
সংবাদ মূলত কাব্য : পর্ব ৩৮
“তখন দুপুর দেড়টা, চান করিনি, খাইনি। সত্যদা বললেন, ছাড়ো তো..। বাগবাজারে ‘যুগান্তর’ অফিসে যেতে হবে, অমিতাভ চৌধুরী তোমাকে নিয়ে যেতে বলেছেন। সুনীলদা বললেন, আমি তোমার বাড়িতে বলে দেব।”

“তখন দুপুর দেড়টা, চান করিনি, খাইনি। সত্যদা বললেন, ছাড়ো তো..। বাগবাজারে ‘যুগান্তর’ অফিসে যেতে হবে, অমিতাভ চৌধুরী তোমাকে নিয়ে যেতে বলেছেন। সুনীলদা বললেন, আমি তোমার বাড়িতে বলে দেব।”

তেলেঙ্গানার এক যুবক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বহিষ্কৃত হন, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল প্রাক-বৈবাহিক যৌনতায় লিপ্ত হওয়ার। এই ঘটনার পরেই আদালতে মামলা দায়ের হয়। প্রশ্ন ওঠে

‘‘কবিতা লিখে আমরা ঠিক কী চাই? দ্বিতীয়ত, কোন মুহূর্তে মনে আসে একটা লেখা প্রকাশ করা উচিত? তৃতীয়ত, ঠিক কোন কারণে একটা লেখাকে ‘কবিতা’ বলব? চতুর্থত, সোশ্যাল মিডিয়ায় কবিতা প্রকাশ করলে কি বাড়তি কিছু মানসিক তৃপ্তি ঘটে? এবং পঞ্চমত, কেউ-কেউ নয়, সকলেই কবি?’’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে সত্যজিৎ রায়, নির্মাল্য আচার্য ও তুষার চৌধুরী।

‘ভাস্কর স্যার ও-পথে কখনও যাননি। তাঁর মোক্ষম অস্ত্র ছিল একটিই। শ্লেষ। পড়া না পারলে, ভুলভাল উত্তর দিলে, বা হোমটাস্ক না করে এলে বকুনি বা মারধর, কোনওটাই তাঁর ধরন ছিল না। বরং এমন একখানি বাক্যবাণ ছুড়ে দিতেন, শুনে মনে হত এর চেয়ে নিল ডাউন করিয়ে রাখলে ভাল হত।’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, সুবো আচার্য ও কাঞ্চন কুমার।

হিমানীশদার হিউমারের ধরনটা ইদানীংকার প্রচলিত হিউমারের চেয়ে আলাদা। হিম-অনীশ বললেই যেন তার সঠিক পরিচয় দেওয়া হয়। ইংরেজিতে cold and godless. আবেগতপ্ত না হয়ে জগৎসংসারের মজাটুকু, তার অসংগতিটুকু, নির্লিপ্তভাবে ছেঁকে নেওয়া। সেই অর্থে হিমশীতল। আর তিনি ছিলেন একান্তভাবেই অনীশ, নিরীশ্বরবাদী।

আমার বাবার কথা বলতে গেলে মনে পড়ে যায় তাঁর হাসিমাখানো মুখটি। কৌতুকভরা চোখদু’টি জানান দিত যে, মনের মধ্যে সঞ্চিত রসাধারে ক্রমাগত পাক দেওয়া চলছে। সেই রসের স্বাদ লেগে থাকত তাঁর বলা কথায় এবং লেখায়। কথায়-কথায় Pun সৃষ্টি করা— সোজা কথার উল্টো মানে আবিষ্কার করে মজা সৃষ্টি করা ছিল তাঁর কাছে অতি সহজ ব্যাপার।

২০২৫-এর ‘সাহিত্য অকাদেমি’ পুরস্কারের জন্য বাংলা থেকে নির্বাচিত হলেন কবি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘‘দে’জ পাবলিশিং’’ থেকে প্রকাশিত তাঁর ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ বইটির জন্য। তাঁর সঙ্গে কথোপকথনে অভীক মজুমদার। সাক্ষী রইল ডাকবাংলা.কম।

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ত্রিদিব মিত্র ও অরণি বসু।

“আসলে সাহিত্যের সত্য সম্পর্কে অন্নদাশঙ্করের স্পষ্ট ধারণা ছিল— বৈজ্ঞানিক বা দার্শনিক সত্যের সঙ্গে সাহিত্যিক সত্যের তিনি তুলনা হয় বলে মনে করতেন না। সাহিত্যের কাজ জ্ঞানের সীমা বাড়ানো নয়, তা করবে দর্শন-বিজ্ঞান। কিন্তু সাহিত্য মানুষের মনকে এক পলকের জন্যও নিরস হতে দেয় না। সবুজ রাখে। সভ্যতার ইতিহাসে সাহিত্যের সত্য হাজার হাজার বছরে বদলায়নি।”

লেখক-প্রকাশকের সম্পর্ক বিষয়ে উপমার অধিরাজ শংকরের দু’টি অভিমত ছিল: কোনও কারণে হতাশ হলে বলতেন, ‘শাশুড়ি-পুত্রবধূর মতো’; হতাশা কাটিয়ে উঠলে বলতেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর চেয়েও বেশি, মৃত্যুতেও শেষ হয় না’। তবুও না বললেই নয়, ভারতীয় গ্রন্থসংস্কৃতিতে লেখক-প্রকাশকের সম্পর্কটি চরিত্রগতভাবে বহুমাত্রিক— মোটের ওপর ট্র্যানজ্যাকশনালের চেয়ে বেশি রিলেশন্যাল
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.