকরি করেন। ঝামেলা এড়িয়ে চলেন। বই পড়েন, গান শোনেন, ছবি তোলেন, ফুটবল খেলা দেখতে ভালোবাসেন আর একটু আধটু লেখেন। রোড ট্রিপ উৎসাহী। ব্যাঙ্গালোরে থাকেন।
অনুপম রায় গায়ক, সুরকার, গীতিকার। ২০১০ সালে ‘অটোগ্রাফ’ ছবিতে তাঁর গলায় গাওয়া গান ‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও’ এবং ‘বেঁচে থাকার গান’ তাঁকে জনপ্রিয় করে তোলে। ২০১৫ সালে ‘পিকু’ ছবির সঙ্গীত পরিচালনার মধ্যে দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ এবং ছবিটির আবহসঙ্গীতের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান। শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে ২০১৬ সালে পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সঙ্গীতচর্চার পাশাপাশি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতা ও ছোটগল্পও লেখেন।
শুভময় মিত্র ফোটোগ্রাফার, চিত্রকর, গদ্যকার, ভ্রমণবিলাসী। কিন্তু তাঁর সর্বাধিক পারদর্শিতা যে কাজে, তা হল, চব্বিশ ঘণ্টা হো-হো করে হাসা ও কোনও কিছুকেই সিরিয়াসলি না নেওয়ার ভঙ্গি করা। খুব মন দিয়ে জীবনটাকে দেখা ও চাখা তাঁর নিত্যকর্ম, এবং সেই জন্যই বোধহয়, কেউ চাকরি, তকমা বা দায়িত্ব দিতে চাইলেই পিছলে বেরিয়ে যান।
সত্যরূপ সিদ্ধান্ত পর্বতারোহী, মোটিভেশনাল বক্তা; ২০১৬ সালে এভারেস্ট শিখর-বিজয়ী। বিশ্বের কনিষ্ঠতম পর্বতারোহী হিসাবে 'সেভেন সামিট্স' (পৃথিবীর সর্বোচ্চ সাত পর্বতশিখর) এবং 'সেভেন ভলক্যানিক সামিট্স' (আগ্নেয়গিরি শৃঙ্গমালা) আরোহণ করে ২০১৯ সালে 'গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস'-এর অন্তর্ভুক্ত হন।
উপল সেনগুপ্ত গায়ক, সুরকার। এছাড়া কার্টুনিস্ট হিসেবেও তাঁর জনপ্রিয়তা রয়েছে। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। অনেক ছবি আঁকেন, বিভিন্ন গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, নতুন প্রতিভা তুলে আনায় তাঁর জহুরির চোখ এবং বড়দা-সুলভ উদারতা তাঁকে অনন্য করেছে।
ঋতব্রত মুখোপাধ্যায় এখনও পড়াশোনা করেন। কিন্তু ছোট থেকেই বড্ড বেশি কথা বলার অভ্যেস। ফলে জেঠু-কাকিমাদের কাছে ‘পাকা’ ছেলে। এ ছাড়া থিয়েটার করেন, আর কেউ নিলে সিনেমায় অভিনয় করেন। তাঁর পরিচয় এটুকুই।
বিমল মিত্র (১৯১২-১৯৯১) বাংলাভাষার অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। প্রথম উপন্যাস ‘ছাই’ রচনার পর তাঁর লেখা ‘সাহেব বিবি গোলাম’ উপন্যাসটি পাঠক জগতে বিপুল ভাবে সমাদৃত হয়। এ ছাড়া ‘বেগম মেরি বিশ্বাস’, ‘কড়ি দিয়ে কিনলাম’ এবং ‘একক দশক শতক’ উপন্যাসের মধ্যে দিয়ে তিনশো বছরের সমাজজীবনের এক বিস্তৃত কালের চালচিত্র তিনি তুলে ধরেছেন। ১৯৬৮ সালে ‘কড়ি দিয়ে কিনলাম’ উপন্যাসের জন্য রবীন্দ্র পুরস্কারে সম্মানিত হন।
বরুণ চন্দ অভিনেতা, লেখক। পেশাগতভাবে দীর্ঘদিন বিজ্ঞাপন জগতের সঙ্গে যুক্ত। সত্যজিৎ রায়ের 'সীমাবদ্ধ' ছবিতে অভিনয়ের কারণে সুপরিচিত; পরবর্কাতীকালে অভিনয় করেছেন 'হীরের আংটি', 'ল্যাপটপ', 'চতুষ্কোণ', 'লুটেরা' এবং 'বব বিশ্বাস' ছবিতে। 'মার্ডার ইন দ্য মোনাস্টেরি' তাঁর লেখা জনপ্রিয় রহস্য-রোমাঞ্চ উপন্যাস।