
ডেটলাইন : পর্ব ৫৮
ঢাকার মানুষ বলেন, সিলেট তো বড়লোকের শহর। সত্যিই তাই! আসলে সিলেটের প্রায় প্রতিটি বাড়ির কেউ না-কেউ বিলেত-আমেরিকায় থাকে। বিশেষ করে, লন্ডনের পুবদিকের পাড়াগুলোতে ঘুরলে আপনার মনে হবে, একটুকরো সিলেট।

ঢাকার মানুষ বলেন, সিলেট তো বড়লোকের শহর। সত্যিই তাই! আসলে সিলেটের প্রায় প্রতিটি বাড়ির কেউ না-কেউ বিলেত-আমেরিকায় থাকে। বিশেষ করে, লন্ডনের পুবদিকের পাড়াগুলোতে ঘুরলে আপনার মনে হবে, একটুকরো সিলেট।

আমার অবাক লাগে ভাবলে, পাঞ্জাবি, হিন্দি, উর্দু-ঘেঁষা এক সংগীত-দুনিয়ায় বাংলার সুরগুলো শচীন দেব বর্মণ কী অবলীলায়, কী স্মার্টনেসের সঙ্গে ব্যবহার করে গেলেন!

হয়তো সাদা রঙের দলের সমর্থক চায়, তার হয়ে কথা বলুন জনৈক ইনফ্লুয়েন্সার, গোলাপি রঙের দলের সমর্থকের মনোবাসনাও কিঞ্চিৎ তেমনই। কিন্তু, সাদা বা গোলাপি, কারও থেকে অর্থ নিয়ে সেই কথা বলাকে, এই নতুন নর্মালের মূল্যবোধেও কেউ ভাল চোখে দেখছেন না।

‘সাহিত্যে একটা দেওয়াল আছে, সেই দেওয়ালের এপারে লেখা ‘পাণ্ডিত্য’, ওপারে লেখা ‘প্রতিভা’। মধ্যে যে-সম্পর্ক, সেটা অনেকটা ভাসুর-ভাদ্র বউয়ের সম্পর্কের মতো। সেই সম্পর্কটাকে কেতকী কুশারী মোলায়েম করতে চেয়েছিলেন।’

ভগৎ সিংকে কেন্দ্র করে দুই দেশই যেন আবেগপ্রবণ। উভয় রাষ্ট্র চায় তাকে নিজের সন্তান হিসাবে পরিচয় দিতে। ২০০৭ সালে ভগৎ সিংয়ের জন্মশতবার্ষিকীতে পাকিস্তানে ‘ইরতিকা’ নামক একটি উর্দু পত্রিকায় তাঁকে বীর শহিদ আখ্যা দেওয়া হয়।

‘আমার দাদুর কোনও ছবি তোলা নেই। ক্যামেরা না থাকার কারণেই মূলত কোনও ছবি ওঠেনি। তবে রাঙাদা কিছু ছবি তুলেছিল, তার কিছু কপি আমার কাছেও ছিল, সব বিবর্ণ ও নষ্ট। এখনকার এ আই হয়তো অনেকটাই উদ্ধার করে দিতে পারত, কিন্তু সেইসব ছবি কোথায় আছে খুঁজে পাওয়া মুশকিল।’

‘ইউক্রেন শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের অর্থ জোগাড়ের যুক্তিতে প্রাপ্তবয়স্কদের পর্নোগ্রাফিকে করযোগ্য ও নিয়ন্ত্রিত শিল্পে পরিণত করে, তার প্রভাব শুধু ইউক্রেনের মধ্যে আটকে থাকার সম্ভাবনা নেই।’

প্রার্থনা কবুল হল, বাড়িতে কানেকশন নেওয়া হবে। আমি আড়ালে একবার আনন্দ করে নিলাম দু’পাক। জানি না, রোজ-রোজ সিনেমা আমাকে দেখতে দেওয়া হবে কি না, বা ক্লাস সেভেনে সব সিনেমা তো দেখার কথাও নয়।

সিবুলস্কি ও মাস্ত্রোইয়ান্নির থেকে তাঁর অভিনয়ে প্রত্যক্ষভাবে উত্তমকুমার কিছু গ্রহণ করেছিলেন কি না (যেমন মন্টেগোমারি ক্লিফটের থেকে, যা নিজেই ঘোষণা করেন) তা জানা যায় না। কিন্তু এঁদের অভিনয়ের প্রতি তাঁর আপাত, প্রচ্ছন্ন ভাল লাগা ধরে হাঁটলে তাঁর অভিনয়ের বিবর্তনের এক সম্ভাব্য হেতু অবশ্যই চোখে পড়ে।

‘বাঙালি প্রথম একটা আইকন খুঁজে পেল নিজেদের মধ্যে থেকে, যার একটা নিজস্ব ‘সোয়্যাগ’ আছে। তারা চকমকে শার্ট-প্যান্ট পরতে শিখল, পা কিছুটা ফাঁক করে দাঁড়াতে শিখল, শিখল দুষ্টু হাসি হাসতে। কলেজে, পাড়ার মোড়ে, চায়ের ঠেকে— সব জায়গায় মিঠুন চক্রবর্তী।’

নারীকে শুধু সুন্দর হলেই চলবে না; সুন্দর হওয়ার শ্রমটিও লুকিয়ে রাখতে হবে। মাঝের এই প্রস্তুতিপর্বের গোপন কথাটি রহিবে গোপনে। ভনভনিয়ে ঘুরতে থাকা তাগ করা ক্যামেরা লেন্সকে এড়িয়ে চলাটা তখন আবশ্যিক।

‘নেরুদাকে যতই বিষণ্ণতা, মৃত্যু এবং বিরহের কবি বলা হোক, আসলে তিনি সর্বক্ষণ নিজের মধ্যে বহন করেছেন এক সহজ স্বতঃস্ফূর্ততা ও জীবনমুখিতা। খুঁজেছেন বিষাদ পেরিয়ে যাওয়ার রাস্তা এবং তা পেয়েও গিয়েছেন।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.