পত্রিকা

Representative Image
তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: পর্ব ৭

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ফণীশ্বরনাথ রেণু, রাজকমল চৌধুরী ও রবি বর্মা।

অর্পণ গুপ্ত

গ্যালারি পেরিয়ে

‘এ-বই আদ্যোপান্ত খেলার বই। কিন্তু, এ-খেলা কেবলই সাইডলাইনের ভেতর সীমাবদ্ধ নেই। তা গ্যালারি ছাড়িয়ে বৃহত্তর গ্যালারিকেও করে নিয়েছে খেলারই অংশ। বইয়ের উপজীব্য বিশ্বকাপ ফুটবলের ৯৬ বছরের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ৩৩টি ম্যাচ।’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য : পর্ব ২৮

“কুয়োর ওপাশে ব্রাহ্মণ পরিবারটির অনেকে কৌতূহলী উঁকিঝুঁকি দিচ্ছিলেন আমাদের দেখে। বিশেষত বালক, কিশোররা। সম্ভবত, এরা তলফিরামের নাতিপুতি। ‘আইয়ে আইয়ে’ বলে মুন্নারাই ডেকে এনে বসাল ওদের। ছয়ের দশকে বিনোবা ভাবে এসে রাজপুত ঠাকুর আর ব্রাহ্মণ পরিবারটির মিটমাট ঘটিয়ে দিয়েছেন। এদিনও আমার সামনেই মুন্না সিং রাঠোর আর দৌলতরাম করমর্দন করল।”

Representative Image
জয়দীপ ঘোষ

আরামের দ্বার ভেঙে

‘এ বই যতক্ষণ-পারা-যায় ছুঁয়ে বসে থাকবার বই। আরাম নয়, উপশম তো নয়ই, এ বই ছুঁলে কিন্তু তীব্র একরকমের অস্বস্তি হয়।’

Representative Image
জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট: পর্ব ৪

‘‘এই দাদারা ছিলেন সব ‘কোনি’র ক্ষিদ্দা, এঁরা আমাদের স্বপ্ন দেখাতেন। কী স্বপ্ন দেখাতেন জানেন? আপনি কী ভাবছেন— ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন? ও-গুলো পরে, আগে ছিল ফার্স্ট ডিভিশনে কোনও ভাল ক্লাবে খেলা।’’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ১

‘ছবির সঙ্গে গন্ধের স্মৃতিও পেতে থাকি। হজমিওলা। হজমি-মশলার গন্ধ। বিকেলের তেলেভাজার গন্ধ। গ্যালিফ স্ট্রিট ট্রাম ডিপোয় ট্রামের গন্ধ। ট্রামের থাকে। সবুজ গদির ফার্স্টক্লাস আর কাঠের বেঞ্চিরও কি আলাদা-আলাদা গন্ধ ছিল?’

Representative Image
আশিস পাঠক

‘মানিকবাবু’

‘লেখাগুলোর সবই নানা পত্রপত্রিকায় নানা সময়ে প্রকাশিত। বেশির ভাগই আড্ডার ধরনে, আড্ডার কথা লেখা। সে-আড্ডায় কেবল মানিকবাবু আর শাঁটুলবাবু ছিলেন না। ছিলেন না ছিলেন সেই ফুরনো কলকাতার আরও কিছু প্রদীপ।’

প্রিয়ক মিত্র

অঞ্জনবর্ণ

“অঞ্জন দত্ত-র ‘চলো লেট’স গো’ যাঁরা দেখেছেন, যাঁরা দেখেছেন ‘দত্ত ভার্সেস দত্ত’, তাঁরা জানেন, সেইসব সিনেমার আখ্যানের গতিবিধি ঠিক চেনা ছন্দে এগোয় না। সময় লাফায়, ওই স্প্রিং বোর্ডের ওপরের লাফের মতো, সেসব ছবির ন্যারেটিভে। দে’জ পাবলিশিং প্রকাশিত ‘অঞ্জন নিয়ে’ বইটা আদতে অনেকগুলো লাফের সমগ্র।”

Representative Image
তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৪০

‘জুলাইয়ের ফুরফুরে বিকেল। যে-বিকেল ফুরোয় না। আমরা পুবের লোক। আমাদের দেশে ছ’টা-সাড়ে ছ’টায় অফিসবাবুর মতো নিয়ম মেনে সূর্য অস্ত যায়। যত পশ্চিমে যাই, ঘড়ির কাঁটা আটটা ছুঁলেও সূয্যি ডোবে না, এ আবার কেমন অনাচার?’

পিনাকী ভট্টাচার্য

বাস্তুহারা কারা?

‘‘‘সুখনিবাস-যোগ্য স্থান’-ই বাস্তু। শুধু রাজনৈতিক কারণে বাস্তুহারা নয়, হাজারে-হাজারে, লাখে-লাখে যে-সব মানুষ নিজেদের শৈশবের/কৈশোরের/যৌবনের সুখের নিবাস থেকে ঠাঁই-নাড়া হয়েছে, তাদের সুখনিবাস থেকে বিতাড়িত হয়েছে, ছিটকে পড়েছে শহরের, দেশের, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তরে— তারাও কি বাস্তুহারা নয়!’’

Representative Image
অরিক্তম চ্যাটার্জি

বাংলার বাইবেল: পর্ব ৫

‘‘এখন প্রশ্ন হতে পারে যে, বাইবেল একবার নির্দিষ্ট হয়ে যাওয়ার পরেও এত পার্থক্য কেন? এর কারণ বাইবেল কেন্দ্রীয়ভাবে একরকম নির্দিষ্ট হলেও স্থানীয় ভাবে নানান প্রভাব এসে পড়ত। প্রেস তো ছিল না! আবার গোড়ার যুগেও অনেক স্থানীয় অনুবাদ হত। আর সেগুলোর চটজলদি ‘কপি’ ও তৈরি হয়ে যেত খুব অল্প সময়ে।’’

তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: পর্ব ৬

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে প্রদীপ চৌধুরী, পবিত্র মুখোপাধ্যায় ও রণজিৎ দাশ।