
সাংস্কৃতিক বোমা
অ্যান্ডি ওয়ারহল আমাদের ভাবতে বাধ্য করে— আমরা কি আদৌ জানি, আমাদের মন কীসে সত্যি আকর্ষিত হয়, আর যদি সে আকর্ষণ আদর্শের পরাকাষ্ঠার বাইরে হয়, তবে কি তাকে এক ঢোক গিলে ফেলতে হয় না কি তার সামনে গিয়ে মুখোমুখি দাঁড়াতে হয়।

অ্যান্ডি ওয়ারহল আমাদের ভাবতে বাধ্য করে— আমরা কি আদৌ জানি, আমাদের মন কীসে সত্যি আকর্ষিত হয়, আর যদি সে আকর্ষণ আদর্শের পরাকাষ্ঠার বাইরে হয়, তবে কি তাকে এক ঢোক গিলে ফেলতে হয় না কি তার সামনে গিয়ে মুখোমুখি দাঁড়াতে হয়।

‘সে বিশ্বাস করত, একদিন বোমারু বিমানের ঝাঁক গতি হারাবে সাদা সারসের ভিড়ে। আর একটা শিশুও যুদ্ধের বলি হবে না নীলগ্রহে। কোনও শিশুর লাশ দেখে রক্তলোলুপ হায়নার দল সহাস্য অপলক চাহনি ছুড়ে দেবে না। একদিন সব ঝড় থেমে আকাশ শুধু পাখির আশ্রয় হবে।’

‘‘পাঠক থ্রিলার বলতে যেখানে গতানুগতিক ‘হু ডান ইট’ বোঝে, সেই ভাবনার বাইরে গিয়ে ‘হোয়াই ডান ইট’-এর মাধ্যমে রহস্য-রোমাঞ্চ উপন্যাসের এক নতুন দিক পেশ করেছিলেন তাদের দরবারে— আর সেইখানেই লেখা হয়ে গিয়েছিল কিইগো হিগাশিনোর সাফল্যের গল্পটুকু।’’

যেভাবে উবার বা ওলা পরিবহণ ব্যবস্থাকে বদলে দিয়েছে, ঠিক তেমনভাবেই যৌনতার বাজারও ক্রমশ স্থাননির্ভরতা হারাচ্ছে। একসময় যৌনপল্লির ব্যবসা নির্ভর করত নির্দিষ্ট গলি, ঘর, দালাল এবং স্থানীয় খদ্দেরের ওপর। আজ স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেই কাঠামো ভেঙে দিয়েছে।

‘কিশোর কুমারের মূল্যায়ন করা কারওর পক্ষে সম্ভব না, কারণ ওরকম ট্যালেন্ট শুধু আমাদের দেশ বলে না, সারা পৃথিবীতেই বিরল। কিশোর কুমারের মতো গায়ক-সুরকার, আমি অন্তত আমার জীবনে দেখিনি। আধুনিক সংগীতে তো বটেই!’ শ্রমণা চক্রবর্তীর সাক্ষাৎকার…

‘এই দেখে উপস্থিত দর্শকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ বললেন— রামবাবু আর নামতে পারবেন না। কিন্তু বায়ুর দোলায় ওঠা-নামা করতে-করতে দূরবিনে চোখ রাখা বাঙালিদের স্বস্তি দিয়ে রামবাবু নেমে এল একসময়ে। বেলুনটি বিকেল পাঁচটা দশ থেকে টানা ৪০ মিনিট শূন্যে অবস্থান করে সোদপুরের কাছে নাটাগড় গ্রামে অবতরণ করে।’

‘‘কিন্তু এই স্বদেশি ইচ্ছার সেতুবন্ধন করলেন রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। যার হাতেখড়ি হয়েছিল এই স্পেনসারের কাছেই। তবে উল্লেখ্য, অবতারচন্দ্র লাহাই রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ‘বেলুনিং’-এর প্রতি আকৃষ্ট করেন এবং স্পেনসার সাহেবের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।”

‘সামনের জমিতে জোছনা পড়ত, কখনও কুয়াশা জড়ানো। জোছনা ডাকত আয়-আয়, বেরিয়ে পড়তে চাইতাম। শৈলা যেতে চাইত না। কখনও ভূতগ্রস্তের মতো ঘুরেছি একা, ভয়-ভয় করত। কী একটা পাখি ডাকত, রাতে নিস্তব্ধতার মধ্যে একটা জিরাফের ভাষা লুকিয়ে থাকে।’

এই যে অভয়বাবু বলেছিলেন ‘পারা যাচ্ছে না’, তার কারণ তিনি ভয় পাচ্ছিলেন। কৌস্তভকে বিচক্ষণ প্রমাণ করে চেঞ্জ তো হয়েছে, কিন্তু অভয়বাবুর ভয় কাটেনি। ভয়টা ছোট মেয়ের জন্য।

এটুকু বুঝি, মাঝবয়সে এসে সবচেয়ে বড় বিপদ বয়স নয়। সবচেয়ে বড় বিপদ হল, হঠাৎ একদিন মনে হওয়া— হয়তো আমি আমার জীবনটা ঠিকমতো বাঁচছি না। আর তার থেকেও বড় বিপদ, পরের মুহূর্তেই মনে হওয়া— হয়তো এটাই ঠিকমতো বাঁচা।

আলেহান্দ্রা ওমানিয়া অর্তিজ ২০২৬-এর মার্চে নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলেন প্যাক্টো-হিস্টোরিকা বা ঐতিহাসিক জোটের হয়ে। ৩৩ বছর বয়সি অর্তিজ ২০১৭ সালে তথাকথিত ‘অ্যাডাল্ট ইন্ডাস্ট্রি’-তে যোগ দিয়েছিলেন। এখন সেই ইন্ডাস্ট্রির শিল্পীদের হয়েই কথা বলতে সেনেটে এলেন অর্তিজ।

‘সে-যুগে প্রতিটি অনুষ্ঠানের জন্য তিনি ১,০০০ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিতেন— যা ছিল তৎকালীন সময়ে এক বিশাল অঙ্ক। অনুষ্ঠান বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন আপসহীন। যে কেউ নিমন্ত্রণ জানালেই তিনি রাজি হয়ে যেতেন না।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.