
বিতর্কিত একাদশ: পর্ব ৫
‘‘কিন্তু কৃষ্ণাঙ্গ সেই গোলকিপারের নির্বাসন-মুক্তি হয়নি। একদিন একটি দোকানে কিছু পণ্য কিনতে গিয়ে বারবোসা শুনতে পেলেন, এক যুবতী তাঁকে দেখিয়ে নিজের কিশোর পুত্রকে বলছেন, ‘এই লোকটাই আমাদের সবাইকে কাঁদিয়েছিল।’’’

‘‘কিন্তু কৃষ্ণাঙ্গ সেই গোলকিপারের নির্বাসন-মুক্তি হয়নি। একদিন একটি দোকানে কিছু পণ্য কিনতে গিয়ে বারবোসা শুনতে পেলেন, এক যুবতী তাঁকে দেখিয়ে নিজের কিশোর পুত্রকে বলছেন, ‘এই লোকটাই আমাদের সবাইকে কাঁদিয়েছিল।’’’

‘প্রতি বছর প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে একটার পর একটা। লক্ষ-লক্ষ ছেলে-মেয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। বছরের-পর-বছর ধরে ছাত্র-ছাত্রীরা প্রিপারেশান নিচ্ছে। তারপর দেখছে, প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গেছে। আবার অনিশ্চয়তা। এই সমাজে বড় হয়ে ওঠা তরুণপ্রজন্ম কী শিখছে? তাদের ভবিষ্যৎ বলে কিছু আছে? কেউ ভাবছে?’

‘অ্যাঞ্জেলিনা সেই সমস্ত হিংসা-হেনস্থাকে ভয় তো করেনইনি, বরং নিশ্চুপ থেকে কেরিয়ার সুরক্ষিত করার পথেও হাঁটেননি। তিনি নিজে যা, সেটাই সবার কাছে প্রকাশ করেছিলেন। এই সাহস অ্যাঞ্জেলিনা পেয়েছিলেন কোথা থেকে?’

অ্যালপাইন ডিভোর্সের মূল ঘটনা একেবারেই নতুন নয়। কিন্তু এর নতুনত্ব লুকিয়ে রয়েছে আমাদের সময়ের ভিন্ন সামাজিক ও মানসিক প্রেক্ষাপটে। আগে এই ধরনের ঘটনা বিচ্ছিন্ন ও ব্যক্তিগত ছিল, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা জনসমক্ষে আসত না।

‘যে জীবন বাঁচছি, সেই জীবনের ক্রাইসিস্ যখন ছবির পর্দায় দেখতে পাই, সেটা তখন আরও আপন মনে হয়, চেনা লাগে। সেইসব সিনেমা তখন নিজের যাপনের লড়াই, পাওয়া-না-পাওয়া, বৈষম্যের দলিল মনে হয়।’ প্রাইড মান্থের আবহে ফিরে দেখা প্রান্তিক ভালবাসার ছবি…

এ-বছর জুন মাসের ২০ তারিখ, স্পেনের বার্সেলোনার ঐতিহাসিক অঞ্চল, প্লাসানোভা ও বার্সেলোনার ক্যাথিড্রাল-সংলগ্ন অঞ্চলে ঘটল— ‘বোমবার্ডমেন্ট অফ পোয়েমস’। হেলিকপ্টার থেকে প্রায় এক লক্ষ কবিতা ছড়িয়ে দেওয়া হয় শহরের আকাশে।

‘‘তবে ম্যাচটির চিত্রনাট্য একটু ভিন্নভাবে নির্মিত ছিল। এতক্ষণ সেভাবে নজরে পড়েননি, কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার দশ মিনিট আগে থেকে ম্যাকানাকি-গ্যাসকোয়েনরা নন, ‘মঞ্চের’ কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে উঠলেন রেফারি এডগার্ডো কডেসাল মেন্ডেজ।’’

‘উড়ন্ত সে-সীমা থেকে আরও কিছু দূরে গেলে টিলা।/ নীচে যে-শহর, তা আসলে আংটি। শয়তানের হাতে।/ আলো ও শব্দের মধ্যে যুবতীরা সহজ টাকিলা…/ নেশার নিকষ ডানা, উড়ে যাবে কাল, সুপ্রভাতে।’

‘দেশভাগের ইতিহাসকে আমরা প্রায়শই পরিসংখ্যানের মাধ্যমে স্মরণ করি। কত লক্ষ মানুষ উদ্বাস্তু হলেন, কত হাজার মানুষ প্রাণ হারালেন, কতগুলো সীমারেখা নতুন করে আঁকা হল। কিন্তু, সংখ্যা কখনও সেই ক্ষতির প্রকৃত গভীরতাকে ধারণ করতে পারে না।’

মাঝবয়সি মায়েদের সবচেয়ে বড় প্রতিভা হল, তারা যে-কোনও ঘটনাকে সম্ভাব্য বিপর্যয়ে পরিণত করতে পারে। ছেলে পাঁচ মিনিট বেশি ঘুমোল? নিশ্চয় শরীর খারাপ। দশ মিনিট আগে ঘুম থেকে উঠল? নিশ্চয় কোনও গোপন প্রেম চলছে। ঘরে দরজা বন্ধ করে বসে আছে? ড্রাগ নিচ্ছে না তো?

‘‘পুরনো বই কিনলে, প্রথম কাজটি ছিল, পুরনো মালিকের নামটি নিষ্ঠুরভাবে ধ্বংস করা। একটা কাগজে, নিজের নামটি লিখে, আঠা দিয়ে কাগজটি সাঁটিয়ে দেওয়া। পুরনো বইয়ে যদি এই ধরনের ‘নাম-খেলা’ হয়েই থাকে, সেগুলো তো কাটা যায় না, বইটা নোংরা হয়ে যাবে।’’

‘ওই চারচৌকো ঘরই আমাদের রংমহল হয়ে উঠল। মজলিসের জন্যে যে বৈভব লাগে না, লাগে ভালবাসা, সেটা ভাগ্যিস আমরা ওই বয়সেই বুঝতে পেরেছিলাম!’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.