
ডেটলাইন: পর্ব ৫২
‘কে না জানে ব্যাঙ্কক কখনও ঘুমোয় না! হোটেল থেকে হাঁটাপথে দুটো গলি পরেই প্রাপ্তবয়স্ক বিনোদনের এলাকা। সেখানে আসলে ক্যামেরা নিয়ে যাওয়ার মানে হয় না।’

‘কে না জানে ব্যাঙ্কক কখনও ঘুমোয় না! হোটেল থেকে হাঁটাপথে দুটো গলি পরেই প্রাপ্তবয়স্ক বিনোদনের এলাকা। সেখানে আসলে ক্যামেরা নিয়ে যাওয়ার মানে হয় না।’

খেলাটা চলতে চলতে যদি দেখা যায়, ছোট দল সমানে-সমানে লড়ছে, এমনকি কিছু সময় বেশি ভাল খেলছে, তারপর গোলও করে বসল, মনে হয়, আরিব্বাস, যোগ্য দল হিসেবেই আজ জিতবে। কিন্তু খেলা-শেষ-হয়-হয় অবস্থায় দড়াম করে গোল শোধ হয়ে গেল এবং শেষমেশ বড় দলটা জয়সূচক গোলও দিয়ে দিল, এ-কাণ্ড দেখলে মন একেবারে বসে যায়।

‘উৎসবের দিন অপরাহ্নে বন্ধ দরজার ওপারে চলে এলাহি আয়োজন— দই, ক্ষীর, বিভিন্ন মিষ্টি সহকারে জগন্নাথদেবের ভোগ। এবং ঠিক তখনই মন্দিরের গর্ভগৃহের বাইরে জড়ো হতে থাকেন গুপ্তিপাড়া-সংলগ্ন বেহুলা, আয়দা বা সূর্যপুরের মতো আশপাশের গ্রামের ঘোষেরা। দেখতে-দেখতে চারপাশের চাতাল ছেয়ে যায় হাজার-হাজার মানুষের ভিড়ে।’

‘সে-বারের বিশ্বকাপ মূল পর্বে সেমিফাইনাল ছিল না। ফাইনাল ছাড়া আর নকআউট পর্ব বলতে কিছু রাখা হয় নি! প্রাথমিক গ্রুপ লিগ পর্ব থেকে আটটি দল ওঠে কোয়ার্টার ফাইনাল গ্রুপ পর্বে। তাদের দুটি গ্রুপে ভাগ করে আবার লিগ পর্বে খেলা হয়, ও দু’টি গ্রুপ-সেরা দল, সরাসরি ফাইনালের ছাড়পত্র পায়।’

‘তিনি প্রথম দিন থেকেই দলের মধ্যে একটা বিষয় পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন। দলে নামের চেয়ে বড় হবে শৃঙ্খলা। যে যত বড় তারকাই হোক, দলের নিয়ম ভাঙলে তার জায়গা হবে না। এটাই ছিল দেশঁর দর্শন।’

“এই সময়েও যশবন্তের তোলা প্রশ্ন অস্বস্তির। তাই ‘সতলাজ’ নিষিদ্ধ হয়, ঘুরে বেড়ায় ইন্টারনেটের কানাগলিতে, নামে-বেনামে। সঙ্গে গুরুদ্বার থেকে উপত্যকায় আবারও এসে দাঁড়ায় যশবন্ত সিং খালরার ভূত।”

২০২৪ সালে প্যালেস্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন গাজায় চলমান গণহত্যাকারীদের জাতীয় ফুটবল দল, ইজরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ফিফা থেকে বহিষ্কার করার আবেদন জানায়। তা সত্ত্বেও, এই বছরের মার্চ মাসে ফিফা জানায়, তারা ইজরায়েলকে বহিষ্কার করবে না।

‘আজ যে আমি একজন পেশাদার অভিনেতা হয়েছি, তার পিছনে বিরাট অবদান কেতকী দত্তর। অবচেতনে আমার মনের মধ্যে ওই গল্পগুলো, ওই সময়টাকে উনি এনে দিতেন, সেটাই আমার মধ্যে অভিনেতা হওয়ার বীজ বপন করে দিয়েছিল।’

কেশরবাঈ কেরকর যদি না থাকতেন, তাঁর সমসাময়িক এবং পরের প্রজন্মের নারীরা হয়তো শাস্ত্রীয় সংগীতে এগিয়ে আসতে পারতেন না। তওয়াইফ থেকে পেশাদার সংগীতশিল্পীতে পরিণত হওয়ার প্রতিটি নারীর যে যাত্রা, তা অনেক সহজ হয়ে গেছিল কেশরবাঈ কেরকরের সাফল্যের কারণে।

একরাতে এপি-র খবর এল, পিকিংয়ে( বেজিং) তিয়েন আন মেন স্কোয়ারে বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীদের জমায়েতে চিনা পুলিশ গুলি চালিয়ে দিয়েছে। বহু হতাহত। স্টপ প্রেসের বদলে রানিং চেঞ্জের বার্তা পাঠালেন নন্দদা ছাপাখানায়।

‘আমার মায়ের নিজের মা ছিল না, মাতৃহারা হয়েছিলেন শৈশবে। আমার মা তখন দাদামশায়ের আরেক-ভাই, মানে মায়ের কাকার বাড়িতে বড় হন। আমার দাদামশাই আবার বিয়ে করেন, উনি মায়ের সৎ মা।’

‘সেখানে একজন মানুষ একা বাঁচতে পারে না। সবাইকে একসঙ্গে বৈঠা চালাতে হয়। একজনের ভুল মানেই পুরো জাহাজের বিপদ। তাই ভাইকিং সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় শিক্ষা ছিল, ঐক্য।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.