
আমার উমাদি
‘তাঁর কাজের প্রদর্শনী দেখে অভিভূত হয়ে যান রামকিঙ্কর; সরকারি উদ্যোগে রাস্তার ওপর রাখাও হয় তাঁর একটি কাজ। আবার মেট্রো স্টেশন তৈরির সময়ে সরকারি উদ্যোগেই সরিয়েও দেওয়া হয় সেই কাজটি। তখনও কোনও সোচ্চার প্রতিবাদ বা লবিবাজি করেননি তিনি।’

‘তাঁর কাজের প্রদর্শনী দেখে অভিভূত হয়ে যান রামকিঙ্কর; সরকারি উদ্যোগে রাস্তার ওপর রাখাও হয় তাঁর একটি কাজ। আবার মেট্রো স্টেশন তৈরির সময়ে সরকারি উদ্যোগেই সরিয়েও দেওয়া হয় সেই কাজটি। তখনও কোনও সোচ্চার প্রতিবাদ বা লবিবাজি করেননি তিনি।’

সুকুমার রায় কি শুধুই আগডুম-বাগডুম লিখেছেন সারাজীবন? তাঁর লেখার এক-একটা চরিত্র আসলে কতটা বাস্তব? কোনও বৃহত্তর দর্শনের আভাস কি তাঁর লেখার ভেতর থেকে উঠে আসে? সুকুমার রায়ের লেখার জগৎ নিয়ে অধ্যাপক সুকান্ত চৌধুরী জানালেন তাঁর ভাবনার কথা।

‘তাঁর কাজকর্মের কথা তবুও কিছুটা মনে রেখেছি আমরা, যেহেতু সেসব কাজের ফল আমাদের স্বার্থপুষ্ট কাজে কর্মে লাগে, যেহেতু সেগুলোর সুফল আজও আমরা ব্যবহার করি। কিন্তু তাঁর চিন্তা? তাঁর মননের দান? তাঁর অনন্যসাধারণ গ্রন্থগুলি? সেগুলো কি আমাদের মনোযোগ পেয়েছে সেভাবে আজও?’

‘বইটির প্রচ্ছদে (শিল্পী: সেঁজুতি বন্দ্যোপাধ্যায়) ভারতের একটি মানচিত্রর মধ্যে একটি ভোগের হাঁড়ি দৃশ্যমান। অর্থাৎ, ভারতজুড়ে ভোগের একটি স্বতন্ত্র মানচিত্র খুঁজে বের করার একটা প্রয়াস এই বইয়ের মধ্যে রয়েছে, তার আভাস প্রচ্ছদপট থেকেই স্পষ্ট। সূচি-তে কয়েকটি ভাগ রয়েছে, ফলমিষ্টির ভোগ, ভোগরাগ, লোকদেবতার ভোগ, কুটোভোগ, সেবাভোগ ও রান্নাবান্না। প্রতিটি বিভাগই নানাবিধ বিস্ময়ে ভরা।’

‘নায়কের বন্ধুর চরিত্র তো চিরকালই বাংলা ছবিতে আছে, সময়ানুযায়ী কেবল বদলে গিয়েছে তার ধরন। কিন্তু তরুণকুমার যখন নায়কের বন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেন, তখন তা জীবনের অনেকটা কাছাকাছি চলে আসে।’

‘তৃপ্তি মিত্রর নাটক, প্রবন্ধ, ছোটগল্পগুলি নানা বইয়ে ছড়িয়ে ছিল। এবার দু’মলাটে ধরা রইল। ছোটগল্প আর নাটক ছাড়া নানা বিষয়ে নিবন্ধও লিখেছিলেন তৃপ্তি মিত্র। সেসবে কখনও স্মৃতি, কখনও সাম্প্রতিকের সত্তা, কখনও বা ভবিষ্যতের দিকনির্দেশ।’

“একবার বলেছিলেন, ‘আমি সবসময়ে যে কোনও বিজ্ঞাপনের চিন্তা মাথায় এলে প্রথমেই সেটা শোনাই আমার বাড়ির কাজের আর রান্নার লোককে। তাঁদের ভাল লাগলে, অনুমোদন পেলে, তবেই সেটা নিয়ে এগনোর কথা ভাবি।’”

‘আগে প্রতিমা কেমন হবে ভেবে, তার সঙ্গে মানানসইভাবে মণ্ডপ তৈরি করা― এটা আমার পদ্ধতি নয়। মণ্ডপের মূল বিষয় বাদ দিয়ে, আমার কাছে কোনও কিছুই প্রাধান্য পায় না। সেই থিমটাকে ফুটিয়ে তোলার জন্য যদি পারফরমেন্স-এর প্রয়োজন হয়, তবে ততটুকুই পারফরমেন্স রাখি।’
সাক্ষাৎকার। অনির্বাণ দাস

‘তিনি লিখছেন, অন্যায়ের মোকাবিলা করে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা দেখাতে গিয়ে, মন্দের ওপরে ভালর জয় দেখাতে গিয়ে অনেক সময়েই ছোটদের গল্পে খল চরিত্রগুলোর শেষ পরিণতি বেশ ভয়াবহ করেই দেখানো হয়। তাদের কৃতকর্মের ফল ভোগ করাতে গিয়ে নরম মনের ওপরে যে কড়া ক্ষত তৈরি হতে পারে, সে-কথাটাও ভেবে দেখে প্রয়োজন।’

‘সাম্প্রতিক সমীক্ষাগুলি জানায়, দেশের প্রায় ৭০-৭৫% প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কোনও না কোনও ধরনের যৌন কল্পনায় মগ্ন হন। Gleeden-এর এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ১৯% পুরুষ ও ১৮% মহিলা একাধিক সঙ্গীর কথা কল্পনা করেন, আর ২৩% পুরুষ ও ২০% মহিলা ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড ফ্যান্টাসি উপভোগ করেন।’

কেবল শব্দবাজি নয়, ডিজে বাজানো থেকে সাইলেন্সার খুলে রাস্তায় বাইক হাঁকানো, অন্যের অসুবিধে হবে জেনেও আরও যা যা করা সম্ভব, কোনওকিছুতেই বাঙালি আর ক্ষমাপ্রার্থী নয়। অন্যায়ের পক্ষে অপযুক্তি আছে, তাও না থাকলে রয়েছে সরাসরি কাঁধ ঝাঁকিয়ে উপেক্ষা বা ‘বেশ করেছি’-র অহং।

“তথাকথিত ‘হিন্দু’ বা ‘বৈষ্ণব’ গোত্র অতিক্রম করে বাংলা সংস্কৃতির শব্দভাণ্ডার ও কল্পভাণ্ডারে এই প্রসঙ্গ যেমন আত্মপ্রতিষ্ঠা করেছে, তেমন সেই চিরন্তন ছবিটির মতোই কীর্তনের সুরবিন্যাস এসেছে অতুলপ্রসাদ-নির্মিত নতুন গানের দিগন্তে।”
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.