
বিশ্বজুড়ে গ্রীষ্ম
আশৈশব শুনছি, গরমে মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে থাকে। তবে কী জানি বাপু, ছেলেবেলায় ডেইলি ডোজ অব কানমলা, চড় আর চুলের মুঠি ধরে ঝাঁকুনির চোটে তো আমার

আশৈশব শুনছি, গরমে মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে থাকে। তবে কী জানি বাপু, ছেলেবেলায় ডেইলি ডোজ অব কানমলা, চড় আর চুলের মুঠি ধরে ঝাঁকুনির চোটে তো আমার

‘ক্যালিফোর্নিয়ায় মেটা-র বিরুদ্ধে ২৯টি মার্কিন রাজ্যের করা মামলার বিচার চলছে।… অভিযোগকারীদের বক্তব্য, এই ‘ব্যবহারকারীর মনোযোগ ধরে রাখার’ অ্যালগরিদম কিশোরদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং মেটা শিশুদের নিরাপত্তা ও তাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ব্যাপারে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেয়নি। মেটা অবশ্য অভিযোগগুলি অস্বীকার করেছে।’

ছবিটা বেশ কেতায় তোলা, গতিশীল, চমক দিতে আগ্রহী, দেখতে ভাল। সমাজ, আইন ও ব্যক্তির (বিশেষত নারীর) বেপরোয়াপনার পারস্পরিক সম্পর্ক হলিউডি ছবির চেনা ছকেই চলে, কিন্তু ফ্র্যাংকেনস্টাইনের কাহিনিটাকে এখানে এনে ফেলার মধ্যে একটা বিস্ময় আছে।

সুমিত সরকারের বই নিছক অ্যাকাডেমিক পাঠ্য ছিল না; সেগুলি ছিল ইতিহাসকে কীভাবে ভাবতে হয়, তার এক অনায়াস শিক্ষা। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দেন যে, অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণ করাই কেবল ইতিহাসবিদের কাজ নয়, বরং তার কাজ, সেই অতীতকে অনর্গল প্রশ্ন করতে থাকা…

পদাঘাত খেয়ে ভারতসন্তানগণ যখন আর্তনাদ করছে, ‘কোথায় হরিশ, কোথায় রামামোহন, কোথায় রামগোপাল’ বলে মূর্ছা যাচ্ছে, তখন একজন ভাল ইংরেজ প্রবেশ করেন। দুষ্টু সাহেবকে সে গলা টিপে ধরে— ‘রে দুরাচার দুর্বৃত্ত, ইংরাজ জাতির কলঙ্ক, তুই এখান হতে দূর হ’ বলে তাকে পদাঘাত করে দূর করে দেয়।

অবনীন্দ্রনাথের ‘ভারতমাতা’ দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এক বিপ্লবের ছবি। যদিও সে-ছবিতে বিপ্লবের ভাষা একেবারেই উচ্চকিত নয়, টেক্সটের আড়ালে সাবটেক্সটের মতো নীরব তার অবস্থান।

নিখিলদার সঙ্গে আড্ডা জমত, কারণ নানা বিষয়ে তাঁর অসাধারণ জ্ঞান ছিল। আরও আশ্চর্যের বিষয়, কারও বলা গুরুত্বপূর্ণ কোনও কথা উনি খুব মন দিয়ে শুনে মনে রাখতেন এবং পরে প্রয়োজনে ব্যবহার করতেন।

‘১৯৫৭ সালেই ‘নয়া দৌড়’ আর ‘মাদার ইন্ডিয়া’র সঙ্গে কয়েক মাসের এদিক-ওদিকে মুক্তি পেয়েছিল গুরু দত্ত-র ‘পিয়াসা’। অন্য দুটি ছবিতে সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার সমালোচনার পাশাপাশি সংঘশক্তিতে বলীয়ান হয়ে দেশ গড়ার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান ছিল, সেখানে ‘পিয়াসা’র কবি-নায়কও সমাজব্যবস্থার প্রতি হতাশ, বিরক্ত, বিক্ষুদ্ধ।’

নীলাব্জ: প্রতিটি চরমপন্থী দলই নিজেকে দুর্বলদের রক্ষাকর্তা ভাবে। দুর্বল না হলেও, প্রোপাগান্ডা করে বলে এরা দুর্বল! কেউ ধর্ম বাঁচায়, কেউ জাতি বাঁচায়, কেউ বিপ্লব বাঁচায়, কেউ গণতন্ত্র বাঁচায়। সবাই কিছু-না-কিছু বাঁচাতে গিয়ে শেষমেশ মানুষ মারে।

উনিশ শতকের দ্বিতীয় ভাগে নতুন নাগরিক বাংলা গান যে-ক’টি প্রধান খাতে তৈরি হচ্ছিল, তার মধ্যে একটি হল জাতি ও দেশভাবনার গান।

মেয়েরা একটা বয়সের পর আর প্রেম চায় না— এই কথাটা মিথ্যে। তারা শুধু প্রেম চাওয়ার কথাটা বলা বন্ধ করে দেয়। লজ্জায়। ভয়ে। সমাজের চোখে। সন্তানের কথা ভেবে। নিজের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে।

“‘অখ্যাত কবিরা, যাঁরা তেমন নাম করেননি, এমন কবিরা অনেকেই কবি সুকান্তকে সেভাবে গুরুত্ব দিতে চান না। এটা একধরনের কবিদের মানসিকতা, কিংবদন্তিদের প্রতি এক ধরনের উদাসীনতা দেখানো।’ এ-কথা বলছিলেন কবি জয় গোস্বামী।”
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.