
রাষ্ট্রে নরকের ঋতু
ডিসটোপিয়া একধরনের আখ্যানবর্গের বিষয়, যেখানে কাল্পনিক ভবিষ্যৎ সমাজে মানুষ স্বৈরাচারী শাসক বা সরকার বা কোনও কর্পোরেশনের দমনমূলক নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত অমানবিক, ভয়াবহভাবে মর্মান্তিক জীবন কাটায়।

ডিসটোপিয়া একধরনের আখ্যানবর্গের বিষয়, যেখানে কাল্পনিক ভবিষ্যৎ সমাজে মানুষ স্বৈরাচারী শাসক বা সরকার বা কোনও কর্পোরেশনের দমনমূলক নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত অমানবিক, ভয়াবহভাবে মর্মান্তিক জীবন কাটায়।

এরপর আমরা পৌঁছে যাই এক অস্পষ্ট ভবিষ্যতে— যেখানে নারী-পুরুষের বিভাজনের প্রয়োজন ফুরিয়েছে, কারণ আলাদা করার মতো কোনও নারীর অস্তিত্বই আর নেই।

‘সবাই বলে, বিলেদার বাবা নকশাল ছিল। জুটমিলের শ্রমিকদের নিয়ে একটা বড় মাপের আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, সেই সময়ে একদিন পুলিশ তুলে নেয়। আরও সবাই বলে, বিলেদার বাবা প্রিজনভ্যান থেকে পালিয়ে গেছিল কোনওভাবে। গুলিও চলেছিল নাকি কয়েক রাউন্ড।’

জিন্দেগি অওর কুচ ভি নেহি… সুদৃশ্য ছাতা আর দূরে/ আগুন-পোহানো দোকানি, কুকুর। বেমালুম ভুলে যাওয়া/ গত এক বছরে দেশ ও বিদেশে হত্যা, কেজি দরে বিক্রি/ আর এক টাকা বেশি পেতে ঝগড়া তুমুল।’

বের্টোল্ট ব্রেখটের ‘মিস্টার পুন্টিলা অ্যান্ড হিজ ম্যান মাট্টি’-র বঙ্গীকরণ করেছিলেন নীহার ভট্টাচার্য, তার পরিমার্জনা ও সম্পাদনা করেছিলেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও প্রতীক দত্ত। সেই নাটকটি পূর্ণাঙ্গ প্রকাশিত হল পুজোসংখ্যা ২০২৬-এ। পঞ্চম পর্ব…

‘এআই যবে হইতে হইল উদয়, তার পূর্বে মানুষ ক’টি মাত্র লেখালেখি করে গেছেন, তার মধ্যে আবার মেয়েমানুষরাও। তা, সেইরকম কয়েকটি মনুষ্যনির্মিত ডিসটোপিয়ার কথা কই। মেয়েদের লেখা। মেয়েদের ডিসটোপিয়া, সে কেমন? মেয়েদের সায়েন্স ফিকশন, সে কি আদৌ হবে?’

‘আমি মুখের বিড়ি ফেলে বলছি/ ওই যে দূরে ধানীজমি ওখানে আমাদের ভিটে ছিল/ দুজন সহিস, কন্যাদায়ের পিতা, জলে ডোবা গুপ্তধন/ তুই মুখনীচু, আনমনে খুঁটে তুলছিস প্রেমিকার নাম’

কেমন এই মেয়ের ধরন! বাচ্চা কি আর কারও হয় না! আভার ব্যবহারের কোনও ব্যাখ্যা পায় না আশিসের মা। প্রথম যেদিন জানতে পারা গেল, প্রেগনেন্সির কথা, তবে থেকেই কুঁকড়ে থাকে, ভয় তো হতেই পারে, তার নিজের হয়নি!

বের্টোল্ট ব্রেখটের ‘মিস্টার পুন্টিলা অ্যান্ড হিজ ম্যান মাট্টি’-র বঙ্গীকরণ করেছিলেন নীহার ভট্টাচার্য, তার পরিমার্জনা ও সম্পাদনা করেছিলেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও প্রতীক দত্ত। সেই নাটকটি পূর্ণাঙ্গ প্রকাশিত হল পুজোসংখ্যা ২০২৬-এ। চতুর্থ পর্ব…

‘কুকুরপ্রত্যাশী এই মধুবন। দন্তনখশোভা/ তার বড় পছন্দের। গলার পট্টিটি খুলে দিলে/ যে-হুংকার লাফ দেয়, তাকে চাই ভীষণ। অথবা/ শরীরে শরীর দুমড়ে পিষে নিতে চাই অন্ত্যমিলে।’

‘বুলডোজারের নাকের ওপর একটা লোককে হাত-পা বেঁধে বসানো। সপ্তর্ষি চিনতে পারল— এই আধবুড়ো লোকটাকেই একটু আগে প্রশ্ন করছিল। পুলিশের সহযোগী হয়ে ভিড় সামলাচ্ছিল যে। লোকটার মুখ বাঁধা। চোখ ঠিকরে আসছে। ভয়ে কাঁপছে থরথর করে।’

‘আমি যদি পুজোর নকশা করতাম এবার, তাহলে হয়তো ওই স্পিরিটটাকে স্মরণ করে একটা লাইটহাউস বানাতাম। আমার আঁধারপথ, পরিক্রমার আলোকবর্তিকা হয়ে থাকত তা। শ্লাঘা প্রকাশ। কালো পাথরের থালায় ঠাকুরমার হাতে-মাখা আলোচালের মণ্ডের মতো।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.