
উল্টো দূরবিন: পর্ব ১৯
‘আমাদের স্কুলব্যাগ বলে কিছু ছিল না। বইপত্র নিতাম হাতে। আমার বাবার আমলে নাকি একটা চটের ব্যাগে ভরে একটা বসার আসন, স্লেট, খড়ি বই নিয়ে পাঠশালায় যেতে হত। এই চটের ব্যাগটাকে বলা হত, দপ্তর।’

‘আমাদের স্কুলব্যাগ বলে কিছু ছিল না। বইপত্র নিতাম হাতে। আমার বাবার আমলে নাকি একটা চটের ব্যাগে ভরে একটা বসার আসন, স্লেট, খড়ি বই নিয়ে পাঠশালায় যেতে হত। এই চটের ব্যাগটাকে বলা হত, দপ্তর।’

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এ-পর্বে কিউরারি বিষের কথা…

চোর স্লোগান আমি একা দিচ্ছি না, আরও পাঁচজন একইভাবে আমার সঙ্গে তিতিবিরক্ত হয়ে রাজনৈতিক নেতানেত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। এটা একটা বৈধতা তৈরি করে আমাদের মনে।

‘‘একসঙ্গে বৃহৎ পরিমাণ কাজ করার জন্য, ডেটা-সেন্টার/সার্ভারগুলি প্রচুর পরিমাণে তাপ উৎপন্ন করে। এই তাপকে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে, সার্ভারগুলি বিকল হয়ে যাওয়ার প্রভূত সম্ভবনা। তাই, সার্ভারগুলিকে ঠান্ডা করার জন্য, ব্যবহার করা হয় অত্যাধুনিক ‘কুলিং সিস্টেম’, যার একটা বড় অংশ নির্ভর করে জলের উপর।’’

নীলাব্জ বলল, ‘আগে মানুষ মারা গেলে দুটো ছবি থাকত, কয়েকটা চিঠি থাকত। এখন মানুষ মারা গেলে চার টেরাবাইট ডেটা পড়ে থাকে। তবু মানুষটাই থাকে না। তুমি ভয় পাচ্ছ কারণ তুমি ভাবছ ডেটা নেই মানে তুমি নেই। কিন্তু তুমি তোমার ডেটা নও।’

রবীন্দ্রনাথ লিখছেন যে, উগ্র হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে সর্বদা সংযোগস্থল তৈরি করে এসেছে নানকপন্থী, কবিরপন্থী ও নিম্নশ্রেণির বৈষ্ণব সমাজ। অর্থাৎ গ্রামীণ বাতাবরণে, নানা অন্ত্যজ শ্রেণির আচার-ব্যবহারে মিলেমিশে গেছে ধর্মের কঠিন বাধা।

আপনারা তো কালীঘাট মানেই কয়লা, বালি, চাকরি এবং গোটা পশ্চিমবঙ্গ চুরির কথা ভাবেন, কিন্তু মনুকা ছিল ভিন্ন গোত্রের চোর। মনুকা কী চুরি করত জানেন, পাঁঠার মাথা! এটাতেই ওর স্পেশালাইজেশন। পালা-পার্বণে কালীঘাট মন্দিরে অসংখ্য পাঁঠা বলি হত।

১৯২৩ সালের পয়লা জানুয়ারি চিত্তরঞ্জন দাশ কংগ্রেস দল ছাড়েন এবং তাঁর নেতৃত্বে গঠিত হয় ‘স্বরাজ্য দল’। সারা ভারত পরিভ্রমণ করে তাঁরা দলের নীতি ও কর্মসূচি

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এবারে, আর্সেনিক-কথার শেষ পর্ব।

পৃথিবীর নিয়ম, আরশোলা বাড়লে তাকে পিষে মারার মত লোকও বাড়বে। বাড়বে বিষাক্ত কীটনাশক প্রস্তুতকারী কোম্পানির সংখ্যা। তাই সাসপেন্ড হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি-র এক্স হ্যান্ডেল। বারবার হ্যাক করার চেষ্টা চলছে ইনস্টাগ্রাম। তৈরি হয়েছে অ্যান্টি-ককরোচ গ্যাং।

‘তাহলে কী দাঁড়াল? হরমুজ প্রণালীতে ভীষণ ট্র্যাফিক। ভারতের নানা তৈলবাহী জাহাজ-সমূহ, দেশে পৌঁছচ্ছে দীর্ঘ সময়ের পরে। বর্তমানে, অতি অস্বাভাবিক দামে তেল আমদানি করতে বাধ্য! নন-গালফ দেশগুলির থেকে। দেশের তৈল-শোধনাগারগুলিও এহেন দুর্দিনে, যত মুনাফা লুটেপুটে নিতে উৎসুক।’

‘বাগবাজারের বসু বাড়িটা বড় বিখ্যাত। বিরাট-বিরাট থামওয়ালা বাড়ি, বাড়ির লাগোয়া জমি অনেকটা। ওই মাঠ এখন আর নেই। বাগবাজার মাল্টিপারপাস গার্লস স্কুল হয়েছে। যখন স্কুল হয়নি, মাঠ, ওই মাঠে নেতাজি জয়ন্তীতে অনুষ্ঠান হত।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.