
রবীন্দ্রনাথ ও মুসলমানী
রবীন্দ্রনাথ লিখছেন যে, উগ্র হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে সর্বদা সংযোগস্থল তৈরি করে এসেছে নানকপন্থী, কবিরপন্থী ও নিম্নশ্রেণির বৈষ্ণব সমাজ। অর্থাৎ গ্রামীণ বাতাবরণে, নানা অন্ত্যজ শ্রেণির আচার-ব্যবহারে মিলেমিশে গেছে ধর্মের কঠিন বাধা।

রবীন্দ্রনাথ লিখছেন যে, উগ্র হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে সর্বদা সংযোগস্থল তৈরি করে এসেছে নানকপন্থী, কবিরপন্থী ও নিম্নশ্রেণির বৈষ্ণব সমাজ। অর্থাৎ গ্রামীণ বাতাবরণে, নানা অন্ত্যজ শ্রেণির আচার-ব্যবহারে মিলেমিশে গেছে ধর্মের কঠিন বাধা।

আপনারা তো কালীঘাট মানেই কয়লা, বালি, চাকরি এবং গোটা পশ্চিমবঙ্গ চুরির কথা ভাবেন, কিন্তু মনুকা ছিল ভিন্ন গোত্রের চোর। মনুকা কী চুরি করত জানেন, পাঁঠার মাথা! এটাতেই ওর স্পেশালাইজেশন। পালা-পার্বণে কালীঘাট মন্দিরে অসংখ্য পাঁঠা বলি হত।

১৯২৩ সালের পয়লা জানুয়ারি চিত্তরঞ্জন দাশ কংগ্রেস দল ছাড়েন এবং তাঁর নেতৃত্বে গঠিত হয় ‘স্বরাজ্য দল’। সারা ভারত পরিভ্রমণ করে তাঁরা দলের নীতি ও কর্মসূচি

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এবারে, আর্সেনিক-কথার শেষ পর্ব।

পৃথিবীর নিয়ম, আরশোলা বাড়লে তাকে পিষে মারার মত লোকও বাড়বে। বাড়বে বিষাক্ত কীটনাশক প্রস্তুতকারী কোম্পানির সংখ্যা। তাই সাসপেন্ড হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি-র এক্স হ্যান্ডেল। বারবার হ্যাক করার চেষ্টা চলছে ইনস্টাগ্রাম। তৈরি হয়েছে অ্যান্টি-ককরোচ গ্যাং।

‘তাহলে কী দাঁড়াল? হরমুজ প্রণালীতে ভীষণ ট্র্যাফিক। ভারতের নানা তৈলবাহী জাহাজ-সমূহ, দেশে পৌঁছচ্ছে দীর্ঘ সময়ের পরে। বর্তমানে, অতি অস্বাভাবিক দামে তেল আমদানি করতে বাধ্য! নন-গালফ দেশগুলির থেকে। দেশের তৈল-শোধনাগারগুলিও এহেন দুর্দিনে, যত মুনাফা লুটেপুটে নিতে উৎসুক।’

‘বাগবাজারের বসু বাড়িটা বড় বিখ্যাত। বিরাট-বিরাট থামওয়ালা বাড়ি, বাড়ির লাগোয়া জমি অনেকটা। ওই মাঠ এখন আর নেই। বাগবাজার মাল্টিপারপাস গার্লস স্কুল হয়েছে। যখন স্কুল হয়নি, মাঠ, ওই মাঠে নেতাজি জয়ন্তীতে অনুষ্ঠান হত।’

একসময় সিঁড়ি ভাঙা ছিল জীবনেরই একটা অংশ— দু’ধাপ একসঙ্গে লাফিয়ে ওঠা, দেরি হয়ে গেলে হুড়মুড় করে চারতলা উঠে যাওয়া, তারপরও হাঁপ না ধরা। এখন সিঁড়ির সামনে দাঁড়ালেই হাঁটু আগে সতর্ক করে: আগে ভাবো, তারপর ওঠো।

কিছুদিন আগেই পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ কান চত্বরেই ফিল্ম সমালোচক সুচরিতা ত্যাগীর সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই একটি মন্তব্য করেছেন, যা অপ্রিয় হলেও অস্বীকার করার উপায় নেই। যে কোনও চলচ্চিত্র উৎসবের মতোই কানেরও মূল উদ্দেশ্য বা সম্মানের জায়গা রেড কার্পেটের বাইরে, বড়পর্দায়।

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এবারে, আর্সেনিক-কথার দ্বিতীয় পর্ব।

‘বন্যপ্রাণী শিকার নিষিদ্ধ হয় ১৯৭২ সালে। বন্ধ হয় রাইফেল নিয়ে জঙ্গলে আনাগোনাও। তবে আজ, এই একুশ শতকে, রাইফেলের পরিবর্তে মানুষ হাতে তুলে নিয়েছে বড় লেন্সের ক্যামেরা। প্রাণে না মারলেও, বন্যপ্রাণীদের মানসিক স্বাস্থ্যকে আর কবেই-বা গুরুত্ব দিয়েছে মানুষ?’

‘‘আদৌ যে বড় হয়ে কিছু একটা হতে হয় সকলকে, সেটাই জানা নেই তখন। অনেকেই আঁকার খাতা দেখে বলছেন, ‘এ নির্ঘাত আঁকিয়ে হবে, মিলিয়ে নিও!’ কিন্তু সেসবও আমার মাথায় নেই। আঁকছি তো অনাবিল আনন্দ পাচ্ছি বলে, কিছু হওয়ার জন্য তো নয়।’’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.