
উল্টো দূরবিন: পর্ব ৩১
‘দাদুর কাছে পাটিগণিত করার মজাই ছিল আলাদা। কঠিন-কঠিন অঙ্কগুলো যখন উত্তরে মিলত না, দাদু টেনে নস্যি নিতেন আর-একবার। ‘র, র! উত্তর মিলতেই হইব! অঙ্ক না হইয়া যাইব কই?’ আবার নতুন করে ভাবতে বসতেন, আবার নতুন করে করতেন।’

‘দাদুর কাছে পাটিগণিত করার মজাই ছিল আলাদা। কঠিন-কঠিন অঙ্কগুলো যখন উত্তরে মিলত না, দাদু টেনে নস্যি নিতেন আর-একবার। ‘র, র! উত্তর মিলতেই হইব! অঙ্ক না হইয়া যাইব কই?’ আবার নতুন করে ভাবতে বসতেন, আবার নতুন করে করতেন।’

‘নারায়ণ ব্যস্ত রইলেন নাটকের মহড়ায় আর নিজের রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে। তা ছাড়া বাচ্চাগুলো ‘মোর বানি ঠাঙ্গাত করে’ গানের সঙ্গে গরবা নৃত্য পরিবেশন করবে। তার মহড়াও আছে। নির্দিষ্ট দিনে মহারাজা এলেন। নাচ-গান সহযোগে তাঁকে বন্দনা করল বাচ্চারা। তারপর শুরু হল অনুষ্ঠান।’

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, পোষ্যকে সন্তানতুল্য ভালবাসার চল একেবারে নতুন নয়। বহুদিন ধরেই, এমনকী ইতিহাস ঘাঁটলেও এমন তথ্য উঠে আসবে। মানুষ কুকুর বা অন্য প্রাণীকে পরিবারের সদস্যের মতো করে পালন করে এসেছে।

ইউএন উইমেন-এর নীতি, কর্মসূচি ও আন্তঃসরকারি বিভাগের পরিচালক সারা হেনড্রিক্স বলেছেন, নারী-পুরুষের সমতার বিরুদ্ধে ক্রমশ আরও সংগঠিত প্রতিরোধ তৈরি হচ্ছে এবং নারীর অধিকারও পিছিয়ে যাচ্ছে বা পিছু হটছে।

যখন নারীবাদী বয়ানমাত্রই মূল স্রোতের রাজনীতির সমান্তরালে বা বিপ্রতীপে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে, সেখানে একজন মূল স্রোতের নেতার মুখে এত বড় একটি ‘স্টেটমেন্ট’ অবশ্যই তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু তারপরে?

২৭ অগাস্ট, হৃষীকেশ মুখার্জির ২১তম মৃত্যুদিনে তাঁর বড় ছেলে প্রতীপ মুখার্জি, বড় বউমা স্বাতী মুখার্জি, নাতনি প্রিয়াঙ্কা মুখার্জি, এবং নাতজামাই নিখিল রাজপালের সঙ্গে ডাকবাংলা.কম-এর তরফে আড্ডায় বসলেন উদয়ন ঘোষচৌধুরি।

১৯২৭-এর ২৬ অগাস্ট কলকাতায় নিয়মিত বেতার সম্প্রচার শুরু। সেই হিসেবে কলকাতা বেতারের শতবর্ষ শুরু হল। এই তারিখটা আমাদের কাছে বিশেষ গর্বের, কারণ অল ইন্ডিয়া রেডিয়োর এখন ৯০ বছর, সেই হিসেবে কলকাতা বেতার তার থেকে ১০ বছরের বড়।

‘এক মাঝরাতে খবর পেলাম, পিন্টুদা আর নেই। শরীর নিয়ে ভুগছিল অনেকদিনই, শেষমেশ লড়াই থামল। আমার ছোটবেলার অনেকখানি অংশ সেদিন ওই আগুনেই পুড়ে গেছিল। তার ছাই এখনও উড়ছে বাতাসে, তাকে আর সারাই করা যাবে না।’

আমার দাদুর খুব বেশি ছবি নেই। পিসেমশাইয়ের কাছ থেকে পাওয়া কোডাক বক্স ক্যামেরায় দু’চারটে ছবি উঠিয়েছিলাম, দাদুর বৃদ্ধ বয়সে। সেই সব ছবির চিহ্নমাত্র নেই। দাদুর ছবি আমার স্মৃতিতেই আছে। আমার স্মৃতিলুপ্তির পর, বা আমার নিজের লুপ্তির পর, দাদুর কোনও ছবি থাকবে না।

‘বিশ্বভারতী সংগীত সমিতি তাঁর গান রেকর্ড করার ক্ষেত্রে কোনও স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি। দেবব্রত গান রেকর্ড করা বন্ধ করেছিলেন সংগীত সমিতির আধিপত্যবাদের প্রতিবাদে এবং ওঁরই অনুজ একাধিক গাইয়ের প্রতি গভীর অভিমানে। এ যেন এক দীক্ষিত শিল্পীর সত্যাগ্রহ।’

‘ফ্ল্যাটের ঘরটিতে ঢুকেই চমকে উঠলাম। কঙ্কালসার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র সেন একটি খাটে শুয়ে আছেন। অপরিষ্কার বিছানা, ময়লা চাদর। প্রফুল্ল সেনের পরনে ময়লা একটি ফতুয়া, ময়লা ধুতি লুঙ্গির মতো করে পরা। সারা ঘরে মুড়ি ছড়িয়ে আছে।’

এই বরিশাল শহরেই রয়েছে জীবনানন্দ দাশ সড়ক, যার আগে নাম ছিল বগুড়া রোড। তার ধারেই সর্বানন্দ ভবনে ১৯৪৬ সালে কলকাতা চলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত থাকত জীবনানন্দের পরিবার। ঠাকুরদার নামে ছিল বাড়ির নাম। পরে মালিকানা বদল হলেও সেই বাড়ি পেল একেবারে জীবনানন্দীয় নাম ধানসিড়ি।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.