আবুল বাশারের এ-সময়ের একজন খ্যাতনামা ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক। যদিও প্রথম জীবনে তিনি কবিতা লিখতেন। ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘জড় উপড়ানো ডালপালা ভাঙা আর এক ঋতু’। তিনি ‘ফুলবউ’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার। এছাড়াও পেয়েছেন সাহিত্য-শিরোমণি পুরস্কার এবং বঙ্কিম স্মৃতি পুরস্কার।
মালবিকা ব্যানার্জি টাটা স্টিল লিটেরারি মিটের পরিচালক। সাংবাদিক হিসাবে পথ চলা শুরু। ১৯৯৮ সালে স্বামী জিৎ ব্যানার্জির সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠা করেন ক্রীড়া বিপণন সংস্থা ‘গেমপ্ল্যান’ (‘ডাকবাংলা’ যে কোম্পানির অধীন)। এই সংস্থা বিশ্ব জুড়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো আরও অনেক খেলোয়াড় এবং বিখ্যাত ক্রীড়ানুষ্ঠানের ‘ম্যানেজমেন্ট’ বা তত্ত্বাবধান করেছে। মালবিকা কলকাতার অন্যতম বিখ্যাত পোশাক বিপণি ‘বাইলুম’-এরও অংশীদার।
ঋদ্ধি সেন অভিনেতা; স্বপ্নসন্ধানী নাটক দলের সঙ্গে জড়িত। এখনও অবধি কনিষ্ঠতম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসাবে জাতীয় পুরষ্কারপ্রাপ্ত হন 'নগরকীর্তন' ছবির জন্য। অভিনয় করেছেন 'কাহানী', 'ওপেন টি বায়োস্কোপ' এবং 'ইতি মৃণালিনী'-র মত ছবিতে এবং 'ফেলুদা' ওয়েব সিরিজে।
সঞ্চারী মুখোপাধ্যায় লেখক, সম্পাদক, সাংবাদিক। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সামাজিক নানান ঘটনাবলি নিয়ে লিখে চলেছেন। এইসব লেখার মধ্যে ধরা পড়ে তাঁর অনন্য বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি। প্রকাশিত বই : ‘একটা কষ্ট লজ্জা ভয়’।
মালবিকা ব্যানার্জি টাটা স্টিল লিটেরারি মিটের পরিচালক। সাংবাদিক হিসাবে পথ চলা শুরু। ১৯৯৮ সালে স্বামী জিৎ ব্যানার্জির সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠা করেন ক্রীড়া বিপণন সংস্থা ‘গেমপ্ল্যান’ (‘ডাকবাংলা’ যে কোম্পানির অধীন)। এই সংস্থা বিশ্ব জুড়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো আরও অনেক খেলোয়াড় এবং বিখ্যাত ক্রীড়ানুষ্ঠানের ‘ম্যানেজমেন্ট’ বা তত্ত্বাবধান করেছে। মালবিকা কলকাতার অন্যতম বিখ্যাত পোশাক বিপণি ‘বাইলুম’-এরও অংশীদার।
মৈত্রীশ ঘটক গবেষক ও অধ্যাপক। বর্তমানে লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্সের অর্থনীতির প্রফেসর। ব্রিটিশ একাডেমির নির্বাচিত ফেলো ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পি.এইচ.ডি.। এই অর্থনীতিবিদের গবেষণার মূল ক্ষেত্র উন্নয়নের অর্থনীতি, সাংগঠনিক অর্থনীতি, এবং রাষ্ট্রক্ষেত্রের অর্থনীতি। গবেষণার বাইরে অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি নিয়ে বিভিন্ন সংবাদপত্র ও পত্রিকায় বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই নিয়মিত লেখালেখি করেন।
জয়া মিত্র কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, অনুবাদক। ‘হন্যমান’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার। তিনি ভারতের বিভিন্ন নদনদী ও অন্যান্য জলাশয় সংক্রান্ত সংরক্ষণমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। সম্পাদনা করেন সমাজ ও সংস্কৃতি ভাবনার পত্রিকা ‘ভূমধ্যসাগর’।
তরুণ মজুমদার চিত্রপরিচালক, লেখক। গত পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় ধরে পরিচালনা করেছেন একাধিক জনপ্রিয় চলচ্চিত্র (‘পলাতক’, ‘নিমন্ত্রণ’, ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’, ‘দাদার কীর্তি’ প্রভৃতি)। তাঁর ছবিতে ধরা পড়ে মূলত বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতি। চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, পদ্মশ্রী পুরস্কার সহ আরও একাধিক পুরস্কার।
তৃণাঙ্কুর বন্দ্যোপাধ্যায় মূলত ডিজাইনার, কিন্ত অ-মূলত আরও নানান পরিচয় রয়েছে তাঁর। বর্তমানে দিল্লিনিবাসী। ভালবাসেন বেড়াতে, ছবি তুলতে আর দীর্ঘদিন ধরে তাঁর ছোটগল্প সংশোধন করতে।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
খান রুহুল রুবেল কবি, প্রাবন্ধিক, গল্পকার। সাহিত্য, বিজ্ঞান, সভ্যতার ইতিহাস এবং অর্থনীতি তাঁর পাঠ ও চর্চার বিষয়। শখ: ভাষাচর্চা, যন্ত্রসঙ্গীত শোনা, নানা রকম বইয়ের তথ্যসংগ্রহ ও তালিকাকরণ। প্রকাশিত বই: ‘ডুবোপাহাড়’ (২০১৭, কবিতা), ‘প্রাচীন বিজ্ঞান’ (২০১৭, বিজ্ঞান/ ইতিহাস)।