এক শালিক: পর্ব ৩০

ভ্যালেন্টাইন’স ডে-তে মানুষকে না জড়িয়ে গরুকে জড়ানোর ফরমান জারি হল কেন? কারণ গরু আমাদের মা। অনাত্মীয়কে আলিঙ্গনের চেয়ে মা’কে আদর ভাল নয়? তবে অসুবিধেও আছে, গরু হয়তো জড়াজড়িতে সম্মত নয়, তখন গুঁতিয়ে দিলে বড্ড মুশকিল।

সামথিং সামথিং: পর্ব ৩৯

‘সন্দেহ নেই যে ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে থাকতে বা ক্ষমতা ভোগ করতে-করতে অনুভূতি ভোঁতা হয়ে যায় এবং মারতে খুব ভাল লাগে, এবং সেই ঔদ্ধত্য ও ধর্ষকাম সাদা-কালো নির্বিশেষে চারিয়ে যায়।’

এক শালিক: পর্ব ২৯

অভিনেতা বা খেলোয়াড়দের আমরা আপনজনের মতো ভালবাসি কেন? এঁরা বীর ও সফল, তাই সহজে আমাদের মুগ্ধ করেন?এঁরা হেরে গেলে এঁদের মধ্যে আমরা নিজেদের দেখতে পাই? না, আসলে সব পেরিয়ে, এঁরা আমাদের বন্ধু। বহু একঘেয়ে মুহূর্তকে উত্তেজক করে তোলার সঙ্গী।

ছায়াবাজি: পর্ব ৯

‘একটা জীবনের এদিক সেদিক পাশাপাশি তাসের প্যাকেটের মতো ফেলে রাখা হয়, কোনও ব্যাপারকেই খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করে অনেকক্ষণ টেনে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতাও নেই।’

এক শালিক: পর্ব ২৮

কিছু মানুষ বারবার ফিরে যায় অপমানের স্মৃতির কাছে। এই ফেরার জ্বলুনি প্রচুর, তার চোটে এরা বিড়বিড় করতে করতে হাঁটে, বাথরুমে ১৫ বছর আগেকার অপমানের মোক্ষম উত্তর দেয়, আর একটা সময় এই বেদনার হাত থেকে বাঁচতে মোবাইলে বা ওটিটি-তে নিজেকে ডুবিয়ে দেয়।

সামথিং সামথিং: পর্ব ৩৮

মানুষ আদতে নিজের সুখ-দুঃখ-আনন্দ-বেদনা-রাগ-বিরক্তি-ঘেন্না ছাড়া আর কিছুই ভাবে না। মনের খুব কাছের মানুষ না হলে, অন্যের মৃত্যুতেও তার খুব ইতরবিশেষ ঘটে না। সে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে চায়, নিজেকেই ভুলে থাকার জন্য। তাতে একটু অসংবেদনশীল হতেও সে রাজি।

এক শালিক: পর্ব ২৭

পেলে শুধু খেলোয়াড় নন, বহু বাঙালির কাছেই তিনি রূপকথার নায়ক। পেলে কলকাতায় যখন খেলতে এলেন, তখন তাঁকে নিয়ে প্রবল উন্মাদনা, সংবাদপত্র থেকে চায়ের আড্ডা শুধু তাঁর অলৌকিক শৈলী ও গোল নিয়েই হইচই। তারপর ম্যাচ দেখে সবাই হতাশ, তিনি মাঠে নামলেন বটে, কিন্তু খেলা তেমন কিছু দেখালেন না। এই ঘটনা থেকে আমরা দুটো শিক্ষা পাই।

ছায়াবাজি: পর্ব ৮

‘উপন্যাসের পিনোকিও অবাধ্য থেকে বাধ্য হয়, আর সিনেমার পিনোকিও অবাধ্যতাকেই তার মূলধন করে রাখে, এবং পরিচালক বলেন, অবাধ্যতার মূল্য অসীম, আর একটা ইন্টারভিউতে এও বলেন, তাঁর সিনেমায় ‘সকলেই পুতুল, একমাত্র পুতুলটা একেবারেই পুতুল নয়।’

এক শালিক: পর্ব ২৬

সান্তা ক্লজ নিয়ে মাতামাতির মধ্যে কিছু লোক বলেন, বাচ্চাদের বলে দেওয়া হোক, সান্তা ক্লজ আসলে নেই। বাকিরা রুখে দাঁড়িযে বলেন, শুধু শুধু কঠোর সত্যি আউড়ে ঘোর ভেঙে দেওয়া নিতান্ত বেরসিকের কাজ।

সামথিং সামথিং: পর্ব ৩৭

‘বলা হচ্ছে, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের কোচ সাহস দেখানোর পর থেকেই অনেকে বুঝেছিলেন, এই লোকটাকে নামালে বরং আধুনিক খেলার ছন্দ নষ্ট হচ্ছে। হতে পারে। কিন্তু এগুলো আসল সংকট নয়।’ রোনাল্ডো-জল্পনা।

এক শালিক: পর্ব ২৫

বিশ্বকাপ দেখার প্রথম সমস্যা হল, রাত জাগতে হয়। দ্বিতীয় সমস্যা, চোরামি করে বড় টিমেরা পেনাল্টি চায় ও মাঝেমাঝেই VAR নামে এক উদ্ভট ভিলেন তাদের সাহায্য করে। তিন নম্বর, খেলা দেখার সময় অপ্রিয় দেশের ফুটবল-শৈলীর সমাদর করব কি না, সে দ্বিধা বড় হয়ে দাঁড়ায়। আর এত ঝঞ্ঝাটে পড়ে যদি কেউ বিশ্বকাপই না দ্যাখে, তাকে কেউ খেলায় নেবে না।

ছায়াবাজি: পর্ব ৭

তিব্বতি মঠ নিয়ে ছবি। কিন্তু মঠের জীবনকে বাড়তি মহিমান্বিত করার দায় নেই, প্যাঁচঘোঁচ খোঁজারও আতশ কাচ নেই। একটা সরল ছবি, কিন্তু সঙ্গে আছে ঝকঝকে বুদ্ধি, কৌতুক ও বিশ্বাস, আর অবশ্যই মধিখানে আছে বিশ্বকাপ, যা তাকে এ মরশুমে একটু বেশি উল্লেখ্য করেছে।