
প্রেমের দ্বীপ
ব্রিটিশ-তুর্কি সাহিত্যিক এলিফ শাফাক তাঁর ‘দ্য আইল্যান্ড অফ মিসিং ট্রিজ’ উপন্যাসটি উৎসর্গ করেছেন শিকড় থেকে উপড়ে তোলা মূলহীন, ভাসমান, অন্য দেশে বসত গড়তে বাধ্য হওয়া মানুষদের…

ব্রিটিশ-তুর্কি সাহিত্যিক এলিফ শাফাক তাঁর ‘দ্য আইল্যান্ড অফ মিসিং ট্রিজ’ উপন্যাসটি উৎসর্গ করেছেন শিকড় থেকে উপড়ে তোলা মূলহীন, ভাসমান, অন্য দেশে বসত গড়তে বাধ্য হওয়া মানুষদের…

‘আমার ডাকাডাকিতে মাধবীদের বারান্দায় আলো জ্বলে উঠল, শিবনাথ বাগানের ভেতর দিয়ে গেটের কাছে চলে এল, এবং ওইরকম দিন বলেই হয়তো মাধবীর বাবা ও মা বারান্দায় এসে দাঁড়ালেন। আমি অবশ্য জানালাগুলির দিকে তাকিয়ে মাধবীর উঁক ঝুঁকি ঠাহর করে আশ্বস্ত হয়েছি।’

তাঁর বিষয়গুলো খুব সহজ, খুব সাধারণ, কিন্তু তাঁর প্রকাশভঙ্গি ছিল মৌলিক, অভিনব। এমন বিষয় তিনি বেছে নিতেন, যা সকলের হৃদয় অবলীলায় ছুঁয়ে যেত। তাঁর তুলির টান ছিল ‘ফ্রি ফ্লো’-এর মতো, যেন কোনও শিশু হাতে তুলি ধরেছে।

যেভাবে শিকড়ের টানে বাংলা ভাষার কাছে ফিরতে চেয়েছিলেন মাইকেল, ঠিক সেভাবেই ফিরতে চেয়েছিলেন নিজের বাড়িতে। সেটা ১৮৬২ সাল। দ্বিতীয় স্ত্রী ফরাসি আঁরিয়েতাকে নিয়ে নৌকো ভিড়িয়েছিলেন কপোতাক্ষ তীরে।

‘শাসক কীভাবে ফুটবলকে ব্যবহার করে দেশের গণমানসকে নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবিত করতে পারে অর্থনীতির দুরবস্থা, গণতন্ত্রের সংকট, মতপ্রদানের স্বাধীনতা, মানবাধিকার হরণ ইত্যাদি সমস্ত সমস্যাকে উৎসবের কার্পেটের নীচে চালান করে দিতে পারে, ‘দ্য ইয়ার মাই পেরেন্টস ওয়েন্ট টু ভ্যাকেশন’ তারই একটা আশ্চর্য র্নৈব্যক্তিক দলিল হয়ে যাবে।’

‘দুর্গাদালানে দেবী দশভুজা, আর তাঁরই পাশের কুলুঙ্গিতে ধ্যানমগ্ন দুই বুদ্ধ। হুগলির জিরাট-পাটুলি গ্রামের মঠবাড়িতে এই আশ্চর্য দৃশ্য দেখা যায় বহুকাল ধরে। একই ছাদের নীচে এই সহাবস্থান শুধু ইতিহাসের অলংকার নয়, আমাদের কাছে এক গভীর অমীমাংসিত প্রশ্নও বটে।’

‘খুব কম অভিনেতাই পারেন তাঁর শিল্পের এত কাছাকাছি যেতে, যাঁকে পর্দায় দেখে মনে হয় এ তো আমার মতোই রক্তমাংসের মানুষ! আমার কাছে নানা পাটেকার তেমন একজন।… থিয়েট্রিক্যাল আর সিনেমাটিক— দুই ধরনের অভিনয়-ধারাকেই আত্মস্থ করতে পেরেছিলেন তিনি।’

বের্টোল্ট ব্রেখটের ‘মিস্টার পুন্টিলা অ্যান্ড হিজ ম্যান মাট্টি’-র বঙ্গীকরণ করেছিলেন নীহার ভট্টাচার্য, তার পরিমার্জনা ও সম্পাদনা করেছিলেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও প্রতীক দত্ত। সেই নাটকটি পূর্ণাঙ্গ প্রকাশিত হল পুজোসংখ্যা ২০২৬-এ। শেষ পর্ব…

ডিসটোপিয়া একধরনের আখ্যানবর্গের বিষয়, যেখানে কাল্পনিক ভবিষ্যৎ সমাজে মানুষ স্বৈরাচারী শাসক বা সরকার বা কোনও কর্পোরেশনের দমনমূলক নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত অমানবিক, ভয়াবহভাবে মর্মান্তিক জীবন কাটায়।

এরপর আমরা পৌঁছে যাই এক অস্পষ্ট ভবিষ্যতে— যেখানে নারী-পুরুষের বিভাজনের প্রয়োজন ফুরিয়েছে, কারণ আলাদা করার মতো কোনও নারীর অস্তিত্বই আর নেই।

‘সবাই বলে, বিলেদার বাবা নকশাল ছিল। জুটমিলের শ্রমিকদের নিয়ে একটা বড় মাপের আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, সেই সময়ে একদিন পুলিশ তুলে নেয়। আরও সবাই বলে, বিলেদার বাবা প্রিজনভ্যান থেকে পালিয়ে গেছিল কোনওভাবে। গুলিও চলেছিল নাকি কয়েক রাউন্ড।’

জিন্দেগি অওর কুচ ভি নেহি… সুদৃশ্য ছাতা আর দূরে/ আগুন-পোহানো দোকানি, কুকুর। বেমালুম ভুলে যাওয়া/ গত এক বছরে দেশ ও বিদেশে হত্যা, কেজি দরে বিক্রি/ আর এক টাকা বেশি পেতে ঝগড়া তুমুল।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.