Bengali literature সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

সুবোধ সরকার

পাণ্ডিত্য ও প্রতিভা

‘সাহিত্যে একটা দেওয়াল আছে, সেই দেওয়ালের এপারে লেখা ‘পাণ্ডিত্য’, ওপারে লেখা ‘প্রতিভা’। মধ্যে যে-সম্পর্ক, সেটা অনেকটা ভাসুর-ভাদ্র বউয়ের সম্পর্কের মতো। সেই সম্পর্কটাকে কেতকী কুশারী মোলায়েম করতে চেয়েছিলেন।’

সুশোভন অধিকারী

কবি কেতকী

নিভৃত স্বগতোক্তির মতো মেলে দেওয়া শব্দের সারি কেতকীর ভেতরের আনন্দ আর বেদনাকে তুলে ধরে। স্বদেশ, স্বজন আর মাতৃভাষাকে আঁকড়ে ‘কাঙালপনা’ সারাজীবন তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়।

সায়ন ভট্টাচার্য

মঞ্চে শরৎচন্দ্র

থিয়েটারের মধ্যে যাঁর শিল্পজীবনের সূচনা, পরবর্তীকালে তাঁর গল্প, উপন্যাসে যে নাটকের রসদ রক্তমাংসে মিশে থাকবে, এ-বিষয়ে কোনও সন্দেহ থাকতে পারে না। এই বিষয়ে সংশয়হীন হওয়া যায় ভারতের থিয়েটার মানচিত্রের দিকে নিবিড়ভাবে তাকালে।

আশিস পাঠক

বাঙালি ও শরৎচন্দ্র

‘বই-পড়া জীবন-ধারণা নিয়ে পথে নামেননি শরৎচন্দ্র। পথে নেমেই চিনে নিতে চেয়েছেন পথ আর জীবনকে। যেমন দেখেছেন, যেমন চিনেছেন, লিখেছেন সেটাই। নিজস্ব ন্যারেটিভে লেখাকে কৃত্রিম করে তুলতে চাননি। তবু অপূর্ব-র মধ্যে শরৎচন্দ্রকে খোঁজে পাঠক, শ্রীকান্ত-র মধ্যেও।’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ৩৩

“নবীন সেনের ‘পলাশীর যুদ্ধ’ থেকে, মাইকেল মধুসূদনের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ থেকে আওড়াতেন।‌ রবীন্দ্রনাথকে খুব একটা পছন্দ করতেন না। বলতেন, ‘রবিবাবুর কবিতায় অশ্লীলতা দোষ আছে।’”

অয়ন মুখোপাধ্যায়

যে পথ ফুরোয় না

সারল্য এবং নির্মমতা, নীরবতা ও সহনশীলতার মধ্য দিয়েও পৃথিবীর গণ্ডিগুলো বারবার ভাঙতে চান বিভূতিভূষণ। অভাবের সংকীর্ণতা কখনও পথের দেবতার আকুল ডাককে পরাস্ত করতে পারে না।

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫৬

‘তারাটি সেলাই করা আঁচলে, সে আকাশ পরেছে।/ রাত হলে জ্বলে ওঠে, সমগ্র শরীর ছায়াপথ…/ সুতো-কারিগর, সেও উল্কা থেকে ছোট চুমকি চেঁছে/ শেষবিন্দু ফোঁড় দেয়। আমাদের মৃত্যু। ভবিষ্যৎ!’

অভিষেক ঘোষাল

ধর্ম, ঔদার্য, দর্শন

বঙ্কিমচন্দ্র কিংবা বিবেকানন্দ যেভাবে অহরহ এবং একরৈখিকভাবে আত্তীকৃত হয়ে চলেছেন আজকের হিন্দুত্ববাদীদের মাধ‍্যমে, সেই সম্ভাবনা রাজনারায়ণের ক্ষেত্রেও প্রবলভাবে রয়েছে। কিন্তু আশার কথা, এমত সম্ভাবনার প্রতিরোধের উপায়ও হাজির তাঁরই লেখাপত্রে।

তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৫৬

২০০৮ সালে যে নাটোরে আমি গিয়েছিলাম ট্রাভেল শোয়ের শ্যুটিং-এ, তার সঙ্গে ২০২২ সালে ফের দেখা নাটোরের তফাত আকাশপাতাল বললেও কম বলা হয়। পরের বারের যাওয়াটা সরকারি আমন্ত্রণে, এপার বাংলার শিল্পী-বুদ্ধিজীবী-সাহিত্যিক দলের সফরসঙ্গী হয়ে।

ইন্দ্রনীল সান্যাল

আলোর গল্প  

‘নারায়ণ ব্যস্ত রইলেন নাটকের মহড়ায় আর নিজের রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে। তা ছাড়া বাচ্চাগুলো ‘মোর বানি ঠাঙ্গাত করে’ গানের সঙ্গে গরবা নৃত্য পরিবেশন করবে। তার মহড়াও আছে। নির্দিষ্ট দিনে মহারাজা এলেন। নাচ-গান সহযোগে তাঁকে বন্দনা করল বাচ্চারা। তারপর শুরু হল অনুষ্ঠান।’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৪৩

‘ফ্ল‍্যাটের ঘরটিতে ঢুকেই চমকে উঠলাম। কঙ্কালসার প্রাক্তন মুখ‍্যমন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র সেন একটি খাটে শুয়ে আছেন। অপরিষ্কার বিছানা, ময়লা চাদর। প্রফুল্ল সেনের পরনে ময়লা একটি ফতুয়া, ময়লা ধুতি লুঙ্গির মতো করে পরা। সারা ঘরে মুড়ি ছড়িয়ে আছে।’

শঙ্করলাল ভট্টাচার্য

নিখিলদাকে যেমন দেখেছি

নিখিলদার সঙ্গে আড্ডা জমত, কারণ নানা বিষয়ে তাঁর অসাধারণ জ্ঞান ছিল। আরও আশ্চর্যের বিষয়, কারও বলা গুরুত্বপূর্ণ কোনও কথা উনি খুব মন দিয়ে শুনে মনে রাখতেন এবং পরে প্রয়োজনে ব্যবহার করতেন।