পত্রিকা

জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য

সিনেমার চরিত্র

‘বড় ছবিকে খাতায় ছোট স্কেচ করে রাখতেন, তারপরে সেখান থেকে বাছাই করে বড় ছবি হত। আবার সেই বড় ছবিগুলোকে খাতায় নোট করে রাখতেন, সেটারও একটা ছবি এঁকে। কোনওদিনও ফোটোগ্রাফির ব্যবহার করেননি। ওইভাবে কাজের দলিল করে রেখেছেন।’

দেবত্রী ঘোষ

ভাঙন ও উত্তম

এই ছবি এমন একটা সময়ে মুক্তি পাচ্ছে, যখন বাঙালি দর্শকের কাছে উত্তম কেবল ম্যাটিনি আইডলই নয়, আদ্যোপান্ত রোম্যান্টিক হিরো-র আদর্শ ছাঁচও বটে। সেইখানে দাঁড়িয়ে তাঁর শতদল চরিত্রটি একেবারেই আলাদা।

সৈয়দ তৌসিফ আহমেদ

সুকুমার বিদ্যা

সুকুমারের লেখক-সত্তা ও শিল্পীসত্তার মধ্যে কল্পনার অবিরাম যাতায়াত আছে। শব্দে তৈরি সম্ভাবনা রেখায় স্পষ্ট হয়। প্রতিটি শব্দ আর প্রতিটি আঁচড়ের সাংঘাতিক আঁতাত। রেখার খুঁটিনাটি শব্দের অর্থকে প্রসারিত করছে।

অরুণিমা চৌধুরী

শিল্পদরদি

যোগেনদা দীর্ঘজীবনের সিংহভাগটাই কাটিয়েছেন শিল্প ও শিল্পীর স্বার্থে। সব সময় চেষ্টা করতেন, কীভাবে মানুষকে শিল্প-অভিমুখী করা যায়। ওঁর তৈরি করা ‘চারুবাসনা’-য় নানা ধরনের অনুষ্ঠান হত। সেই সব উদ্যোগই ছিল সমাজ ও শিল্পকে একাত্ম করার প্রয়াস।

বিমল কুণ্ডু

দায়বদ্ধ শিল্পী

যোগেন চৌধুরী ’৪৭ সালে প্রথম উদ্বাস্তু হয়ে শহীদনগরে এসে উঠেছিলেন। যোগেনদা ছিলেন জমিদার পরিবারের সন্তান। তাঁর মধ্যে উদ্বাস্তুজীবনের দারিদ্র্য যেমন ছিল, তেমনই ছিল প্রখর শিল্পবোধ।

শৌভ চট্টোপাধ্যায়

কবিতার বহুস্বর

কবি-হিসেবে, অ্যান কার্সনের চরিত্র প্রায় বহুরূপীর মতো— তাঁর প্রতিটি বইয়ের ঘরানা ও প্রকরণ পূর্বপ্রকাশিত সমস্ত বইয়ের থেকে আলাদা। ২০২৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন অ্যান কার্সন।

জয়শ্রী বর্মন

ভাঙার সাহস

শিল্পীর কদর করতে জানতেন যোগেনদা, জীবনের শেষাবধি। নিজে কত বড় শিল্পী হয়েও, ছাত্রছাত্রীদের বা তরুণ শিল্পীদের কথা শুনতে চাওয়া, সেই কথার পরিসর তৈরি করার ক্ষেত্রে জুড়ি ছিল না যোগেনদার।

স্বস্তিক চৌধুরী

ভারত ছাড়ো প্রসঙ্গে

ভারত ছাড়ো আন্দোলনের গুরুত্ব ছিল সেই সময়ে অপরিসীম। নেতাজির মহানিষ্ক্রমণ ও আজাদ হিন্দ ফৌজের হাত ধরে স্বাধীনতার স্বপ্নের জাল বোনা, এই ঘটনা ঘটছিল দেশের বাইরে। কিন্তু দেশে ব্রিটিশ শাসনের কফিনে শেষ পেরেক হিসেবে দেখা হচ্ছিল এই আন্দোলনকেই।

রবীনা মিত্র

প্রেমের দ্বীপ

ব্রিটিশ-তুর্কি সাহিত্যিক এলিফ শাফাক তাঁর ‘দ্য আইল্যান্ড অফ মিসিং ট্রিজ’ উপন্যাসটি উৎসর্গ করেছেন শিকড় থেকে উপড়ে তোলা মূলহীন, ভাসমান, অন্য দেশে বসত গড়তে বাধ্য হওয়া মানুষদের…

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৪৭

‘আমার ডাকাডাকিতে মাধবীদের বারান্দায় আলো জ্বলে উঠল, শিবনাথ বাগানের ভেতর দিয়ে গেটের কাছে চলে এল, এবং ওইরকম দিন বলেই হয়তো মাধবীর বাবা ও মা বারান্দায় এসে দাঁড়ালেন। আমি অবশ‍্য জানালাগুলির দিকে তাকিয়ে মাধবীর উঁক ঝুঁকি ঠাহর করে আশ্বস্ত হয়েছি।’

পরেশ মাইতি

যোগেনদার স্মৃতি

তাঁর বিষয়গুলো খুব সহজ, খুব সাধারণ, কিন্তু তাঁর প্রকাশভঙ্গি ছিল মৌলিক, অভিনব। এমন বিষয় তিনি বেছে নিতেন, যা সকলের হৃদয় অবলীলায় ছুঁয়ে যেত। তাঁর তুলির টান ছিল ‘ফ্রি ফ্লো’-এর মতো, যেন কোনও শিশু হাতে তুলি ধরেছে।

তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৫৯

যেভাবে শিকড়ের টানে বাংলা ভাষার কাছে ফিরতে চেয়েছিলেন মাইকেল, ঠিক সেভাবেই ফিরতে চেয়েছিলেন নিজের বাড়িতে। সেটা ১৮৬২ সাল। দ্বিতীয় স্ত্রী ফরাসি আঁরিয়েতাকে নিয়ে নৌকো ভিড়িয়েছিলেন কপোতাক্ষ তীরে।