
সেই সব স্মৃতি-শক্তি
‘কুয়া কেন! কেন কুয়ো নয়? কী ক্ষতি হত যদি লিখতেন, ‘অনন্ত কুয়োর জলে চাঁদ পড়ে আছে’? শক্তি বললেন, ‘কুয়ো বললে জায়গাটা কেমন যেন ছোট হয়ে যায়, তাই না? কুয়া বললে জল থেকে জ্যোৎস্না উথলে ওঠে।’ আশ্চর্য হয়ে গেলাম।’

‘কুয়া কেন! কেন কুয়ো নয়? কী ক্ষতি হত যদি লিখতেন, ‘অনন্ত কুয়োর জলে চাঁদ পড়ে আছে’? শক্তি বললেন, ‘কুয়ো বললে জায়গাটা কেমন যেন ছোট হয়ে যায়, তাই না? কুয়া বললে জল থেকে জ্যোৎস্না উথলে ওঠে।’ আশ্চর্য হয়ে গেলাম।’

যেমন বিশ শতকের কথা উঠলেই ‘সিউডোসান্স’ বা অপবিজ্ঞানের প্রচারকে বিশ্লেষণ করা দরকার, আবার একুশ শতকে অবিজ্ঞানের পরিধি ও ব্যাপ্তি নিয়ে আলোচনাও জরুরি। ডারউইনবাদকে কেন্দ্র করে অপবিজ্ঞান ও অবিজ্ঞানের নির্মাণ, প্রায় দেড়শো বছরের বেশি সময় ধরে, মনে করিয়ে দেয় যে, কোনওকিছুই পৃথিবীতে হয়তো নিরপেক্ষ নয়।

বাংলা কবিতার পাঠকদের কাছে তিনি খুব একটা পরিচিত নন। আটের দশকের কবি তিনি, অকালপ্রয়াত। এ-যাবৎ একটাই কাব্যগ্রন্থ তাঁর, ‘একটি তারার তিমির’। ‘কবির সঙ্গে দেখা’র এই পর্বে রইল কবি অচ্যুত মণ্ডলের কবিতা..

“নির্বাক থেকে ক্রমশ সবাক হয়ে উঠছে চলচ্চিত্র। নতুন শিক্ষাকে সাদরে গ্রহণ করলেন দেবকী। বুঝলেন, নির্বাক চলচ্চিত্রের যুগ শেষ। সিনেমা তৈরি করতে হলে শুধু আলো-ছবি নয়, তাকে সাজিয়ে দিতে শব্দ, সুর আর ছন্দের লাবণ্যে।”

রবি ঘোষের মতো মহান অভিনেতার প্রতিভা মহান পরিচালকদের হাতেই যেন পূর্ণতা পেত। সত্যজিৎ রায়ের বাঘা এবং একের পর এক আইকনিক চরিত্র, তপন সিংহর কালজয়ী ধনঞ্জয় তার উদাহরণ। ধনঞ্জয়ের চরিত্রের এমন সিরিয়াস কমেডি অভিনয়, যেন এক নতুন অভিনয় স্কুলিং-এর সূচনা করল।

‘তাঁর জীবন ও লেখালেখিতে বাঙালির রেনেসাঁস প্রদীপের আলো ও তার তলার অন্ধকার— দুটোই বড্ড স্পষ্ট। প্যারীচাঁদের চরিত্রের যে-স্ববিরোধ, তা নিয়ে হুতোম ব্যঙ্গ করলেও আমরা সেটিকে তাঁর স্বভাবের বৈচিত্র্য হিসেবে দেখব;’

‘প্রযুক্তি যা পারবে, পারে— তা একটা উদাহরণেই স্পষ্ট হয়ে যাবে: গত বিশ বছরে ক্রিকেটের লাইভ টেলিকাস্টেই নিদারুণ বদল এসেছে। আমার ছোটবেলায় দেখেছি বেশ কয়েকটা ক্যামেরা বিভিন্ন দিক থেকে, সেগুলো ঘুরত মাঝেমধ্যে, ট্রলি বা জুমের ব্যবহার যে কদাচিৎ ছিল না, তা নয়।’

“এই মানুষটিকেই তো দীর্ঘ বছর ভালবেসে যাপন করেছেন। তাহলে কেন তাঁকে সন্দেহ করছেন? মনের ভেতরে তৈরি হল দ্বন্দ্ব। এই দ্বন্দ্বের বশবর্তী হয়েই, আপনার সম্পর্কে জন্ম নিল ‘অ্যামবিভ্যালেন্স’।”

‘আধুনিক বাংলা কবিতা সত্যিই নিজেকে পালটাতে-পালটাতে অনেক দূরে চলে গেছে। সলিলের কবিতা সে-পথে যায়নি। কিন্তু সলিল কি আদৌ কবি হতে চেয়েছিলেন?’

‘চাপ থাকবে, কিন্তু কেউ বুঝতে পারবে না। এই যে চারিদিকে এত লোক দাঁত ক্যালাচ্ছে, সবাই কি চাপমুক্ত? খবর নিলে জানবে, কার বাজারে পাঁচ কোটি দেনা, কার শরিকি মামলা চলছে পাঁচ বছর ধরে— তবু এরা কিন্তু দেখাচ্ছে না। বিন্দাস ঘুরে বেড়াচ্ছে।’

“সলিল চৌধুরী তখন বাসু চ্যাটার্জিকে বলেছিলেন, ‘ছবিটা আমাকে দিন, আমি ১০,০০০ টাকায় করে দেব।’ এরপরেই চুক্তি পাকাপোক্ত হয়ে যায়। সলিল আগ্রায় গিয়ে লোকেশন দেখেন এবং ব্রজভাষার কয়েকটি লোকগান রেকর্ড করে আনেন, যা পরে ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরে ব্যবহৃত হয়।”

‘সাধারণ মানুষের ফেসবুক-মন্তব্য দেখলেও বোঝা যায়, তাঁরা প্রত্যেক খ্যাত মানুষের কাছে স্পষ্ট জানতে চাইছেন, তুমি কোন দল? যদি কেউ বলেন (বা তাঁর হাবভাবে বোঝান), আমি কোনও নির্দিষ্ট দলেরই চ্যালা নই, তাহলে তাঁকে বলা হবে মেরুদণ্ডহীন, গা-বাঁচানো জরদ্গব।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.