
খেলা আসলে রাজনৈতিক
ফিফা। অরাজনৈতিক ক্রীড়া সংগঠন। ‘ফুটবল ইউনাইটস্ দ্য ওয়ার্ল্ড’। পেজটি ঘুরে এলে মনে হয়, পৃথিবী সত্যিই নয়নাভিরাম, অনিন্দ্যসুন্দর এক বধ্যভূম। পুঁজি ও প্রচারের কী অমোঘ পরাক্রম!

ফিফা। অরাজনৈতিক ক্রীড়া সংগঠন। ‘ফুটবল ইউনাইটস্ দ্য ওয়ার্ল্ড’। পেজটি ঘুরে এলে মনে হয়, পৃথিবী সত্যিই নয়নাভিরাম, অনিন্দ্যসুন্দর এক বধ্যভূম। পুঁজি ও প্রচারের কী অমোঘ পরাক্রম!

‘‘২০০৭ থেকে ‘গ্রেট গ্রিন ওয়াল’ নাম দিয়ে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। পরিকল্পনা করা হয়েছিল— সবুজ বেষ্টনীটির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৮,০০০ কিলোমিটার, প্রস্থ প্রায় ১৫ কিলোমিটার। শুরুতে সেনেগাল থেকে জিবুতি পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে, ১১-টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল এই প্রকল্পের আওতায়।’’

‘ইউরোপে ৩০-৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরম পড়েছে, তাই নিয়ে আবার আর্টিকেল! আরে, এ তো আমাদের ডিসেম্বরের মতো গরম! তা নিয়ে এত “হিট ওয়েভ, হিট ওয়েভ” করে

‘ইতিহাস বলে, সেনেগাল কোনওদিনই সহজ রাস্তার দল ছিল না। নয়ের দশকের শেষ দিকে আফ্রিকার ফুটবল যখন নতুন করে নিজের পরিচয় তৈরি করছে, তখন সেনেগালও নিজের ভিত গড়ছিল। নীরবে।’

তীজন খুব ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছেন এই পান্ডবানীর গল্প বলা, তিনি চান, তিনিও হবেন একজন পান্ডবানীর শিল্পী। কিন্তু বাবা-মা বিশেষ সায় দেননি তাতে। তাঁরা ১২ বছর হতে না-হতেই বিয়ে দিয়ে দেন তীজনকে। কিন্তু নাছোড়বান্দা তীজন সাফ জানিয়ে দেন যে, তিনি পারফর্ম্যান্স ছাড়বেন না।

‘নিজের সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, ঘুম, বিশ্রাম এবং কবিখ্যাতিকে বিসর্জন দিয়ে তিনি নিজের ভেতরের রোম্যান্টিক কবিসত্তাকে রূপান্তরিত করলেন এক নিষ্ঠাবান গবেষকে। ব্যক্তি নগেন্দ্রনাথ হয়ে উঠলেন এক আস্ত প্রতিষ্ঠান।’

তবু, নেইমার এসে যায়। ‘কোন ক্ষ্যাপা শ্রাবণ ছুটে এল, আশ্বিনের এই আঙিনায়’— তারপর এলোমেলো করে দেয় সব৷ মেসির বুকে আছড়ে পড়ে গোল ক’রে।

বিশ্ব জুড়ে ফ্রিদা একাই হয়ে উঠেছেন এক বিশাল লাভজনক বাজার। ডায়েরির মলাট, ব্যাগ, গয়না, চাবির রিং, ফ্যাশন শোয়ের ক্যাটওয়াক— সর্বত্র ফ্রিদার চেনা কয়েকটি মুখ আর হাতে গোনা গুটিকতক ছবিই ঘুরেফিরে ব্যবহৃত হয়ে চলে, ফ্রিদার একটি নির্দিষ্ট সংস্করণ কিউরেটেড হতে থাকে।

“ফ্রিদার অন্য অনেক ছবির মতোই, ‘দ্য টু ফ্রিদাজ’-ও তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও বিশ্বাসের খতিয়ান, এবং, রেতাবলো-র মতোই, এই ছবি তাঁর ব্যক্তিগত ইতিহাস ও বিচ্ছেদের বেদনার সঙ্গে লড়াইয়ের খতিয়ান।”

‘ইরানে যেহেতু ফুটবল মাঠে মেয়েদের প্রবেশ নিষেধ, তাই ছেলের সাজপোশাকে মেয়েটি স্টেডিয়ামে ঢুকেছে। পুলিশি চোখ-রাঙানি এড়িয়ে। ইরান বনাম বাহারিনের ম্যাচ দেখবে সে। স্টেডিয়ামের নাম, আজাদি। যে অপ্রেসড, সে আজীবন থাকবে না। প্রকৃতির নিয়মই তাই।’

পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ মনে করে মেয়েরা জন্মগতভাবে কাস্টমার কেয়ার এগজিকিউটিভ। প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, প্রত্যেক সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা করা, প্রত্যেক কাজের কারণ জানানো— তাদের ফুলটাইম চাকরির অঙ্গ।

‘ঠাকুর্মা মেয়ে সন্তানদের তুলনায় ছেলে সন্তানদের বেশি খাতির করছেন। নাতনিদের চেয়ে নাতিদের খাতির বেশি! এটা তো সবসময়েই দেখেছি। মাছের লেজাটা, ছোট টুকরোগুলো সব মেয়েদের। টানাটানির সংসার হলেও, আম আসত ঝুড়ি ভরা, পচা-টচা দাগি আমগুলো মেয়েদের।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.