
বৈষম্যের বিশ্বকাপ
খেলোয়াড় থেকে টিমের কর্তৃপক্ষ বা অন্য দেশ থেকে আসা দর্শক— কেউ-ই এর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। দক্ষিণ আমেরিকার জাতীয় টিম আয়োজক দেশে নির্ধারিত দিনের অনেক পরে এসে পৌঁছেছে, কারণ তাঁদের প্রতিনিধি দল যথাসময়ে ভিসা পায়নি।

খেলোয়াড় থেকে টিমের কর্তৃপক্ষ বা অন্য দেশ থেকে আসা দর্শক— কেউ-ই এর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। দক্ষিণ আমেরিকার জাতীয় টিম আয়োজক দেশে নির্ধারিত দিনের অনেক পরে এসে পৌঁছেছে, কারণ তাঁদের প্রতিনিধি দল যথাসময়ে ভিসা পায়নি।

তাঁর ক্রাউডওয়ার্ক থেকে ভেসে আসা এই মন্তব্যগুলো শুনে প্রণীত মোরেও দন্তবিকশিত করে হাসাহাসি করেছেন। অন্যায় রসিকতা যে করে, এবং সেই রসিকতায় যে হাসে, ভাইরাল হলে উভয়েই ফাঁসে— এখানে কারও কিছু করার নেই।

দুই দেশের বিশ্বকাপ খেলার গল্পে তাই উপনিবেশবাদের একটা বড় ভূমিকা থেকেই যায়। নাটকীয় মালমশলা থাকলেও তাই কেপ ভার্দে আর কুরাসাওয়ের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ অসম্ভবকে সম্ভব করার রূপকথা নয়, বরং উপনিবেশবাদ আর অভিবাসনের ইতিহাসে তৈরি সুযোগের কৌশলী সদ্ব্যবহারের কাহিনি।

‘গোল করেই জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন স্কিয়াভিও। কিছুক্ষণ সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়ে থাকার পর, তিনি স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরেন। ইতালীয় ফরোয়ার্ড কি প্রবল চাপের মধ্যেে ছিলেন?’

‘এই বিতর্কের মূল অভিযোগ দু’টি। প্রথমত, টিকিটের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি। দ্বিতীয়ত, ভুল আসন বরাদ্দ করা। দর্শকদের থেকে অভিযোগ আসে যে, অনলাইনে টিকিট বিক্রির সময়ে যে-নির্দিষ্ট সিট তাঁরা নির্বাচন করেছেন, বাস্তবে সেই সিট-নম্বরের টিকিট হাতে পাননি।’

“তখন দুপুর দেড়টা, চান করিনি, খাইনি। সত্যদা বললেন, ছাড়ো তো..। বাগবাজারে ‘যুগান্তর’ অফিসে যেতে হবে, অমিতাভ চৌধুরী তোমাকে নিয়ে যেতে বলেছেন। সুনীলদা বললেন, আমি তোমার বাড়িতে বলে দেব।”

‘‘বাবা নিজে স্কুলের শিক্ষক হয়েও, এটা বুঝতে পারলেন না যে— বেশি ভালর দঙ্গলে, আমি হারিয়ে যেতে পারি! ‘অতি বেশি ভাল’র দলে, আমার মতো ‘অত ভাল নয়’, মোটেই পাত্তা পাবো না।’’

‘খবরে তো হরদম শুনি, স্কুলে, রেস্তরাঁয়, শপিং মলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে একরাশ লোক মেরে ফেলার খবর। বন্দুকবাজ ধরা পড়লেই বলা হয় সে নাকি মানসিক রোগী। বড়লোকের দেশটার সর্বস্তরে এত সাইকো থাকলে, রিহ্যাব কি কম পড়িয়াছে?’

‘‘সারা স্টেডিয়ামকে বিস্মিত করে, যেন নাটকের একটি বীভৎস দৃশ্য উন্মোচিত হল। ওয়ান-ইজ-টু-ওয়ান পরিস্থিতিতে, শ্যুমেখার— শট নিতে উদ্যত, বাতিস্তঁর শরীর লক্ষ্য করে, ডান-পা ও কনুই উঁচিয়ে, নিজের শরীরটিকে ছুঁড়ে দিলেন। ফুটবলের পরিভাষায় যাকে বলে ‘উইদাউট দ্য বল বডিচার্জ’।’’

তেলেঙ্গানার এক যুবক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বহিষ্কৃত হন, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল প্রাক-বৈবাহিক যৌনতায় লিপ্ত হওয়ার। এই ঘটনার পরেই আদালতে মামলা দায়ের হয়। প্রশ্ন ওঠে

‘‘হাত বোলাতে-বোলাতে, বিড়ির শেষ টানটা দিতে-দিতে বলতেন, ‘ওসব মেসিফেসি কোনও প্লেয়ারই না, খেলা দেখেচি মাইরি মারাদোনার, এইট্টি সিক্স-মেক্সিকো, ওহ! ওই বাঁ-পায়ে বল নিয়ে ফেন্টটা…’; কথাটা শেষ হত না। বাকিটা মুখের ভেতরে থেকে যাওয়া আত্মতৃপ্তি।’’

ইতালির প্রথম সারির খবরের কাগজ, খেলার পত্রিকাগুলোও জবরদস্ত সব হেডলাইন করেছিল। কেউ বলেছে তৃতীয় ‘অ্যাপোক্যালিপ্স’, কারও কপি জুড়ে করুণ-ভায়োলিন। আহা রে, গ্রীষ্মের ছুটিতে গোটা ইউরোপ যখন মার্কিন মুলুকে ভিড় জমাবে, আমাদের তখন— ‘কোথাও যাওয়ার নেই, কিচ্ছু করার নেই।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.