Kolkata সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল : পর্ব ১০

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ভাস্কর চক্রবর্তী

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ৭

‘কালীমন্দির থেকে বেরিয়ে কালীঘাট বাজার পেরিয়ে ট্রামলাইনের দিকে যাওয়ার আগে দেবালয়ের ঘুড়ির দোকানের পরে একটা বিখ্যাত খাটাল ছিল। সেখানে সকাল-বিকেল অনেকেই ঘটি-ক্যান নিয়ে হাজির হত। জল ছাড়া দুধ নেওয়ার জন্য। মায়ের খুব ইচ্ছে ছিল— মাঝে-মাঝেই বলত, বোতলের দুধে কী থাকে, ছেলেটার গায়ে লাগে না।’

Private Ditective
আদিত্য ঘোষ

আইনের ধূসর অঞ্চল

‘সমীক্ষা বলছে, ভারতে প্রাইভেট গোয়েন্দাদের গোটা বাজারের সবচেয়ে বড় অংশ জুড়ে রয়েছে বৈবাহিক ও সম্পর্কভিত্তিক তদন্ত। পাত্র বা পাত্রী বিয়ের আগে সত্যিই যে চাকরি করে কি না, আগে কোনও সম্পর্ক ছিল কি না, পরিবারিক আর্থিক অবস্থা ঠিক কী— এসব যাচাই করতে অসংখ্য পরিবার এখন প্রাইভেট গোয়েন্দার দ্বারস্থ হয়।’

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ৬

‘আমাদের পাড়ার অনেক মেয়ে বউ মুক্তাকে সন্দেহের চোখে দেখত। ওকে দেখলেই চোখ কুঁচকে তাকত। কিন্তু অনেকেই মুক্তাকে খুব পছন্দ করত। মুক্তা আসলে ছিল আমাদের অনেকের মা, দিদি ও পরিবারের মুশকিল আসান। ও তখন আমাদের সমবয়সি। কিন্তু মেয়ে বলে হয়তো চেহারায় গড়নে ও বেশ বড়-বড় মতো।’

পৃথ্বী বসু

স্মৃতি, সত্তা ও ‘স্পর্ধা’

‘‘একজনকে চেনার জন্য তাঁর শৈশব ও কৈশোর যতটা গুরুত্বপূর্ণ, অন্য কিছু সেভাবে নয় বোধহয়। জীবন কোন পথে চলবে, তার একটা রূপরেখা, অনেকটাই তৈরি হয়ে যায় ওই বয়সের মধ্যে। এই বইয়ের ‘আমার শেকড়-বাকড়’ অংশটি সেই কারণেই এত আকর্ষণীয়।’’

Representative Image
জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট: পর্ব ৪

‘‘এই দাদারা ছিলেন সব ‘কোনি’র ক্ষিদ্দা, এঁরা আমাদের স্বপ্ন দেখাতেন। কী স্বপ্ন দেখাতেন জানেন? আপনি কী ভাবছেন— ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন? ও-গুলো পরে, আগে ছিল ফার্স্ট ডিভিশনে কোনও ভাল ক্লাবে খেলা।’’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ১

‘ছবির সঙ্গে গন্ধের স্মৃতিও পেতে থাকি। হজমিওলা। হজমি-মশলার গন্ধ। বিকেলের তেলেভাজার গন্ধ। গ্যালিফ স্ট্রিট ট্রাম ডিপোয় ট্রামের গন্ধ। ট্রামের থাকে। সবুজ গদির ফার্স্টক্লাস আর কাঠের বেঞ্চিরও কি আলাদা-আলাদা গন্ধ ছিল?’

প্রিয়ক মিত্র

অঞ্জনবর্ণ

“অঞ্জন দত্ত-র ‘চলো লেট’স গো’ যাঁরা দেখেছেন, যাঁরা দেখেছেন ‘দত্ত ভার্সেস দত্ত’, তাঁরা জানেন, সেইসব সিনেমার আখ্যানের গতিবিধি ঠিক চেনা ছন্দে এগোয় না। সময় লাফায়, ওই স্প্রিং বোর্ডের ওপরের লাফের মতো, সেসব ছবির ন্যারেটিভে। দে’জ পাবলিশিং প্রকাশিত ‘অঞ্জন নিয়ে’ বইটা আদতে অনেকগুলো লাফের সমগ্র।”

Representative Image
জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট: পর্ব ৩

‘মানুষে পশুতে ভেদাভেদ থাকত না আর-একটা বেলায়— সেটা হল শ্মশানকালীর ভাসানের দিন। শ্মশানকালী বিসর্জনের বিশাল শোভাযাত্রা। শ্মশান এলাকার মস্তান ছিল ভীম। চেতলার দিকে তখন ধ্রুবর হেব্বি নামডাক। সে-সময়ে ভীম আর ধ্রুব দিন নেই রাত নেই সোডার বোতল আর পেটো ছোঁড়াছুড়ি করত।’

Representative Image
রামিজ আহমেদ

গির্জানগর: পর্ব ৫

‘ইহুদিরা কলকাতায় এসেছিলেন মূলত ব্যবসার সূত্রে। মনে করা হয়, কলকাতায় আসা প্রথম ইহুদির নাম, শালোম বেন অ্যারন বেন ওবাদিয়া হাকোহেন। তবে তার আগে লিয়ন প্রাগার নামে একজন ইহুদি বণিক কলকাতায় এসেছিলেন বলে জানা যায়।’

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ২

‘তখন সিনেমা হলের পাস ছিল। আর উজ্জ্বলার চানাচুর ছিল। এখন উজ্জ্বলা হল নেই, কিন্তু চানাচুর আছে। মন্টু বোস নেই, কিন্তু বসুশ্রী আছে। মন্টু বোসের মতো কোনও সিনেমার মালিকের এমন দেখনদারি ব্যক্তিত্ব ছিল না। ছোটখাট, গোলগাল, সাদা ধুতি আর গিলে-করা পাঞ্জাবি পরা মানুষটার সিগারেটে টান যারা দেখেছে, তাদের চোখে লেগে আছে।’

রামিজ আহমেদ

গির্জানগর: পর্ব ৪

‘১৮৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত, সদর স্ট্রিটে অবস্থিত ওয়েসলেয়ান মেথডিস্টদের এই উপাসনালয়টি আগে ওয়েসলেয়ান মেথডিস্ট চার্চ নামে পরিচিত ছিল, তবে বর্তমানে এটির নাম সি.এন.আই ওয়েসলেয়ান চার্চ। এই চার্চ মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশি  উদবাস্তুদের পুনর্বাসনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছিল।’