পত্রিকা

সম্প্রীতি চক্রবর্তী

নৃতত্ত্বের চোখে

ভারতীয় মহাকাব্যকে আজকে যে এককেন্দ্রিকতায় বেঁধে ফেলা হয়েছে; নানা বাঁধাধরা ছকে কিছু চরিত্রকে মহিমান্বিত করার রাজনীতি আজ দেশে মান্যতা পেয়েছে, কার্ভে-র মহাভারত পাঠ ঠিক তার উল্টো বয়ান তুলে ধরে।

Representative Image
শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়

সম্পাদকের মন

’’রবীন্দ্রনাথের হাতে যখন প্রথম পৌঁছল ‘রবীন্দ্র-রচনাবলী’র প্রথম খণ্ড— একটি চেয়ারে বসে রচনাবলীর পাতা উলটোচ্ছেন কবি, রীতিমতো খুশিই দেখাচ্ছিল তাঁকে। সেসময় তাঁর চেয়ারের পিছনেই দাঁড়িয়ে পুলিনবিহারী। সেটা খেয়াল করেই কবি না কি বলে উঠেছিলেন—‘ইস! ভাবটা যেন কৃতিত্বটা ওঁরই’।’’

উদয়ন ঘোষচৌধুরি

সাক্ষাৎকার: হানি ত্রেহান

সম্প্রতি ‘সতলুজ’ -এর মুক্তি ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছিল। এই ছবির পরিচালক হানি ত্রেহান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত মুম্বই ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে। বিশাল ভরদ্বাজ থেকে ইরফান খান— বিভিন্ন যোগসূত্র তাঁকে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁর নির্দেশনা থেকে তাঁর প্রযোজনা, বিবিধ বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথোপকথনে উদয়ন ঘোষচৌধুরি, ডাকবাংলা.কম-এর জন্য এক্সক্লুসিভ…

Representative Image
সৌগত রায়বর্মন

আগুনপাখি

‘দুর্গম বুন্দেলখণ্ড জঙ্গল-পাহাড় ছানবিন করেও করেও আমরা বাবা ঘনশ্যামের হদিশ পেলাম না। কিন্তু আমাদের হতাশ দিনগুলির মধ্যে ঝোড়ো বাতাসের মতো উড়ে এল একটা সুখবর। বাবা ঘনশ্যাম ধরা পড়ে গেছে। কী আনন্দ, কী আনন্দ! এবার আমরা নিশ্চয়ই ফুলনের দেখা পাব।’

Representative Image
অয়ন মুখোপাধ্যায়

হেতালকাঠি ও চ্যাংমুড়ি

‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিহাস এখানেই। চাঁদ সওদাগর যে-দেবীকে ‘চ্যাংমুড়ি কানি’ বলে তাচ্ছিল্য করেছিলেন, সেই দেবীই পরে বাংলার অন্যতম প্রধান লোকদেবী হয়ে উঠলেন। ইনচুড়ায় আজও তাঁর নামে শ্রাবণে মানুষের ঢল নামে।’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন পর্ব: ২৯

‘মোহিনী ঠাকুর একটু-আধটু কংগ্রেস করতেন। গান্ধীটুপি ছিল। মোহিনী ঠাকুরের ছোট ছেলে জিজ্ঞাসা করল, গান্ধীটুপি মাথায় দিলে কি হবে? পুরোহিত মহা ফাঁপরে। কে একজন বললেন, মুকুট হইল গিয়া লোকাচার। মুকুট পরিধান তো শাস্ত্রে নাই!’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব্য: পর্ব ৪২

‘পিকনিক হয়েছিল একবার। বোধ করি, ওই সাংবাদিক ইউনিয়নটির আয়োজনে। জলযানে, স্টিমারে কলকাতা থেকে ডায়মন্ডহারবার পর্যন্ত যাওয়ার ওই স্টিমারে কলকাতার সব ক’টি সংবাদপত্রের সাংবাদিকরা যোগ দিয়েছিলেন।’

ডাকবাংলা.কম

রংমশাল

‘কৃতি’ আর ‘ফেবলওয়ার্কস’-এর উদ্যোগে হয়ে গেল ‘রংমশাল’ শীর্ষক তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠান।সঙ্গে ছিল ডাকবাংলা.কম। তিনরকম তিনটি সন্ধে কতটা সুরেলা হল?

নীলার্ণব চক্রবর্তী

ক্লান্তি আমার

‘তুমি শুনছ না কিন্তু, আমি রিং রিং রিরিং করে/ বাতাস কাঁপিয়ে চিৎকার করে উঠলেও/ কাজ তো হল না— একচক্র যান নিয়ে অবশেষে ফিরে আসতেই হল এই দেড়শো বছরের/ পুরনো বাড়িতে’

তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৫৪

‘‘‘শিলাইদহ থেকে শান্তিনিকেতন’ তথ্যচিত্রের শুটিং-এ সাজাদপুরে পৌঁছে মনে হল, একটা ছোটগল্পের ভেতর ঢুকে পড়লাম। রবীন্দ্রনাথের প্রিয় ‘গল্পের দুপুরবেলা’ খুঁজে পেলাম দোতলার লাল মেঝের ঘরটার বড় জানালার শিকের ফাঁকে, যেখান থেকে নিচে তাকালে এখনও দেখা যায় একটা চৌকো চৌহদ্দি, পোস্ট-অফিসের স্মৃতি।’’

পৃথু হালদার

মহাকাব্যের খামতি

তবে সিনেপ্রেমী হিসেবে আমাদের বেশি ‘চিন্তা হওয়া উচিত অন্য এক বিষয় নিয়ে। যখন এমন এক মহাকাব্যিক মাত্রার টেক্সটকে পর্দায় রূপান্তরিত করা হল, তার চরিত্রগুলো কি আদৌ যথেষ্ট পূর্ণাঙ্গ চরিত্র হয়ে ওঠার সুযোগ পেল?’

Representative Image
ঋত্বিক মল্লিক

মাথা হারা মাতা হারি

‘আসলে মাতা হারি-র দুটো জীবন। এক জীবনে পেয়েছিলেন খ্যাতি আর ঐশ্বর্যের শিরোপা, নানা ঘটনায় ভরা তাঁর সেই জীবন। আর সেই জীবনের করুণ সমাপ্তির পর আর-এক খ্যাতির জীবন, তবে সে-খ্যাতি অলৌকিক, আশ্চর্যের, বিতর্কের এবং অবশ্যই সাধারণ মানুষের ভালবাসার।’