
উল্টো দূরবিন: পর্ব ১০
‘ওঁর সঙ্গে কথা বলতে গেলে, আমি খুব তোতলাতাম। হ্যাঁ, বলা হয়নি, আমি খুব ছোটবেলায় তোতলা ছিলাম। এতে আমার একটা সুবিধা ছিল, স্কুলে স্যারেরা পড়া ধরতেন না। কলেজে ঢুকে একটু এসএফআই করতাম, বক্তৃতাও দিতাম, তখনই তোতলামিটা চলে যায়।’

‘ওঁর সঙ্গে কথা বলতে গেলে, আমি খুব তোতলাতাম। হ্যাঁ, বলা হয়নি, আমি খুব ছোটবেলায় তোতলা ছিলাম। এতে আমার একটা সুবিধা ছিল, স্কুলে স্যারেরা পড়া ধরতেন না। কলেজে ঢুকে একটু এসএফআই করতাম, বক্তৃতাও দিতাম, তখনই তোতলামিটা চলে যায়।’

‘‘‘তখন বিকেল’-এ, তাপস সেন অলোকসম্পাত করেছিলেন। প্রায় নিরাভরণ মঞ্চে, অসিত মুখোপাধ্যায়, শিপ্রা লাহিড়ী দু’জনে পাশাপাশি বসে কথা বলছেন। ওপরে একটা বড় ছাতা। তারপরে সন্ধে ঘনায় এই ভাব অনুযায়ী আলো পাল্টাতে থাকে। সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য।’’

সমুদ্র তখন উদ্দাম। ঢেউ এসে পড়ছে মঞ্চের ওপর, সপাট। দেখার মতো, বৃষ্টির মধ্যেই অভিনেতারা নাচছে, লাফাচ্ছে, এর-ওর ঘাড়ে উঠছে, কেউ পিছল পাথরে পড়েও যাচ্ছে না। কারও খালি গা, কেউ কোনও বর্ষাতি পরে নেই। ওই ঠান্ডায়, ওই বৃষ্টির মধ্যে। তার মধ্যে অমন সুরে গান গেয়ে চলেছে ওরা টানা।

‘বয়স যত বেড়েছে, উত্তর ভারতের দিল্লি, পঞ্জাব কিংবা চণ্ডীগড়ের ছোট গলি পুরনো বাড়ির দালান, ভিড় বাস কিংবা গুরদোয়ারার ভিড়কে কেন্দ্রে রেখে মিলিয়ে নিতে চেয়েছি তিন বোনের তিনটি উচ্চতার তিনরকম গড়নের মিলে যাওয়া কোনও অস্তিত্ব।’

গঙ্গাকে ঘিরে শুদ্ধতার যে ধারণা নির্মিত হচ্ছে, তার মধ্যে ধর্ম না পরিবেশ, দাঁড়িপাল্লার ওজনে কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে রয়েছে? পরিবেশগতভাবে গঙ্গা নিয়ে কথা উঠলে এই প্রশ্নও উঠে আসবে, গঙ্গা নদীকে পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে আদৌ কতটা কঠোর প্রশাসন? গঙ্গায় প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে কি এতটাই তৎপর হতে দেখা যায় প্রশাসনকে?

নীলাব্জ এসে নীলার পাশে বসে পড়ল— কী ব্যাপার? নতুন প্রেম নাকি? নীলা একটু হাসল— প্রেম না। নতুন সঙ্গী।নীলাব্জ ভুরু কুঁচকে বলল— অমর সঙ্গী? দেখি! দেখি! কে সেই ভাগ্যবান? নীলা ফোনটা এগিয়ে দিল। স্ক্রিনে একটা চ্যাট উইন্ডো। ওপরে লেখা— AI Companion. নীলাব্জ হুব্বা হয়ে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে রইল— মানে… তুমি একটা অ্যাপের সঙ্গে কথা বলছিলে?

‘‘মজার কথা হল, এখনও অনেকেই এটাকে হিংসা বলতেই নারাজ। ‘ও তো অনলাইনে হয়েছে’, ‘ওসব পাত্তা দিও না’, ‘ব্লক করে দাও’, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকলে এগুলো একটু হবেই’— এইসব কথার মধ্যে আমাদের সমাজের পুরনো নিষ্ঠুরতা খুব আরামে হাই তোলে।’’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে উৎপল কুমার বসু ও প্রভাত চৌধুরী

‘একবার রেঙ্গুন থেকে দু’জন এল, ওদের কলকাতা দেখাতে নিয়ে যাওয়া হবে। কেন কে জানে, আমাকেও নিয়ে গেলেন। তখনও পিসেমশাইয়ের গাড়ি ছিল না। কোনওভাবে একটা গাড়ি জোগাড় করেছিলেন, কিম্বা ভাড়া নিয়েছিলেন।’

১৯৮০-র ডিসেম্বরে আমরা যখন চম্বলে পৌঁছেছিলাম, তখন ঠাকুরদের গ্রামে গণধর্ষিতা ফুলন প্রতিহিংসার আগুনে দপদপ জ্বলছেন, বদলা নেওয়ার ছক কষছেন। আর অগুনতি খুনখারাপি সেরে মালখান সিংয়ের ক্রোধ নির্বাপিত হয়েছে, সারেন্ডারের উপায় খুঁজছেন।

বিকেলের দিকে কালীঘাট রোডের ওপর বরফের গাড়ি ঘুরত। সেখানে বরফ থাকত লাল শালুতে মোড়া। সামনে কাঠ ঘষার রেঁদা। সেখানে বরফ ঘষলে ঝুরো ঝুরো হত, সেগুলো ছোট একটা গ্লাসের ভেতর ঢুকিয়ে লাল-সবুজ মিষ্টি সিরাপ দিয়ে একটা কাঠি গুঁজে দিত। খেতাম মাঝেসাঝে। কালীঘাট রোডের ওপর রকমারি খাবার জিনিস ঘুরত, যেমন সব তীর্থক্ষেত্রে ঘোরে।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.