পত্রিকা

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ২

‘বাড়িটার ছবিটা দেখি। ধূসর রং। মানে বহুদিন রং করা হয়নি। দোতলা বাড়ি। ছাদ থেকে পাইপ নেমে এসেছে কয়েকটা। বৃষ্টির জল নেমে আসে। একটাও নীচ পর্যন্ত নামেনি। আগেই ভেঙে গেছে। পাইপের তলার দেওয়ালের রঙ কখনও নীল, কখনও লাল, কখনও সবুজ। কারণ ছাদ থেকে রঙিন জল নেমে আসে বৃষ্টি পড়লে। কালির বড়ি তৈরির মণ্ড।’

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ৫

‘২০৪ নম্বর বাসে করে সকাল হলে, সাদা পাতার মতো টুপটাপ বিদেশি মানে ফরেনাররা নেমে পড়ে। বিশেষত শীতের সকালে তো অগুনতি। ওই বাসস্টপ থেকে গৌর সেই ফরেনারদের ক্যাচ করে। তাদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে, টক করতে করতে কালীঘাট মন্দির পর্যন্ত আসে।’

সুশোভন অধিকারী

চিত্রবিচিত্রকথা

‘‘গ্রন্থের শিরোনাম ‘পটে লিখা’, তার সঙ্গে যুক্ত এক ব্যঞ্জনাময় সাব-টাইটেল— ‘রূপ, অরূপ আর স্মৃতির কথন’, লেখক মনসিজ মজুমদার। গ্রন্থনাম আর গ্রন্থকার একত্রে এই বইয়ের অন্দরমহল জুড়ে মুহূর্তে বিপুল আগ্রহ তৈরি করে দিল। সে বইখানা নিয়েই আজ দু’-চার কথা, না একে গম্ভীর শব্দবন্ধে গ্রন্থসমালোচনা কখনওই বলা চলে না। এ যেন চায়ের পেয়ালা হাতে শিল্পিত অবসর যাপন।’’

Representative Image
অর্পণ ঘোষ

পাথর কথা বলে

‘বইয়ের মূল বিষয়মুখ বটতলাকেন্দ্রিক হলেও, যেভাবে লেখক ঔপনিবেশিক সমাজের পটভূমি আলোচনা করে মূল প্রসঙ্গে প্রবেশ করেছেন, সেখানেই এই কাজটি স্বতন্ত্র হয়ে উঠেছে। কেন ও কীভাবে চিৎপুর ও তার সামগ্রিক সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে বটতলা-সাহিত্য জন্ম নিল তা সংক্ষেপে হলেও নিপুণভাবে দেখানো হয়েছে।’

Represenntative Image
বিজয় দে

চরিত্রের জন্ম হয়

‘বলা বাহুল্য, চরিত্ররা সেই নেশাগ্রস্ত মানুষ, যা তাদের জীবনকে নির্ধারিত ফলাফলের অপেক্ষা না করে ঠেলে দিচ্ছে জীবন-যাপনের একেক দিকে।’

ঋত্বিক মল্লিক

জাদুগ্রন্থনা

‘তাঁর পুত্র এই বইয়ে প্রতুলচন্দ্রের জাদুর কৌশল, চেনা ম্যাজিকের মধ্যে নানারকম ইম্প্রোভাইজেশন এবং জাদু-প্রদর্শনের মাধ্যমে সারা পৃথিবী মাতিয়ে দেওয়ার বর্ণনা দিয়েছেন। অত্যন্ত সুখপাঠ্য সেই সব অংশ। কিন্তু ম্যাজিশিয়ান সত্তা ছাড়াও তাঁর চরিত্রের আরও কিছু দিক এখানে এসেছে, যা বোধহয় তাঁকে সত্যি সত্যি লৌকিক থেকে অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ হিসেবে আমাদের সামনে উপস্থিত করে।’

অরিক্তম চ্যাটার্জি

বাংলার বাইবেল : পর্ব ৬

সারা পৃথিবীর মতো ভারতেও দীর্ঘদিন ধরেই একটি নিজস্ব খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের ধারা সময়ের সঙ্গে গড়ে উঠেছে। আমরা হুতোমের লেখায় কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্লেখ আগেই দেখলাম। তিনি ভারতীয় থিওলজির একজন আদিপুরুষ।

গৌতমকুমার দে

ছোটদের রামায়ণ

আমাদের সেকেলে দিদিমা-ঠাকুমাদের গল্প বলার সংস্কৃতি যেভাবে বিলীন হয়েছে কালের গর্ভে; ঠিক সেই ধারায় সংরক্ষণের অভাবে চিরতরে হারিয়ে গেছে পণ্ডিতমশাইদের স্ব-উদ্যোগে ছাপা ও বিনে পয়সায় বিলি করা, ছোটদের কথা ভেবে লেখা আরও অনেক রামায়ণ!

Representative Image
তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: পর্ব ৭

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ফণীশ্বরনাথ রেণু, রাজকমল চৌধুরী ও রবি বর্মা।

অর্পণ গুপ্ত

গ্যালারি পেরিয়ে

‘এ-বই আদ্যোপান্ত খেলার বই। কিন্তু, এ-খেলা কেবলই সাইডলাইনের ভেতর সীমাবদ্ধ নেই। তা গ্যালারি ছাড়িয়ে বৃহত্তর গ্যালারিকেও করে নিয়েছে খেলারই অংশ। বইয়ের উপজীব্য বিশ্বকাপ ফুটবলের ৯৬ বছরের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ৩৩টি ম্যাচ।’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য : পর্ব ২৮

“কুয়োর ওপাশে ব্রাহ্মণ পরিবারটির অনেকে কৌতূহলী উঁকিঝুঁকি দিচ্ছিলেন আমাদের দেখে। বিশেষত বালক, কিশোররা। সম্ভবত, এরা তলফিরামের নাতিপুতি। ‘আইয়ে আইয়ে’ বলে মুন্নারাই ডেকে এনে বসাল ওদের। ছয়ের দশকে বিনোবা ভাবে এসে রাজপুত ঠাকুর আর ব্রাহ্মণ পরিবারটির মিটমাট ঘটিয়ে দিয়েছেন। এদিনও আমার সামনেই মুন্না সিং রাঠোর আর দৌলতরাম করমর্দন করল।”

জয়দীপ ঘোষ

আরামের দ্বার ভেঙে

‘এ বই যতক্ষণ-পারা-যায় ছুঁয়ে বসে থাকবার বই। আরাম নয়, উপশম তো নয়ই, এ বই ছুঁলে কিন্তু তীব্র একরকমের অস্বস্তি হয়।’