ছবি আঁকায় প্রথম আগ্রহ। বাড়ির প্রবল আপত্তিতে প্রথাগত ছবি-পাঠ হয়নি। ছবির সাধ কবিতায় মেটানোর চেষ্টা। তার পর, প্রচুর সিনেমা দেখা, কবিতাকে যা বাড়িয়েছে। কবিতার চেয়েও গল্প লিখে বেশি ফুর্তি। পেশায় সাংবাদিক। নানা বড়-ছোট মাধ্যমে বছর কুড়ি কাজকর্ম। প্রবন্ধ লেখার নিরন্তর তাগিদ রয়েছে এর ফলে। বেশ কিছু প্রবন্ধ ছড়ানো ছিটানো। কয়েকটি বই কবিতার। সম্পাদিত গদ্যগ্রন্থও আছে।
অনুপম রায় গায়ক, সুরকার, গীতিকার। সঙ্গীতচর্চার পাশাপাশি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতা ও ছোটগল্পও লেখেন। আর শুভম ভট্টাচার্য্য পেশায় আপাতত চাকুরি-অনুসন্ধানকারী আর নেশায় আঁকিয়ে। ফেসবুকে পরিচিত ভট্টবাবু নামে। আঁকাঝোঁকার বাইরে শখ বলতে ঘোরা, ছবি তোলা এবং মন খুলে আড্ডা দেওয়া।
গৌতম সেনগুপ্ত ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক, সম্পাদক, অনুবাদক। গল্পের বই: ‘ডেথকেস’, ‘কাউন্টডাউন’ ইত্যাদি। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ‘গল্পসমগ্র’। পেয়েছেন দিল্লির কথা পুরস্কার (২০০০) ও পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সোমেন চন্দ পুরস্কার (২০১৫)। এছাড়া তিনি ‘তালপাতা’ প্রকাশনীর কর্ণধার।
ঔষ্ণীক ঘোষ সোম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর; বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘Translation as skill’ কোর্স-এর ছাত্র। ‘The Antonym’ অনুবাদ পত্রিকার সহ-সম্পাদক। এছাড়াও ‘যাপনচিত্র’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত তিনি। ‘সারাঙ্গ’ পত্রিকার সাম্প্রতিক ‘জয়ন্ত মহাপাত্র স্মরণ’ সংখ্যায় অতিথি-সম্পাদক রূপে কাজ করেছেন।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
বাংলাদেশের ‘প্রথম আলো’র নির্বাহী সম্পাদক। 'গাণ্ডীব’ নামে প্রভাবশালী ছোটকাগজের অন্যতম সংগঠক। ‘ছুরিচিকিৎসা’ তাঁর কাব্যগ্রন্থ। তাঁর কবিতা একাধিক ভাষার আন্তর্জাতিক সংকলনগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত। ‘রক্ত ও অশ্রুর গাথা’ তাঁর তর্জমায় ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকার কবিতার প্রতিনিধিত্বমূলক সংকলন। টি.এস. এলিয়টের ‘দ্য ওয়েস্টল্যান্ড’-সহ আরও বিচিত্র তর্জমা করেছেন। আরও বই ‘সোলেমানগীতিকা’ এবং ‘নির্ঘুম দ্বীপের পদাবলি’। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেরিয়েছে রণজিৎ দাশের সঙ্গে যৌথ সম্পাদনায় ‘বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কবিতা’। গদ্যের বই ‘যেখানে লিবার্টি মানে স্ট্যাচু’ এবং ‘ঈশ্বর দর্শন: অবাক থেকে বাক ছাপিয়ে’।
কৌশিক গুড়িয়া স্কুলে জীবন বিজ্ঞান পড়ান। কলেজে পড়ার সময় একটি pen(ও)লেজ গজিয়েছিল! তারপর থেকে শুধুই ভাবতে ভালোবাসেন। দু’টি হেরে যাওয়া পত্রিকা চালাতেন। সাহিত্যের পর্যালোচনায় সংখ্যাতত্ত্ব ব্যবহার করে তাঁর একটি ছোট্ট বই আছে। প্রিয় শব্দ অনুশীলন। অনন্ত লিখতে চান...