চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

ছায়াবাজি : পর্ব ২৪

‘ছবির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল, বারে বারে প্রত্যাশার তোয়াক্কা না করে অন্য দিকে চলে যাওয়ার প্রবণতা। প্রথমে ভাবা হল ওয়েস্টার্ন, বর্বরদের বিষাক্ত তিরধনুকের সঙ্গে মাত্র তিনজন আলোকপ্রাপ্তের লড়াই, দেখা গেল তা নয়।’

এক শালিক : পর্ব ৫৮

মানুষ ছাড়া এ পৃথিবীর অন্য প্রাণীদেরও কি মৃত্যুবোধ থাকে? জঙ্গলে বাস করা প্রাণীদের আংশিক বোধ থাকা অসম্ভব নয়; কিন্তু জন্মিলে মরিতে হবে… এই অবধারিত অবসানের চিত্রনাট্য কি তাদের চেতনায় ছাপ রেখে যায়?

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং : পর্ব ৫৩

‘২০০৮-এ, রাজতন্ত্র জিনিসটাকেই নেপাল বাতিল করে দেয়। রাজপ্রাসাদ ছেড়ে জ্ঞানেন্দ্রকে চলে যেতে হয়। তারপর ১৩টা সরকার এসেছে, এবং নেপালের বহু লোকজনের এবার মনে হচ্ছে, ধুর, এর চেয়ে রাজা থাকাই ভাল।’

এক শালিক : পর্ব ৫৭

শিল্প কার? স্রষ্টা’র না ভোক্তা’র? প্রকাশিত হওয়ার পরে; এমনকী আগেও তাঁর শিল্পকর্মের উপর পূর্ণ অধিকার স্রষ্টার আদৌ থাকে কি ? ভাল না খারাপ— সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কি তখন শুধুই জনতার?

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

ছায়াবাজি : পর্ব ২৩

‘যে-ব্যাপারগুলোকে স্বতঃসিদ্ধ বলে আমরা মনে করি, সেগুলোকে যে প্রশ্ন করা উচিত, এবং করলেই যে দেখা যাবে আমরা কিছু উৎকট ধারণাকে সত্য বলে জেনে তার ন্যাজ ধরে ঝুলছি— এই উন্মোচন ছবিটার অন্যতম উদ্দেশ্য।’

এক শালিক: পর্ব ৫৬

রাষ্ট্রের নিপীড়নে দমে না গিয়ে নিজেদের স্বাধীন ভাবনাচিন্তার পরিসরকে চালু রাখছেন, তৈরি করছেন সমান্তরাল এক রাষ্ট্র যেখানে শুভবুদ্ধিসম্পন্ন, কৌতূহলী, দরদি মানুষদের ভিড় বাড়ছে— তাঁরাই আজকের প্রকৃত বিশ্ব-নাগরিক।

সামথিং সামথিং : পর্ব ৫২

‘তিনি কি ভেবেছিলেন একজন মানুষ যখন নিজের অস্তিত্বের চেয়েও তার দেশের মানুষকে বেশি ভালবাসে তখন সে সেই প্রেমের জোরেই অপরাজেয় হয়ে যায়? তিনি কি সত্যিই মনে করেছিলেন মৃত্যুটা এমন কিছু ব্যাপার নয়, লড়াইটা তার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ?’

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

এক শালিক: পর্ব ৫৫

আবর্জনা ছড়াতে মানুষ দারুণ ভালবাসে। সে রাস্তাঘাট হোক বা মন। তবে কিনা, পৃথিবীকে নোংরা করে আর পোষাচ্ছে না, তাই এখন মানুষ চলল চাঁদে ময়লা ফেলতে। কিন্তু চাঁদে তো কেবল ময়লা ফেলে ক্ষান্ত থাকবে না। অতএব এখন লক্ষ্য চাঁদ-দখল।

ছায়াবাজি : পর্ব ২২

‘বোকা বন্ধু হয়তো মেয়েটার সঙ্গে সঙ্গম করছে, এমন সময় ফোন বাজছে। সে একটু থমকে যায়, তারপর যৌনতা চালিয়ে যায়, ফোন ধরে না। অযৌন বন্ধুত্ব কী করে যৌন সম্পর্ককে পরাজিত করবে?’

এক শালিক : পর্ব ৫৪

শুধু বই পড়া-ই জ্ঞান অর্জন ও সংবেদনশীল হয়ে ওঠার সর্বোত্তম পন্থা, অন্যান্য শিল্প-মাধ্যম সেই সম্মানের যোগ্য নয়— এ কি একধরনের অবাস্তব উন্নাসিকতা? সিরিয়াস সাহিত্যচর্চা যদি পাঠকের মনে অহংকারের জন্ম দেয়, তা কি সামগ্রিক সাহিত্যচর্চার ব্যর্থতা নয়?

সামথিং সামথিং : পর্ব ৫১

‘এ আখ্যান শুনে ‘সত্যি, এ সুজলা সুফলা গ্রহে উত্তর কোরিয়া এক যাচ্ছেতাই অসভ্য ভূমি বটে’ আউড়ে হাত ঝেড়ে উঠে গেলে হবে না, চোখ ফেড়ে বুঝতে হবে, প্রায় সমস্ত দেশই একই মতবাদে বিশ্বাসী।’

এক শালিক : পর্ব ৫৩

কখনও কখনও বিপরীত মেরুর জীবনও একই মন্ত্র জপে। প্রকৃত সাধু আর সফল অসাধুর মধ্যে ফারাক বিস্তর— তবে দু’পক্ষই ডিসিপ্লিনপন্থী; এবং হৃদয়দৌর্বল্যকে উপেক্ষা করতে সর্বদা উৎসাহী!