শুধু কবিতার জন্য : পর্ব ৩৩
‘পশ্চিমে খোলে না,/
এমন জানলা আমার কপাল জুড়ে ভাঁজ করা/
হে দোস্ত, আমাকে চিনতে পারলে/
ওদের পাল্লা খুলে দিও।’
‘পশ্চিমে খোলে না,/
এমন জানলা আমার কপাল জুড়ে ভাঁজ করা/
হে দোস্ত, আমাকে চিনতে পারলে/
ওদের পাল্লা খুলে দিও।’

শায়েরির কিডন্যাপ-পর্ব যে আসলে সিনেমার শুটিং-এর দৃশ্য তা জেনে হতভম্ব অ্যান্টনি। সিনেমার হিরোর মতোই প্রাণের ঝুঁকি নিয়েও তাকে বাঁচানোর যে কোনও মূল্যই দিল না শায়েরি; এবার কী করবে অ্যান্টনি?

‘সেই যে ভাব হল দুজনের, তা আর সারা জীবনে চিড় খেল না একটুকুও। গান আর ফুলগাছ-পাগল আমার এই পুলিশ বরের সঙ্গে থাকতে থাকতে, অনেক কিছুর সঙ্গে আমি কিন্তু সব চেয়ে ভাল শিখলাম বন্দুক চালানো। আর শিখলাম, সম্মান না খুইয়ে সৎ ভাবে বাঁচা।’
‘১৯৯৯ সালে যখন তাঁকে সাম্মানিক অস্কার দেওয়া হয় তাঁর সারাজীবনের কাজের প্রতি সম্মান জানিয়ে, লস অ্যাঞ্জেলসের প্রেক্ষাগৃহে বহু শিল্পী উঠে দাঁড়াতে অস্বীকার করেন। কিন্তু এলিয়ার মতন বুদ্ধিমান মানুষ তাঁর এই ভবিতব্য কি দেখতে পাননি?’
মিউজিয়াম অফ মডার্ন আর্ট হোক কী টাইমস স্কোয়ার-এর আলোর উৎসব, ম্যানহাটান-এর আবেদন বহুস্তরীয়! আবার শিকাগো শহরে ১০১ তলায় ডিনার থেকে ইন্সটিটিউট অফ আর্ট-এ এডওয়ার্ড হপার-এর ‘নাইটহক্স’ দেখার অনুভূতি— এবারের পর্বে রইল সেসব গল্প।

অ্যান্টনির মান ভাঙানোর জন্য শায়েরি ফোন করে তাকে দেখা করতে বলে। কিন্তু শায়েরির সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে প্রায় গাড়ি চাপা পড়ে অ্যান্টনি; যে গাড়িতে করে অ্যান্টনির চোখের সামনেই কিডন্যাপ করা হয় শায়েরিকে! এখন কী করবে অ্যান্টনি?

’বিচিত্র এক অনুভূতিও মনে এল কারণ মানুষটার ওই দাপুটে রাশভারী চেহারার সঙ্গে কথা বলার ভঙ্গিটা যেন মিল খাচ্ছে না কিছুতেই— এই রকম বড় বাড়ি, নায়কোচিত চেহারা অথচ এত সহজ! মানুষটা কি সত্যিই এত সরল?’
‘কিন্তু এই গলি-থেকে-রাজপথের আশ্চর্য গল্প বলার জার্নিতে-ই ছবিটা আমাদের হতাশ করে— সবকিছুই কেমন যেন ছকে বাঁধা। এটি একটি মিউজিকাল— উইলি গান গেয়ে জার্নি শুরু করে, বিপদে পড়লে গান গায়, আবার খুশি হলেও।’

‘নেপথ্যে চাপা ঈর্ষা থাক আর চক্রান্তের ইতিবৃত্ত, বিশ শতকে সাংবাদিকতার সুনির্দিষ্ট একটি ধারা প্রতিষ্ঠা করতে ‘TIME’ যে সফল হয়েছিল, তা নিয়ে সন্দেহ নেই। আমজনতার পাঠাভ্যাসকে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে সমকালীন অন্যান্য সংবাদপত্রকেও তা টেক্কা দিয়ে যায়।’
ক্যামেরা এক অত্যাশ্চর্য আবিষ্কার— অতীতে বন্দি প্রজাতির কাছে সে হয়তো সময়-এর নাগপাশ বাইপাস করে সুখের স্মৃতিগুলো আজীবন বাঁচিয়ে রাখার জাদুযন্ত্র। আবার অন্য অর্থে সে কি বর্তমান-কে সেই মুহূর্তেই উপভোগ করার পরিপন্থী?
‘সত্যি, এ সমাজে বাঁচতে গেলে চেনা ডাক্তার, চেনা উকিল, চেনা পুলিশ, চেনা ট্যাক্সি ড্রাইভার এবং চেনা চিড়িয়াখানার দারোয়ান প্রয়োজন। তা যখন নেই, একজন এ কম্পার্টমেন্টের আপার বার্থ, অন্যজন পাশের কম্পার্টমেন্টের মিডল বার্থ।’
‘আজ বুঝি, কোনও শিল্পই একা পুরোপুরি উপভোগ করা কঠিন। পাশে আরেকজন সমঝদার কেউ থাকলে তার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার যে একখানা আলাদা মজা, সেটা থেকে বঞ্চিত হলে যেন শিল্পেরও কিছুটা অধরাই থেকে যায়।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.