
সিনেমায় অ্যান্টনি : পর্ব ৬
পার্টিতে গাঁজায় সুখটান দিয়ে অ্যান্টনির অবস্থা খারাপ। তার উপর ইকবাল যে ফ্রড, তাতে অ্যান্টনির কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু তার সন্দেহের কথা কি সে শায়েরিকে বলার সুযোগ পাবে যখন লালু-ভুলু সারাক্ষণ শায়েরির পিছনে ছায়ার মতো ঘুরছে?

পার্টিতে গাঁজায় সুখটান দিয়ে অ্যান্টনির অবস্থা খারাপ। তার উপর ইকবাল যে ফ্রড, তাতে অ্যান্টনির কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু তার সন্দেহের কথা কি সে শায়েরিকে বলার সুযোগ পাবে যখন লালু-ভুলু সারাক্ষণ শায়েরির পিছনে ছায়ার মতো ঘুরছে?

শায়েরির কাজ করে দেবার জন্য লালু-ভুলুর তৎপরতা দেখবার মতো। অ্যান্টনি কি ভাল মনে নিচ্ছে? ওদিকে ইকবাল তাকে এমন এক অভিনেতার সঙ্গে তুলনা করেছে, যার নামই সে শোনেনি! শেষে শায়েরির সঙ্গে সে রাতে গেল প্রোডিউসারের বাড়ি। কী হল সেখানে?

ইকবালকে কিছুতেই সহ্য হচ্ছে না অ্যান্টনির। এদিকে শায়েরি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হয় শায়েরি + ইকবাল, নয়তো নো শায়েরি অ্যাট অল। বিরক্ত অ্যান্টনি টমকে এ-কথা জানাতে গেলে টম পাত্তা দেয় না। এই যখন অবস্থা, তখনই আন্টো-র জীবনে দেখা দেয় নতুন দুই ‘মাকড়া’!

সম্প্রতি সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘দশম অবতার’ ছবিতে শোনা গেছে এই গান। ‘আমি সেই মানুষটা আর নেই’ আসলে এক ধরনের বদলে যাওয়া জীবনের কথা বলে। এবং এই গানের রেকর্ডিং-ও যে কতটা আলাদা, এই পর্বে রইল সে-গল্পও।

ফিল্ম অ্যানাউন্সমেন্ট পার্টিতে গিয়ে হতাশ অ্যান্টনি। চাদরলাল পিন্টুর প্রযোজনায় ইকবাল বানাচ্ছেন তাঁর প্রথম ছবি, ‘পথের খারিজ গান্ধার’। বাংলায় নাকি এই প্রথম একটা পলিটিকাল কারেক্ট ছবি হচ্ছে। কে এই ইকবাল? অ্যান্টনির তবু কেন মনে হল এ-ছবি ‘পাক্কা পানু’?

শায়েরি বলেছে দেখা করতে চায়। টম বলেছে পেত্নীটার থেকে দূরে থাকতে। মায়া কর বলেছে জীবনটা সিনেমার মতো। অ্যান্টনি খানিক দোটানার মধ্যে থাকে। তবে শেষপর্যন্ত যায়। হাঁ করে শায়েরিকে দ্যাখে। কিন্তু দেখা হওয়ার পর শায়েরি তাকে কী বলে?

বেঙ্গালুরু থেকে এবারে সোজা কলকাতা। স্থান পরিবর্তন হলেও অ্যান্টনির মনের অবস্থান খুব বেশি বদলেছে বলে মনে হয় না। নইলে কেনই বা শায়েরির মেসেজ এলে মাঝরাতে বন্ধুকে ফোন করে বলতে যাবে?

মানুষ প্রায়শই বলে থাকে, ‘আমাদের সময়’। এই ‘আমাদের সময়’ আসলে কী? অল্প বয়সের ভালো লাগা মনের ভেতর জমতে-জমতেই কি একদিন হয়ে ওঠে না ‘আমাদের সময়’! দেবাশিস-ও সেরকমই একজন চরিত্র, যার জীবনও আটকে আছে তার নিজস্ব ‘আমাদের সময়’-এ!

‘এক মাস আগে দেবুর জ্বর হয়। রক্ত পরীক্ষায় দেবুর শরীরে এক মারাত্মক রোগ ধরা পড়ে। ডাক্তার দেবু-কে জানিয়ে দেয়, খুব বেশি হলে আর দু-মাস। এই কিছুদিন আগেও ওরা সিকিম থেকে ঘুরে এলো, একদম সুস্থ। হঠাৎ কী হয়ে গেল?’

২০০৫ সালে ব্যাঙ্গালোরে বসে লেখা এই গান। কলকাতার প্রতি, নিজের শহরের টান, এই গানের মধ্যে ফুটে ওঠে। আর ফুটে ওঠে মায়ের কাছে ফেরার বাসনা। কোথাও একটু অভিমানও হয়তো-বা। ২০১৮ সালে সৃজিত মুখার্জি তাঁর ‘উমা’ ছবিতে এই গানটি ব্যবহার করেন।

২০১৮ সালের প্রাগ শহর। ফুটবল বিশ্বকাপ চলছে। একদিকে জার্মানির হার, অন্যদিকে বারংবার বরফ খেতে-খেতে গলায় ব্যথা— এই দুই অনুভূতি মিলিয়ে লেখা হল ‘শরীর ভালো নেই’। কৌশিক গাঙ্গুলি পরিচালিত ‘অর্ধাঙ্গিনী’ ছবিতে এই গান শোনা যাবে।

দাসপাড়াতে গোলাপি রঙের কুয়াশা ভেসে বেড়ায়। অলিগলি দিয়ে মা হারা বাছুরের মতো কেঁদে বেড়ায়। বছর কুড়ি আগে এখানে প্রচুর পুকুর ছিল। সেগুলো বুজিয়ে ফেলে তৈরি হয়েছে মানুষের বাসস্থান, কুৎসিত দেখতে ফ্ল্যাটবাড়ি। তারপর থেকে বিকেল থাকতেই কুয়াশা।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2025 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.