
ধর্মের আগ্রাসনে ক্রিকেট
‘‘একবার ভাবুন তো, কলকাতার ক্রীড়া-সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে এই হিন্দুত্ববাদী আস্ফালনের ন্যূনতম সম্পর্ক রয়েছে কি না? আর কেনই-বা বিসিসিআই ক্রিকেট পরিচালনার ক্ষেত্রে এইসব অ-ক্রিকেটীয় ব্যতক্তিদের ‘হুমকিকে’ পাত্তা দেবে?’’

‘‘একবার ভাবুন তো, কলকাতার ক্রীড়া-সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে এই হিন্দুত্ববাদী আস্ফালনের ন্যূনতম সম্পর্ক রয়েছে কি না? আর কেনই-বা বিসিসিআই ক্রিকেট পরিচালনার ক্ষেত্রে এইসব অ-ক্রিকেটীয় ব্যতক্তিদের ‘হুমকিকে’ পাত্তা দেবে?’’

দর্শক হিসেবে হার মানতে বাধ্য হলাম শ্রীরাম রাঘবন ও তাঁর লেখক টিমের কাছে। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, যুদ্ধ আসলে কী? শত্রুপক্ষ আর সৈন্যের জবরজং ইউনিফর্মের ভেতরে থাকা মানুষটার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারা কি একজন সৈন্য ওরফে মানুষের কাজ নয়? যুদ্ধের সময়ে যথানির্দেশ আক্রমণ হানা অথচ জয়ে বা পরাজয়ে আনত হওয়া কি একজন সৈন্য ওরফে মানুষের কাজ নয়?

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে বিনয় মজুমদারের চিঠি।

‘আমার কালীঘাট শুরু হত পটুয়াপাড়া থেকে। পটুয়াপাড়া, তারপর ট্রামলাইন পেরিয়ে ডানদিকে রেডলাইট এরিয়া, বাঁয়ে ভদ্রপাড়া। তবে মাঝে দুটো জায়গার দুটো বাড়ি আবার গৃহস্থ নয়। টানা হেঁটে চললে কালীঘাট হাইস্কুল, কালীঘাট বাজার, মন্দির, উলটোদিকে গঙ্গার ঘাট, পাথরপট্টি পেরিয়ে শ্মশান। শুধু শ্মশান নয়, মহাশ্মশান। যেন পটুয়ার হাতে জন্ম হয়ে এক জীবন পেরিয়ে মহাশ্মশানে বিসর্জন!’

‘কেন ভারত তথা কলকাতায় কাবুলিওয়ালাদের অভিবাসন ও সেই সঙ্গে আফগানিস্তানের ইতিহাস জানা জরুরি? এ-প্রসঙ্গে সৈয়দ মুজতবা আলিকে স্মরণ করেছেন লেখক। ‘আফগানিস্তানের ইতিহাস না লিখে ভারত ইতিহাস লেখার জো নেই।’ লেখক এই ‘জরুরিত্ব’কে প্রথমে ব্যাখ্যা করেছেন ভারত-আফগানিস্তানের ভৌগলিক অবস্থান দেখিয়ে।’

‘বিধান সরণিতে অবস্থিত কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের গির্জা বা ক্রাইস্ট চার্চ তৈরির পেছনে উদ্দেশ্য ছিল ‘অ-খ্রিস্টান’ নেটিভ এলাকায় খ্রিস্টধর্ম প্রচার। সে-কারণে গির্জা নির্মাণের জন্য, প্রথমে কলেজ স্কোয়ারে হিন্দু কলেজের কাছে কেনা হয়েছিল একখণ্ড জমি।’

‘সফদর একাধারে কাজ করছেন ম্যাক্সিম গোর্কির সৃষ্টি নিয়ে, যাঁর ‘এনিমিজ’-এর রূপান্তরে মিশে যাচ্ছিল নিজস্ব ভারতীয় ঘরানা। অন্যদিকে হাবিব তানভিরের সঙ্গে জোট বেঁধে করছেন ‘মোটেরামের সত্যাগ্রহ’। ক্ষমতার অলিন্দে আঘাত হেনেছেন বারবার।’

‘দশ মিনিটে কি সবসময় অ্যাম্বুলেন্স এসে পৌঁছয়? দাউদাউ আগুন জ্বললে দমকল? অপরাধ ঘটলে পুলিশ? তবে দশ মিনিটের ম্যাজিক একা আমরা দেখাব কেন? কী দায়? নানাবিধ প্রশ্ন রাষ্ট্রের সামনে। আপনার সামনেও। আপনি কেমন বোঝাপড়া করবেন?’

সালতামামি যুদ্ধ থেকে শান্তি— এই দুই সীমানার মধ্যে অজস্র চোরাস্রোত। বিগত বছর, ২০২৫ জুড়ে এমন নানা চোরাস্রোত বয়েছে। বিশ্বরাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতি, নানা ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে

বিস্মরণ ও মিথ্যা-স্মৃতি নির্মাণের কালে দাঁড়িয়ে তাঁর আড়ালে থেকে যাওয়া লেখাগুলিকে আরেকবার পড়া জরুরি নয় কি? যখন কিনা ইতিহাস নিছক জ্ঞানচর্চার একটা শাখা হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই, ইতিহাস-চর্চা নিজেই হয়ে উঠেছে বোমা তৈরির কারখানা।

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক তরুণ অধ্যাপকের কথা চমকে দিয়েছিল সবাইকে। সে ছিল আজ থেকে প্রায় একশো বছর আগের কথা। সত্যেন্দ্রনাথ বসু তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছেন। এই বিষয়ের নতুন প্রবন্ধগুলো তাঁর নজরে পড়ছিল। উঁচু ক্লাসে সেই বিষয়ে পড়ানোর সময় তাঁর মাথায় খেলে গিয়েছিল এক নতুন আইডিয়া।’

চিড়িয়াখানায় প্রদর্শনীর জন্য, একসময়ে মানুষকেও খাঁচায় রাখা হয়েছিল। বেশি দূরের কথা নয়, আলিপুরেই এমনটা ঘটেছিল। আদৌ কি সুস্থজীবন পায় চিড়িয়াখানার প্রাণীরা? মানসিক হোক বা শারীরিক, অবলা বলে কি অধিকার থাকতে নেই?
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.