পত্রিকা

Representative Image
অভীক মজুমদার

একুশের বিষাদ

‘‘কথাটা এতক্ষণে পাওয়া গেল। ‘ভাষা-গণতন্ত্র’। বিশ্বজোড়া পাঠশালায় সে-জন্য প্রতিটি ভাষার সমানাধিকার। সে ছোট না বড়, অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী না কি দুর্বল, উপনিবেশ গড়েছে না গড়েনি, সংস্কৃতি চেনা না অচেনা, কামান-বন্দুক-গ্রেনেড আছে, না নেই— এইসব প্রশ্ন অবান্তর।’’

সংযুক্তা বসু

যাত্রার উত্তম-সুচিত্রা

যাত্রাজগতের অবিসংবাদী জুটি কাকলি চৌধুরী ও অনল চক্রবর্তীর সঙ্গে কথোপকথনে সংযুক্তা বসু… প্রত্যন্ত গ্রাম-গঞ্জ, মফসসল, শহরতলির মাঠ-ময়দানে তিন-চার হাজার দর্শক যখন এক শামিয়ানার নীচে উল্লসিত

Representative Image
তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: পর্ব ১১

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে বাসুদেব দাশগুপ্ত ও মৃদুল দাশগুপ্ত

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ৫

‘রাত্তিরে কোথায় খেতেন বলতে পারব না। জিজ্ঞাসা করার মতো কেউ বেঁচে নেই। অনেক পরে জেনেছিলাম, এই বড়দা ছিলেন কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত। তখন ধারণা ছিল কুষ্ঠ ব্যাধি ছোঁয়াচে। বড়দার নাকি বালক বয়সেই এই অসুখ হয়েছিল।’

Representative Image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৩০

‘পুতলির আসল নাম গোহরবানু। মায়ের কাছে নাচ শিখেছিল গোহরবানু আর তাঁর বোন তারাবানু। কিশোরী বয়সে গোহরবানু যখন নর্তকী হিসেবে গ্রামশহরে প্রশংসিত হল, পুতুলের মতো দেখতে বলে গ্রামবাসীরা তাঁর নাম দিল ‘পুতলি’।’

Representative Image
সৌভিক চট্টোপাধ্যায়

জনপ্রিয়তার পাদটীকা

‘‘শংকরকে নিয়ে প্রথমদিকের আলোচনাগুলি প্রায়শই অতি-সংক্ষিপ্ত। সাধারণত, একটি অনুচ্ছেদও বরাদ্দ নয় শংকরের জন্য, কখনও-বা একটি মাত্র লাইনে আরও পাঁচজন ‘জনপ্রিয়’ লেখকের সঙ্গে একসুরে উচ্চারিত হন শংকর।’’

Representative Image
তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৪২

‘লক্ষ করে দেখেছি, আমেরিকানরা হাইওয়ে আর গাড়ি— এই দুটো ব্যাপার নিয়ে বেশ আবেগপ্রবণ। নামকরা হাইওয়ে আর গাড়ির নম্বর-প্লেট লেখা ট্যাবলেট বিক্রি হয় স্যুভেনির শপে। লোকে সাজিয়ে রাখে বাড়িতে। কথাবার্তা বলে জেনেছি এর পিছনে কী কারণ থাকতে পারে।’

Representative Image
স্বস্তিক চৌধুরী

অ-সংসদীয়

‘সরকারের বয়ান, জেনারেল নারাভানে নিজের বক্তব্যের সত্যতা প্রমান করতে কোর্টে যেতে পারেন। প্রতিনিয়ত যে বিজেপি সেনাকে উচ্ছ্বসিত সম্মানে ভরিয়ে রাখে, তারাই প্রাক্তন সেনা অধ্যক্ষকে কোর্টের রাস্তা দেখাচ্ছেন।’

শুভঙ্কর দে

শংকরজেঠুকে

‘‘কত অজানারে’ বই হিসেবে প্রকাশিত হওয়ার আগে ‘দেশ’ পত্রিকায় তা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। প্রকাশের সময় থেকেই আলোড়ন পড়ে যায় পাঠক-মহলে। একুশ বছরের এক বালক ‘দেশ’ পত্রিকার অফিসে তাঁর পাণ্ডুলিপি জমা দিয়ে আসেন।’’

বরুণ চন্দ

মণিদা

‘‘মণিদার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ধীরে ধীরে মধুর হয়ে ওঠে। শেষের দিকে যখন বিভিন্ন সভায় আসতেন, তখন উঠে দাঁড়াতে পারতেন, হাঁটতেও পারতেন অল্প, কিন্তু আসতেন মূলত হুইলচেয়ারে। আমি অনেক সময়ই সেই হুইলচেয়ার ঠেলে নিয়ে গেছি। সেটা আমার ‘প্রিভিলেজ’।’’

ডাকবাংলা.কম

চোখ-কান খোলা : পর্ব ২০

‘‘এআই বিষয়টিকেই চমস্কি একবার ‘প্ল্যাজিয়ারিজম’ বলে দাগিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ, মানুষের বুদ্ধি ধার করেই তো তার সংসার চলে। তবে, সুকুমার রায়ের কথামাফিক গোঁফ কারও কেনা না হলেও, এআই-এর মালিকানা যে বেশ শক্তপোক্ত, তা এই ঘটনায় আরও একবার পরিষ্কার।’’

Representative Image
অনুপম রায়

নীলা-নীলাব্জ: পর্ব ২৩

‘এটা সিনেমার দোষ না। এটা মানুষের মনস্তত্ত্ব। তুমি নিজেই তো তোমার জীবনের ডিরেক্টর। মেমরি কি মন্তাজ নয়? তুমি নিজেই কাটছাঁট করো, ড্রামাটাইজ  করো। তাহলে সিনেমাকে দোষ দিচ্ছ কেন?’