পত্রিকা

Representative Image
সৌভিক চট্টোপাধ্যায়

জনপ্রিয়তার পাদটীকা

‘‘শংকরকে নিয়ে প্রথমদিকের আলোচনাগুলি প্রায়শই অতি-সংক্ষিপ্ত। সাধারণত, একটি অনুচ্ছেদও বরাদ্দ নয় শংকরের জন্য, কখনও-বা একটি মাত্র লাইনে আরও পাঁচজন ‘জনপ্রিয়’ লেখকের সঙ্গে একসুরে উচ্চারিত হন শংকর।’’

Representative Image
তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৪২

‘লক্ষ করে দেখেছি, আমেরিকানরা হাইওয়ে আর গাড়ি— এই দুটো ব্যাপার নিয়ে বেশ আবেগপ্রবণ। নামকরা হাইওয়ে আর গাড়ির নম্বর-প্লেট লেখা ট্যাবলেট বিক্রি হয় স্যুভেনির শপে। লোকে সাজিয়ে রাখে বাড়িতে। কথাবার্তা বলে জেনেছি এর পিছনে কী কারণ থাকতে পারে।’

Representative Image
স্বস্তিক চৌধুরী

অ-সংসদীয়

‘সরকারের বয়ান, জেনারেল নারাভানে নিজের বক্তব্যের সত্যতা প্রমান করতে কোর্টে যেতে পারেন। প্রতিনিয়ত যে বিজেপি সেনাকে উচ্ছ্বসিত সম্মানে ভরিয়ে রাখে, তারাই প্রাক্তন সেনা অধ্যক্ষকে কোর্টের রাস্তা দেখাচ্ছেন।’

শুভঙ্কর দে

শংকরজেঠুকে

‘‘কত অজানারে’ বই হিসেবে প্রকাশিত হওয়ার আগে ‘দেশ’ পত্রিকায় তা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। প্রকাশের সময় থেকেই আলোড়ন পড়ে যায় পাঠক-মহলে। একুশ বছরের এক বালক ‘দেশ’ পত্রিকার অফিসে তাঁর পাণ্ডুলিপি জমা দিয়ে আসেন।’’

বরুণ চন্দ

মণিদা

‘‘মণিদার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ধীরে ধীরে মধুর হয়ে ওঠে। শেষের দিকে যখন বিভিন্ন সভায় আসতেন, তখন উঠে দাঁড়াতে পারতেন, হাঁটতেও পারতেন অল্প, কিন্তু আসতেন মূলত হুইলচেয়ারে। আমি অনেক সময়ই সেই হুইলচেয়ার ঠেলে নিয়ে গেছি। সেটা আমার ‘প্রিভিলেজ’।’’

ডাকবাংলা.কম

চোখ-কান খোলা : পর্ব ২০

‘‘এআই বিষয়টিকেই চমস্কি একবার ‘প্ল্যাজিয়ারিজম’ বলে দাগিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ, মানুষের বুদ্ধি ধার করেই তো তার সংসার চলে। তবে, সুকুমার রায়ের কথামাফিক গোঁফ কারও কেনা না হলেও, এআই-এর মালিকানা যে বেশ শক্তপোক্ত, তা এই ঘটনায় আরও একবার পরিষ্কার।’’

Representative Image
অনুপম রায়

নীলা-নীলাব্জ: পর্ব ২৩

‘এটা সিনেমার দোষ না। এটা মানুষের মনস্তত্ত্ব। তুমি নিজেই তো তোমার জীবনের ডিরেক্টর। মেমরি কি মন্তাজ নয়? তুমি নিজেই কাটছাঁট করো, ড্রামাটাইজ  করো। তাহলে সিনেমাকে দোষ দিচ্ছ কেন?’

জগন্নাথদেব মণ্ডল

চারটি তারার তিমির

‘জীবনানন্দ দূরের কবি নন। অনুভব করি। কলকাতার ভাড়াবাড়িতে থাকি। দু’মুঠো ফুটিয়ে খাই। পথ হাঁটি। সময় পেলেই পথ হাঁটি। মানিব্যাগে ওষুধ রাখা থাকে। টলে গেলে দ্রুত খেয়ে নিতে হবে। ক্লান্ত হয়ে নিঃসঙ্গ ঘুমিয়ে পড়ি।’

Representative Image
সৃজন দে সরকার

ভুজঙ্গধর

‘‘মঙ্গলকাব্যের কবিরা দেখিয়েছেন— গ্রাম্য চরিত্রের একজন বেদে, বিশেষ করে অনার্য সম্পর্কিত বেদে-দলের নেতা হচ্ছেন ‘শিবঠাকুর’। অন্নদামঙ্গলে সরাসরি বলা হয়েছে, ‘কেহ বলে ঐ এল শিব বুড়া কাপ।/ কেহ বলে বুড়াটি খেলাও দেখি সাপ।।’’

তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল : পর্ব ১০

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ভাস্কর চক্রবর্তী

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ৭

‘কালীমন্দির থেকে বেরিয়ে কালীঘাট বাজার পেরিয়ে ট্রামলাইনের দিকে যাওয়ার আগে দেবালয়ের ঘুড়ির দোকানের পরে একটা বিখ্যাত খাটাল ছিল। সেখানে সকাল-বিকেল অনেকেই ঘটি-ক্যান নিয়ে হাজির হত। জল ছাড়া দুধ নেওয়ার জন্য। মায়ের খুব ইচ্ছে ছিল— মাঝে-মাঝেই বলত, বোতলের দুধে কী থাকে, ছেলেটার গায়ে লাগে না।’

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ৪

‘এখন যেমন প্রচুর স্বপন। শ্মশান স্বপন, নাটা স্বপন, লম্বু স্বপন, ট্যারা স্বপন, হাতকাটা স্বপন ইত্যাদি। আমার চেয়ে কয়েক বছরের বড় একজন স্বপন ছিলেন। অধ্যাপক স্বপন মজুমদার।’