
সেলাইসফর
ওস্তাদ দর্জিদের কথা থাক। আগেকার জমানায় মেয়েদের সেলাই বোনায় পারদর্শিতাকেও গুণাবলির মধ্যেই ধরা হত। বিয়ের বাজারে মেয়েদের কদর বাড়ত। এখন থেকে চল্লিশ বা পঞ্চাশ বছর আগে মহিলারা কম বেশি সকলেই সেলাই বোনায় পারদর্শী ছিলেন।

ওস্তাদ দর্জিদের কথা থাক। আগেকার জমানায় মেয়েদের সেলাই বোনায় পারদর্শিতাকেও গুণাবলির মধ্যেই ধরা হত। বিয়ের বাজারে মেয়েদের কদর বাড়ত। এখন থেকে চল্লিশ বা পঞ্চাশ বছর আগে মহিলারা কম বেশি সকলেই সেলাই বোনায় পারদর্শী ছিলেন।

‘বই-পড়া জীবন-ধারণা নিয়ে পথে নামেননি শরৎচন্দ্র। পথে নেমেই চিনে নিতে চেয়েছেন পথ আর জীবনকে। যেমন দেখেছেন, যেমন চিনেছেন, লিখেছেন সেটাই। নিজস্ব ন্যারেটিভে লেখাকে কৃত্রিম করে তুলতে চাননি। তবু অপূর্ব-র মধ্যে শরৎচন্দ্রকে খোঁজে পাঠক, শ্রীকান্ত-র মধ্যেও।’

‘নিজের দৌড় সম্পর্কে বাড়াবাড়ি রকমের উচ্চ ধারণা পোষণ করাতেই তাদের ভরপুর আমোদ। যে যত বেশি অজ্ঞ, মনে-মনে সে ততই প্রাজ্ঞ। নিজেকে গা-জোয়ারি চ্যাম্পিয়ন ভেবে বসার এই মাতব্বরির খেলায় আমরা রোজই নাম লেখাই। আষাঢ়ে আত্মবিশ্বাসের পথকে ক্রমশ চওড়া করি।’

“নবীন সেনের ‘পলাশীর যুদ্ধ’ থেকে, মাইকেল মধুসূদনের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ থেকে আওড়াতেন। রবীন্দ্রনাথকে খুব একটা পছন্দ করতেন না। বলতেন, ‘রবিবাবুর কবিতায় অশ্লীলতা দোষ আছে।’”

সারল্য এবং নির্মমতা, নীরবতা ও সহনশীলতার মধ্য দিয়েও পৃথিবীর গণ্ডিগুলো বারবার ভাঙতে চান বিভূতিভূষণ। অভাবের সংকীর্ণতা কখনও পথের দেবতার আকুল ডাককে পরাস্ত করতে পারে না।

হয়তো চশমাটাকে শত্রু না ভেবে বন্ধু বানানোই ভাল। চশমা পরব। নিজের মুখ দেখব। একটা রেখা বেশি দেখলে দেখব। দুটো বেশি হলে আরও দেখব। তারপর হাসব। কারণ মুখে একটা রেখা থাকা মানে এই নয় যে যৌবন চলে গেছে।

যেসব শিল্পীর এই ট্রাপিজ খেলায় যার কিছু যায়-আসে না, সে তো এখন বাড়তি। তার জন্য ফ্ল্যাশ-বালবের ঝলকানি নেই, নেই প্রিন্টের খরচ, রিয়েলিটি শো-এর রিয়েলটাইমে সে ব্রাত্য। তাই বাদ পড়ে যায় অনিন্দ্য আর অনিন্দ্যরা।

১৯৬৬ সালে ‘নায়ক’ যখন উৎসবে যায়, তখন জুরিরা সত্যজিৎ রায়ের চেনা ধ্রুপদী ঘরানার বাইরে কোনো নতুন এবং প্রথাবিরোধী সিনেমাটিক ভাষাকে পুরস্কৃত করার জন্য মানসিকভাবে তৈরি হচ্ছিলেন।

প্রাণীজগতে বৈচিত্রের শেষ নেই। মানুষ এবং পাখি সংগীতের বিষয়ে অবশ্যই প্রথম সারিতে থাকবে, কিন্তু জীববিজ্ঞানে শুধু মানুষ এবং পাখিই নয়, তারা ছাড়াও এই জগতে অনেকেই

‘পার্কার, শেফার্স ১-২ টাকায় পাওয়া যেত ওদের দোকানে— পেন হাসপাতালে আর একটু বেশি দরে বিকোত গুড উইলের কারণে। উইলসন এবং চাইনিজ় কলমের দামও এক টাকাই ছিল। পশুপতিবাবু মাসে সাড়ে সাতশো থেকে হাজার টাকার ব্যাবসা করতেন মাসে এবং ৩০% লাভ থাকত হেসেখেলে।’

কেন সব কিছু সামলানোর দায়িত্ব শুধু আমার? আর তার পরের প্রশ্নটি আরও বিপজ্জনক— আমি যে জীবনটা বাঁচছি, সেটা কি সত্যিই আমার নিজের পছন্দের জীবন? গ্লোরিয়া স্টেইনেমের গুরুত্ব এখানেই।

‘গুটখা, টি-টুয়েন্টি, সিরিয়ালের নোংরামো নেই, এমনকী মোবাইলফোনও শুধু জরুরি কথা বলার জন্যই এক কোণে পড়ে থাকে। একশো বছর আগে তৈরি ল্যাকার বডির ওপর মাদার অফ পার্লের কারুকাজ, ডগায় সোনার ডাবল হোল্ড নিব, কাট গ্লাসের দোয়াত, নীল কাচের কলমদান…!’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.