
শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫০
‘সেই প্রবাদে আজও ওড়ে ফুলকি ও হেমন্ত/ আর কিছুদিন আগেও কত রঙিন ছিল মন তোর—/ রোজ একখানা মোমবাতি তোর হাতের পাতায় জ্বালতিস।’ নতুন কবিতা।

‘সেই প্রবাদে আজও ওড়ে ফুলকি ও হেমন্ত/ আর কিছুদিন আগেও কত রঙিন ছিল মন তোর—/ রোজ একখানা মোমবাতি তোর হাতের পাতায় জ্বালতিস।’ নতুন কবিতা।

‘২০৪ নম্বর বাসে করে সকাল হলে, সাদা পাতার মতো টুপটাপ বিদেশি মানে ফরেনাররা নেমে পড়ে। বিশেষত শীতের সকালে তো অগুনতি। ওই বাসস্টপ থেকে গৌর সেই ফরেনারদের ক্যাচ করে। তাদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে, টক করতে করতে কালীঘাট মন্দির পর্যন্ত আসে।’

দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প জীবনের দ্বান্দ্বিকতার কথাই বলে। তাঁর চরিত্ররা হেরো নয়, নিষ্ক্রিয় নয়। তারা পরিস্থিতি বোঝে, সিদ্ধান্ত নেয়, অবস্থানও নেয়। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের অসম্পূর্ণতাও বোঝে। বোঝে জীবনের পরিত্রাণহীনতার কথা।

‘বাংলা সাহিত্যে বিনয় মজুমদারের কবিতায় ক্যালকুলাস, ভ্যারিয়েবল এবং জ্যামিতি সরাসরি ব্যবহৃত হয়েছে। তাঁর গণিত-প্রভাবিত কাব্যচিন্তা জীবনভর ধারাবাহিক ছিল, বিশেষ করে আটের দশক থেকে তাঁর গণিত আবিষ্কার এবং কবিতায় সেগুলোর প্রয়োগ আরও সুস্পষ্ট হয়।’

‘জ্যোতিউজল বিড়ালী এক পাড়ামনিব,/ ডানা পোড়ায় সারাটা রাত চাঁদের পায়ে/ ক্ষতের প্রিয় বন্ধু জোটে সজল জিভ/ জ্যোৎস্নাকে সে তলব করে চুরির দায়ে।’

‘এখন মনে হচ্ছে, বানানের একুশে আইনের চাইতে নৈরাজ্য নেহাত খারাপ নয়। বিশেষ করে পথেঘাটে নিরন্তর যখন শুনি আজকাল তো বাংলা বানানের কোনও মাথামুন্ডু নেই। যাঁরা বলেন, তাঁরা সকলেই যে বানান নিয়ে খুব ভাবিত এমন তো নয়!’

‘কুয়া কেন! কেন কুয়ো নয়? কী ক্ষতি হত যদি লিখতেন, ‘অনন্ত কুয়োর জলে চাঁদ পড়ে আছে’? শক্তি বললেন, ‘কুয়ো বললে জায়গাটা কেমন যেন ছোট হয়ে যায়, তাই না? কুয়া বললে জল থেকে জ্যোৎস্না উথলে ওঠে।’ আশ্চর্য হয়ে গেলাম।’

বাংলা কবিতার পাঠকদের কাছে তিনি খুব একটা পরিচিত নন। আটের দশকের কবি তিনি, অকালপ্রয়াত। এ-যাবৎ একটাই কাব্যগ্রন্থ তাঁর, ‘একটি তারার তিমির’। ‘কবির সঙ্গে দেখা’র এই পর্বে রইল কবি অচ্যুত মণ্ডলের কবিতা..

‘মা ছিল ম্যাচিওরড, বাবা তো শিশুই, তাই/ মনে করত, কত কিছুই হতে পারে, ঘটে যেতে পারে যাহা-তাহা,/ কেউ আবার মরে নাকি আহা…/ মৃত্যুর রাতে বাবার সামনে যাইনি কিছুতেই, জানতাম আর/ কিছু করা যাবে না, শেষ রক্ষার সময় শেষ হয়ে গেছে…’

‘হয় তাঁর গল্পে কাহিনি গৌণ হয়ে জ্বলজ্বল করছে কোনও একটা আবেগ বা প্রতীতি; নয় এমন এক সামাজিক ক্ষত বা প্রতিরোধের গল্প শানানো হচ্ছে, যার সম্ভাব্যতা অতিনাটকের কাঁচা চেহারার প্রোমোশনের সমগোত্রীয় কিছু হতে বসে।’

‘একদিন অফিসে আমার টেবিলের সামনে এসে পরিচয় দিলেন তিন নাবিক। একজনের পরনে পেতলের বোতাম আঁটা ধূলিধূসরিত নীলচে জ্যাকেট, মাথায় গল্ফ ক্যাপ, বাকি দু’জনের ওই ধাঁচে জোব্বা, ঝোলা… করমর্দনের হাত বাড়ালেন জীবনযুদ্ধে লড়াকু তিন জলমানব।’

সুকুমার রায় কি শুধুই আগডুম-বাগডুম লিখেছেন সারাজীবন? তাঁর লেখার এক-একটা চরিত্র আসলে কতটা বাস্তব? কোনও বৃহত্তর দর্শনের আভাস কি তাঁর লেখার ভেতর থেকে উঠে আসে? সুকুমার রায়ের লেখার জগৎ নিয়ে অধ্যাপক সুকান্ত চৌধুরী জানালেন তাঁর ভাবনার কথা।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.