
শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫৬
‘তারাটি সেলাই করা আঁচলে, সে আকাশ পরেছে।/ রাত হলে জ্বলে ওঠে, সমগ্র শরীর ছায়াপথ…/ সুতো-কারিগর, সেও উল্কা থেকে ছোট চুমকি চেঁছে/ শেষবিন্দু ফোঁড় দেয়। আমাদের মৃত্যু। ভবিষ্যৎ!’

‘তারাটি সেলাই করা আঁচলে, সে আকাশ পরেছে।/ রাত হলে জ্বলে ওঠে, সমগ্র শরীর ছায়াপথ…/ সুতো-কারিগর, সেও উল্কা থেকে ছোট চুমকি চেঁছে/ শেষবিন্দু ফোঁড় দেয়। আমাদের মৃত্যু। ভবিষ্যৎ!’

বঙ্কিমচন্দ্র কিংবা বিবেকানন্দ যেভাবে অহরহ এবং একরৈখিকভাবে আত্তীকৃত হয়ে চলেছেন আজকের হিন্দুত্ববাদীদের মাধ্যমে, সেই সম্ভাবনা রাজনারায়ণের ক্ষেত্রেও প্রবলভাবে রয়েছে। কিন্তু আশার কথা, এমত সম্ভাবনার প্রতিরোধের উপায়ও হাজির তাঁরই লেখাপত্রে।

২০০৮ সালে যে নাটোরে আমি গিয়েছিলাম ট্রাভেল শোয়ের শ্যুটিং-এ, তার সঙ্গে ২০২২ সালে ফের দেখা নাটোরের তফাত আকাশপাতাল বললেও কম বলা হয়। পরের বারের যাওয়াটা সরকারি আমন্ত্রণে, এপার বাংলার শিল্পী-বুদ্ধিজীবী-সাহিত্যিক দলের সফরসঙ্গী হয়ে।

‘নারায়ণ ব্যস্ত রইলেন নাটকের মহড়ায় আর নিজের রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে। তা ছাড়া বাচ্চাগুলো ‘মোর বানি ঠাঙ্গাত করে’ গানের সঙ্গে গরবা নৃত্য পরিবেশন করবে। তার মহড়াও আছে। নির্দিষ্ট দিনে মহারাজা এলেন। নাচ-গান সহযোগে তাঁকে বন্দনা করল বাচ্চারা। তারপর শুরু হল অনুষ্ঠান।’

‘ফ্ল্যাটের ঘরটিতে ঢুকেই চমকে উঠলাম। কঙ্কালসার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র সেন একটি খাটে শুয়ে আছেন। অপরিষ্কার বিছানা, ময়লা চাদর। প্রফুল্ল সেনের পরনে ময়লা একটি ফতুয়া, ময়লা ধুতি লুঙ্গির মতো করে পরা। সারা ঘরে মুড়ি ছড়িয়ে আছে।’

নিখিলদার সঙ্গে আড্ডা জমত, কারণ নানা বিষয়ে তাঁর অসাধারণ জ্ঞান ছিল। আরও আশ্চর্যের বিষয়, কারও বলা গুরুত্বপূর্ণ কোনও কথা উনি খুব মন দিয়ে শুনে মনে রাখতেন এবং পরে প্রয়োজনে ব্যবহার করতেন।

এই যে অভয়বাবু বলেছিলেন ‘পারা যাচ্ছে না’, তার কারণ তিনি ভয় পাচ্ছিলেন। কৌস্তভকে বিচক্ষণ প্রমাণ করে চেঞ্জ তো হয়েছে, কিন্তু অভয়বাবুর ভয় কাটেনি। ভয়টা ছোট মেয়ের জন্য।

‘বংশপরিচয়ের বাইরে গিয়ে স্বর্ণকুমারী নিজের সাহিত্যিক-সামাজিক সত্তাকে যেভাবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, আজ সে প্রসঙ্গেই কথা হওয়া উচিত। ঠাকুরবাড়ির প্রতিভার ভিড়ে, সেই মাপকাঠিতে নিজের অবস্থান তৈরি করা এ এক নতুন আত্মপরিচয়ের প্রতিষ্ঠার গল্প।’

আপাত-উদ্ভট সংলাপ কিংবা ঘটনাক্রমের মধ্যে দিয়ে রূঢ় বাস্তবতাকে তুলে আনা, প্রতীক-অবচেতন-কল্পনার অপ্রত্যাশিত ঘটনাবলি, পরাবাস্তববাদ, যৌনতার নতুন প্রকাশ, শব্দ নিয়ে খেলা— এগুলোই বলরাম বসাকের ছোটগল্পের মূল ভিত্তি। বিপন্নতার অজস্র টুকরো তাঁর বইয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

“তখন দুপুর দেড়টা, চান করিনি, খাইনি। সত্যদা বললেন, ছাড়ো তো..। বাগবাজারে ‘যুগান্তর’ অফিসে যেতে হবে, অমিতাভ চৌধুরী তোমাকে নিয়ে যেতে বলেছেন। সুনীলদা বললেন, আমি তোমার বাড়িতে বলে দেব।”

তেলেঙ্গানার এক যুবক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বহিষ্কৃত হন, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল প্রাক-বৈবাহিক যৌনতায় লিপ্ত হওয়ার। এই ঘটনার পরেই আদালতে মামলা দায়ের হয়। প্রশ্ন ওঠে

‘‘কবিতা লিখে আমরা ঠিক কী চাই? দ্বিতীয়ত, কোন মুহূর্তে মনে আসে একটা লেখা প্রকাশ করা উচিত? তৃতীয়ত, ঠিক কোন কারণে একটা লেখাকে ‘কবিতা’ বলব? চতুর্থত, সোশ্যাল মিডিয়ায় কবিতা প্রকাশ করলে কি বাড়তি কিছু মানসিক তৃপ্তি ঘটে? এবং পঞ্চমত, কেউ-কেউ নয়, সকলেই কবি?’’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.