পত্রিকা

শ্রীজাত

হিয়া টুপটাপ, জিয়া নস্টাল: পর্ব ৪৭

‘ভাস্কর স্যার ও-পথে কখনও যাননি। তাঁর মোক্ষম অস্ত্র ছিল একটিই। শ্লেষ। পড়া না পারলে, ভুলভাল উত্তর দিলে, বা হোমটাস্ক না করে এলে বকুনি বা মারধর, কোনওটাই তাঁর ধরন ছিল না। বরং এমন একখানি বাক্যবাণ ছুড়ে দিতেন, শুনে মনে হত এর চেয়ে নিল ডাউন করিয়ে রাখলে ভাল হত।’

Representative Image
ডাকবাংলা.কম

চোখ-কান খোলা: পর্ব ২৪

‘‘আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রথম থেকেই তার উদ্দেশ্য স্পষ্ট রেখে এগিয়েছে। ভক্তকুল যতই অস্বীকার করুক, যতই এই যুক্তি বারবার দেওয়া হোক যে, ‘সিনেমাকে তার নিক্তিতেই বিচার করতে হবে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের মাপকাঠিতে নয়’. ‘ধুরন্ধর’ উগ্র জাতীয়তাবাদের কথাই কেবল বলে না, বর্তমান কেন্দ্রীয় শাসকগোষ্ঠীর সরাসরি সমর্থনের ভাষ্য তুলে ধরে।’’

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫২

‘যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে পাখিগুলি বেঁচে ফিরে আসে।/ বইয়ের দোকানগুলি ধূলিসাৎ, চূর্ণ লাইব্রেরি…/ রুটির পুরনো গন্ধ লেগে আছে দেওয়ালে ও ঘাসে/ কত ধ্বংস পার হয়ে এ-শহর ফের পাখিদেরই।’

Representative Image
অভ্রদীপ ঘটক

কার দেশ বলো?

‘‘ইতিহাসে ‘অনুপ্রবেশকারী’ কারা, এই প্রশ্নের উত্তর খুব একমাত্রিক নয়, তা এই সহজ ইতিহাস থেকেই অনুধাবন করা যায়। ঐতিহাসিক তথ্য বলছে, আর্যরা ভারতে এসে প্রথমেই প্রাচীনতম দ্রাবিড় এবং প্রোটো-অস্ট্রোলয়েডদের তৈরি সিন্ধু সভ্যতা বা হরপ্পা সভ্যতার ওপর নিজেদের প্রভাব কায়েম করে।’’

Representative Image
তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: পর্ব ১৭

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, সুবো আচার্য ও কাঞ্চন কুমার।

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন পর্ব: ১১

‘রঙিন কাগজ কেটে কালি বানিয়ে তার উপর গোল করে আঠা দিয়ে জুড়ে শিকল করা হত। সেই শিকল টাঙানো হত। রঙিন কাগজের ফুলও তৈরি করা হত। ঠাকুর সাজানোর জন্য যে যতটা পারে প্রতিভার বিকাশ ঘটাত।’

Representative image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৩৩

‘আমি টুকটাক কথা চালাতে লাগলাম। কী নাম, কোথায় বাড়ি। দেখলাম, নাম পরিচয় দিতে কারও-কারও অস্বস্তি রয়েছে। কথা না বাড়িয়ে কলকাতা সম্পর্কে ওদের কৌতূহলের জবাব দিতে লাগলাম। তখনই জানলাম, মালখান সিংকে ওরা দদ্দা বলে ডাকেন। দদ্দা মানে বড়ভাই।’

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ১৪

“কালীঘাট বাজারের সামনের রাস্তার ওপর হত গড়মিল সংঘের পুজো। আমাদের নিজেদের মধ্যে তেমন গড়মিল ছিল না। সংঘের নাম হয়েছিল ‘গড়মিল’ সিনেমা থেকে। পরে সেই পুজো ফরওয়ার্ড ক্লাবের দিকে চলে গিয়েছিল। তখন সেখানে ছিল কালীঘাট ফাঁড়ি। এখন সেটাই থানা। বেশ বড় কালীপুজো।”

OSCAR
সোহিনী দাশগুপ্ত

নেপথ্যের নারীরা

‘সিনেমার কারিগরি বিভাগগুলিতে, বিশেষ করে ক্যামেরা, প্রোডাকশন ডিজাইন, সাউন্ড, মিউজিক এবং পরিচালনা— মহিলারা শুরু থেকেই ব্রাত্য। অবশেষে গল্প পাল্টাচ্ছে। অবশেষে মেয়েরা যোগ দিচ্ছে পর্দার পিছনের দৃশ্যপটে। তৈরি করছেন দেখা, শোনা আর গল্প বলার স্বতন্ত্র এবং দক্ষ ভাষা।’

রাজর্ষি ধাড়া

ওসিডি বিষয়ক

“ওসিডি-র জটিল মনস্তত্ব নিয়ে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ জয়রঞ্জন রাম বলছেন, “ওসিডি ৫০ জনে একজনের হয়। এটা একটা বেশ জটিল মানসিক অসুস্থতা, যা ব্রেনে কেমিক্যাল ইমব্যালেন্সের জন্য হয়। সব বয়সেই এটি হতে পারে। আমরা ‘অবসেশন’ কথাটা খুব লঘুভাবে ব্যবহার করি।…“

ডাকবাংলা.কম

চোখ-কান খোলা : পর্ব ২৩

কুর্নিশ জানাতেই হয় ড. কৃতি ভারতী-কে, যিনি এত প্রতিকূলতার মধ্যেও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে তাঁর নির্ভীক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। ছেলেবেলার অসহায়তা কী, তা ড. ভারতী খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তাঁর দশ বছর বয়সে এক আত্মীয়ের দেওয়া বিষে তিনি একবছর শয্যাশায়ী ছিলেন। সেই বন্দিদশার অনুভূতি, তিনি চান না অন্যদের জীবনে থাকুক। সবাইকে শোনাতে চান, শিকল ভাঙার গান।

Representative Image
তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৪৫

‘‘আমাদের পেছনে বসেছিলেন এক ফিলিপিনো প্রৌঢ়, তিনি শান্ত গলায় বললেন, ‘এটা আমার থার্ড দিন, এই ফ্লাইটে যেতে পারলাম না।’ শুনে তো আমাদের আত্মারাম খাঁচাছাড়া। কলকাতা স্টাইলে আমরা চড়া গলায় জানতে চাইলাম কাউন্টারের মহিলার কাছে, ‘ফ্লাইট ছাড়বে কখন?’’’