পত্রিকা

ডাকবাংলা.কম

চোখ-কান খোলা : পর্ব ২০

‘‘এআই বিষয়টিকেই চমস্কি একবার ‘প্ল্যাজিয়ারিজম’ বলে দাগিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ, মানুষের বুদ্ধি ধার করেই তো তার সংসার চলে। তবে, সুকুমার রায়ের কথামাফিক গোঁফ কারও কেনা না হলেও, এআই-এর মালিকানা যে বেশ শক্তপোক্ত, তা এই ঘটনায় আরও একবার পরিষ্কার।’’

Representative Image
অনুপম রায়

নীলা-নীলাব্জ: পর্ব ২৩

‘এটা সিনেমার দোষ না। এটা মানুষের মনস্তত্ত্ব। তুমি নিজেই তো তোমার জীবনের ডিরেক্টর। মেমরি কি মন্তাজ নয়? তুমি নিজেই কাটছাঁট করো, ড্রামাটাইজ  করো। তাহলে সিনেমাকে দোষ দিচ্ছ কেন?’

জগন্নাথদেব মণ্ডল

চারটি তারার তিমির

‘জীবনানন্দ দূরের কবি নন। অনুভব করি। কলকাতার ভাড়াবাড়িতে থাকি। দু’মুঠো ফুটিয়ে খাই। পথ হাঁটি। সময় পেলেই পথ হাঁটি। মানিব্যাগে ওষুধ রাখা থাকে। টলে গেলে দ্রুত খেয়ে নিতে হবে। ক্লান্ত হয়ে নিঃসঙ্গ ঘুমিয়ে পড়ি।’

Representative Image
সৃজন দে সরকার

ভুজঙ্গধর

‘‘মঙ্গলকাব্যের কবিরা দেখিয়েছেন— গ্রাম্য চরিত্রের একজন বেদে, বিশেষ করে অনার্য সম্পর্কিত বেদে-দলের নেতা হচ্ছেন ‘শিবঠাকুর’। অন্নদামঙ্গলে সরাসরি বলা হয়েছে, ‘কেহ বলে ঐ এল শিব বুড়া কাপ।/ কেহ বলে বুড়াটি খেলাও দেখি সাপ।।’’

তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল : পর্ব ১০

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ভাস্কর চক্রবর্তী

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ৭

‘কালীমন্দির থেকে বেরিয়ে কালীঘাট বাজার পেরিয়ে ট্রামলাইনের দিকে যাওয়ার আগে দেবালয়ের ঘুড়ির দোকানের পরে একটা বিখ্যাত খাটাল ছিল। সেখানে সকাল-বিকেল অনেকেই ঘটি-ক্যান নিয়ে হাজির হত। জল ছাড়া দুধ নেওয়ার জন্য। মায়ের খুব ইচ্ছে ছিল— মাঝে-মাঝেই বলত, বোতলের দুধে কী থাকে, ছেলেটার গায়ে লাগে না।’

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ৪

‘এখন যেমন প্রচুর স্বপন। শ্মশান স্বপন, নাটা স্বপন, লম্বু স্বপন, ট্যারা স্বপন, হাতকাটা স্বপন ইত্যাদি। আমার চেয়ে কয়েক বছরের বড় একজন স্বপন ছিলেন। অধ্যাপক স্বপন মজুমদার।’

Representative Image
আব্দুল কাফি

সিন্ধুপারের সুফি : পর্ব ৬

সচলের কথায় ফলত অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকে। কেউ আবার ভেবেছেন, এ আসলে কবির খামখেয়াল, উন্মাদনা। এই পথে সকলেই গেলে অনাসৃষ্টি কাণ্ড হতে পারে— এর গভীর ও সূক্ষ্ম তাৎপর্য সকলের পক্ষে আয়ত্ত করা অসম্ভব। তাই সচল তাঁর জীবনকালে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মপ্রধানদের কাছে ছিলেন বিপজ্জনক ব্যক্তি।

ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী

ছবিঘর : পর্ব ৩

‘একটা ছবিকে এইভাবে প্রায় অনায়াস সহজতায় প্লটের ওপরে তুলে ছেড়ে দেওয়া যায়, যেখানে একটা খণ্ডচিত্র কোনও এক অলীক নিয়মে গোটা ছবির বিষয়বস্তুর ভরকেন্দ্র হয়ে ওঠে। সম্ভবত এইরকম কিছুরই সন্ধান করছেন ত্রুফো, যাকে তিনি সিনেমার মূল অভিজ্ঞতা বলছেন। এই অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ সময়বোধের ওপর নির্ভর।’

Poetry illustration
রাজদীপ রায়

১২ এপ্রিল

‘তোমার অনেক আগে সূক্ষ্ম হয়ে গেছি বলে/ এখন ক্রমশ ফের স্থূল হতে ইচ্ছে যায়।/
এখন কখনও ছুঁতে পারি কিছু-কিছু বই,/
তোমার বিছানা, হাত বুলিয়ে দিচ্ছি মাথার বালিশে।/ কতদিন মাথা রাখোনি এখানে তবুও মাথার দাগ/ অতিকায়, স্পষ্ট।’

Private Ditective
আদিত্য ঘোষ

আইনের ধূসর অঞ্চল

‘সমীক্ষা বলছে, ভারতে প্রাইভেট গোয়েন্দাদের গোটা বাজারের সবচেয়ে বড় অংশ জুড়ে রয়েছে বৈবাহিক ও সম্পর্কভিত্তিক তদন্ত। পাত্র বা পাত্রী বিয়ের আগে সত্যিই যে চাকরি করে কি না, আগে কোনও সম্পর্ক ছিল কি না, পরিবারিক আর্থিক অবস্থা ঠিক কী— এসব যাচাই করতে অসংখ্য পরিবার এখন প্রাইভেট গোয়েন্দার দ্বারস্থ হয়।’

Representative Image
তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: পর্ব ৯

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়, সন্দীপ দত্ত, সুবিমল মিশ্র।