
পিতৃতন্ত্রের খেলনা
‘‘মজার কথা হল, এখনও অনেকেই এটাকে হিংসা বলতেই নারাজ। ‘ও তো অনলাইনে হয়েছে’, ‘ওসব পাত্তা দিও না’, ‘ব্লক করে দাও’, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকলে এগুলো একটু হবেই’— এইসব কথার মধ্যে আমাদের সমাজের পুরনো নিষ্ঠুরতা খুব আরামে হাই তোলে।’’

‘‘মজার কথা হল, এখনও অনেকেই এটাকে হিংসা বলতেই নারাজ। ‘ও তো অনলাইনে হয়েছে’, ‘ওসব পাত্তা দিও না’, ‘ব্লক করে দাও’, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকলে এগুলো একটু হবেই’— এইসব কথার মধ্যে আমাদের সমাজের পুরনো নিষ্ঠুরতা খুব আরামে হাই তোলে।’’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে

‘একবার রেঙ্গুন থেকে দু’জন এল, ওদের কলকাতা দেখাতে নিয়ে যাওয়া হবে। কেন কে জানে, আমাকেও নিয়ে গেলেন। তখনও পিসেমশাইয়ের গাড়ি ছিল না। কোনওভাবে একটা গাড়ি জোগাড় করেছিলেন, কিম্বা ভাড়া নিয়েছিলেন।’

১৯৮০-র ডিসেম্বরে আমরা যখন চম্বলে পৌঁছেছিলাম, তখন ঠাকুরদের গ্রামে গণধর্ষিতা ফুলন প্রতিহিংসার আগুনে দপদপ জ্বলছেন, বদলা নেওয়ার ছক কষছেন। আর অগুনতি খুনখারাপি সেরে মালখান সিংয়ের ক্রোধ নির্বাপিত হয়েছে, সারেন্ডারের উপায় খুঁজছেন।

বিকেলের দিকে কালীঘাট রোডের ওপর বরফের গাড়ি ঘুরত। সেখানে বরফ থাকত লাল শালুতে মোড়া। সামনে কাঠ ঘষার রেঁদা। সেখানে বরফ ঘষলে ঝুরো ঝুরো হত, সেগুলো ছোট একটা গ্লাসের ভেতর ঢুকিয়ে লাল-সবুজ মিষ্টি সিরাপ দিয়ে একটা কাঠি গুঁজে দিত। খেতাম মাঝেসাঝে। কালীঘাট রোডের ওপর রকমারি খাবার জিনিস ঘুরত, যেমন সব তীর্থক্ষেত্রে ঘোরে।

এমন মারাত্মক একটা গাম্ভীর্য আছে ওয়াশিংটন ডিসির, একলহমায় বুঝিয়ে দেয়, হুঁ হুঁ বাওয়া, যেখানে সেখানে নয়, তুমি পা রেখেছ দুনিয়া শাসনের এপিসেন্টারে। ওদিকে হোয়াইট হাউস, তো এদিকে ক্যাপিটল, সেদিকে ন্যাশনাল মিউজিয়াম তো অন্যদিকে লিংকন মেমোরিয়াল। ভেতরে ঢোকার আগেই থমকে দাঁড়াতে হয়, সবই এত বিশাল।

‘বিশ্ব চড়াই দিবস’ প্রতি বছর ২০ মার্চ পালিত হয়। পরিবেশ সংস্থা ‘নেচার ফরএভার সোসাইটি’-র উদ্যোগে এই দিনটির সূচনা হয় ২০১০ সালে। সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ দিলাবার শহরাঞ্চলে চড়াইপাখির দ্রুত কমে যাওয়া দেখে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হন এবং এই ক্ষুদ্র কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পাখিটিকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির প্রয়োজন অনুভব করেন।

‘কিন্তু অগ্নিস্ফুলিঙ্গ সবসময়ে মশাল হয়ে ওঠে না। এ-সব টুকরো-টুকরো ছবি আর ভিডিও-র মেয়াদই বা কতদিন? অ্যালগরিদম-এর চোরাবালি তো অল্প সময়েই গিলে নেবে তাদের; এ-সব দিয়ে আর কতদিন আশা জিইয়ে রাখা যায়?’

হিমানীশদার হিউমারের ধরনটা ইদানীংকার প্রচলিত হিউমারের চেয়ে আলাদা। হিম-অনীশ বললেই যেন তার সঠিক পরিচয় দেওয়া হয়। ইংরেজিতে cold and godless. আবেগতপ্ত না হয়ে জগৎসংসারের মজাটুকু, তার অসংগতিটুকু, নির্লিপ্তভাবে ছেঁকে নেওয়া। সেই অর্থে হিমশীতল। আর তিনি ছিলেন একান্তভাবেই অনীশ, নিরীশ্বরবাদী।

‘সব মিলিয়ে ভাবতে গেলে গায়ের রোম খাড়া হয়ে যাওয়ার জোগাড়। এই ভারতের কত-কত দেশভক্ত, সনাতনি রাষ্ট্রবাদী, তথাকথিত ইতিহাসকাররা কবে থেকে বলে আসছেন, আর্যরা মোটেই বিদেশি নয়, সাচ্চা সনাতনি ভারতীয়। ভারতবর্ষ থেকেই তারা ইউরোপ বা অন্য এদিক-ওদিকে গেছে।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.