
সাক্ষাৎকার: আর্ট বইজু
‘আমি বেশি লাভের মুখ দেখেও, শুধুমাত্র নীতির কারণে সে-পথে পা বাড়ালাম না। আসলে জীবনে কারও কাছে বিন্দুমাত্র কিছু পেলে তাঁর অবদান আমি অস্বীকার করতে পারি না।’

‘আমি বেশি লাভের মুখ দেখেও, শুধুমাত্র নীতির কারণে সে-পথে পা বাড়ালাম না। আসলে জীবনে কারও কাছে বিন্দুমাত্র কিছু পেলে তাঁর অবদান আমি অস্বীকার করতে পারি না।’

অন্যের অধীনে উচ্চপদে কাজ করার চেয়ে, রাকেশ চেয়েছিল জীবনে স্বাধীনভাবে কিছু করতে। তাই সে কোনও কাজ করতেই দ্বিধা করবে না— এমন ভাবনাই ছিল তার। প্রতিটা কাজকেই সে মনে করেছে সম্মানজনক। গৌরবময়। সে যেমন ফুড ডেলিভারির কাজ করেছে, তেমনই জিমে সহকারী হয়ে মেঝে পরিষ্কার করার কাজও করেছে।

সমাজবিজ্ঞানীরা অনেক দিন ধরেই একটি কথা বলে আসছেন— সমাজে যখন প্রত্যাশা দ্রুত বাড়ে, কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণের পথ সংকুচিত হয়, তখন তৈরি হয় ‘ফ্রাসট্রেশন অ্যাগ্রেশন লুপ’। অর্থাৎ, অপূর্ণতা জমে রাগে, আর সেই রাগ বেরয় হিংসা হয়ে। এই তত্ত্ব বইয়ের পাতায় ছিল। এখন তা প্রকাশ্যে মস্তানি করছে।

‘‘আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রথম থেকেই তার উদ্দেশ্য স্পষ্ট রেখে এগিয়েছে। ভক্তকুল যতই অস্বীকার করুক, যতই এই যুক্তি বারবার দেওয়া হোক যে, ‘সিনেমাকে তার নিক্তিতেই বিচার করতে হবে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের মাপকাঠিতে নয়’. ‘ধুরন্ধর’ উগ্র জাতীয়তাবাদের কথাই কেবল বলে না, বর্তমান কেন্দ্রীয় শাসকগোষ্ঠীর সরাসরি সমর্থনের ভাষ্য তুলে ধরে।’’

কুর্নিশ জানাতেই হয় ড. কৃতি ভারতী-কে, যিনি এত প্রতিকূলতার মধ্যেও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে তাঁর নির্ভীক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। ছেলেবেলার অসহায়তা কী, তা ড. ভারতী খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তাঁর দশ বছর বয়সে এক আত্মীয়ের দেওয়া বিষে তিনি একবছর শয্যাশায়ী ছিলেন। সেই বন্দিদশার অনুভূতি, তিনি চান না অন্যদের জীবনে থাকুক। সবাইকে শোনাতে চান, শিকল ভাঙার গান।

‘‘মনে রাখতে হবে, এই মুহূর্তে একজন সেলিব্রিটির মৃত্যু আসলে একটি ‘কনটেন্ট’ বই কিছুই নয়। অতএব রিলদুনিয়ার মানুষ যা করে, তা-ই করেছে। সে-ব্যক্তি মৃত হোক বা জীবিত, সেলিব্রিটি মানেই টিআরপি বাড়ানো কনটেন্ট। এবং রাহুলের মৃত্যুকেও তারা এইভাবেই ব্যবহার করেছে।’’

গঙ্গাকে ঘিরে শুদ্ধতার যে ধারণা নির্মিত হচ্ছে, তার মধ্যে ধর্ম না পরিবেশ, দাঁড়িপাল্লার ওজনে কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে রয়েছে? পরিবেশগতভাবে গঙ্গা নিয়ে কথা উঠলে এই প্রশ্নও উঠে আসবে, গঙ্গা নদীকে পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে আদৌ কতটা কঠোর প্রশাসন? গঙ্গায় প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে কি এতটাই তৎপর হতে দেখা যায় প্রশাসনকে?

১৯৮০ সালে রাজশেখর বসুর জন্মশতবর্ষে, যুগান্তর পত্রিকার প্রতিনিধিকে রাজশেখর বসু সম্পর্কিত একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন শিবরাম চক্রবর্তী। সেটিই পুনর্মুদ্রিত হল ডাকবাংলা.কম-এর পাতায়।

সদ্য মুক্তি পেয়েই আলোড়ন তুলেছে ‘অদম্য’। সুকান্ত ভট্টাচার্যর ‘দেশলাই কাঠি’ কবিতা অবলম্বনে, অপর্ণা সেন নিবেদিত রঞ্জন ঘোষের এই ছবিটি নির্মাণ থেকে প্রচার, সবেতেই অভিনব হয়ে উঠেছে। মূলধারার নানা ছক ভেঙে চলছে ‘অদম্য’-র জয়যাত্রা। পরিচালক রঞ্জন ঘোষের সঙ্গে কথোপকথনে পৃথ্বী বসু ও প্রিয়ক মিত্র।

‘‘এআই বিষয়টিকেই চমস্কি একবার ‘প্ল্যাজিয়ারিজম’ বলে দাগিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ, মানুষের বুদ্ধি ধার করেই তো তার সংসার চলে। তবে, সুকুমার রায়ের কথামাফিক গোঁফ কারও কেনা না হলেও, এআই-এর মালিকানা যে বেশ শক্তপোক্ত, তা এই ঘটনায় আরও একবার পরিষ্কার।’’

‘‘এই প্রদর্শনীতে পুরাণ ও বিভিন্ন দেবদেবীর ছবিসমূহ যেমন এসেছে, তেমনই এসেছে লোকসংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদানও। টেম্পেরা মাধম্যে অঙ্কিত ‘কালীনাচ’ শীর্ষক ছবিটির এঁর অন্যতম উদাহরণ; এই ছবিতে বিভিন্ন জনমানসের সমাগমে বহুরূপী সেজে কালীকথার প্রদর্শন হচ্ছে। এছাড়াও প্রদর্শিত হয়েছে ‘বর বরণে’ শীর্ষক ছবি।’’

সালতামামি যুদ্ধ থেকে শান্তি— এই দুই সীমানার মধ্যে অজস্র চোরাস্রোত। বিগত বছর, ২০২৫ জুড়ে এমন নানা চোরাস্রোত বয়েছে। বিশ্বরাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতি, নানা ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.