
ইনিংসের শেষে
‘পরিসংখ্যানের খাতিরে বলা যেতে পারে, তিনি টেস্টে ১০৯খানা ক্যাচ নিয়েছিলেন, তার চেয়ে বেশি ক্যাচ সেইসময় একমাত্র কলিন কাউড্রে আর ওয়াল্টার হ্যামন্ডের ছিল। কিন্তু ওই পরিসংখ্যান আসল কথা নয়। অমন ফিল্ডার যে বিরল, সেকথা বলেছেন কারা?’

‘পরিসংখ্যানের খাতিরে বলা যেতে পারে, তিনি টেস্টে ১০৯খানা ক্যাচ নিয়েছিলেন, তার চেয়ে বেশি ক্যাচ সেইসময় একমাত্র কলিন কাউড্রে আর ওয়াল্টার হ্যামন্ডের ছিল। কিন্তু ওই পরিসংখ্যান আসল কথা নয়। অমন ফিল্ডার যে বিরল, সেকথা বলেছেন কারা?’

‘নীলগঞ্জের অনেক স্মৃতি ভিড় করে আসছে, অধিকাংশই গন্ধ নির্ভর। সার-সার গরুদের সমবেত গন্ধ, দুধ দোয়াবার বালতি বালতি দুধের গন্ধ, ডাঁই করা গোবরের গন্ধ, সবই আলাদা রকম।’

‘‘রেফারির সিদ্ধান্তের জন্য কোনও দলকে যাতে ভুগতে না হয়, সেই উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছিল ‘ভিডিও অ্যাসিসটেন্ট রেফারি’ বা ‘ভার’ ব্যহবস্থা। কিন্তু, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রেফারিংয়ের মতো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ‘ভার’-এর প্রয়োগ যদি হতে থাকে, তাহলে মাঠের রেফারিং বিতর্ক সেই একই বৃত্তে ঘুরপাক খাবে।’’

এই দিনটা বড় অদ্ভুত লামিন। তোমার সাফল্যে আমি হাততালি দিয়েছি— ইউরো, ওই ঝলমল করে ওঠা তোমার বাঁ-পা, ফ্রান্স-ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া। আমার প্রাণপ্রিয় বার্সেলোনায় ১০ নম্বর জার্সি তুমি কাঁধে তুলে নিয়েছ তোমারই যোগ্যতায়।

প্রমাণের অবকাশ নেই, তবু দেশদ্রোহী। কেউ কেউ মনে করেন, চিনের দালাল। দালালির সংজ্ঞা বিষয়ে যে মানুষ অজ্ঞ, সে মানুষ আয়না দেখে না। তবু সোনম হাল ছাড়েন না। বরং কণ্ঠ ছাড়েন। ডোবার পাঁক হয়ে যাওয়া সমাজমাধ্যমই তার অস্ত্র।

বুঝতে পারি, আমার সবচেয়ে বড় ভয়টা আসলে অন্য জায়গায়। আমি এত বছরের আমার বাধ্য, অনুগত ‘আমি’-টাকে আর চিনতে পারছি না। যেন আমার সবকিছু বদলে গেছে। শরীর থেকে মস্তিষ্ক, ফিটনেস থেকে অনুভূতি— সবটাই যেন অবাধ্য হয়ে উঠেছে।

শ্বাস কমে আসছে। আফ্রিকান চিৎকার কমে আসছে। ফুটবলের খিদে কমছে না। আইভরি কোস্ট বললে, বুঝতাম দিদিয়ের দ্রোগবা। ইয়াইয়া টুরে। এবার থেকে বুঝব, আমাদ ডিয়ালো। ইয়ান ডিওমান্ডে…

‘দ্য বিউটিফুল গেম’ শুধু গৃহহীনদের বিশ্বকাপের আখ্যান হয়ে থাকে না। কোথাও একটা হেরো, কমজোরি, প্রান্তিক মানুষ কিংবা ভূখণ্ডের নিজের-নিজের মতো করে জিতে যাওয়ার গল্পও হয়ে ওঠে।

‘কে না জানে ব্যাঙ্কক কখনও ঘুমোয় না! হোটেল থেকে হাঁটাপথে দুটো গলি পরেই প্রাপ্তবয়স্ক বিনোদনের এলাকা। সেখানে আসলে ক্যামেরা নিয়ে যাওয়ার মানে হয় না।’

খেলাটা চলতে চলতে যদি দেখা যায়, ছোট দল সমানে-সমানে লড়ছে, এমনকি কিছু সময় বেশি ভাল খেলছে, তারপর গোলও করে বসল, মনে হয়, আরিব্বাস, যোগ্য দল হিসেবেই আজ জিতবে। কিন্তু খেলা-শেষ-হয়-হয় অবস্থায় দড়াম করে গোল শোধ হয়ে গেল এবং শেষমেশ বড় দলটা জয়সূচক গোলও দিয়ে দিল, এ-কাণ্ড দেখলে মন একেবারে বসে যায়।

‘উৎসবের দিন অপরাহ্নে বন্ধ দরজার ওপারে চলে এলাহি আয়োজন— দই, ক্ষীর, বিভিন্ন মিষ্টি সহকারে জগন্নাথদেবের ভোগ। এবং ঠিক তখনই মন্দিরের গর্ভগৃহের বাইরে জড়ো হতে থাকেন গুপ্তিপাড়া-সংলগ্ন বেহুলা, আয়দা বা সূর্যপুরের মতো আশপাশের গ্রামের ঘোষেরা। দেখতে-দেখতে চারপাশের চাতাল ছেয়ে যায় হাজার-হাজার মানুষের ভিড়ে।’

‘সে-বারের বিশ্বকাপ মূল পর্বে সেমিফাইনাল ছিল না। ফাইনাল ছাড়া আর নকআউট পর্ব বলতে কিছু রাখা হয় নি! প্রাথমিক গ্রুপ লিগ পর্ব থেকে আটটি দল ওঠে কোয়ার্টার ফাইনাল গ্রুপ পর্বে। তাদের দুটি গ্রুপে ভাগ করে আবার লিগ পর্বে খেলা হয়, ও দু’টি গ্রুপ-সেরা দল, সরাসরি ফাইনালের ছাড়পত্র পায়।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.