
নারী, বিপ্লব, সত্য
সশস্ত্র বিপ্লব শুরু করল নারীই। প্যারিসের সমস্ত অস্ত্রাগার হানা দিয়ে বন্দুক, ছুরি আর কামান লুঠ করল তারা। তারপর রওনা হল ১২ মাইল দূরের ভার্সাই প্রাসাদের উদ্দেশে।এটিই ‘ভার্সাইয়ের নারী মার্চ’ বা ‘ব্ল্যাক মার্চ’ নামে পরিচিত।

সশস্ত্র বিপ্লব শুরু করল নারীই। প্যারিসের সমস্ত অস্ত্রাগার হানা দিয়ে বন্দুক, ছুরি আর কামান লুঠ করল তারা। তারপর রওনা হল ১২ মাইল দূরের ভার্সাই প্রাসাদের উদ্দেশে।এটিই ‘ভার্সাইয়ের নারী মার্চ’ বা ‘ব্ল্যাক মার্চ’ নামে পরিচিত।

সবাক চলচ্চিত্রের সূচনা হয়েছে এই সময়। বাস্টার কিটনের জন্য সেটা ছিল একটা ধাক্কা; কিটনের বিখ্যাত উক্তি— ‘Silence is of the gods, only monkeys chatter!’

সিনেমা যে শুধু বিনোদনভাষা নয়— একথা রীতিমতো তর্ক করে বোঝানোর জন্য সত্যজিৎ ও তাঁর বিখ্যাত বন্ধুদল প্রতিষ্ঠা করলেন কলকাতা ফিল্ম সোসাইটি-র, যেখানে চলচ্চিত্রের শিল্পসৌন্দর্য নিত্যচর্চার প্রকাশ হয়ে দাঁড়াল।

‘সারা রাস্তায় লরিট্রাকবাস-ভাঙা ছোট-বড়-মাঝারি কাচের টুকরো। এদিকে-সেদিকে গুচ্ছ-গুচ্ছ সেনা পুলিশ। ডানলপে গুরদোয়ারার দিক থেকে ধোঁয়া উঠছিল পাক খেয়ে। দমকলের ঘণ্টা শুনলাম। থমথমে ওই আলো-অন্ধকারে আমি ও ভাস্করদা মাধবীকে খুঁজতে লাগলাম।’

‘দাদুকে শতরঞ্চিতেও তালি লাগাতে দেখেছি। শতরঞ্চি ফুটো হয়ে গেলে টুকরো কাপড়ের তালি লাগাতেন নিজেই। এতটাই ‘তালি-বান’ ছিলেন আমার দাদু। শুধু দাদু নয়, গোটা পরিবারেরই এই অভ্যেস ছিল। কোনও জিনিসকে বহুদিন এবং বহু ভাবে ব্যবহার করার নানাবিধ ফন্দিফিকির উদ্ভাবন করা হত।’

‘অজয়দার সঙ্গে বহু খেলার ধারাবিবরণী দেওয়ার সুযোগ আমার হয়েছে কলকাতা বেতার কেন্দ্র ও দূরদর্শন কর্তৃপক্ষের সৌজন্যে। বিবরণী দিয়েছি কলকাতার বহু ফুটবল ম্যাচে, শিলিগুড়িতেও। কোনওদিন ভুলতে পারব কি, প্রতিবার কমেন্ট্রি শুরুর আগে অজয়দার সেই অসাধারণ সৌজন্যের কথা— নাও, তুমি শুরু করো!’

‘আমাদের এখানে যদি ছেলেমেয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকেও, তাহলেও একটা দূরত্ব তৈরি হয়ে যায়। তারা মেতে যায় তাদের আনকোরা জীবনকে পাটে-পাটে খুলে উপভোগ করতে, তার রূপ-রস-গন্ধ-স্পর্শ অনুভব করতে। আর মায়ের হাতে পড়ে থাকে এক অদ্ভুত শূন্যতা। এর নাম দুঃখ বললে পুরোটা বলা হয় না।’

ভারতের এখনও গান্ধীর ভাবনার প্রয়োজন রয়েছে— প্রজাতন্ত্রকে একটি ‘হিন্দু পাকিস্তান’-এর দিকে পিছলে যাওয়া থেকে রুখতে; পরিবেশ ধ্বংস এবং তার ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষতিকে থামাতে…

কাল্পনিক দৃশ্যপটে বোঝানো হচ্ছিল, আজকে গান্ধী বেঁচে থাকলে কীভাবে তিনি সংবিধান আঁকড়ে লড়াই করতেন। সোনম ওয়াংচুকের ২৬ দিনের অনশন মঞ্চে পাশে ছিল গান্ধীজির ছবি।

একবার বন্ধু সুনীতিকুমার তাঁর নাটকের একটি আবেগবহুল জায়গা নিয়ে প্রশংসা করতে শুরু করলে তিনি সরাসরি বলেন, ‘সুনীতি তুমিও বোকা বনেছ! ওখানে উঁচু দরের কিছু নেই তো!’

গান্ধীর সাংবাদিকতার অন্যতম বৈপ্লবিক দিক ছিল এর অর্থনৈতিক মডেল। ‘ইন্ডিয়ান ওপিনিয়ন’ চালানোর সময় তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, বিজ্ঞাপনের ওপর নির্ভরশীলতা পত্রিকার স্বাধীনতাকে খর্ব করে।

ঢাকার মানুষ বলেন, সিলেট তো বড়লোকের শহর। সত্যিই তাই! আসলে সিলেটের প্রায় প্রতিটি বাড়ির কেউ না-কেউ বিলেত-আমেরিকায় থাকে। বিশেষ করে, লন্ডনের পুবদিকের পাড়াগুলোতে ঘুরলে আপনার মনে হবে, একটুকরো সিলেট।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.