
ডেটলাইন: পর্ব ৩৬
“দাদা বললেন, ‘আমরা বিদেশি হওয়ায় বেঁচে গেলাম। দালালের কাছ থেকে টিকিট কিনে যদি কোনও আমেরিকান ধরা পড়ত, নির্ঘাত পুলিশে দিত।’ সকাল থেকে ঠা ঠা রোদে এই ঝকমারির দুঃখ ভুলে হাঁফ ছাড়লাম, যাক বাবা, বিদেশে জেল তো খাটতে হল না!”

“দাদা বললেন, ‘আমরা বিদেশি হওয়ায় বেঁচে গেলাম। দালালের কাছ থেকে টিকিট কিনে যদি কোনও আমেরিকান ধরা পড়ত, নির্ঘাত পুলিশে দিত।’ সকাল থেকে ঠা ঠা রোদে এই ঝকমারির দুঃখ ভুলে হাঁফ ছাড়লাম, যাক বাবা, বিদেশে জেল তো খাটতে হল না!”

“‘দ্য বিগ লেবোউস্কি’ একটা ‘pastiche’. ‘Pastiche’ মানে যা পূর্বে ব্যবহৃত নানা শিল্পকর্ম বা ঘটনাকে উদ্ধৃত এবং তার ব্যবহার করে। ছবিতে এই ধরনের উদ্ধৃতি প্রচুর। বাসবি বার্কলের কোরিওগ্রাফি, রবার্ট অল্টম্যানের ‘দ্য লং গুডবাই’, পোলানস্কির ‘চায়না টাউন’, বব ডিলান ও ইগলস-এর গান, ছয়ের দশকের ফ্লাওয়ার পাওয়ার, ভিয়েতনামের যুদ্ধ— এমন কত কী!”

‘আমার মনে হয়, সলিল চৌধুরীকে বুঝতে গেলে, সবচেয়ে জরুরি এটা বোঝা— তিনি কীভাবে এখানকার ভোকাল মেলোডিকে ভেঙে, সম্পূর্ণ নতুন একটা রূপ দিলেন। এমনকী পাশ্চাত্যেও সুরের কতগুলো নির্দিষ্ট সরলরৈখিক চলন আছে, কিন্তু সলিল সেটাকে আত্তীকরণের সময়ে সরলরৈখিক রাখলেন না।’

মিডিয়া ও মানুষ এডওয়ার্ড হারম্যান ও নোয়াম চমস্কি তাঁদের ‘ম্যানুফ্যাকচারিং কনসেন্ট: দ্য পলিটিক্যাল ইকোনমি অফ মাস মিডিয়া’ গ্রন্থের ‘আ প্রোপাগান্ডা মডেল’ শীর্ষক নিবন্ধে বিস্তারিত দেখিয়েছিলেন,

“মেয়েদের এই বিশেষ ক্রিকেটের পরিকাঠামো, জনপ্রিয়তা ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাব, নিজেদের গ্রামীণ পরিবারের সচ্ছলতার অভাব— সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে, এই বিশ্বজয় মনে করিয়ে দেয় সেই বিখ্যাত গানটির লাইন, ‘তু জিন্দা হেয় তো জিন্দেগি কে জিত পেয় ইয়েকিন কর…’”

‘কুয়া কেন! কেন কুয়ো নয়? কী ক্ষতি হত যদি লিখতেন, ‘অনন্ত কুয়োর জলে চাঁদ পড়ে আছে’? শক্তি বললেন, ‘কুয়ো বললে জায়গাটা কেমন যেন ছোট হয়ে যায়, তাই না? কুয়া বললে জল থেকে জ্যোৎস্না উথলে ওঠে।’ আশ্চর্য হয়ে গেলাম।’

যেমন বিশ শতকের কথা উঠলেই ‘সিউডোসান্স’ বা অপবিজ্ঞানের প্রচারকে বিশ্লেষণ করা দরকার, আবার একুশ শতকে অবিজ্ঞানের পরিধি ও ব্যাপ্তি নিয়ে আলোচনাও জরুরি। ডারউইনবাদকে কেন্দ্র করে অপবিজ্ঞান ও অবিজ্ঞানের নির্মাণ, প্রায় দেড়শো বছরের বেশি সময় ধরে, মনে করিয়ে দেয় যে, কোনওকিছুই পৃথিবীতে হয়তো নিরপেক্ষ নয়।

“নির্বাক থেকে ক্রমশ সবাক হয়ে উঠছে চলচ্চিত্র। নতুন শিক্ষাকে সাদরে গ্রহণ করলেন দেবকী। বুঝলেন, নির্বাক চলচ্চিত্রের যুগ শেষ। সিনেমা তৈরি করতে হলে শুধু আলো-ছবি নয়, তাকে সাজিয়ে দিতে শব্দ, সুর আর ছন্দের লাবণ্যে।”

রবি ঘোষের মতো মহান অভিনেতার প্রতিভা মহান পরিচালকদের হাতেই যেন পূর্ণতা পেত। সত্যজিৎ রায়ের বাঘা এবং একের পর এক আইকনিক চরিত্র, তপন সিংহর কালজয়ী ধনঞ্জয় তার উদাহরণ। ধনঞ্জয়ের চরিত্রের এমন সিরিয়াস কমেডি অভিনয়, যেন এক নতুন অভিনয় স্কুলিং-এর সূচনা করল।

‘তাঁর জীবন ও লেখালেখিতে বাঙালির রেনেসাঁস প্রদীপের আলো ও তার তলার অন্ধকার— দুটোই বড্ড স্পষ্ট। প্যারীচাঁদের চরিত্রের যে-স্ববিরোধ, তা নিয়ে হুতোম ব্যঙ্গ করলেও আমরা সেটিকে তাঁর স্বভাবের বৈচিত্র্য হিসেবে দেখব;’

‘প্রযুক্তি যা পারবে, পারে— তা একটা উদাহরণেই স্পষ্ট হয়ে যাবে: গত বিশ বছরে ক্রিকেটের লাইভ টেলিকাস্টেই নিদারুণ বদল এসেছে। আমার ছোটবেলায় দেখেছি বেশ কয়েকটা ক্যামেরা বিভিন্ন দিক থেকে, সেগুলো ঘুরত মাঝেমধ্যে, ট্রলি বা জুমের ব্যবহার যে কদাচিৎ ছিল না, তা নয়।’

“এই মানুষটিকেই তো দীর্ঘ বছর ভালবেসে যাপন করেছেন। তাহলে কেন তাঁকে সন্দেহ করছেন? মনের ভেতরে তৈরি হল দ্বন্দ্ব। এই দ্বন্দ্বের বশবর্তী হয়েই, আপনার সম্পর্কে জন্ম নিল ‘অ্যামবিভ্যালেন্স’।”
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2025 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.