
বাহনলিপিকথা
‘হলুদ ট্যাক্সিলিপির মধ্যে রয়েছে বোধ, কল্পনা, আশাভঙ্গ, আকাঙ্ক্ষার যাপনচিত্র। ট্রাম সম্পর্কে জীবনানন্দ বলেছিলেন, ‘ফিলোজফার’স কার’; হলুদ ট্যাক্সিকে কলকাতার ভিস্যুয়াল আর্ট বলার মতো কেউ ছিলেন না, নেই।’

‘হলুদ ট্যাক্সিলিপির মধ্যে রয়েছে বোধ, কল্পনা, আশাভঙ্গ, আকাঙ্ক্ষার যাপনচিত্র। ট্রাম সম্পর্কে জীবনানন্দ বলেছিলেন, ‘ফিলোজফার’স কার’; হলুদ ট্যাক্সিকে কলকাতার ভিস্যুয়াল আর্ট বলার মতো কেউ ছিলেন না, নেই।’

‘সোনার পাতে মোড়া অস্কার-এর এই ‘মহত্ব’-র আড়ালে, ঘাপটি মেরে বসে রয়েছে দীর্ঘদিনের বৈষম্যের ইতিহাস। আছে আরোপ, অন্যায় আর গড়ে ওঠা প্রতিবাদের অধ্যায়।’

‘বোধহয় উদাসীনতম একটি পাখি, নিছক আনন্দের জন্যই, হয়তো একই সুর করে ডাকতে থাকে। কৃষ্ণের বাণীর মতো শোনা যায়, পরিবর্তন সংসারে নিয়ম। আমি অত বুঝি না বাবা, আমার নিছক আনন্দ হলেই হয়ে যাবে।’

‘বাংলা কবিতার উদযাপন যে কী তুমুলভাবে কলকাতা-কেন্দ্রিক, আমরা সবাই জানি। অথচ গ্রামে-মফসসলে-জেলাশহরগুলোতে নিয়ত বহমান কবিতার যে স্রোত, তা রাজধানীকেও পুষ্টি জোগাতে সক্ষম।’

গ্রক ভারত সরকারের অবাধ্য হলেও মার্কিন সরকারের অবাধ্য নয়। ‘রাজনৈতিক সমালোচনা’ ও ‘মুক্তমত’ বলতে কিন্তু গ্রক সর্বত্র কোদালকে কোদাল বলা বোঝে না।

‘হাহাকারের ধৈবত নিয়েই বিসমিল্লাহ-র বিশ্ব। বিসমিল্লাহ খাঁ-কে বাবরি পরবর্তী রামমন্দির দেখে যেতে হয়নি। হোলি বলতে তিনি শুধুই বুঝতেন হোরি, কাজরির সমাহার।’

‘তখন এত শব্দ নেই, বাড়িতে-বাড়িতে টেলিভিশন বা মোবাইল নেই। অখিলদার ঠুমরি শোনার জন্য গোটা এলাকা উন্মুখ হয়ে আছে, আর চারিদিক যেন সুরের ঝরনাধারায় ধুয়ে যাচ্ছে। আসলে অখিলদা আধুনিক গান গাইলেও, আধুনিক গানের মধ্যে শাস্ত্রীয় সংগীতের ছোঁয়া দেখা যেত।’

‘ক্রিকেট যেহেতু আমার দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে, তাই সিনেমার মতোই ক্রিকেট জনসমর্থনের অন্যতম হাতিয়ার। আকাশ চোপড়ার ধারাভাষ্যে ‘আত্মনির্ভর’ শব্দটি বারংবার উঠে এসেছিল সুচতুরভাবেই।’

‘হিমানীশ গোস্বামী ছিলেন স্বঘোষিত ‘মার্ক্সিস্ট’। তবে কার্ল মার্ক্স না, গ্রাউচো মার্ক্স। আমেরিকার ওই গুঁফো কমেডিয়ান তাঁর চার ভাই হার্পো, চিকো, জিপো আর গামোর সঙ্গে মিলে অসম্ভব মজার সব সিনেমা করেছেন।’

‘সোমবার নিশ্চয়ই মনে মনে ভাবে, আমি কেন এমন অভিশপ্ত হয়ে জন্মালাম! মানুষই তো এর জন্যে দায়ী। কিন্তু সে-বেচারা তো আর কবির ভাষায় মানুষকে তীব্র অভিযোগ জানাতে পারে না যে, ‘আমারে তুই আনলি কেন, ফিরিয়ে দে!’’

‘কল্পনার মহাকাশে বিলীন হয়ে যাওয়ার বাইশ বছর পর বিশ্বের এই যে বদলে যাওয়া, যেখানে রাষ্ট্রনেতা থেকে গড়জনতা— সকলেরই মানবিকতার বিপুল অবক্ষয়, মহাকাশ থেকে এই নীলগ্রহীর বদলে যাওয়া দেখে কি অগোচরে কষ্টই পাচ্ছেন কল্পনা?’

‘শেখ মুজিবকে দু’ভাবে দেখা উচিত। এক, মুজিব ভাই, আর দ্বিতীয়টি ‘বঙ্গবন্ধু’, ‘জাতির পিতা’, ‘বাংলাদেশের রূপকার’ ইত্যাদি ইত্যাদি। মুজিব ভাই নিঃসন্দেহে দোষেগুণে অসম্ভব বড় একজন নেতা।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.