পেশা সাংবাদিকতা, নেশাও তাই। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলে। সংবাদের পাশাপাশি ভালবাসেন ফিচার লিখতে। ‘আজকাল’ দৈনিকের প্রাক্তন ডেপুটি এডিটর। বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্রের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
উপল সেনগুপ্ত গায়ক, সুরকার। এছাড়া কার্টুনিস্ট হিসেবেও তাঁর জনপ্রিয়তা রয়েছে। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। অনেক ছবি আঁকেন, বিভিন্ন গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, নতুন প্রতিভা তুলে আনায় তাঁর জহুরির চোখ এবং বড়দা-সুলভ উদারতা তাঁকে অনন্য করেছে।
অধ্যা।পক, লেখক, হিউম্যান রাইটস চলচ্চিত্রকার ও আ্যক্টিভিস্ট। মি-ল্যা ব এর প্রতিষ্ঠাতা। মি-ল্যা ব মিডিয়া এডুকেশন রিসার্চ ও পলিসি রিসার্চ ও ভূ-রাজনীতির রিসার্চের সঙ্গে যুক্ত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নানা সিভিল রাইটস আন্দোলন ও অর্গানাইজেশনের প্রত্যরক্ষ সদস্য। একজন আম্বেদকরবাদী ও ব্রাহ্মণ্য বাদ-বিরোধী হিসেবে নিজের পূর্বতন পদবি ‘বন্দ্যোপাধ্যায়’ বর্জন করেছেন।
শিল্পী, ভিস্যুয়াল আর্টিস্ট, মঞ্চ নির্দেশক ও প্রাবন্ধিক। ছবি আঁকার পাশাপাশি বাংলা নাট্যমঞ্চেও তাঁর অবদান সুবিদিত। শিল্পকলা প্রসঙ্গে লিখেছেন বেশ কিছু গ্রন্থ।
সুমন মুখোপাধ্যায় চিত্র পরিচালক, নাট্য পরিচালক, লেখক। প্রথম ছবি ‘হার্বার্ট’ পায় ‘শ্রেষ্ঠ বাংলা চলচ্চিত্র’ হিসাবে জাতীয় পুরস্কার। পরিচালনা করেছেন ‘দ্য ম্যান অফ দ্য হার্ট’, ‘বিসর্জন’ এবং ‘তিস্তাপারের বৃত্তান্ত’-এর মতো অসাধারণ নাটক। সাম্প্রতিককালে
সময়ের তাগিদে আবারও মঞ্চে ফিরিয়ে এনেছেন তাঁর পরিচালিত ‘মেফিস্টো’।
লেখক, সাংবাদিক। বিবেকানন্দ-চর্চা থেকে ভিনটেজ কার- বিবিধ বিষয়ে তাঁর পাণ্ডিত্য ও রচনা রয়েছে। তাঁর প্রকাশিত বই, 'হাওয়াবাড়ি'। শিস দিয়ে গান গাওয়ায় তাঁর মুনশিয়ানা সুবিদিত।
পেশায় চিকিৎসক। ক্যানসার-বিশেষজ্ঞ। বই পড়ার নেশা রয়েছে। এবং তার চাইতেও বেশি রয়েছে বই কেনার নেশা। ছবি (পেইন্টিং) দেখতে ভালোবাসেন। গত কয়েকবছর অল্পবিস্তর লেখালিখির অভ্যেস করছেন।
কিশোরবেলা থেকেই ছবি তুলতে পছন্দ করতেন। ‘আজকাল’ পত্রিকার হাত ধরে কর্মজীবনের শুরু। তারপর চিত্র-সাংবাদিক হিসেবে ‘গুজরাট সমাচার’, ‘ইলাস্ট্রেটেড উইকলি অফ ইন্ডিয়া’, ‘বিজনেস ইন্ডিয়া’ ম্যাগাজিনের সঙ্গে দীর্ঘ পথচলা তাঁর। ছবি তোলার নেশায় ঘুরে বেড়িয়েছেন দেশ-বিদেশে। ছবি তোলার পাশাপাশি বহু নাটকে অভিনয়ও করেছেন।
কমলেশ্বর মুখার্জি চলচ্চিত্র-পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, অভিনেতা, লেখক। প্রথম জীবনে চিকিৎসক হিসাবে শিক্ষালাভ করলেও পরবর্তীকালে গ্রুপ থিয়েটার এবং বিজ্ঞাপন-জগতে কাজ এবং অবশেষে ‘উড়ো চিঠি’ পরিচালনা করে সিনেমা-জগতে প্রকাশ। অন্যান্য উল্লেখ্য ছবি ‘মেঘে ঢাকা তারা’, ‘ক্ষত’, ‘চাঁদের পাহাড়’ এবং বাংলা চলচ্চিত্রের বাণিজ্যে সর্বাধিক সফল ছবি ‘আমাজন অভিযান’।
বিজলীরাজ পাত্র প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। যৌনতা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ে এমফিল করেছেন সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটা থেকে। বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পিএইচডি করছেন ‘গ্রন্থ ইতিহাস’ বিষয়ে। আগ্রহের বিষয়: পুথি সংস্কৃতি, প্রাগাধুনিক সাহিত্য, যৌনতার ইতিহাস, পর্নোগ্রাফি, বৌদ্ধিক ইতিহাস, ভিজুয়াল কালচার।