
সাত খুন মাফ
‘সুজানা আনা মারিয়া ভেরকার্ক ছিলেন অষ্টাদশ শতকের এক ডাচ মহিলা, বাসস্থান ছিল চুঁচুড়ায়। তাঁর প্রথম স্বামী ছিলেন পিটার ব্রুয়েস, হুগলিতে ডাচ বসতির সিনিয়র মার্চেন্ট ও প্রধান প্রশাসক।’

‘সুজানা আনা মারিয়া ভেরকার্ক ছিলেন অষ্টাদশ শতকের এক ডাচ মহিলা, বাসস্থান ছিল চুঁচুড়ায়। তাঁর প্রথম স্বামী ছিলেন পিটার ব্রুয়েস, হুগলিতে ডাচ বসতির সিনিয়র মার্চেন্ট ও প্রধান প্রশাসক।’

লেখক-প্রকাশকের সম্পর্ক বিষয়ে উপমার অধিরাজ শংকরের দু’টি অভিমত ছিল: কোনও কারণে হতাশ হলে বলতেন, ‘শাশুড়ি-পুত্রবধূর মতো’; হতাশা কাটিয়ে উঠলে বলতেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর চেয়েও বেশি, মৃত্যুতেও শেষ হয় না’। তবুও না বললেই নয়, ভারতীয় গ্রন্থসংস্কৃতিতে লেখক-প্রকাশকের সম্পর্কটি চরিত্রগতভাবে বহুমাত্রিক— মোটের ওপর ট্র্যানজ্যাকশনালের চেয়ে বেশি রিলেশন্যাল

‘‘কথাটা এতক্ষণে পাওয়া গেল। ‘ভাষা-গণতন্ত্র’। বিশ্বজোড়া পাঠশালায় সে-জন্য প্রতিটি ভাষার সমানাধিকার। সে ছোট না বড়, অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী না কি দুর্বল, উপনিবেশ গড়েছে না গড়েনি, সংস্কৃতি চেনা না অচেনা, কামান-বন্দুক-গ্রেনেড আছে, না নেই— এইসব প্রশ্ন অবান্তর।’’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়, সন্দীপ দত্ত, সুবিমল মিশ্র।

‘রবীন্দ্রগানের রেকর্ডিং-এর ইতিহাস বা তার পেছনের কাহিনি নিয়ে বাংলায় একাধিক বই লেখা হয়েছে। সেসবের ভিড়েও এই বই আলাদা জায়গা করে নেবে। কেন?’

‘বইয়ের মূল বিষয়মুখ বটতলাকেন্দ্রিক হলেও, যেভাবে লেখক ঔপনিবেশিক সমাজের পটভূমি আলোচনা করে মূল প্রসঙ্গে প্রবেশ করেছেন, সেখানেই এই কাজটি স্বতন্ত্র হয়ে উঠেছে। কেন ও কীভাবে চিৎপুর ও তার সামগ্রিক সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে বটতলা-সাহিত্য জন্ম নিল তা সংক্ষেপে হলেও নিপুণভাবে দেখানো হয়েছে।’

‘বলা বাহুল্য, চরিত্ররা সেই নেশাগ্রস্ত মানুষ, যা তাদের জীবনকে নির্ধারিত ফলাফলের অপেক্ষা না করে ঠেলে দিচ্ছে জীবন-যাপনের একেক দিকে।’

‘‘এখন প্রশ্ন হতে পারে যে, বাইবেল একবার নির্দিষ্ট হয়ে যাওয়ার পরেও এত পার্থক্য কেন? এর কারণ বাইবেল কেন্দ্রীয়ভাবে একরকম নির্দিষ্ট হলেও স্থানীয় ভাবে নানান প্রভাব এসে পড়ত। প্রেস তো ছিল না! আবার গোড়ার যুগেও অনেক স্থানীয় অনুবাদ হত। আর সেগুলোর চটজলদি ‘কপি’ ও তৈরি হয়ে যেত খুব অল্প সময়ে।’’

‘মানুষে পশুতে ভেদাভেদ থাকত না আর-একটা বেলায়— সেটা হল শ্মশানকালীর ভাসানের দিন। শ্মশানকালী বিসর্জনের বিশাল শোভাযাত্রা। শ্মশান এলাকার মস্তান ছিল ভীম। চেতলার দিকে তখন ধ্রুবর হেব্বি নামডাক। সে-সময়ে ভীম আর ধ্রুব দিন নেই রাত নেই সোডার বোতল আর পেটো ছোঁড়াছুড়ি করত।’

‘ইহুদিরা কলকাতায় এসেছিলেন মূলত ব্যবসার সূত্রে। মনে করা হয়, কলকাতায় আসা প্রথম ইহুদির নাম, শালোম বেন অ্যারন বেন ওবাদিয়া হাকোহেন। তবে তার আগে লিয়ন প্রাগার নামে একজন ইহুদি বণিক কলকাতায় এসেছিলেন বলে জানা যায়।’

‘বেকারত্ব, সংকটে ভরা সেই দশকের ইতিহাসে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের আখ্যান অবলম্বনে, তপন সিংহর এই চলচ্চিত্র, এই যুবককুলের প্রতি সমব্যথী হয়েছিল, যার সম্পূর্ণ বিপরীতাভাস তাঁরই ছবিতে উঠে আসবে আর ঠিক এক দশক পরে।’

‘১৮৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত, সদর স্ট্রিটে অবস্থিত ওয়েসলেয়ান মেথডিস্টদের এই উপাসনালয়টি আগে ওয়েসলেয়ান মেথডিস্ট চার্চ নামে পরিচিত ছিল, তবে বর্তমানে এটির নাম সি.এন.আই ওয়েসলেয়ান চার্চ। এই চার্চ মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশি উদবাস্তুদের পুনর্বাসনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছিল।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.