
নীলা-নীলাব্জ: পর্ব ১৮
‘আর কিছু পারে না নিজেকে এক্সপ্রেস করার জন্য? জামা খুলে খুলে নিজেকে এক্সপ্রেস করতে হবে? একজন ব্যক্তির যদি অর্থ ছাড়া আর কিছুই না থাকে নিজেকে এক্সপ্রেস করার, সে তো অবশ্যই গরীব।’
‘নীলা-নীলাব্জ’। পর্ব ১৮…

‘আর কিছু পারে না নিজেকে এক্সপ্রেস করার জন্য? জামা খুলে খুলে নিজেকে এক্সপ্রেস করতে হবে? একজন ব্যক্তির যদি অর্থ ছাড়া আর কিছুই না থাকে নিজেকে এক্সপ্রেস করার, সে তো অবশ্যই গরীব।’
‘নীলা-নীলাব্জ’। পর্ব ১৮…

‘…শুনলাম, কোন ম্যাজিকে বালির ওপর দাঁড়িয়ে আছে এত উঁচু বাড়ি। অনেকটা নীচে কংক্রিট পাইল করে, ওপরের জমিতে পাথর আর কংক্রিট দিয়ে বেঁধে তবে দাঁড় করাতে হয়েছে স্থাপত্যের এই বিস্ময়কে। শুনে নতুন করে আর অবাক হলাম না যে, এই হোটেলে আছে আন্ডারওয়াটার রেস্তরা।’
‘ডেটলাইন’ পর্ব ৩১…

‘এমনিতে ছবির ভঙ্গিটা কেজো, যেন, যা হচ্ছে তা দেখাচ্ছি, ওরা কথা না বললে আমি তো আর সংলাপ তৈরি করে দিতে পারি না। চরিত্র দু-জনকে দেখানো হয় কোনও একটা দোকানে ঢুকে খাবার কিনছে, ফুটপাথ দিয়ে হাঁটছে, কোনও খেলার দোকানে ঢুকে স্ক্রিনে একবার কাটাকুটি খেলল, ভারী সুটকেসটা স্টেশনের সিঁড়ি দিয়ে টানতে টানতে তুলছে, টিকিট নেই বলে মেট্রো রেলের গেটের তলা দিয়ে গলে বেরিয়ে গেল। কিন্তু ছোট ছোট আঁচড়ে বহু কথা বলা হয়।’

‘মনে পড়ছে এখনও টেরাকোটার কাজ করেন এমনই শিল্পী পরিবারগুলিতে গিয়েছিলাম মাস্টারমশাইয়ের সঙ্গে। দু-এক বছর ঘুরতে, মাস্টারমশাই লাজুক ভঙ্গিতে দিয়েছিলেন তাঁর একমাত্র কবিতার পুস্তিকাটি। ছাত্র বয়সে লিখতেন কবিতা। তখন আমি সদ্যতরুণ, সে-পুস্তিকা পড়েছিলাম। কিচ্ছুটি হয়নি।’

প্রস্তর, বৃক্ষ, মহীরুহরা যেন আমাদেরই ছোঁয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে মার্কিন মুলুকের এই অরণ্যে…

রবি-সোমের মধ্যে যে শাশুড়ি-বউমার সম্পর্ক, তা আমি দিব্য নিজের মতো করে গুছিয়ে নিতে পেরেছি। শাশুড়িকে তদগত হয়ে বউমার আদর করতে দেখেছি, আবার বউমাকে খুব শ্রদ্ধা নিয়ে শাশুড়ির যত্ন নিতে দেখেছি। এখন রবি আর সোমের মধ্যে কে শাশুড়ি, কে বউমা, এই প্রশ্ন আবার আমার জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

ভারতের চালচলন বজায় রাখতে আমেরিকা শত্রু, চিন বন্ধু? দেশপ্রেম বড় বালাই…

‘ষাট-সত্তরের কোঠায় বয়স হলে আজকের ইয়াঙ্গনে পা রাখার আগে নিশ্চয়ই ভেবেছিলেন, কিশোরবেলার নায়ক বিপ্লবী সব্যসাচীর খোঁজে ঘুরে আসবেন শরৎচন্দ্রের পাড়া। সে গুড়ে বালি, কেউ আপনাকে এতটুকু হদিশ দিতে পারবে না!’

‘অনেক চিন্তাবিদ, কবি, লেখক সপ্তাহে দু’দিন বসেন আমাদের বাড়ির একতলার একটি ঘরে, যেখানে একটি ঢালাও তক্তাপোশ, গোটা চারেক চেয়ার, দু-তিনখানা মোড়া, একটা লম্বা বেঞ্চি, দুটো টুল আছে। পুরনো বই, চটা-ওঠা দেওয়াল, সিগারেট, চা, পান, বিড়ি— সব মিলিত একটা সোঁদা-মিঠা গন্ধ আছে।’

নচিকেতা চক্রবর্তীর গাওয়া ‘স্মৃতির ফাটলে’ জনপ্রিয় হয়েছে! কিন্তু গানটার মধ্যে গোলমাল রয়ে গেছে…

‘ছাই রঙের এক চোখজ্বালানিয়া ধোঁয়া আমাদের উঠোন পার করে চলে যেত দূর-দূরান্তে। কখনও সকালে, কখনও সন্ধের মুখে। তার সঙ্গে মিশে যেত দূর কোনও কারখানার সাইরেনের আওয়াজ বা পাশের বাড়ির শাঁখ।’
‘হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল’। পর্ব ৪৪…
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.