
আমার প্রফুল্লদা…
‘প্রফুল্ল রায়ের জীবন দর্শন ছিল, যে লেখায়, ‘মানুষ-মাটি-সময়’ থাকে না, সে-লেখা আর যাই হোক সাহিত্য নয়। সে-লেখাও থাকবে না। এটা উনি শুধু বলতেন না, নিজের লেখায় তা পালন করতেন।’

‘প্রফুল্ল রায়ের জীবন দর্শন ছিল, যে লেখায়, ‘মানুষ-মাটি-সময়’ থাকে না, সে-লেখা আর যাই হোক সাহিত্য নয়। সে-লেখাও থাকবে না। এটা উনি শুধু বলতেন না, নিজের লেখায় তা পালন করতেন।’

গল্প শুনতাম, এই রেল ইয়ার্ডের সব জমিই ছিল কালীপ্রসন্ন সিংহের,এই বাড়িটা ছিল কাছারিবাড়ি। কালীপ্রসন্নর কাছারিবাড়িতে যাতায়াত করছি, এটা ছোটবেলার অন্যতম রোমাঞ্চকর ঘটনা ছিল,। খুব সম্ভবত এই বাড়ি থেকেই প্রকাশ করেছিলেন, অষ্টাদশপর্ব মহাভারতের অনুবাদ।

‘এই যে পৃথিবী থেকে পৃথিবীর জল অনন্ত ও আদিম, এই যে আমার বন্ধুপ্রিয় আলোমধুভ্রমর গান তোমার সামনে তখন আমি থাকি, তুমি দেখতে পাও। তুমি যখন দেখতে পাও না, তখনও আমি থাকি।’

‘আপনার ফুল ভাল লাগে— এই যুক্তিতে যদি আমি, গাঁদাফুলের বিরিয়ানি আর রজনীগন্ধার রেজালা আপনাকে খাওয়াতে চাই, আপনি কি মেনে নেবেন?
ঠিক তেমনই, গান কখন যে এসে গুঁতিয়ে দেবে, তার ঠিক নেই।’

পথে, পথের প্রান্তে— সুর ছড়িয়ে থাকে। হয়তো সারা বিশ্বের ক্ষেত্রেই এ-কথা প্রযোজ্য। কিছু মানুষ সেই সুরে আশ্রয় করে জীবনযাপন করেন। তাঁরা হয়তো ‘well-celebrated’ নন, কিন্তু নিজের গানের কাছে, ১০০ শতাংশ সৎ। তাঁরা গানকেই বেছে নিয়েছেন দু’মুঠো অন্ন জোগাড়ের আঁচল হিসেবে।

‘কিন্তু এখানে মনে রাখতে হবে, এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে, ইংলিশ ব্যান্ডের শ্রোতা এবং ভোক্তা কারা? তারাও কি রবীন্দ্রনাথকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত? একটাও বাঙালি সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত বাড়িতে কোনও অনুষ্ঠানে কি এখন ইংলিশ ব্যান্ডকে ডাকা হয়?’

ইরান নিজের দেশে স্বাধীনতা চায়, কিন্তু সেই স্বাধীনতা দেবে আমেরিকা ও ইজরায়েল? এমন দাবি ইরান মানবে কেন?

‘বিশ্ব শরণার্থী দিবস নিয়ে আবেগমাখা একটি লেখা, কিছু মূল্যবান চোখের জল, জরুরি বিষণ্ণতার চেয়েও বেশি দরকার প্রকৃত যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনের শরিক হওয়া, বাস্তুচ্যুতির বিরুদ্ধে কথা বলা।’

‘গুগি বলে ওঠেন, দুনিয়ার নিয়ম সব কাজ সবাই করবে, কাজের কোনও নারী/পুরুষ হয় না— এটাই আদি এবং এটাই অন্ত। পুরুষ হওয়ার পরেও গুগি নারীকে দেখতে জানেন, তাই গুগি অনায়াসে বলে চলেন নারীকে।’

‘এবং সত্যিই ষোলো বছরের অধ্যাপনা ছেড়ে দিয়ে ‘আজকাল’-এ চলে গেলাম, যে কাগজ তখনও বেরয়নি। শুধুমাত্র গৌরদা বলেছিলেন বলে, “তোকে আমার চাই। তুই যা খুশি, তাই লিখবি…”’

‘দ্য লুম্বিনী মাস্টার প্ল্যান’ কিন্তু, বৌদ্ধ সংস্কৃতির অঙ্গ, জ্যামিতিক নকশা মেনে তৈরি, নির্বাণলাভের পথরেখা। তবে সত্যিই কি আর নির্বাণের রোড ম্যাপ হয়? ঐ আমার-আপনার মতো ভোগীদের সাময়িক আলোর পথযাত্রী করে তোলার একটা প্রয়াস আর কী!

‘শুধু পোশাক এক করলেই সমতা আসে? কে স্কুলবাসে আসে, কে দামি গাড়িতে আসে, কে টিফিনে কী নিয়ে আসে, কে কত দামি পেনসিলবক্স নিয়ে আসছে, এখানে তফাত তৈরি হয় না? বাচ্চারা সবই বুঝতে পারে। ফালতু এক রকমের জামা পরিয়ে দিলেই সাম্য আসবে না।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.