
নিখিলদাকে যেমন দেখেছি
নিখিলদার সঙ্গে আড্ডা জমত, কারণ নানা বিষয়ে তাঁর অসাধারণ জ্ঞান ছিল। আরও আশ্চর্যের বিষয়, কারও বলা গুরুত্বপূর্ণ কোনও কথা উনি খুব মন দিয়ে শুনে মনে রাখতেন এবং পরে প্রয়োজনে ব্যবহার করতেন।

নিখিলদার সঙ্গে আড্ডা জমত, কারণ নানা বিষয়ে তাঁর অসাধারণ জ্ঞান ছিল। আরও আশ্চর্যের বিষয়, কারও বলা গুরুত্বপূর্ণ কোনও কথা উনি খুব মন দিয়ে শুনে মনে রাখতেন এবং পরে প্রয়োজনে ব্যবহার করতেন।

‘১৯৫৭ সালেই ‘নয়া দৌড়’ আর ‘মাদার ইন্ডিয়া’র সঙ্গে কয়েক মাসের এদিক-ওদিকে মুক্তি পেয়েছিল গুরু দত্ত-র ‘পিয়াসা’। অন্য দুটি ছবিতে সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার সমালোচনার পাশাপাশি সংঘশক্তিতে বলীয়ান হয়ে দেশ গড়ার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান ছিল, সেখানে ‘পিয়াসা’র কবি-নায়কও সমাজব্যবস্থার প্রতি হতাশ, বিরক্ত, বিক্ষুদ্ধ।’

নীলাব্জ: প্রতিটি চরমপন্থী দলই নিজেকে দুর্বলদের রক্ষাকর্তা ভাবে। দুর্বল না হলেও, প্রোপাগান্ডা করে বলে এরা দুর্বল! কেউ ধর্ম বাঁচায়, কেউ জাতি বাঁচায়, কেউ বিপ্লব বাঁচায়, কেউ গণতন্ত্র বাঁচায়। সবাই কিছু-না-কিছু বাঁচাতে গিয়ে শেষমেশ মানুষ মারে।

উনিশ শতকের দ্বিতীয় ভাগে নতুন নাগরিক বাংলা গান যে-ক’টি প্রধান খাতে তৈরি হচ্ছিল, তার মধ্যে একটি হল জাতি ও দেশভাবনার গান।

মেয়েরা একটা বয়সের পর আর প্রেম চায় না— এই কথাটা মিথ্যে। তারা শুধু প্রেম চাওয়ার কথাটা বলা বন্ধ করে দেয়। লজ্জায়। ভয়ে। সমাজের চোখে। সন্তানের কথা ভেবে। নিজের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে।

“‘অখ্যাত কবিরা, যাঁরা তেমন নাম করেননি, এমন কবিরা অনেকেই কবি সুকান্তকে সেভাবে গুরুত্ব দিতে চান না। এটা একধরনের কবিদের মানসিকতা, কিংবদন্তিদের প্রতি এক ধরনের উদাসীনতা দেখানো।’ এ-কথা বলছিলেন কবি জয় গোস্বামী।”

১৯৪৮-এ, ২৩ জানুয়ারি দিনটিকে প্রায় জাতীয় উৎসবের পর্যায়ে নিয়ে গেল বাঙালি। আজকের গতানুগতিক দিনপালনের যুগে কল্পনা করাও মুশকিল, কী আবেগ জড়িয়ে ছিল সেকালে। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বিশেষ নিবন্ধ।

হয়তো কিউরেশন শেষ পর্যন্ত শিল্পকর্মকে সংরক্ষণের শিল্প, কিন্তু এটি শিল্পকেন্দ্রিকতার প্রথম পাঠও বটে, যা সম্পর্ক, সংঘাত, ভুল বোঝাবুঝি এবং অবশ্যই, কথোপকথনকে শিল্পের স্তরে উন্নীত করে। এক্সপেরিমেন্টারের কিউরেটরস হাব প্রসঙ্গে বিশেষ নিবন্ধ।

‘নায়ক-নায়িকাদের ক্যারিশমা, পরিচালকদের দক্ষতা, এসব পেরিয়ে যা দক্ষিণের সিনেমাকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে— তা হল তাদের দর্শকদের সিনেমার প্রতি প্রেম। যে-কারণে রজনীকান্ত তিয়াত্তরে এসেও স্বমহিমায় ফিরে আসার জন্য জানপ্রাণ দিয়ে দেন।’

আমাদের নিত্য-আহারে মাছ-ডিম-মাংসের উপস্থিতিকে বিচার-বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে চর্যাপদের কাল থেকে মাছ ধরা, পশু শিকারের বর্ণনা থেকে অনুমান করা যায় সেই সময়কালেও মানুষের খাদ্যাভ্যাসে মাছ, মাংসের চল ছিল।

‘তদুপরি ভালবাসা এ-বাগানে ফোয়ারার মতো।/ মনে রাখা ভাল, তার সঙ্গিনীটি পাথরের পরি।/ প্রস্তরের ইতিহাসে যত বৃষ্টি আঘাতসম্মত,/
আমরা ভ্রমণকারী, সেই জলে পুণ্যস্নান করি।’

ভারতীয় মহাকাব্যকে আজকে যে এককেন্দ্রিকতায় বেঁধে ফেলা হয়েছে; নানা বাঁধাধরা ছকে কিছু চরিত্রকে মহিমান্বিত করার রাজনীতি আজ দেশে মান্যতা পেয়েছে, কার্ভে-র মহাভারত পাঠ ঠিক তার উল্টো বয়ান তুলে ধরে।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.