
শ্রম, সিনেমা, সংহতি
‘কিন্তু অগ্নিস্ফুলিঙ্গ সবসময়ে মশাল হয়ে ওঠে না। এ-সব টুকরো-টুকরো ছবি আর ভিডিও-র মেয়াদই বা কতদিন? অ্যালগরিদম-এর চোরাবালি তো অল্প সময়েই গিলে নেবে তাদের; এ-সব দিয়ে আর কতদিন আশা জিইয়ে রাখা যায়?’

‘কিন্তু অগ্নিস্ফুলিঙ্গ সবসময়ে মশাল হয়ে ওঠে না। এ-সব টুকরো-টুকরো ছবি আর ভিডিও-র মেয়াদই বা কতদিন? অ্যালগরিদম-এর চোরাবালি তো অল্প সময়েই গিলে নেবে তাদের; এ-সব দিয়ে আর কতদিন আশা জিইয়ে রাখা যায়?’

হিমানীশদার হিউমারের ধরনটা ইদানীংকার প্রচলিত হিউমারের চেয়ে আলাদা। হিম-অনীশ বললেই যেন তার সঠিক পরিচয় দেওয়া হয়। ইংরেজিতে cold and godless. আবেগতপ্ত না হয়ে জগৎসংসারের মজাটুকু, তার অসংগতিটুকু, নির্লিপ্তভাবে ছেঁকে নেওয়া। সেই অর্থে হিমশীতল। আর তিনি ছিলেন একান্তভাবেই অনীশ, নিরীশ্বরবাদী।

‘সব মিলিয়ে ভাবতে গেলে গায়ের রোম খাড়া হয়ে যাওয়ার জোগাড়। এই ভারতের কত-কত দেশভক্ত, সনাতনি রাষ্ট্রবাদী, তথাকথিত ইতিহাসকাররা কবে থেকে বলে আসছেন, আর্যরা মোটেই বিদেশি নয়, সাচ্চা সনাতনি ভারতীয়। ভারতবর্ষ থেকেই তারা ইউরোপ বা অন্য এদিক-ওদিকে গেছে।’

আমার বাবার কথা বলতে গেলে মনে পড়ে যায় তাঁর হাসিমাখানো মুখটি। কৌতুকভরা চোখদু’টি জানান দিত যে, মনের মধ্যে সঞ্চিত রসাধারে ক্রমাগত পাক দেওয়া চলছে। সেই রসের স্বাদ লেগে থাকত তাঁর বলা কথায় এবং লেখায়। কথায়-কথায় Pun সৃষ্টি করা— সোজা কথার উল্টো মানে আবিষ্কার করে মজা সৃষ্টি করা ছিল তাঁর কাছে অতি সহজ ব্যাপার।

১৪ মার্চ তিনি প্রয়াত হয়েছেন, সমাজবিজ্ঞানের ধারায় যাঁর লেখা সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয়, যুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপের যিনি এক প্রধান চিন্তক, তাঁর জীবন ফিরে দেখার চেষ্টা চলছে সর্বত্র। বিতর্ক তাকে কখনও ছাড়েনি, বারবার প্রশ্ন ওঠে, মার্ক্সীয় দর্শন তিনি কতটা অবলম্বন করেছিলেন? মার্ক্সিস্ট হয়ে কি জায়োনিস্ট হওয়া যায়?

১৯৮০ সালে রাজশেখর বসুর জন্মশতবর্ষে, যুগান্তর পত্রিকার প্রতিনিধিকে রাজশেখর বসু সম্পর্কিত একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন শিবরাম চক্রবর্তী। সেটিই পুনর্মুদ্রিত হল ডাকবাংলা.কম-এর পাতায়।

২০২৫-এর ‘সাহিত্য অকাদেমি’ পুরস্কারের জন্য বাংলা থেকে নির্বাচিত হলেন কবি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘‘দে’জ পাবলিশিং’’ থেকে প্রকাশিত তাঁর ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ বইটির জন্য। তাঁর সঙ্গে কথোপকথনে অভীক মজুমদার। সাক্ষী রইল ডাকবাংলা.কম।

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ত্রিদিব মিত্র ও অরণি বসু।

‘এর আগে বাঙাল-ঘটি সম্পর্কে জ্ঞান হয়ে গেছে। একটা মুদি দোকান ছিল মারহাট্টা ডিচ লেন-এ। ফটিকদার দোকান। আমি দাদুর সঙ্গে মুদি দোকানে যেতাম। কখনও হাতে কাঁসার বাটি, কখনও অ্যালুমিনিয়ামের বাটি। বাটিতে গুড় কিম্বা ডালডা। দাদু গেলে ফটিকদা বলতেন— এই যে বাঙালদাদু এসে গেছে।’

‘কালীঘাটে অনেক কালী! কালীময়! কালীচরণ পাণ্ডার কথা তো আগেই বলেছি। কালীদির চোলাইয়ের ঠেকও খুব বিখ্যাত। দিবারাত্রি খোলা। ব্লাডারে করে চোলাই আসত। দিন-রাত লোক বসে। সারা কালীঘাটের তাবৎ মাতাল কালীদির খদ্দের। দিবারাত্রি খোলা? শ্মশানযাত্রীরা খুঁজে খুঁজে ঠিক এখানে আসবে। তখন বিলাতি নয়, দেশিই চলত।’

“আসলে সাহিত্যের সত্য সম্পর্কে অন্নদাশঙ্করের স্পষ্ট ধারণা ছিল— বৈজ্ঞানিক বা দার্শনিক সত্যের সঙ্গে সাহিত্যিক সত্যের তিনি তুলনা হয় বলে মনে করতেন না। সাহিত্যের কাজ জ্ঞানের সীমা বাড়ানো নয়, তা করবে দর্শন-বিজ্ঞান। কিন্তু সাহিত্য মানুষের মনকে এক পলকের জন্যও নিরস হতে দেয় না। সবুজ রাখে। সভ্যতার ইতিহাসে সাহিত্যের সত্য হাজার হাজার বছরে বদলায়নি।”

‘সায়গল একটা আপত্তিকর কথা বলেছিলেন গান শুরু করার আগে যেটা সরাসরি রেডিয়োতে সম্প্রচারিত হয়ে যায়। এই ঘটনার পরে অল ইন্ডিয়া রেডিয়ো আর সায়গলের গান সম্প্রচার করেনি সরাসরি, রেকর্ডে তাঁর গান বাজত রেডিয়োতে, কিন্তু রেডিয়োতে তাঁকে আর ডাকা হয়নি।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.