চোখ-কান খোলা : পর্ব ৩২

‘‘কবিতা লিখে আমরা ঠিক কী চাই? দ্বিতীয়ত, কোন মুহূর্তে মনে আসে একটা লেখা প্রকাশ করা উচিত? তৃতীয়ত, ঠিক কোন কারণে একটা লেখাকে ‘কবিতা’ বলব? চতুর্থত, সোশ্যাল মিডিয়ায় কবিতা প্রকাশ করলে কি বাড়তি কিছু মানসিক তৃপ্তি ঘটে? এবং পঞ্চমত, কেউ-কেউ নয়, সকলেই কবি?’’

Representative Image

চোখ-কান খোলা: পর্ব ৩১

‘‘একসঙ্গে বৃহৎ পরিমাণ কাজ করার জন্য, ডেটা-সেন্টার/সার্ভারগুলি প্রচুর পরিমাণে তাপ উৎপন্ন করে। এই তাপকে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে, সার্ভারগুলি বিকল হয়ে যাওয়ার প্রভূত সম্ভবনা। তাই, সার্ভারগুলিকে ঠান্ডা করার জন্য, ব্যবহার করা হয় অত্যাধুনিক ‘কুলিং সিস্টেম’, যার একটা বড় অংশ নির্ভর করে জলের উপর।’’

চোখ-কান খোলা: পর্ব ৩০

‘বন্যপ্রাণী শিকার নিষিদ্ধ হয় ১৯৭২ সালে। বন্ধ হয় রাইফেল নিয়ে জঙ্গলে আনাগোনাও। তবে আজ, এই একুশ শতকে, রাইফেলের পরিবর্তে মানুষ হাতে তুলে নিয়েছে বড় লেন্সের ক্যামেরা। প্রাণে না মারলেও, বন্যপ্রাণীদের মানসিক স্বাস্থ্যকে আর কবেই-বা গুরুত্ব দিয়েছে মানুষ?’

চোখ-কান খোলা : পর্ব ২৯

‘একজন সাধারণ নাগরিক কি চাইবেন জেলের মধ্যে বসে কম্বল-ধোলাইয়ের মতো মার খেতে? নিশ্চয়ই নয়! আরও যা-যা অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন হতে হয় একজন বন্দিকে, তা একজন সাধারণ নাগরিকের সঙ্গে হলে কি তিনি হাসিমুখে মেনে নেবেন, শুধু ‘অভিজ্ঞতা’র খাতিরে?’

চোখ-কান খোলা : পর্ব ২৮

নিউজপ্রিন্টের দাম বাড়ছে, ১৯৭৮-এর বন্যায় ভেসে যাওয়া শহর আবার উঠে আসছে জলের তলা থেকে। এই কলকাতা, ছবির শেষে চড়কের বাঁশে চড়া ছেলেটি বলে ওঠে, ‘কালকাতা কভি খতম নেহি হোতা।’ এই শহরেই বস্তি উচ্ছেদ, এই শহরেই দুর্গাপুজোর রংমশাল।

চোখ-কান খোলা: পর্ব ২৭

‘ন’মাসে-ছ’মাসে একটা করে গণআন্দোলনের ঢেউ উঠলে কর্পোরেট অফিসফেরত পাবে না গিয়ে অবস্থান বা অনশনে যাবে, গম্ভীর মুখে স্লোগানে গলা মেলাবে, ছুটির দিন বা রোববারে মিছিল হলে পা-ও মিলিয়ে নেবে। তারপর বসন্ত যাবে, কোকিলও যাবে।’

Representative Image

সাক্ষাৎকার: আর্ট বইজু

‘আমি বেশি লাভের মুখ দেখেও, শুধুমাত্র নীতির কারণে সে-পথে পা বাড়ালাম না। আসলে জীবনে কারও কাছে বিন্দুমাত্র কিছু পেলে তাঁর অবদান আমি অস্বীকার করতে পারি না।’

চোখ-কান খোলা : পর্ব ২৬

অন্যের অধীনে উচ্চপদে কাজ করার চেয়ে, রাকেশ চেয়েছিল জীবনে স্বাধীনভাবে কিছু করতে। তাই সে কোনও কাজ করতেই দ্বিধা করবে না— এমন ভাবনাই ছিল তার। প্রতিটা কাজকেই সে মনে করেছে সম্মানজনক। গৌরবময়। সে যেমন ফুড ডেলিভারির কাজ করেছে, তেমনই জিমে সহকারী হয়ে মেঝে পরিষ্কার করার কাজও করেছে।

চোখ-কান খোলা : পর্ব ২৫

সমাজবিজ্ঞানীরা অনেক দিন ধরেই একটি কথা বলে আসছেন— সমাজে যখন প্রত্যাশা দ্রুত বাড়ে, কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণের পথ সংকুচিত হয়, তখন তৈরি হয় ‘ফ্রাসট্রেশন অ্যাগ্রেশন লুপ’। অর্থাৎ, অপূর্ণতা জমে রাগে, আর সেই রাগ বেরয় হিংসা হয়ে। এই তত্ত্ব বইয়ের পাতায় ছিল। এখন তা প্রকাশ্যে মস্তানি করছে।

Representative Image

চোখ-কান খোলা: পর্ব ২৪

‘‘আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রথম থেকেই তার উদ্দেশ্য স্পষ্ট রেখে এগিয়েছে। ভক্তকুল যতই অস্বীকার করুক, যতই এই যুক্তি বারবার দেওয়া হোক যে, ‘সিনেমাকে তার নিক্তিতেই বিচার করতে হবে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের মাপকাঠিতে নয়’. ‘ধুরন্ধর’ উগ্র জাতীয়তাবাদের কথাই কেবল বলে না, বর্তমান কেন্দ্রীয় শাসকগোষ্ঠীর সরাসরি সমর্থনের ভাষ্য তুলে ধরে।’’

চোখ-কান খোলা : পর্ব ২৩

কুর্নিশ জানাতেই হয় ড. কৃতি ভারতী-কে, যিনি এত প্রতিকূলতার মধ্যেও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে তাঁর নির্ভীক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। ছেলেবেলার অসহায়তা কী, তা ড. ভারতী খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তাঁর দশ বছর বয়সে এক আত্মীয়ের দেওয়া বিষে তিনি একবছর শয্যাশায়ী ছিলেন। সেই বন্দিদশার অনুভূতি, তিনি চান না অন্যদের জীবনে থাকুক। সবাইকে শোনাতে চান, শিকল ভাঙার গান।

Representative Image

চোখ-কান খোলা: পর্ব ২২

‘‘মনে রাখতে হবে, এই মুহূর্তে একজন সেলিব্রিটির মৃত্যু আসলে একটি ‘কনটেন্ট’ বই কিছুই নয়। অতএব রিলদুনিয়ার মানুষ যা করে,  তা-ই করেছে। সে-ব্যক্তি মৃত হোক বা জীবিত, সেলিব্রিটি মানেই টিআরপি বাড়ানো কনটেন্ট। এবং রাহুলের মৃত্যুকেও তারা এইভাবেই ব্যবহার করেছে।’’