
দর্শক, সত্য, কল্পনা
থিয়েটার মানব সমাবেশ ছাড়া হয় না। প্রযুক্তি থাকবে, কিন্তু থিয়েটার দিনের শেষে জীবন্ত। একটা অভিনয় পৃথিবীতে একটা সন্ধেয় একবারই হতে পারে। তার কোনও অনুরূপ বা প্রতিরূপ হতে পারে না। দুটো অভিনয়ের মধ্যে পার্থক্য ঘটে যাবেই।

থিয়েটার মানব সমাবেশ ছাড়া হয় না। প্রযুক্তি থাকবে, কিন্তু থিয়েটার দিনের শেষে জীবন্ত। একটা অভিনয় পৃথিবীতে একটা সন্ধেয় একবারই হতে পারে। তার কোনও অনুরূপ বা প্রতিরূপ হতে পারে না। দুটো অভিনয়ের মধ্যে পার্থক্য ঘটে যাবেই।

‘‘‘তখন বিকেল’-এ, তাপস সেন অলোকসম্পাত করেছিলেন। প্রায় নিরাভরণ মঞ্চে, অসিত মুখোপাধ্যায়, শিপ্রা লাহিড়ী দু’জনে পাশাপাশি বসে কথা বলছেন। ওপরে একটা বড় ছাতা। তারপরে সন্ধে ঘনায় এই ভাব অনুযায়ী আলো পাল্টাতে থাকে। সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য।’’

সাধারণভাবে দৃষ্টিহীনতা বা অন্ধত্ব তিন রকম; সকলেই যে জন্ম থেকে দেখতে পায় না (জন্মান্ধ), তা নয়। একদল ‘টোটাল ব্লাইন্ড’, একদল ‘পারসিয়াল’ এবং আরেকদল, ‘অ্যাডাল্ট ব্লাইন্ড’

“মহেশ এলকুঞ্চোয়ারের ‘ওয়ারা চিরেবন্দি’ যেমন দেখেছি, তেমনই দক্ষিণের বিজয়শ্রীর নাটকও দেখেছি, যা কিছুটা লোকায়ত আঙ্গিকের সঙ্গে জড়িত। সেগুলো আমরা আস্বাদন করেছি। হয়তো অনেককিছুই না-বোঝা থেকে গেছে। কিন্তু নাট্যভাষের সঙ্গে সংলাপে অসুবিধে হয়নি, তার একটা নিজস্ব জোর আছে।”

‘সফদর একাধারে কাজ করছেন ম্যাক্সিম গোর্কির সৃষ্টি নিয়ে, যাঁর ‘এনিমিজ’-এর রূপান্তরে মিশে যাচ্ছিল নিজস্ব ভারতীয় ঘরানা। অন্যদিকে হাবিব তানভিরের সঙ্গে জোট বেঁধে করছেন ‘মোটেরামের সত্যাগ্রহ’। ক্ষমতার অলিন্দে আঘাত হেনেছেন বারবার।’

‘নায়কের বন্ধুর চরিত্র তো চিরকালই বাংলা ছবিতে আছে, সময়ানুযায়ী কেবল বদলে গিয়েছে তার ধরন। কিন্তু তরুণকুমার যখন নায়কের বন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেন, তখন তা জীবনের অনেকটা কাছাকাছি চলে আসে।’

‘তৃপ্তি মিত্রর নাটক, প্রবন্ধ, ছোটগল্পগুলি নানা বইয়ে ছড়িয়ে ছিল। এবার দু’মলাটে ধরা রইল। ছোটগল্প আর নাটক ছাড়া নানা বিষয়ে নিবন্ধও লিখেছিলেন তৃপ্তি মিত্র। সেসবে কখনও স্মৃতি, কখনও সাম্প্রতিকের সত্তা, কখনও বা ভবিষ্যতের দিকনির্দেশ।’

একটা বড় অংশ, যাঁরা থিয়েটারমোদী কিন্তু সারা বছর ব্যস্ততার কারণে সময় পান না, তাঁদের কাছে পৌঁছনোর জন্য একটা বড় সুযোগ পুজোর সময়ে থিয়েটার করা।
তখন আমরা উত্তর কলকাতার ‘রঙ্গনা’-য় থিয়েটার করতাম। রোববার-সহ অন্য ছুটির দিন— সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী থেকে একাদশী দুটো করে শো করতাম। শুধু বিজয়ার দিন আমরা কোনও শো রাখতাম না।

‘থিয়েটারের জন্য তৎকালীন সময়ে যে আত্মত্যাগ উনি করেছিলেন, তা আজকের দিনে দাঁড়িয়ে আর ভাবতে পারা যাবে না।’
শিক্ষক দিবসে রমাপ্রসাদ বণিককে নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ…

‘দেবব্রত বিশ্বাস আবার ‘রক্তকরবী’ প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত হন ১৯৪৯-এ। এ-বছর তিনিই প্রযোজনাটির পরিচালক। ‘শ্রীরঙ্গম’-এ(পরবর্তীকালের ‘বিশ্বরূপা’-য়) অভিনয়ের আয়োজিত হয়; কিন্তু বদলে গেল পূর্বের অভিনয়ের সঙ্গে অভিনয় লিপি….‘
দেবব্রত বিশ্বাসের জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্দ…

‘পুরাণ-সংস্কার-অভিকরণের মিলমিশে থিয়েটার, নৃত্য, চিত্রকলা ও চলচ্চিত্রের যে অপরূপ বিকাশ ও বিস্তার গত শতকের তিন দশক ধরে দেশের এক সম্পদ রূপে আদৃত হয়েছে, তাকে কিন্তু ক্রমাগত লড়তে হয়েছে ভারত রাষ্ট্রের পাশবিক সামরিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।’

‘আমরা বলে থাকি থিয়েটার একটি যৌথ শিল্পমাধ্যম, কিন্তু শিল্পের প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রে নিবিড় চর্চা ও পারদর্শিতাকে পাথেয় করে নাট্য-প্রযোজনা করেছেন এমন পরিচালক আন্তর্জাতিক থিয়েটারে বিরল।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.