
শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ২
‘আরতি। প্রার্থনাগান। সংখ্যা নিয়ে জড়ো হয় লোকে।/ বিষের অমৃত ছোটে রোম থেকে বারাণসী, কাবা…/মানুষ আতর মাখে। কুকুর গায়ের গন্ধ শোঁকে।/ সেই একই ঘুঁটি দিয়ে একই চালে খেলা হচ্ছে দাবা।’ নতুন কবিতা।

‘আরতি। প্রার্থনাগান। সংখ্যা নিয়ে জড়ো হয় লোকে।/ বিষের অমৃত ছোটে রোম থেকে বারাণসী, কাবা…/মানুষ আতর মাখে। কুকুর গায়ের গন্ধ শোঁকে।/ সেই একই ঘুঁটি দিয়ে একই চালে খেলা হচ্ছে দাবা।’ নতুন কবিতা।

‘যে ঘটনাগুলোর কথা লিখব, সেগুলোয় আমাকে হয় একটা ‘বাচ্চা মেয়ে’ হিসেবে ধরা হয়েছে, যার আমার বয়সি অন্যান্য নারীর মতো বুদ্ধি বা ব্যক্তিত্ব নেই, অথবা নিতান্ত ভোগ্যবস্তু হিসেবেই দেখা হয়েছে।’ পুরুষপ্রধান ইন্ডাস্ট্রিতে একজন কমবয়সি মেয়ের অভিজ্ঞতা।

‘রন্ধনবিদ্যা ও খাদ্যাভ্যাস তখনও শিল্প বা ‘আর্ট’ হয়ে ওঠেনি, রুচির সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বাছবিচারের সোফিস্টিকেশন সে তখনও অর্জন করেনি। পাকশালার সংস্কৃতির সঙ্গে সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের সম্পর্কসূত্রটি এ সময়ে গড়ে ওঠেনি।’ ঔপনিবেশিক আমলের খাদ্যাভাস।

‘আমাদের কাছে (এবং সম্ভবত মার্কিনদের কাছেও) আমেরিকার মাস-শুটিং’এর (‘একজন আততায়ী কেন কে জানে আচমকা স্কুলে বা জিমে বা মন্দিরে বা ফুটপাথে অনেককে খুন করল’) সংবাদ আর নূতন ও শকিং নয়।’ আমেরিকার গণহত্যা বৃত্তান্ত।

‘ভারত, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, আমার ‘সেকেন্ড হোম’। এত বছর আইপিএল-এ খেলেছি। যখন কলকাতা নাইট রাইডার্সে ছিলাম, তখন তো মনেই হত না অন্য কোথাও আছি। ড্রেসিং রুমেও অনেক সময় বাংলায় কথা হত।’ আত্মীয়তার অনুভব।

‘ভালবাসা নিয়ে আমরা আমাদের আড্ডা-ক্লাউডে মাঝে মাঝেই ইলেক্ট্রনিক হাহাহিহি করি। ভালবাসা নাকি একটা অনুভূতি। আমরা জানতে চাই, ব্যাপারটা কী? বায়োলজিকাল? কেমিক্যাল? প্রসেসটা কী? ওরা বলে, সে আমরা নাকি বুঝব না।’ যন্ত্রের প্রেম বিচার।

‘ভেবেছিলাম, রাত জাগার মধ্যে জটিলতা নেই। পরে বুঝলাম, শুধুই জটিলতা থেকে পালানোর জন্য একটা রাত জাগা, আর একটা দিনের বেলা বিছানায় ঘুমের মধ্যে কাটিয়ে দেওয়া। আসলে বুঝেছি, এই রাতটাই শুধু আমার।’ রাত জাগার নিজস্বতা।

‘এই মহাস্মরণীয় মরশুমের সেরা ঘটনা অবশ্যই অস্ট্রেলিয়া সফরে টেস্ট সিরিজ জয়। আমার মতে এটাই আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ টেস্ট সিরিজ জেতা। এই ফলাফল আবার এসেছে একঝাঁক তরুণ ও নবাগত খেলোয়াড়দের দৌলতে।’ সুনিশ্চিত ভবিষ্যতের ইঙ্গিত।

‘চারখানা পরাজিত হাম্প এখন সামনের আর পিছনের চাকার মাঝখানে। এই অবধি দেখার পরেও দর্শক উদগ্রীব হয়ে রইল। এখনও তো পিছনের চাকা বাকি। নজর পড়ল জানলার ভেতরের ভাবলেশহীন যাত্রীদের দিকে।’ নতুন কলাম।

‘এক বিকেলে তমালদা নিয়ে এলেন রিঙ্কুকে। একমাথা ঝাঁকড়া-কোঁকড়া চুল, আমার মতোই রোগা প্যাঁকাটি, চোখে চশমা, আর সেই চশমা ভেদ করে দুটো মায়াময় চোখ, যা ঘিরে রয়েছে ঘন কালো লম্বা পাতা।’ ঋতুপর্ণ ঘোষের সঙ্গে প্রথম আলাপ।

‘বুড়ি পোড়ানোয় আমাদের অতিরিক্ত আনন্দ ছিল সেই আগুনে আলু পুড়িয়ে, আচ্ছা করে জম্পেশ মেখে সেটাকে খাওয়া। তাই এত আয়োজন। কিন্তু সেই সন্ধের মুখে হবে বুড়ি পোড়ানো, তার জন্য দুপুর থেকেই আমাদের লেগে পড়তে হত কাজে।’ শৈশবের ন্যাড়া পোড়ার স্মৃতি।

‘আমি জানতে চাই, আমার বাবা-মা যখন বড় হচ্ছিলেন, আমাদের কলকাতা কেমন দেখতে ছিল। আমি সেই সময়ের নাটক দেখতে আর গান শুনতে চাই; মহীনের ঘোড়াগুলির অসামান্য পারফর্ম্যান্স এবং উৎপল দত্তর স্টেজে অভিনয় দেখতে চাই।’ অতীতে ফেরার বাসনা।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.