পত্রিকা

Representative Image
গৌতম ঘোষ

সিঙ্গল : পর্ব ৩

‘মাল্টিপ্লেক্স এল, সিঙ্গেল থিয়েটার আস্তে-আস্তে কমতে আরম্ভ করল। মাল্টিপ্লেক্স-সংস্কৃতি আমেরিকা-তেই প্রথম শুরু হয়েছিল, কারণ ওরা দেখল লোকজন সিনেমাহল-বিমুখ হয়ে পড়ছে ক্রমাগত। রেস্টুরেন্ট-জামাকাপড়— এসবের মধ্যে সিনেমাহল নিয়ে এলে নাকি, লোকের দেখার সম্ভবনা বেড়ে যায়।’

Representative Image
ডাকবাংলা.কম

সাক্ষাৎকার: আর্ট বইজু

‘আমি বেশি লাভের মুখ দেখেও, শুধুমাত্র নীতির কারণে সে-পথে পা বাড়ালাম না। আসলে জীবনে কারও কাছে বিন্দুমাত্র কিছু পেলে তাঁর অবদান আমি অস্বীকার করতে পারি না।’

মন্দার মুখোপাধ্যায়

সিঙ্গল : পর্ব ২

সময়ের বদলে পরিবার নামক তথাকথিত যৌথতাকে পাশ কাটিয়ে মেয়েরাই যখন নিতে চাইছে একক সিদ্ধান্তে মা হওয়ার দায় এবং দায়িত্ব, তখন সেটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে তার সম্মত নির্বাচন; অভিমান, কুৎসা বা করুণা কোনও কিছু দিয়েই হেয় করা যাচ্ছে না তাকে।

Representative Image
মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়

মানবজমিনের ‘চাষা’

‘‘১৯২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি এল্‌মহার্স্ট রথীন্দ্রনাথ-সহ কয়েকজনকে নিয়ে ঘুরে গেলেন সুরুল। ফিরে এসে শান্তিনিকেতন বাড়ির দোতলায় রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতিতে শুরু হল পরিকল্পনা। সাহেব আর দেরি করতে চান না। অতএব, পরদিন ৬ ফেব্রুয়ারিই শুরু হয়ে গেল সুরুলের ‘স্কুল অফ এগ্রিকালচার’-এর কাজ।’’

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ১৩

‘বড়পিসেমশাই ঘরের ছাগলদের নিয়ে যেতেন হিসি করাতে। বাচ্চাদের হিসি করানোর সময়ে মায়েরা যেমন জিভে শিস্‌ধ্বনির মতো এক ধরনের আওয়াজ করে,  যে-আওয়াজটা অক্ষর সাজিয়ে বলা যাবে না, তেমন আওয়াজই করতেন এবং আশ্চর্য— ছাগলেরা হিসিও করত।’

দেবজ্যোতি মিশ্র

সিঙ্গল : পর্ব ১

সিঙ্গল্‌স-এর মধ্যে অনেকগুলো গানের একসঙ্গে হেরে যাওয়ার ভয় নেই। এই তুলনাটা করা যায়, রেসের মাঠে যাওয়া মানুষের সঙ্গে। যারা বারবার হেরে যাওয়ার পরেও মাঠে যায়, তাদের সঙ্গে পার্থক্যটা এখানেই, সিঙ্গল্‌স একবারের তুক্কা খেলা। একবার বিফল হলে আবার নতুন করে তার সূচনা, শুরু থেকে।

সঞ্চারী মুখোপাধ্যায়

বৈশাখে বাঙালি হব

মননে কি সত্যিকারের বাঙালি হয়ে উঠতে পারবেন বাবু-বিবিরা? বাঙালি মননের অভিজ্ঞান কিন্তু রাজনীতির ময়দানের অশান্তি আর কথা-চালাচালি নয়, আর সেই নিয়ে রোজ-রোজ টিভির পর্দায় অসভ্যের মতো গলা ফাটানো নয়। সর্বক্ষণ বাড়ি, গাড়ি, ফ্ল্যাটের ইএমআই-এর হিসেব কষাও নয়।

শিলাদিত্য সিংহ রায়

যামিনী-সুরাবর্দি সম্বাদ

‘১৯৩৬-এর শুরু থেকেই হাসান শাহিদ সুরাবর্দিকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় বুধমণ্ডলীতে। মনে রাখতে হবে, যামিনী রায় তখনও সে-আড্ডার সক্রিয় সদস্য নন, যদিও তাঁর অনুপস্থিতিতেই উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার আড্ডায় তাঁকে নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা চলেছে দিনের পর দিন— প্রধানত সুধীন্দ্রনাথ ও সুরাবর্দির আগ্রহেই।’

Representative Image
শমীক ঘোষ

নিজেকে চেনার অস্বস্তি

‘এমন গল্পকে মার্ক্সের চোখ দিয়ে দেখাই দস্তুর। এমন গল্পকে অর্থনীতির চোখ দিয়েও দেখা যেত। কিন্তু আমরা যদি এই এক আনাটাকে একটা ডিসরাপশান— ব্যাঘাত হিসেবে দেখি?’

সম্প্রীতি চক্রবর্তী

মতাদর্শের ঢাল

‘‘১৯৪৯ সালের একটি ভাষণে আম্বেদকর বলেছিলেন: ‘সংবিধান যতই উৎকৃষ্ট হোক না কেন, তা সবসময় পরিণতি পায় না, কারণ যারা এটি কার্যকর করতে সচেষ্ট, তার ভাল লোক নাও হতে পারে।’ অর্থাৎ, একটি দেশের সংবিধানকে কার্যকর করবার জন্য যে সৎ উদ্দেশ্যের প্রয়োজন হয়, তার কোথাও ঘাটতি দেখা যাচ্ছে, এমন উপলব্ধি গোড়াতেই বাবাসাহেবের হয়েছিল।’’

শান্তনু মৈত্র

ছক ভাঙার কণ্ঠ

আশা ভোঁসলে বিশেষ করে মেয়েদের স্বাধীন ইচ্ছের কণ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন। সোজা কথায় বলতে গেলে মেয়েদের কন্ঠে কোনও আড়ষ্টতা ছাড়াই ‘সেন্সুয়াস’ ব্যাপারটাকে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। আর বুঝিয়েছিলেন, এই অনুভূতিটা প্রকাশ করার মধ্যে কোনও লজ্জা বা সংকোচ নেই। আবার অনেক সময়ে অভিনেত্রীরাও ওঁর গায়কী অনুযায়ী নিজেদের অভিনয়কে চালিত করতেন।

Representative Image
অভিজিৎ দাশগুপ্ত

সুরের ঠিকানা

‘‘রাহুলদেব বর্মণের সংগীতে যে-ছন্দের বৈচিত্র্য, কণ্ঠের ব্যবহার, পরীক্ষার সাহস— সেটা সম্ভব হয়েছিল কারণ তিনি নিজে যেমন অসাধারণ প্রতিভাবান ছিলেন, তেমনই আশা ভোঁসলেও ছিলেন তাঁর এক বিশাল শক্তি। আশা শুধু গায়িকা ছিলেন না, তিনি ছিলেন ‘রিসোর্স’, এক সৃষ্টিশীল সঙ্গী…’’