
‘বই বিষয়ে স্থানীয়দের উৎসাহিত করা, লাইব্রেরির গ্রন্থসম্ভারের কথা পাঠকদের জানানো, পাঠকদের রুচি অনুযায়ী বই জোগান দেওয়া— সেরকম করে যদি অন্যান্য লাইব্রেরিয়ানরাও ভাবেন, ছোট-ছোট লাইব্রেরিগুলোকে কি আরও কিছুদিন বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হবে না?’

‘ছাই রঙের এক চোখজ্বালানিয়া ধোঁয়া আমাদের উঠোন পার করে চলে যেত দূর-দূরান্তে। কখনও সকালে, কখনও সন্ধের মুখে। তার সঙ্গে মিশে যেত দূর কোনও কারখানার সাইরেনের আওয়াজ বা পাশের বাড়ির শাঁখ।’
‘হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল’। পর্ব ৪৪…

‘গ্রে-সেক্সুয়ালিটি শুধু যৌনতার ধূসর অঞ্চল নয় বরং সমসাময়িক সমাজে যৌন পরিচয়ের নতুন বাস্তবতাকেও সামনে নিয়ে আসছে। বিশ্বব্যাপী গবেষণায় দেখা গেছে, যৌন পরিচয়ের বহুমাত্রিক মানচিত্রে গ্রে-সেক্সুয়ালিটি ধীরে ধীরে স্বীকৃতি পাচ্ছে, যদিও এখনও এটিকে আলাদা পরিসংখ্যান হিসেবে ধরা কঠিন।’

‘প্রিমিয়ারের কত্তাদের যুক্তি সম্ভবত এই: আশপাশের বাড়ির লোকের কথা তো আমি ভাবব না, আমার টার্গেট রাস্তা দিয়ে চলা জনতা এবং বাস, অটো, গাড়ি, রিকশার স্রোতের ভেতর থাকা পাবলিক, যারা যেতে যেতে একঝলক দেখে ও শুনে প্রচুর মুগ্ধতা ও কৌতূহল নিয়ে বাড়ি ফিরবে।’

‘তারাপদ রায়ের কবিতার ভাষা যে চোখে পড়ার মতো সরল এবং চাকচিক্যহীন, নিশ্চিত। তবে, বেশ কিছু অদ্ভুত কবিতা লিখেছিলেন তিনি, সে-যুগের কবিতার পাশাপাশি রেখে সেগুলো পড়লে চমকে তো উঠতেই হয়, উদ্ভট রসের কবিতার এমন উদাহরণ আর দ্বিতীয়টি মেলে না।’
তারাপদ রায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ…

এক প্রবাদপ্রতিম কবির কবিতা অনুবাদ করছেন আরেক প্রবাদপ্রতিম কবি! কোথাও কি হারিয়ে গেল ভাষার জাদু?

‘যে-কোনও রাষ্ট্র এবং সমাজের আইন আদর্শগতভাবে একটি নিরপেক্ষ নিয়মাবলী। কোনও অবস্থাতেই তার পরিবর্তন চলে না। কিন্তু সদা পরিবর্তনশীল মানব সমাজ ও জীবনে কীভাবে তা খাপ খায় তাও ভেবে দেখা দরকার।’
ফ্রাঙ্ক ক্যাপ্রিও স্মরণে বিশেষ নিবন্ধ…

‘অদ্ভুত ব্যাপার, কেউ সপরিবার রাত করে বাড়ি ফিরলে অশান্তি করত না, একা কেউ ফিরলেই তাদের হাঁকডাক শুরু হয়ে যেত। এইরকম পরিবার-বান্ধব কুকুরদের খাবারের অভাব হবে না, এটাই তো স্বাভাবিক!’
পথকুকুরদের নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ…

“স্কুলের চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে ১৯৭৮ এর ১ সেপ্টেম্বর আমি ইত্যাদি প্রকাশনীর ‘পরিবর্তন’ পত্রিকাটিতে যোগ দিই। ওই দিনই ‘পরিবর্তন’ নামের সংবাদ সাপ্তাহিকটির প্রথম সংখ্যা বের হয়।”
সংবাদ মূলত কাব্য। পর্ব ১৭…

“এবার এল সাতের দশকের অভিঘাত। এল বসন্তের বজ্রনির্ঘোষ। ‘অনুষ্টুপ’-এর নতুন সাপ্তাহিক আড্ডাস্থল হল পাইকপাড়া… ‘অনুষ্টুপ’-এর নিজস্ব কার্যালয় হল ’৮০-’৮১ সালে। ২-ই নবীন কুণ্ডু লেন। সেখানে বসত নিয়মিত আড্ডা। গল্পকার ও কবিরা নিয়মিত আড্ডা বসাতেন।”

‘কবিতা নিয়ে মিথ্যাচার করেছেন বলেই, তা ‘দুর্নীতি’। কিন্তু জয় যেভাবে তাঁর অস্বস্তির কথা, মিথ্যাচারের কথা, প্রতারণার কথা উগড়ে দিচ্ছেন লেখায়— অন্য কবিরা সবাই কি তা করে থাকেন? যদি না করেন, পাঠক বুঝবেন কী উপায়ে, কোনটা নীতিবিরুদ্ধ আলোচনা আর কোনটাই-বা আন্তরিক?’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.