পত্রিকা

শ্রুতি গোস্বামী

দেশাত্মবোধক : ১

উনিশ শতকের দ্বিতীয় ভাগে নতুন নাগরিক বাংলা গান যে-ক’টি প্রধান খাতে তৈরি হচ্ছিল, তার মধ্যে একটি হল জাতি ও দেশভাবনার গান।

সঞ্চারী মুখোপাধ্যায়

মেঘে মেঘে বেলা : পর্ব ১০

মেয়েরা একটা বয়সের পর আর প্রেম চায় না— এই কথাটা মিথ্যে। তারা শুধু প্রেম চাওয়ার কথাটা বলা বন্ধ করে দেয়। লজ্জায়। ভয়ে। সমাজের চোখে। সন্তানের কথা ভেবে। নিজের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে।

সংযুক্তা বসু

আঠারোর কবি

“‘অখ্যাত কবিরা, যাঁরা তেমন নাম করেননি, এমন কবিরা অনেকেই কবি সুকান্তকে সেভাবে গুরুত্ব দিতে চান না। এটা একধরনের কবিদের মানসিকতা, কিংবদন্তিদের প্রতি এক ধরনের উদাসীনতা দেখানো।’ এ-কথা বলছিলেন কবি জয় গোস্বামী।”

তন্ময় ভট্টাচার্য

নেতাজির প্রত্যাবর্তন

১৯৪৮-এ, ২৩ জানুয়ারি দিনটিকে প্রায় জাতীয় উৎসবের পর্যায়ে নিয়ে গেল বাঙালি। আজকের গতানুগতিক দিনপালনের যুগে কল্পনা করাও মুশকিল, কী আবেগ জড়িয়ে ছিল সেকালে। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বিশেষ নিবন্ধ।

কৃষ্টি কর

তৃতীয় পরিসর

হয়তো কিউরেশন শেষ পর্যন্ত শিল্পকর্মকে সংরক্ষণের শিল্প, কিন্তু এটি শিল্পকেন্দ্রিকতার প্রথম পাঠও বটে, যা সম্পর্ক, সংঘাত, ভুল বোঝাবুঝি এবং অবশ্যই, কথোপকথনকে শিল্পের স্তরে উন্নীত করে। এক্সপেরিমেন্টারের কিউরেটরস হাব প্রসঙ্গে বিশেষ নিবন্ধ।

অরিন্দম মুখোপাধ্যায়

দক্ষিণ খোলা জানলা

‘নায়ক-নায়িকাদের ক্যারিশমা, পরিচালকদের দক্ষতা, এসব পেরিয়ে যা দক্ষিণের সিনেমাকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে— তা হল তাদের দর্শকদের সিনেমার প্রতি প্রেম। যে-কারণে রজনীকান্ত তিয়াত্তরে এসেও স্বমহিমায় ফিরে আসার জন্য জানপ্রাণ দিয়ে দেন।’

আবীর কর

আমিষ-সফর

আমাদের নিত্য-আহারে মাছ-ডিম-মাংসের উপস্থিতিকে বিচার-বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে চর্যাপদের কাল থেকে মাছ ধরা, পশু শিকারের বর্ণনা থেকে অনুমান করা যায় সেই সময়কালেও মানুষের খাদ্যাভ্যাসে মাছ, মাংসের চল ছিল।

Image for Poems
শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫৫

‘তদুপরি ভালবাসা এ-বাগানে ফোয়ারার মতো।/ মনে রাখা ভাল, তার সঙ্গিনীটি পাথরের পরি।/ প্রস্তরের ইতিহাসে যত বৃষ্টি আঘাতসম্মত,/
আমরা ভ্রমণকারী, সেই জলে পুণ্যস্নান করি।’

সম্প্রীতি চক্রবর্তী

নৃতত্ত্বের চোখে

ভারতীয় মহাকাব্যকে আজকে যে এককেন্দ্রিকতায় বেঁধে ফেলা হয়েছে; নানা বাঁধাধরা ছকে কিছু চরিত্রকে মহিমান্বিত করার রাজনীতি আজ দেশে মান্যতা পেয়েছে, কার্ভে-র মহাভারত পাঠ ঠিক তার উল্টো বয়ান তুলে ধরে।

Representative Image
শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়

সম্পাদকের মন

’’রবীন্দ্রনাথের হাতে যখন প্রথম পৌঁছল ‘রবীন্দ্র-রচনাবলী’র প্রথম খণ্ড— একটি চেয়ারে বসে রচনাবলীর পাতা উলটোচ্ছেন কবি, রীতিমতো খুশিই দেখাচ্ছিল তাঁকে। সেসময় তাঁর চেয়ারের পিছনেই দাঁড়িয়ে পুলিনবিহারী। সেটা খেয়াল করেই কবি না কি বলে উঠেছিলেন—‘ইস! ভাবটা যেন কৃতিত্বটা ওঁরই’।’’

উদয়ন ঘোষচৌধুরি

সাক্ষাৎকার: হানি ত্রেহান

সম্প্রতি ‘সতলুজ’ -এর মুক্তি ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছিল। এই ছবির পরিচালক হানি ত্রেহান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত মুম্বই ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে। বিশাল ভরদ্বাজ থেকে ইরফান খান— বিভিন্ন যোগসূত্র তাঁকে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁর নির্দেশনা থেকে তাঁর প্রযোজনা, বিবিধ বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথোপকথনে উদয়ন ঘোষচৌধুরি, ডাকবাংলা.কম-এর জন্য এক্সক্লুসিভ…

Representative Image
সৌগত রায়বর্মন

আগুনপাখি

‘দুর্গম বুন্দেলখণ্ড জঙ্গল-পাহাড় ছানবিন করেও করেও আমরা বাবা ঘনশ্যামের হদিশ পেলাম না। কিন্তু আমাদের হতাশ দিনগুলির মধ্যে ঝোড়ো বাতাসের মতো উড়ে এল একটা সুখবর। বাবা ঘনশ্যাম ধরা পড়ে গেছে। কী আনন্দ, কী আনন্দ! এবার আমরা নিশ্চয়ই ফুলনের দেখা পাব।’