চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ১১

‘…এ আকাশ-পাঁইপাঁই সংবাদে তাই মৃদুহাস্যে হোয়াটসঅ্যাপ-চিত্রের প্রতীক্ষাই বিধেয়। মানুষ পপকর্ন খেতে খেতে ছায়াপথে রকেট-জগিং’এ গেলেও বিশ্ব জুড়ে কোটি কোটি লোক হাউহাউ করে মরে যাবে, না-গেলেও।’ চাঁদ বা ঝলসানো রুটি।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ১০

‘মঞ্চে বসে দু’কানকাটা কোশাকুশিতে গঙ্গোদকের ছিটে ছিটকে দিব্যি প্রেস-মিট উতরে যায়। ঝামেলা মুখপাত্রদেরও, স্টুডিওতে ঢুকেছেন সাড়ে সাতটায়, নিজের লোককে প্রশস্তি মাখিয়ে ও বিরোধী লোকের কাপড় খুলে দিয়ে সাতটা চল্লিশে বেরিয়ে দেখেন, দল পাল্টাপাল্টি হয়ে গেছে।’ বঙ্গ-রাজনীতির সার্কাস।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ৯

‘ফাইনালে সবাই যখন ভাবছে, নাদালের সঙ্গে সেমিফাইনালে ওই বন্য মহিষের সংগ্রাম জকোভিচকে হা-ক্লান্ত করেছে এবং দু’সেট পিছিয়ে এমন প্রকাণ্ড টেনশনের ম্যাচ এমনিতেই কেহ জিততে পারে না, তখন তিনি বোধহয় মনের মিহি-মার্জিনেও সিঁদুরে মেঘ দেখতে পাননি।’ এ বছরের ফরাসি ওপেন।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ৮

‘একটা জানোয়ার, যে শুরু করেছিল অন্য সব্বার মতো স্রেফ খাদ্য অন্বেষণে দৈনিক হাওয়া-শোঁকাশুঁকি দিয়ে, সে গ্রহতারকার পাশ দিয়ে শাঁ করে বেরিয়ে যায়, আবার ঝামেলা হলে মহাকাশযানের ধারে পা রেখে মেরামত অবধি করে! এ প্রায় সুপার-একলব্যের মতো মার্কশিট।’ মানুষের বিবর্তন।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ৭

করোনায় মৃত্যু হয়ে জলে ভাসছে এক-একটা লাশ। আর সেসব দেখছে ছানা-মাছ, বাবা-মাছ, মা-মাছ এবং তাদের আত্মীয়স্বজনরা। ছানার আনন্দ, কিন্তু বড়দের ভয়, যদি ওতে বিষ থাকে? সেই সূত্র ধরেই মাছেদের কথালাপ শুরু হয়। উঠে আসে মানুষের দেশ-কাল-সংস্কৃতির নানা ঘটনা।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ৬

‘একটা লোক যখন ভাবছে, আমার মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে ঠিকই, কিন্তু তা স্বীকার করেই আমায় প্রিয় রাজনীতির দলটির প্রতি সমর্থন জানাতে হবে, বা আমার প্রিয় কবির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর শোকমিছিলে হাঁটতে হবে, তখনই কি সে বিশিষ্ট হয়ে উঠছে না?’ মৃত্যুভয় বনাম মতাদর্শ।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ৫

‘সংস্কৃতিমান বাংলায় এখন অশিক্ষা ও অভদ্রতার বাজার সাংঘাতিক, এবং ভোট-সম্ভাবনাও প্রকাণ্ড, অন্তত দলগুলোর তা-ই আন্দাজ, নইলে সমস্ত পার্টি তাদের পুরোভাগে মস্তানির দানবিক তর্জনী ডিসপ্লে করত না।’ দলীয় রাজনীতির নৃশংসতা।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ৪

‘আমাদের কাছে (এবং সম্ভবত মার্কিনদের কাছেও) আমেরিকার মাস-শুটিং’এর (‘একজন আততায়ী কেন কে জানে আচমকা স্কুলে বা জিমে বা মন্দিরে বা ফুটপাথে অনেককে খুন করল’) সংবাদ আর নূতন ও শকিং নয়।’ আমেরিকার গণহত্যা বৃত্তান্ত।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ৩

‘জীবনানন্দের ‘মাল্যবান’ পড়ে যদি মনে হয় লোকটা নারীবিদ্বেষী, তাহলে সেই উপন্যাসটার রচনাগুণ তক্ষুনি মাইনাস ছয় হয়ে যাবে? তাঁর কবিতাগুলোও অটোমেটিক বাতিল হয়ে যাবে ঠিকতা-মাপা মেশিনে?’ ব্যক্তি-শিল্পীর বিরোধ।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ২

এই যুগ মনুষ্যেতিহাসে সর্বাধিক জন-নজরদারির যুগ, সর্বোচ্চ জন-আলোচনার যুগ, সমাজমাধ্যমে জনতার রায় বিখ্যাত লোকের কেরিয়ার মারতে-বাঁচাতে পারে, প্রত্যেক কথা নথিবদ্ধ এবং সমুদয় অকাজ তোরঙ্গের ধুলো ঝেড়ে কেউ না কেউ লোক-গোচরে আনে।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ১

‘তুমি কি দল ও আদর্শ নির্বিশেষে সব গোষ্ঠীবাজিকেই ঘেন্না পাও? এই ‘নই জুতো-নই ছাতা-নই আমি কিচ্ছু’ অবস্থানটাকে যদি দাবড়ে ঘোষণা করো, তবে তা কি আসলে দায়িত্ব এড়িয়ে পোঁ-পাঁ চম্পট, না সেইটিই তোমার নিজের সত্য?’ ব্যক্তির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন।