রামকৃষ্ণ মিশন থেকে স্কুল জীবন কাটিয়েছেন; তারপর, বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পশু-চিকিৎসা নিয়ে লেখাপড়া, চাকরি সূত্রেই দেশের নানা প্রান্তে কাটিয়েছেন। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত।
সুমন মুখোপাধ্যায় চিত্র পরিচালক, নাট্য পরিচালক, লেখক। প্রথম ছবি ‘হার্বার্ট’ পায় ‘শ্রেষ্ঠ বাংলা চলচ্চিত্র’ হিসাবে জাতীয় পুরস্কার। পরিচালনা করেছেন ‘দ্য ম্যান অফ দ্য হার্ট’, ‘বিসর্জন’ এবং ‘তিস্তাপারের বৃত্তান্ত’-এর মতো অসাধারণ নাটক। সাম্প্রতিককালে
সময়ের তাগিদে আবারও মঞ্চে ফিরিয়ে এনেছেন তাঁর পরিচালিত ‘মেফিস্টো’।
প্রাবন্ধিক, চলচ্চিত্র-তাত্ত্বিক ও আলোচক। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্রবিদ্যা বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক। 'ঋত্বিকতন্ত্র' 'অনভিজাতর অপেরা' 'অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন' তাঁর বিখ্যাত বই। অনুূবাদ করেছেন বেশ কিছু বিশ্বখ্যাত ছবির চিত্রনাট্য।
পরিচালক, অভিনেতা, গায়ক। দীর্ঘদিন ধরে মঞ্চ ও পর্দায় কাজ করে চলেছেন। মৃণাল সেন, অপর্ণা সেন, বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত প্রমুখের ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি ‘বো ব্যারাকস ফরএভার’, ‘চলো লেটস গো’, ‘ম্যাডলি বাঙালি’, ‘দত্ত ভার্সেস দত্ত’-র মতো ছবির পরিচালক।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
বিখ্যাত বাউল গায়িকা ও সাধিকা। পুতু্লনাট্যেও তাঁর বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। কথকের ভঙ্গিমায় শিষ্যদের দীক্ষা দেন তিনি। শান্তিনিকেতনে বাস, কিন্তু বিশ্বজুড়েই তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে।
বিশ্বভারতী গ্রন্থনবিভাগের উপ-পরিচালক (প্রকাশন)। ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’র প্রাক্তন চিফ সাব এডিটর। ভারত সরকারের পরিভাষা কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। বিশেষ আগ্রহ গ্রন্থনির্মাণ এবং গ্রন্থবিদ্যায়। এছাড়া রবীন্দ্রনাথ, সাহিত্য, সংগীত এবং চলচ্চিত্র নিয়ে নিয়মিত নিবন্ধ লেখেন সংবাদপত্র ও সাময়িকীতে।
বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। প্রাবন্ধিক। ‘প্রোফেসর শঙ্কুর শেষ ডায়েরি’, ‘ঘটিপুরুষ’, ‘সব প্রবন্ধ রাজনৈতিক’ তাঁর উল্লেখযোগ্য বই। লিখেছেন উপন্যাস ও নাটকও। সম্প্রতি প্রকাশিত বই ‘তাম্বুলি আখ্যান’।
দোয়েলপাখি দাশগুপ্ত ফরাসি ভাষার অধ্যাপনা করেন। থিয়েটার, দূরদর্শন ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিন তিনি ‘রসাতল’ নামে রম্যরচনার একটি পত্রিকার সম্পাদনা ও প্রকাশনের কাজে যুক্ত থেকেছেন। গান গাইতে এবং লিখতে ভালবাসেন।
মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।