
ন্যায়, যুদ্ধাপরাধ, ভ্রমণ
‘এখানে নৈতিক প্রশ্ন উঠে আসে, ভারত আইনগতভাবে এদের সাধারণ পর্যটক হিসেবে দেখলেও, ইজরায়েলের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ঘনিষ্ঠতা ও রাষ্ট্রীয় নীরবতা কি ধীরে-ধীরে যুদ্ধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগকে স্বাভাবিক করে দিচ্ছে?’

‘এখানে নৈতিক প্রশ্ন উঠে আসে, ভারত আইনগতভাবে এদের সাধারণ পর্যটক হিসেবে দেখলেও, ইজরায়েলের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ঘনিষ্ঠতা ও রাষ্ট্রীয় নীরবতা কি ধীরে-ধীরে যুদ্ধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগকে স্বাভাবিক করে দিচ্ছে?’

‘১৯৫৩ সালে গণনাট্যর বম্বে সম্মেলনে বাবার সঙ্গে এই নিয়ে ওঁর তর্কটা হয়। বাবার বক্তব্য ছিল, এই দেশের লোকের কাছে পৌঁছতে হলে লোকজ সুরকে মাধ্যম করা উচিত। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্কেস্ট্রেশনের বিপদ আছে। সলিলের তর্ক ছিল, তবে কি লোকোমোটিভের যুগে লোকে গরুর গাড়ি চড়বে?’

‘সাধারণ মানুষের ফেসবুক-মন্তব্য দেখলেও বোঝা যায়, তাঁরা প্রত্যেক খ্যাত মানুষের কাছে স্পষ্ট জানতে চাইছেন, তুমি কোন দল? যদি কেউ বলেন (বা তাঁর হাবভাবে বোঝান), আমি কোনও নির্দিষ্ট দলেরই চ্যালা নই, তাহলে তাঁকে বলা হবে মেরুদণ্ডহীন, গা-বাঁচানো জরদ্গব।’

‘প্রথমদিনের কাজে যখন আলাপ হল, আমার কাজ দেখে খুব আপন করে নিলেন। আমাকে ডাকতেন ‘ম্যাজিশিয়ান’ বলে। সব সময়ে লক্ষ করতাম কাজের সময়ে কী আশ্চর্য তাঁর মনোযোগ। অন্য সময়ে বেহিসেবি জীবন, মদ্যপান এইসমস্ত দিক থাকলেও, কাজের সময়ে সম্পূর্ণ আলাদা মানুষ! কিন্তু কাজে যদি একবার মন বিগড়ে যায়, তখন আবার অন্য রূপ।’

“গোপনে, ছদ্মবেশে চে চলে গেলেন কঙ্গো। যাওয়ার আগে আদর করে সন্তানদের বললেন, ‘এই পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে যে কোনো মানুষের উপর অন্যায় অবিচার হলে তা গভীরভাবে অনুভব করার চেষ্টা করবে। এটাই একজন বিপ্লবীর সবচেয়ে বড়ো গুণ।’”

‘পল স্তানিল্যান্ড বলছেন, নিউ পলিটিক্স অফ ইনস্টেবলিটি, অস্থিরতার নব্য রাজনীতি। স্থিতিশীলতার ভেতর দুর্নীতি আছে, রাষ্ট্রীয় পচন রয়েছে, তাই অস্থিরতাই সম্বল এই নতুন রাজনীতির? কিন্তু তারপর? এমন তো নয়, এই নতুন অস্থিরতার রাজনীতিই বিশ্বব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করবে।’

‘আর কিছু পারে না নিজেকে এক্সপ্রেস করার জন্য? জামা খুলে খুলে নিজেকে এক্সপ্রেস করতে হবে? একজন ব্যক্তির যদি অর্থ ছাড়া আর কিছুই না থাকে নিজেকে এক্সপ্রেস করার, সে তো অবশ্যই গরীব।’
‘নীলা-নীলাব্জ’। পর্ব ১৮…

‘খাদ্য আন্দোলনের সময়কালীন সমস্ত পুলিশ রেকর্ড পরবর্তীতে নষ্ট করে দেওয়া হয়, এই সময় প্রকৃতপক্ষে কী হয়েছিল, তা জানার জন্য আমাদের নির্ভর করতে হয় তৎকালীন সংবাদপত্র, পার্লামেন্টের ভাষণ, এবং অল্প কিছু সরকারি নথির ওপর।’

‘সব দ্বিধা-দ্বন্দ্ব সত্ত্বেও স্বাধীনতার অব্যবহিত পূর্ব ও পরবর্তী সময়পর্বটিতে বাঙালি বুদ্ধিজীবীরা যে হিন্দিকে সমর্থন করেছিলেন, তার একাধিক নজির রয়েছে। ‘প্রবাসী’-তেই ১৯৪৭-এর মে মাসে প্রকাশিত দেবেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের ‘বাঙালির হিন্দিশিক্ষা’ নামের নিবন্ধে লেখক হিন্দি কেন শেখা দরকার তার বিবিধ কারণ দর্শিয়েছেন।’

‘শিল্পী দিনের শেষে আদতে রাজনৈতিক-ই, তিনি চান বা না-চান। তাই অভিনেতাকেও জানতে হবে, বিভেদ-চারিয়ে দেওয়া কোনও কাজের অংশীদার যখন তিনি হবেন, তখন তাঁর অবস্থান আদতে কী হওয়া উচিত। তিনি যদি ছবিটির বক্তব্য নিয়ে ভাবিতই না হন, তাহলে চরিত্রটিকে পছন্দ করছেনই বা কী করে?’

‘সম্পূর্ণ থিয়েটার উড়ে যায় দু’টি বিস্ফোরণে। তারান্তিনো এ-ছবি তৈরি করেছেন ২০০৯ সালে। কী প্রয়োজন ছিল? আসলে ইহুদিদের নিপীড়নের ইতিহাস, যদি বলি অপরায়নের ইতিহাস, তারান্তিনো পড়তে চেয়েছেন দুর্দান্ত এক রেভোলিউশনারি কায়দায়।’ বিশেষ সংখ্যা ‘বোমা’…

পেটো কি আর আছে? না কি সবটাই এখন পিস্তল-বন্দুক খেয়ে দিয়েছে, কে জানে। একসময় কিছু লোক বেশ খানিকটা উপার্জন করে নিয়েছে এই কারবারে নেমে। রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বদল ঘটেছে যেরকম, তাতে কেউ-ই আর কারও দিকে তাক করে পেটো চার্জ করতে পারছে না নিশ্চিত হয়ে— কাল হয়তো প্রতিপক্ষের সঙ্গে একই মঞ্চ ভাগাভাগি করে নিতে হয়। ‘বোমা’ সংখ্যায় বিশেষ নিবন্ধ…
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.