
ক্ষতিগ্রস্ত
‘কীসেরই-বা দ্বিচারিতা… ভাবি…/ কে দিব্যি দিয়েছে একচারিতার/ আমরা সকলে খুবই মন্দ লোক/ দু-একটা ভাল কাজ করি… তুমি/ তাও কি দেবে না’

‘কীসেরই-বা দ্বিচারিতা… ভাবি…/ কে দিব্যি দিয়েছে একচারিতার/ আমরা সকলে খুবই মন্দ লোক/ দু-একটা ভাল কাজ করি… তুমি/ তাও কি দেবে না’

‘কুনুরের দরজা সর্বদা বন্ধ কেন, তার উত্তর দিতে ওরা প্রস্তুত নয়। ওরা আজ কোথায় ব্রেকফাস্ট করবে, কোথায় করবে লাঞ্চ, কেনই-বা কাউকে ওরা বলতে যাবে? কুনুর চায় কুনুরের মতো করে থাকতে। কোপাইয়ের মতো করে নয়। ওরা আরও চায়, কোপাই থাকুক কোপাইয়ের মতো। কুনুরের মতো করে নয়।’

কখন যে গোটা ব্যাপারটা একটা সিরিয়াস বাণিজ্যিক ইভেন্টে পরিণত হল, বুঝতেই পারা গেল না। এবং সবাই জানে ডিসটোপিয়ান সোসাইটিতে কী হয়ে থাকে? বিভাজন।

বের্টোল্ট ব্রেখটের ‘মিস্টার পুন্টিলা অ্যান্ড হিজ ম্যান মাট্টি’-র বঙ্গীকরণ করেছিলেন নীহার ভট্টাচার্য, তার পরিমার্জনা ও সম্পাদনা করেছিলেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও প্রতীক দত্ত। সেই নাটকটি পূর্ণাঙ্গ প্রকাশিত হল পুজোসংখ্যা ২০২৬-এ। দ্বিতীয় পর্ব…

‘পিসির বাড়িতে টিমটিমে আলো, এলডি-প্রোজেকশন নেই, পিসি লেসিং-টুনাক এন্টা-ইনফো’র কানেকশনই নেয়নি, বাড়িটায় ঢুকলেই একটা বুড়ো-বুড়ো গন্ধ, যেন স্বেচ্ছা-ডিমেনশিয়ার রাজ্য। বাবাকে দেখলেই নতুন নাইটি থেকে কাঠি-কাঠি হাত বের করে ঘ্যানঘ্যানে গল্প।’

বের্টোল্ট ব্রেখটের ‘মিস্টার পুন্টিলা অ্যান্ড হিজ ম্যান মাট্টি’-র বঙ্গীকরণ করেছিলেন নীহার ভট্টাচার্য, তার পরিমার্জনা ও সম্পাদনা করেছিলেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও প্রতীক দত্ত। সেই নাটকটি পূর্ণাঙ্গ প্রকাশিত হল পুজোসংখ্যা ২০২৬-এ। প্রথম পর্ব…

সম্প্রতি শান্তিনিকেতনের ‘সোয়াদ’-এ ‘অ্যান্টনিম’ আয়োজিত ‘লাইনরাইটস’ রেসিডেন্সিতে এসেছিলেন বিশ্ববিখ্যাত কমিকস শিল্পী আপ্পুপেন। কমিকস থেকে ডিসটোপিয়ার জগৎ, অনেককিছু নিয়ে কথাবার্তায় সাত্তিক শঙ্খ। সঙ্গে ছিল ডাকবাংলা.কম।

‘পুরনো একটা বাড়ির নীচতলায় কাচের দরজা লাগিয়ে কোনওরকমে বানানো। ভেতরে কয়েকটা টেবিল দেখা যাচ্ছে। লোকজন বিশেষ নেই। নীলা মোবাইল ফোনের দিকে তাকিয়ে ভুরু কুঁচকে কীসব পড়ছিল। একবার রেস্টুরেন্টের দিকে তাকায়, আবার ফোনের দিকে। ঠিক তখন পেছন থেকে পরিচিত গলা।’

চিড়িয়াখানাই তো! হয়তো তারজালির নয়, কিন্তু কংক্রিটের— বিষয়টা তো একই। এখানেও একদল মানুষকে একটা জায়গায় আটকে রেখে, একগুচ্ছ সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে তাদের ওপর অবিরাম নজরদারি চালানো হচ্ছে।

‘এমন সংলাপ আরও কিছুক্ষণ চলার পরই তুমুল চিৎকার-চেঁচামেচি— ‘বন্ধ করুন’, ‘এই জিনিস দেখতে পয়সা দিয়ে আসিনি’… ইত্যাদি-ইত্যাদি। আমাদের মাথা টপকে মঞ্চে গিয়ে পড়ছিল চটিজুতো। ছাত্রের এই বিপন্ন মুহূর্তে বাবা কিন্তু চেয়ার আঁকড়ে, আমাদের নিয়ে, ওই বিক্ষোভের মধ্যেও ঠায় বসে রইলেন। যাত্রা থেমে গেল।’

শুধু লিঙ্গ-আলোচনা নয়, ইলা মিত্রর জীবন আমাদের শহর-গ্রাম কিংবা আদিবাসী-মধ্যবিত্তের টানাপোড়েনের কথাও বলে। ইলা মিত্রর জীবন নিয়ে আগামীতে হয়তো গবেষণা আরও বাড়বে।

‘এই পুরো অ্যালবামটি শুধুমাত্র লুকিয়ে দেখার সুখের কথা বলে না। বরং বলে লুকিয়ে দেখার ভেতর যে-নানান রং আছে, নানান বৈচিত্র আছে, তার কথা— সর্বোপরি এই দেখায় আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কার বা প্রযুক্তির ভূমিকা কী, তার নানান বয়ান তৈরি হয়।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.