এক শালিক : পর্ব ১১৪

হোয়াইট হাউসে সরাসরি অভদ্রতার উদযাপন হচ্ছে। একই চেহারা কি পশ্চিমবঙ্গেও? ডিম ছোড়াছুড়ি থেকে পুলিশের দড়ি বেঁধে অপরাধীদের ঘোরানো; এই সবেতেই কি অভ্যস্ত হবে মানুষ? তাহলে কি অভদ্রতারই জয় সর্বত্র?

সামথিং সামথিং: পর্ব ৭৮

‘আমারটা বুঝব এবং অন্যেরটা দলেপিষে ছারখার করব— এই অমানবিক স্বার্থপরতাকে দেশের অবশ্যকর্তব্য বলে মাথায় তুলে নাচি। কোনও দলকে দোষ দিয়ে লাভ নেই, সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রহার-প্রবৃত্তি লকলক না করলে আজ এই মারকুটে-পনার জয় দেখতে হত না।’

এক শালিক : পর্ব ১১২

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে, কিন্তু সমাজমাধ্যমের স্বাধীনতায় কি শাসকের কিছু যায় আসে? প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্সে পিছিয়ে গিয়েছে ভারত, কিন্তু সমাজমাধ্যমে বাকস্বাধীনতা কি খর্ব হচ্ছে আদৌ? সংবাদমাধ্যমের নিরপেক্ষতার অভাব কি পুষিয়ে যাচ্ছে সমাজমাধ্যমে?

এক শালিক : পর্ব ১১৩

বাচ্চাদের মোবাইলের প্রকোপ থেকে বাঁচাতে বাউন্সার নিয়োগ? তৈরি হচ্ছে নতুন চাকরির সম্ভাবনা। ছোটরা যাতে মোবাইলে মজে না থাকে, তার জন্য প্রহরী নিয়োগ করা হচ্ছে, কিন্তু বাউন্সাররা যদি মোবাইলে মন দেয়, তাহলে?

এক শালিক : পর্ব ১১১

ছড়া কি আমাদের ভুল শিক্ষা দেয়? মিথ্যে বলতে শেখায়? উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় তো হল, কিন্তু ছড়া নিয়ে ছুঁৎমার্গ সত্যিই শুরু হলে কী হবে? বাতিল হয়ে যাবে অজস্র জানা ছড়া? ইংরেজি কেবল নয়. বাংলা ছড়ার ওপরেও পড়তে পারে কোপ?

Made by AI

সামথিং সামথিং: পর্ব ৭৭

‘দক্ষিণ সুদানে কী ঘটছে বা নাইজিরিয়ায় কী নিগ্রহ চলছে, তা আমাদের খুব বিদ্ধ করে না। মানে, ভৌগোলিক অন্ধতাও আমাদের আছে। এমনিতে মূলস্রোতের খবরেই আমরা ভেসে বেড়াই, নিজের মতো বিশ্লেষণ করি বটে, কিন্তু খুব দলছুট ভাবে নয়।’

এক শালিক : পর্ব ১১০

আক্রান্ত দেশের রাষ্ট্রপতি বলছেন আক্রমণকারী দেশের মানুষের প্রতি তাদের কোনও ঘৃণা নেই। এই হিংসাবিধ্বস্ত পৃথিবীতে এই বার্তা জরুরি। অজস্র আক্রমণ, অনেক চাপ সৃষ্টি হয়েছে ইরানের ওপর। তার পরেও ইরানের তরফে যখন সংযম বজায় রাখা হয়, তা প্রশংসনীয় বইকি।

সামথিং সামথিং : পর্ব ৭৬

‘কাজকে প্রায় কেউই জড়িয়েমড়িয়ে ভালবাসে না। উপায় থাকলে ক’টা লোক আর কাজ করত? সকলেই লেপ জড়িয়ে নেটফ্লিক্স দেখত। কিন্তু তাহলে অনেক দেশেই, ট্রেন লেট করে না কেন? কেন এয়ারপোর্টে ইতিউতি তাকালেই সাহায্য করার লোক পাওয়া যায়?’

এক শালিক : পর্ব ১০৯

এক ভিডিও ফুটেজে দেখা গেল, ইজরায়েলি সৈন্যরা প্যালেস্তাইনের ১৪ বছর বয়সি এক ছেলেকে গুলি করে, ঘিরে দাঁড়িয়ে ৪৫ মিনিট ধরে তার মরে যাওয়া দেখছে, তার মা’কে বা অ্যাম্বুল্যান্সকে কাছে আসতে দিচ্ছে না। এই চূড়ান্ত অমানবিকতার ছবি আমাদের শিউরে তোলে।

এক শালিক : পর্ব ১০৮

আফগানিস্তানে তালিবান নতুন আইন আনছে— স্বামী স্ত্রীকে পেটাতে পারবে, যতক্ষণ না হাড় ভাঙছে বা খোলা ক্ষত দেখা যাচ্ছে। তার মানে, গার্হস্থ্য হিংসাকে আইনি বৈধতা দেওয়া হল। স্ত্রীকে স্বামীর সম্পত্তিই ঘোষণা করা হল। অন্য বড় দেশগুলো কিন্তু বিরাট তিরস্কার করছে না, বরং দিব্যি ব্যবসায়িক বা কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখছে।

ছায়াবাজি : পর্ব ৪৫

ভিক্টর ও নোরা একইরকম, দু-জনেই শিল্পটা ভাল পারে, মানুষের সঙ্গে সংযোগটা পারে না। ভিক্টর যখন আগনেসকে বলে, তোর ছেলেকে আমার সিনেমায় একটা পার্ট দেব, আগনেস বলে, তোমার ছবিতে আমি যখন অভিনয় করেছিলাম, আমি ছিলাম তোমার সবচেয়ে যত্ন ও আদরের পাত্রী, মনে হত আমিই আছি মহাবিশ্বের কেন্দ্রে। যেই ছবি শেষ হয়ে গেল, আর আমি তোমাকে বহুকাল দেখতেই পেলাম না। পরের ছবির লোকেরা হয়ে গেল তোমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এক শালিক : পর্ব ১০৭

ডেনমার্ক প্রস্তাব এনেছে, খাবারকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। তার মানে চতুর্দশপদী আর চিংড়ির মালাইকারি রেষারেষি করবে পুরস্কারের জন্য, বা শিল্প-ফান্ডিং’এর জন্য। কবি ও রাঁধুনি থাকবেন একই পুরস্কারের দৌড়ে। এ ভাবনা কি একেবারে উদ্ভট, না কি এর কোনও সারবত্তা আছে?