কলাম

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

এক শালিক: পর্ব ২৬

সান্তা ক্লজ নিয়ে মাতামাতির মধ্যে কিছু লোক বলেন, বাচ্চাদের বলে দেওয়া হোক, সান্তা ক্লজ আসলে নেই। বাকিরা রুখে দাঁড়িযে বলেন, শুধু শুধু কঠোর সত্যি আউড়ে ঘোর ভেঙে দেওয়া নিতান্ত বেরসিকের কাজ।

অনুপম রায়

বিশ্বকাপের ডায়েরি: পর্ব ৩

সিঁড়ি ভেঙে উঠে প্রথমবার মাঠের সামনে দাঁড়ানো! এই অভিজ্ঞতাটার তুলনা হয় না! আমি বার বার দাঁড়াতে চাই, ওই বৃহতের সামনে, যেখানে আমার নিজের কোনও স্বার্থ নেই, কোনও ম্যাচের হারাজেতার ওপর আমার কিচ্ছু নির্ভর করে না।

অনুপম রায়

বিশ্বকাপের ডায়েরি: পর্ব ২

আমাদের পিছনে কিছু ইংলিশ ফ্যানেরা বসে ছিল। বিশাল তাদের গলার জোর, এমন জোর চিৎকার করছে যে আত্মারাম খাঁচাছাড়া হয়ে যাওয়ার জোগাড়! অমন গলা পেলে আমি সত্যিই মাইক ছাড়া গাইতে পারতাম। তার ওপর যা গালাগালি করল ফ্রান্সের গোলকিপারকে!

অনুপম রায়

বিশ্বকাপের ডায়েরি: পর্ব ১

খেলা দেখতে আসা দর্শকের এ রকম উন্মাদনা আগে সত্যি দেখিনি। আর এই উন্মাদনার একটা কারেন্ট যেন সবার মধ্যে ছড়িয়ে যায়। নিজের উত্তেজনা সব সময় নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। চারদিকে দেখলে মনে হয় একটা বিশাল উন্মাদনার যজ্ঞে আমিও একজন কনট্রিবিউটার।

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য : পর্ব ২২

‘তখনও সে মৃত নয়, তার নামে চিঠি যদি আসে/ কোথাও আড্ডায় যদি নাম ওঠে, তাহলে জীবিত।/ সকলের কথা জমে পৃথিবীর কোনও শেষ মাসে/ সময় পিওনমাত্র, যে পুরনো চিঠি এনে দিত।’ নতুন কবিতা।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ৩৭

‘বলা হচ্ছে, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের কোচ সাহস দেখানোর পর থেকেই অনেকে বুঝেছিলেন, এই লোকটাকে নামালে বরং আধুনিক খেলার ছন্দ নষ্ট হচ্ছে। হতে পারে। কিন্তু এগুলো আসল সংকট নয়।’ রোনাল্ডো-জল্পনা।

শুভময় মিত্র

মিহি মন্তাজ : পর্ব ১৮

‘হলের মাঝখানে কিছু ধাতুর ভাস্কর্য। দেওয়ালে বড়-বড় ছবির ক্যানভাস। ফুটকির মতো এক-আধজন দর্শক। প্রথম ছবিটার সামনে দাঁড়িয়ে মন ভাল হয়ে গেল। আর্ট-কে আমি ভয় পাই। সে সম্মোহিত করে। ডেকে আনে। তারপর দরজা থেকে ফিরিয়ে দেয়।’

শ্রীজাত

কবির সঙ্গে দেখা: পর্ব ২১

বিনয় মজুমদার, কেবল বাংলা কবিতা জগতে নন বরং বাংলা ভাষা গঠনের ক্ষেত্রেও এক অনন্য স্তম্ভ। তাঁর রচিত দৃশ্যকল্প দৃঢ় অথচ মর্মস্পর্শী। এ কবির রচনায় উপস্থিত দার্শনিক ও জৈবনিক তত্ত্ব। তাঁর মায়াময় কিন্তু অপার বিস্তৃত লেখার কাছে বার বার নতজানু হতে হয় আমাদের।

অনুপম রায়

ম্যাকি : পর্ব ২২

‘গায়ক-গায়িকারা পারলে মাসে তিরিশ দিনে চল্লিশটা অনুষ্ঠান করতে রাজি শুধুমাত্র টাকার লোভে। কেউ একবারও ভাবে না, গলাটার বিশ্রামের প্রয়োজন। পর পর দু-দিন গান গাইলেই গলার উপর যা প্রেশার পড়ে, লাগাতার করলে পার্মানেন্ট ড্যামেজের কথা কারও মাথায় আসে না।’ লোভ-নিয়ন্ত্রিত জীবন।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

এক শালিক: পর্ব ২৫

বিশ্বকাপ দেখার প্রথম সমস্যা হল, রাত জাগতে হয়। দ্বিতীয় সমস্যা, চোরামি করে বড় টিমেরা পেনাল্টি চায় ও মাঝেমাঝেই VAR নামে এক উদ্ভট ভিলেন তাদের সাহায্য করে। তিন নম্বর, খেলা দেখার সময় অপ্রিয় দেশের ফুটবল-শৈলীর সমাদর করব কি না, সে দ্বিধা বড় হয়ে দাঁড়ায়। আর এত ঝঞ্ঝাটে পড়ে যদি কেউ বিশ্বকাপই না দ্যাখে, তাকে কেউ খেলায় নেবে না।

খুচরো খাবার: পর্ব ১৫

‘ দিল্লিতে খুচরো খাবার বলতে যা বোঝায়, সেটা এই দুটো জায়গা ছাড়া মেলা ভার। দক্ষিণ দিল্লি অগ্নিমূল্য। কিছু-কিছু ‘খুচরো’ খাবারের যা দাম, তা দিয়ে কলকাতায় মোটামুটি দু-বেলা খাওয়া হয়ে যাবে।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

ছায়াবাজি: পর্ব ৭

তিব্বতি মঠ নিয়ে ছবি। কিন্তু মঠের জীবনকে বাড়তি মহিমান্বিত করার দায় নেই, প্যাঁচঘোঁচ খোঁজারও আতশ কাচ নেই। একটা সরল ছবি, কিন্তু সঙ্গে আছে ঝকঝকে বুদ্ধি, কৌতুক ও বিশ্বাস, আর অবশ্যই মধিখানে আছে বিশ্বকাপ, যা তাকে এ মরশুমে একটু বেশি উল্লেখ্য করেছে।