
মেঘে মেঘে বেলা : পর্ব ৯
এটুকু বুঝি, মাঝবয়সে এসে সবচেয়ে বড় বিপদ বয়স নয়। সবচেয়ে বড় বিপদ হল, হঠাৎ একদিন মনে হওয়া— হয়তো আমি আমার জীবনটা ঠিকমতো বাঁচছি না। আর তার থেকেও বড় বিপদ, পরের মুহূর্তেই মনে হওয়া— হয়তো এটাই ঠিকমতো বাঁচা।

এটুকু বুঝি, মাঝবয়সে এসে সবচেয়ে বড় বিপদ বয়স নয়। সবচেয়ে বড় বিপদ হল, হঠাৎ একদিন মনে হওয়া— হয়তো আমি আমার জীবনটা ঠিকমতো বাঁচছি না। আর তার থেকেও বড় বিপদ, পরের মুহূর্তেই মনে হওয়া— হয়তো এটাই ঠিকমতো বাঁচা।

আলেহান্দ্রা ওমানিয়া অর্তিজ ২০২৬-এর মার্চে নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলেন প্যাক্টো-হিস্টোরিকা বা ঐতিহাসিক জোটের হয়ে। ৩৩ বছর বয়সি অর্তিজ ২০১৭ সালে তথাকথিত ‘অ্যাডাল্ট ইন্ডাস্ট্রি’-তে যোগ দিয়েছিলেন। এখন সেই ইন্ডাস্ট্রির শিল্পীদের হয়েই কথা বলতে সেনেটে এলেন অর্তিজ।

‘সে-যুগে প্রতিটি অনুষ্ঠানের জন্য তিনি ১,০০০ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিতেন— যা ছিল তৎকালীন সময়ে এক বিশাল অঙ্ক। অনুষ্ঠান বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন আপসহীন। যে কেউ নিমন্ত্রণ জানালেই তিনি রাজি হয়ে যেতেন না।’

‘একটি উপন্যাস যখন লেখা হয়, তখন লেখক কি সত্যিই সম্পূর্ণ নতুন কিছু সৃষ্টি করেন? নাকি, যুগ-যুগ ধরে সঞ্চিত সাংস্কৃতিক উপাদানকে তিনি নিত্যনতুন এবং সমসাময়িক বিন্যাসে সাজিয়ে দেন মাত্র?’

‘সারাজীবন অত্যন্ত নিয়মনিষ্ঠ জীবনযাপন করছেন, ওঁকে কখনও দেখিনি ভুল সময়ে খাওয়াদাওয়া বা অনুষ্ঠান করছেন। উচ্চাঙ্গ সংগীতকে আত্মস্থ করার জন্য যে-অনুশাসন লাগে, নিজের জীবনকেও সেই অনুশাসনে বেঁধে এনেছিলেন।’

‘একটা সময়ে সিল্কস্ক্রিন পদ্ধতিতে ছাপা হত ‘আর্টডাস্ট’, সুতরাং তা ছিল বেশ খরচসাপেক্ষ। প্রতিলিপিকরণ প্রযুক্তি আসবার পরে খরচ কমে, ফলে আরও বেশি সংখ্যায় ছাপা হতে থাকে ‘আর্টডাস্ট’। কিন্তু কখনওই সংখ্যাধিক্যের কারণে ‘আর্টডাস্ট’-এর সীমিত সংস্করণের ট্যাগ খুলে দেননি তার অজ্ঞাতনামা প্রকাশকেরা।’

যে-সব কর্পোরেট সংস্থায় কর্মীদের অধিকার মালিক-পক্ষের কাছে ‘বিলাসিতা’ থুড়ি ‘ফাঁকিবাজির’ নামান্তর, যাদের কাছে অফিসের কোনও নির্দিষ্ট সময় হয় না, সারাক্ষণই নাকি ‘অফিস-যাপন’ করতে হয়, তাদের কাছে ফ্রান্স-ইনফোসিসের এই ঘটনা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

‘এই জয় থেকে কী শিক্ষা সংগ্রহযোগ্য? এক, আজকের দিনকালে, সফল হতে গেলে আন্দোলনের লাগাতার প্রচারের জন্য মূলস্রোতের গণমাধ্যমকে পাশে পাওয়ার দরকারই নেই।’

‘‘‘যুগান্তর’-এ শিক্ষানবিশ সাব এডিটরের কাজ করার ফাঁকে-ফাঁকে আমি ‘ছোটদের পাততাড়ি’তে ছড়া লিখতাম। গৌরাঙ্গ ভৌমিক সম্পাদনা করতেন ‘ছোটদের পাততাড়ি’। প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার বের হত। গৌরাঙ্গদা চাইলেই আমি ছড়া দিয়ে দিতাম। অমিতদা চাইলে ‘রোজনামতা’য় ছড়া দিতাম।’’

‘পদ্মাকে কাছে ধরে রাখার ইচ্ছেতেই সম্ভবত কুঠিবাড়ির পাঁচিল ঢেউখেলানো। আম-জাম-কাঁঠালের ছায়াঘেরা, দু’টি পুকুর সমেত দোতলা জমিদারবাড়ি বেশ যত্ন করে রেখেছে বাংলাদেশ সরকার।’

‘ওই বিল থেকে একটা মায়াবি জলজগন্ধ পাওয়া যেত, কিছু কচুরিপানা, যা পুরোটা শুকায়নি, এর উপর দিয়ে হাঁটলে হালকা ফটাস শব্দ হত। শব্দ-চিত্র-গন্ধময় সুখস্মৃতি।’

‘সব কেমন অন্ধকার হয়ে যায়। আকাশটা ধূসর। সারাদিন ঘুম পায়। জামাকাপড় শুকোয় না। অফিস যেতে কাদা। জুতো নষ্ট হয়। রাস্তা জ্যাম। তারপর ডেঙ্গু, মশা, জল জমা। এর মধ্যে আবার কেউ-কেউ বলে, ‘আহা, কী রোম্যান্টিক!’’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.