
দূরপাল্লা : পর্ব ২৫
ছেলেবেলায় পাহাড় বলতে ছিল ছোটমাসির জামশেদপুরের বাড়ি থেকে দেখা দূরের দলমা পাহাড়। উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে আশুতোষ কলেজের ভূগোল বিভাগে ভর্তি হয়ে এক্সকারশনে উত্তরপ্রদেশে গিয়ে জীবনে প্রথম উচ্চতার সামনে মুগ্ধ হয়ে দাঁড়ানো। প্রকৃত পাহাড় দেখা।

ছেলেবেলায় পাহাড় বলতে ছিল ছোটমাসির জামশেদপুরের বাড়ি থেকে দেখা দূরের দলমা পাহাড়। উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে আশুতোষ কলেজের ভূগোল বিভাগে ভর্তি হয়ে এক্সকারশনে উত্তরপ্রদেশে গিয়ে জীবনে প্রথম উচ্চতার সামনে মুগ্ধ হয়ে দাঁড়ানো। প্রকৃত পাহাড় দেখা।

মেরুদণ্ডহীন শব্দটা বাঙালি জাতির প্রায় সমার্থক হয়ে উঠেছিল। কিন্তু কম দিনের ব্যবধানে দু-দেশে বাঙালিরা দুটো গণ-আন্দোলন করার পর এবং সাধারণ বাঙালি এই প্রতিবাদে যোগদান এবং সহমর্মী থাকার পর সেই বদনাম দেওয়ার আগে লোকজন ভাববে।

‘আঙ্কর ভাটের দেবদাসী অবশ্য আদৌ সুন্দরী নন, এই সকালেই বেশ নেশাগ্রস্ত এবং তাঁর শরীরের আন্দোলনকে আর যাই বলা যাক, নাচ বলা ঠিক নয়। চারপাশে শ্বেতাঙ্গ ট্যুরিস্টদের ‘ওয়াও’ শুনে, অসংখ্য ক্যামেরার ক্লিক-ক্লিক শব্দে আরও উৎসাহ পেয়ে গেলেন মাঝবয়সি মহিলা।’

‘প্রকাশক গেইনস মনে করতেন, গুণমান বজায় রেখে ম্যাগাজিন বের করতে হলে তার ধরাবাঁধা সময় থাকলে চলে না। কখনও দ্বিমাসিক, কখনও বছরে আট বার— নানা সময়ে নানা বিরতিতে প্রকাশিত হয়েছে এই পত্রিকা।’

‘বাইরের দুনিয়াটা বদলে গেছে অনেকখানি। আমার মধ্যেকার সেই একার দুনিয়াটা অবশ্য থেকে গেছে এক কোণে, যে আজও আকাশবাণীর ক্যান্টিনে কিছুতেই ঢুকতে চায় না। পাছে দেবাশিসদার কথা মনে পড়ে যায় তার!’

‘একটা প্রখর অন্যায় ঘটে গেছে, তারপর তার প্রবল প্রতিবাদ হয়েছে, লোকে ভেবেছিল, বড়-বড় তদন্তকারী সংস্থাগুলো হেস্তনেস্ত করবেই। সরকার হয়তো জনরোষ বুঝে একটুখানি সমাধানের দিকে ঝুঁকবে। অন্তত লজ্জায় জিভ কাটবে। সরকার তপ্ত হয়েছে বটে, অনুতপ্ত হয়নি।’

সাহিত্য-সংস্কৃতি-গান, এ সবের সঙ্গে অঙ্কের কিন্তু কোনও বৈরিতা নেই। তাই সংস্কৃতি করলে অঙ্ক বা অন্য পড়াশোনা ভালবাসা যাবে না, এরকম যদি হয়, তাহলে মনে হয় আখেরে লাভ হবে না। কেউ ভালবাসতে পারে, কেউ না। সেই অঙ্কের প্রতি ভালবাসা থেকেই তৈরি এই গান।

‘দুজন যুবক নামে। বমনরত তরুণীর মুখ টিসু দিয়ে দ্রুত মুছিয়ে দিয়ে চ্যাংদোলা করে গাড়িতে তোলে। নীলাকে হাত নেড়ে ভোঁ করে গাড়ি নিয়ে রাতের কলকাতায় মিলিয়ে যায়।’

শব্দভান্ডারে নতুন সংযোজন ‘Sanewash’। মানে, অসংলগ্ন প্রলাপ-মার্কা কথাকে বোধগম্য রূপ দেওয়া। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নির্বাচনী সভায় যে-সব হাবিজাবি বকছেন, তাকে কিছু গণমাধ্যম দিব্যি যুক্তিযুক্ত আকারে উপস্থাপিত করছে। সে কি ঠিক? ভারতীয় নেতা-নেত্রীদের বেফাঁস বা উদ্ভট কথাকে এভাবে সাফাই করে সাজিয়ে দিলে, আমাদের আদ্ধেক মজা কি নষ্ট হয়ে যাবে না?

‘প্রাণ থাকে কি না সন্দেহ। মর্টারের আঘাতে প্রাচীন বাড়ির কোনদিক ধুসে পড়বে কেউ বলতে পারে? গায়ে গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে কাঁপছে সবাই। কথা বলার শক্তিও নেই। ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছি আমরা ক’টি প্রাণী, পরস্পরের দিকে।’

কইফি আজমি এমন একজন কবি যিনি সব সময় প্রাসঙ্গিক। আজকের এই অস্থির সময়ে অথবা চরম অসহায়তা, প্রেমের ব্যর্থতার সময়েও তাঁর লেখা আমাদের আশ্রয় হয়ে ওঠে। ‘ওয়াক্ত নে কিয়া কয়্যা হসিঁ সীতম’ কিংবা ‘কোই ইয়ে কয়সে বাতায়ে’র মতো গানও কালজয়ী হয়।

‘ছবির নামে ‘দয়া’ কথাটা আছে বলে সর্বত্র সেটাকেই বেঁকিয়েচুরিয়ে খুঁজতে হবে তার মানে নেই, আর এতেও সন্দেহ নেই, এই স্তরের নির্দয়তা-ভর্তি ছবির এই নাম দেওয়ার মধ্যেও এক পেল্লায় মুচকি বর্তমান।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.