পত্রিকা

পৃথিবীর সেরা দশটি পৌরাণিক কাহিনি

একটি পৌরাণিক গল্পর অনুগামীরা যে তাঁদের সত্যটিকেই ধ্রুব সত্য বলে বিশ্বাস করেন, সে-কথা অবশ্য অনস্বীকার্য। বহিরাগতদের তাঁদের সাথে মতান্তর ঘটে। এই মতান্তর থেকেই জন্ম নেয় যত গোষ্ঠীগত, ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয়-রাজনৈতিক সংঘর্ষ, যুদ্ধবিগ্রহ। আমরা বরং পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দশটি পৌরাণিক গল্প নিয়ে তুলনা করে দেখি, কীভাবে বিভিন্ন সমাজের মানুষ এই পৃথিবীর স্বরূপ চেনার চেষ্টা করেছেন।

অর্ণব চক্রবর্তী

সারপ্রাইজ: পর্ব ১

‘সাহিত্যিক হিসেবে ব্যর্থতাকে আমি ভয় পাই না। আমি ভয় পাই মানুষ হিসেবে ব্যর্থতাকে। আরও পাঁচ বছর পর চাকরি না করার জন্য আমার নিশ্চয়ই আফশোস হবে। দশ বছর পর আফশোস হবে একজন আদর্শ বাবা না হয়ে ওঠার জন্য, আদর্শ স্বামী না হয়ে ওঠার জন্য। এই সংসারে তখন আমার গুরুত্ব কমে যাবে কি?’ মানসিক টানাপড়েন।

উপল সেনগুপ্ত

অ্যাবরা কা থ্যাবড়া ৫৭

কথা থাকবে না, শুধু ছবি। মানে কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র। অবশ্য শুধু ব্যঙ্গ কেন, থাকবে হিহি, খিলখিল, ঠোঁট টিপে মুচকি, একলা দোকলা ফোকলা হাসি। ব্যঙ্গচিত্র কখনও হবে বঙ্গ-চিত্র, কখনও স্রেফ তির্যক দৃশ্য। ছোট্ট ফ্রেম, বিশাল ক্যানভাস।

10 best mythological tales from around the world

Followers of myth believe their truth is the truth. Outsiders disagree. This is the cause of all tribal, religious, and nation-state wars. Let us explore 10 mythological stories from around the world to appreciate how different people have tried to make sense of the world.

দেবশঙ্কর হালদার

স্পটলাইট: পর্ব ৪

নাটকের মধ্যে যখন এক জন অভিনেতা থাকেন, তখন তাঁর মনে সচেতনতার একটা ভিন্ন স্তর তৈরি হয়। সেই স্তরের অনুভূতি কিন্তু অভিনেতার মনের ভেতরে এক অন্য রকম নাটক তৈরি করে। যে নাটকের মোহে অভিনেতা মূল নাটক এবং নিজের মনের মধ্যে চলতে থাকা নাটকের মধ্যে বার বার যাতায়ত করেন। সেই নাটকীয়তা নিয়ন্ত্রণ করাটা কিন্তু খুব সহজ ব্যাপার নয়। অতিনাটকীয় বলে যে দুয়ো দেওয়ার চল রয়েছে, তা কিন্তু বুঝে দেওয়াই ভাল কারণ নাটকীয়তার একটা নিজস্ব চলন আছে, নাটকে এবং অভিনেতার মনের মধ্যে। আর সেই দুইয়ের মধ্যে সংযোগ খুব কম।

ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী

সচেতন সহজ রূপকথা

এমন একটি সময় পরিচালক ও লেখিকা সায়ান হেডার অত্যন্ত সুচতুর ভাবে রূপকথাকে অ্যানিমেশনের খোপ থেকে বের করে একটি আপাত-সরল আমেরিকান মফস্‌সলের গপ্পে পেছনের দরজা দিয়ে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। এমন একটি সময় এই কাজটা করেছেন, যখন দীর্ঘ অতিমারীর ক্লান্তি ও হতাশায় মানুষ দীর্ণ। এমনকী যুদ্ধেও পক্ষ নির্বাচন করতে গিয়ে হাজার দ্বিধা ও প্রতিযুক্তি অতিক্রম করা দুরূহ হয়ে ওঠে। বিশ্বব্যাপী স্বৈরাচার ও বৃহৎ বাজারের ট্যাংগোর উল্টোদিকে সাধারণ মানুষের যৌথতার স্বপ্ন মিউমিউ করে বাথরুমে একা গান গায়।

উপল সেনগুপ্ত, চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

একটা গল্প একটা গান: পর্ব ১৩

রাজা মাইডাস দেবতার কাছে বর চেয়েছিলেন যে, তিনি যাই ছোঁবেন তা যেন সোনা হয়ে যায় অর্থাৎ তাঁর সব কাজে যেন সাফল্য আসে। কিন্তু দেবতা তা আক্ষরিক অর্থে গ্রহণ করে যে বর দেন, তাতে রাজা মাইডাস বেজায় বিপদে পড়লেও আক্ষরিক বরের গুণে সম্পদশালী হয়ে ওঠেন। কিন্তু পরে রাজারই বুদ্ধিতে দেবতা পড়েন বিপদে। আর গানে বলা হচ্ছে যে মার-ই হল আদর্শ একটি শব্দ, যার প্রয়োগ ভাল-খারাপ নির্বিশেষে মানুষকে ছুঁয়ে যায়।

সুমনা রায় (Sumana Roy)

উত্তরবঙ্গ ডায়রি: পর্ব ১৪

গত শীতে যখন আবার এই জায়গাটা পার করি, কাঠাম স্যারের কথা মনে হয়— এই জায়গা, যা ছিল তাঁর পূর্বপুরুষের, যা দিয়েছে তাঁকে তাঁর পদবি, তাঁর পরিচয়, যেখান থেকে তিনি প্রথম পৃথিবী দেখতে শুরু করেছিলেন, যেখান থেকে পৃথিবীর নানা কোণের সঙ্গে তাঁর সংযোগের সূত্রপাত। মানুষ দিয়ে জায়গা চেনার অ্যাডভেঞ্চার।

ধূসর মুখাবয়বের আলো

‘রামানন্দের ছবির আর এক চরিত্র হল আলো। ছবিতে অন্ধকার নেই। আলোয় ঝলমলে প্রেক্ষাপট অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। রাতের পটভূমিতে যে নীল ব্যবহার করেছেন, তা-ও বড় স্নিগ্ধ। আঁধারকে আলো দেখাচ্ছে যেন।’ দেবভাষায় রামানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিল্প প্রদর্শনী।

মোহন আগাশে

খেরোর খাতা পেরিয়ে

‘১৯৮১ সালে, আমার একটা অসুখ হয়েছিল, বেশ কিছুদিন হাসপাতালে ছিলাম, বেরিয়েই দেখি, আমার একটা চিঠি এসেছে, সত্যজিৎ রায় লিখেছেন। টাইপ করা চিঠি। তাতে লেখা, আমার অসুস্থতার খবর পেয়ে উনি দুঃখিত, আমি কি ওঁর ৫০ মিনিটের টেলিফিল্ম ‘সদ্‌গতি’তে একটি মূল চরিত্রে অভিনয় করব?’ মানিকদার স্মৃতি।

অনুপম রায়

ম্যাকি : পর্ব ১৪

‘লজ্জা নিবারণের জন্য নাকি পোশাক! শরীরের বিশেষ-বিশেষ অঙ্গকে টার্গেট করে সেগুলোকে শরীরের লজ্জা বানানো হয়েছে। তারপর সেগুলোকে ঢাকার সে কী চেষ্টা! আমরা দেখি আর হাসি। মানুষের ট্র্যাজেডি হল, ঈশ্বর নাকি পৃথিবী বানিয়ে, মানুষ বানিয়ে, কেটে পড়েছে, কোনও রুল-বুক দিয়ে যায়নি।’ লজ্জার ধরন।

সুমনা রায় (Sumana Roy)

Uttarbanga Diary: Part 14

Many years later, when my parents were able to buy a car, we would, on a detour from a winter picnic, drive through Gajaldoba and Mainaguri, and chance upon a road with a sign that said ‘Katham Bari’. My brother and I looked at each other as if a secret, not very different from those we had met in the Phantom comics, had suddenly been revealed to us. We pleaded with our father to take that route.