
ভাইফোঁটার চিঠি
অনেক কিছুই তুই করতে পারতিস,দাদা। এখনও পারিস। তুই বুক ফুলিয়ে আমার পাশে দাঁড়াতে পারতিস। বাবা-মার সঙ্গে আমার হ’য়ে কোমর বেঁধে ঝগড়া করতে পারতিস। পাড়ার লোকের সঙ্গে পাঙ্গা নিতে পারতিস। পালিয়ে যাওয়া বোনের অ্যাখ্য়ান।

অনেক কিছুই তুই করতে পারতিস,দাদা। এখনও পারিস। তুই বুক ফুলিয়ে আমার পাশে দাঁড়াতে পারতিস। বাবা-মার সঙ্গে আমার হ’য়ে কোমর বেঁধে ঝগড়া করতে পারতিস। পাড়ার লোকের সঙ্গে পাঙ্গা নিতে পারতিস। পালিয়ে যাওয়া বোনের অ্যাখ্য়ান।

আসলে ফিল্মে পাড়াতুতো মাস্তান দাদা সংক্রান্ত ট্রোপ টেমপ্লেট মোটের ওপর এর আশেপাশেই ঘোরাফেরা করে। বিপথগামী যুবক, উদ্ধত, বেপরোয়া। কিন্তু পাতানো বোনের রাখি কি সৌগন্ধ অথবা ভাইফোঁটার দিব্যি, জান লড়িয়ে দেবে। কোমল-হৃদয় পাড়ার মাস্তান দাদা।

‘জন্ম হয় ‘জালিয়ানওয়ালাবাগ’ নামে স্কিৎজোফ্রেনিক একটি সিনেমার, যার নির্মাণ ১৯৭৭ সালে সম্পূর্ণ হলেও বিভিন্ন বাধাবিঘ্নের কারণে তা মুক্তি পায় ১৯৮৭ সালে— এবং বিনোদ খান্নার রুপোলি পর্দায় প্রত্যাবর্তন নিয়ে আগ্রহ তৈরি হওয়া সত্ত্বেও, এই সিনেমা দ্রুত লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যায়।’ সিনেমার গল্প।

‘সমস্ত মহান শিল্পীদের মতোই নিখিলজীরও দর্শন ছিল এক-একটি মুহূর্তের মধ্যে সঙ্গীতের অন্তরাত্মার সন্ধান করা। লয়ের ব্যাপারে তাঁর দর্শন উপজ অঙ্গে সমান ভাবে এসে মিশত। তানগুলো প্রায়ই গিয়ে শেষ হত তেহাইতে, যা উঠে আসত তানের ভিতর থেকেই।’ পণ্ডিত নিখিল ব্যানার্জির সঙ্গীতদর্শন।

আবাহন আর বিসর্জন কি কেবল ঠাকুরের হয়, চলতি জীবনেরও হয়। ডাকবাংলা এবার পুজোয় সে রকমই কিছু বিষয় নিয়ে ভাবাভাবি করেছে, যা আমাদের জীবনে অদূর ভবিষ্যতে সানন্দে বা নিরানন্দে প্রবেশ করবেই, আবার সজ্ঞানে বা অজান্তে ছেড়ে চলেও যাবে।

‘পুজো বলতে গোটা শহরে হাতে-গোনা মোটে কয়েকটা। মালতীনগর, জলেশ্বরীতলা, বড় গোলা, কাটনার পাড়া আর শিববাটি— ব্যাস, গেল ফুরিয়ে। শিববাটিতে আবার পাশাপাশি দুটো পুজো। ধনী দত্ত পরিবার, তাদের দুই শরিকের। পরিবারের পুজো হলেও মনে হত সর্বজনীন।’ সেকালের পুজো।

‘কোভিড সব বদলে দিল। সকালে ঘুম ভাঙাচ্ছে অ্যালেক্সা। চান করে ল্যাপটপে অনলাইনে ছেলে স্কুলে পড়ছে, আমি yoga app-এ সূর্য-নমস্কার করে গাইডেড মেডিটেশনে করছি অনুলোম-বিলোম— সময়মতো। কাঁচা বাজার, দুধ, মাছ, সবজি— অ্যাপ টিপলেই বাড়ির দরজায়।’ জীবনে হোম রোবট।

‘শিগগির বাজারে আসছে স্বয়ংচালিত গাড়ি। স্বয়ংক্রিয় তো আগেই ছিল, এবার চালিতও। মানে, চালকের আসনে আর কাউকে প্রয়োজনই হচ্ছে না। গাড়ি আপনাআপনি চালু হবে, এগোবে-পিছোবে, মোড় ঘুরবে, আমার-আপনার যেখানে যাবার ঠিক নিয়ে যাবে।’ ড্রাইভারহীন গাড়ি।

‘…প্রথমে স্বপ্ন ঠাহর হলেও, শঙ্কুর এই মহাকাশের প্রতি টানের অনুভূতি শুরু হয় সেই দিন থেকেই। উল্কাপাতের দিনক্ষণটা একটু লক্ষ করুন— শরৎকাল, আশ্বিন মাস, দুর্গাপুজোর ধুম। আবাহন আর কাকে বলে!’ আর নিছক গল্প নয়— এসে গেছে মহাকাশযাত্রা!

‘…ইউরোপের নানান শহরে যে সিঙ্গল-স্ক্রিন সিনেমা হলগুলো ছিল, তারা সেগুলো বাইরে থেকে একই রেখে ভেতরে সুন্দর ভাবে মাল্টিপ্লেক্স গড়ে তুলেছে। কিন্তু আমাদের এখানে ‘মিত্রা’কে ভেঙে ফেলতে হয়। ভেঙে মল তৈরি করতে হয়। ‘পূর্ণ’ নিঃস্ব হয়ে যায়।’ সিঙ্গল-স্ক্রিন সিনেমা হলের মুছে যাওয়া ঐতিহ্য।

‘লেখক লিখে গেছেন। এবার ওই অক্ষরগুলো ক্রমে আমার দৃষ্টির মাধ্যমে আমার মস্তিষ্কে প্রবেশ করছে। তৈরি হচ্ছে কত কিছু। কত ছবি, কত কল্পনা! যেই সেটা অডিও-বুক হয়ে গেল, কোথায় একটা সমস্যা তৈরি হল, পুরো ব্যাপারটার নিরপেক্ষতা কোথাও কম্প্রোমাইজ্ড হল।’ বই পড়া ও অডিও-বইয়ের বিরোধ।

‘…এই ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ চালু হয়ে, বাবারা সারাদিন অফিস না গিয়ে বাড়িতেই বসে কাজ করছেন, এতে যে সন্তানদের কী দমবন্ধ অবস্থা হচ্ছে, তা ভাবতে বসলে অবধি হাঁপ ধরে যায়। ওয়ার্ক ফ্রম হোম সম্পর্কে বহু আলোচনা, হইহই, রসিকতা কানে আসে। কেউ বলে, বিছানায় বসে বারমুডা পরে আর যা-ই হোক অফিসের কাজ সিরিয়াসলি করা যায় না।’ নতুন নিয়মে সন্তান ও বাবাদের সম্পর্ক।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.