
ডেটলাইন: পর্ব ৫০
‘খবরে তো হরদম শুনি, স্কুলে, রেস্তরাঁয়, শপিং মলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে একরাশ লোক মেরে ফেলার খবর। বন্দুকবাজ ধরা পড়লেই বলা হয় সে নাকি মানসিক রোগী। বড়লোকের দেশটার সর্বস্তরে এত সাইকো থাকলে, রিহ্যাব কি কম পড়িয়াছে?’

‘খবরে তো হরদম শুনি, স্কুলে, রেস্তরাঁয়, শপিং মলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে একরাশ লোক মেরে ফেলার খবর। বন্দুকবাজ ধরা পড়লেই বলা হয় সে নাকি মানসিক রোগী। বড়লোকের দেশটার সর্বস্তরে এত সাইকো থাকলে, রিহ্যাব কি কম পড়িয়াছে?’

‘‘সারা স্টেডিয়ামকে বিস্মিত করে, যেন নাটকের একটি বীভৎস দৃশ্য উন্মোচিত হল। ওয়ান-ইজ-টু-ওয়ান পরিস্থিতিতে, শ্যুমেখার— শট নিতে উদ্যত, বাতিস্তঁর শরীর লক্ষ্য করে, ডান-পা ও কনুই উঁচিয়ে, নিজের শরীরটিকে ছুঁড়ে দিলেন। ফুটবলের পরিভাষায় যাকে বলে ‘উইদাউট দ্য বল বডিচার্জ’।’’

তেলেঙ্গানার এক যুবক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বহিষ্কৃত হন, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল প্রাক-বৈবাহিক যৌনতায় লিপ্ত হওয়ার। এই ঘটনার পরেই আদালতে মামলা দায়ের হয়। প্রশ্ন ওঠে

‘‘হাত বোলাতে-বোলাতে, বিড়ির শেষ টানটা দিতে-দিতে বলতেন, ‘ওসব মেসিফেসি কোনও প্লেয়ারই না, খেলা দেখেচি মাইরি মারাদোনার, এইট্টি সিক্স-মেক্সিকো, ওহ! ওই বাঁ-পায়ে বল নিয়ে ফেন্টটা…’; কথাটা শেষ হত না। বাকিটা মুখের ভেতরে থেকে যাওয়া আত্মতৃপ্তি।’’

ইতালির প্রথম সারির খবরের কাগজ, খেলার পত্রিকাগুলোও জবরদস্ত সব হেডলাইন করেছিল। কেউ বলেছে তৃতীয় ‘অ্যাপোক্যালিপ্স’, কারও কপি জুড়ে করুণ-ভায়োলিন। আহা রে, গ্রীষ্মের ছুটিতে গোটা ইউরোপ যখন মার্কিন মুলুকে ভিড় জমাবে, আমাদের তখন— ‘কোথাও যাওয়ার নেই, কিচ্ছু করার নেই।’

“মারজেনের লেখনীতে যা বারবার উঠে আসে, তা হল ‘পার্সপেক্টিভিজম’। গল্প বলার সঙ্গে-সঙ্গে এই গল্প কীভাবে বলা হচ্ছে, এবং কে এই সামগ্রিক ঘটনাবলি অবলোকনের পর এই গল্পকে নথিভুক্ত করছেন, তা সমান গুরুত্ব পায় মারজেনের সৃষ্টিতে।”

‘তাঁর কাছে সবার আগে পৌঁছে সের্জিও বাতিস্তা জানতে চান, ‘তুই হাত দিয়ে গোলটা করলি, তাই না?’ মারাদোনা দাঁতে দাঁত চেপে টিমমেটকে বলেন, ‘চুপ কর। এখন সেলিব্রেট কর।’ পরে ‘টাচড বাই গড’-এ এই কথা লিখেছেন মারাদোনা।’

বিশ্বকাপ ফুটবলের নতুন বল ট্রিওন্ডা। তাতে নাকি বসানো থাকবে চিপ! কী হবে সেই চিপ দিয়ে? একা চিপে রক্ষে নেই, এআই দোসর। আগের ফুটবল কি তাহলে বাতিল? ফুটবলের এই পরিবর্তনের নেপথ্যেও রয়েছে দুর্নীতি দমনের ভাবনা?

ডিম ছুড়ে প্রতিবাদ করা, যা ‘এগিং’ নামে পরিচিত, তার ইতিহাস সুদীর্ঘ। শোনা যায়, প্রাচীন রোম এর আঁতুড়। সেখানে রাজপরিবারের সদস্য থেকে থিয়েটারের অভিনেতা— পচা ডিমের হাত থেকে নিস্তার মেলেনি কারুরই। পরবর্তীতে এই ধারা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ডিম ছোড়ার উদ্দেশ্য ঠিক কী?

‘শারীরিক মৃত্যুর অনেক আগেই, উপেক্ষা আর অবহেলায় শিল্পীরা খুন হয় প্রতিনিয়ত। নিজের শিল্পের ব্যর্থতার দায়ভারে, শিল্পী আত্মহনন করে। রোজ। মরা হাতির শরীরে তখন ব্যবসায়ীদের অধিকার।’

‘‘মেসি চলে যাবেন। রোনাল্ডো চলে যাবেন। শুনছি। মানছি। বারবার যাব-যাব করেও যেন যাচ্ছে না। খেলে চলেছে। অপ্রাসঙ্গিক হতে-হতেও হচ্ছে না। জেন-জি তারকাদের বিশ্বকাপে, সুমনের গান— ‘তিনি বৃদ্ধ হলেন, বনস্পতির ছায়া দিলেন সারাজীবন’— যেন বদলে যাচ্ছে দ্বিবচনে।’’

‘আজ থেকে কয়েক বছর পর কি এরকম অঙ্ক আসতে পারে যে, কোন ক্ষমতাশালী মানুষ, চাকরির বিনিময়ে এত টাকা ঘুষ নেন। সেই ঘুষের টাকা থেকে, শতকরা এত এখানে, শতকরা এত ওখানে কাটমানি দিতে হয়। এতজন যদি চাকরি পায়, ক্ষমতাশালীর পকেটে কত টাকা আসবে?’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.