Shankar সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

শিলাদিত্য সিংহ রায়

দূরকে করিলে নিকট

লেখক-প্রকাশকের সম্পর্ক বিষয়ে উপমার অধিরাজ শংকরের দু’টি অভিমত ছিল: কোনও কারণে হতাশ হলে বলতেন, ‘শাশুড়ি-পুত্রবধূর মতো’; হতাশা কাটিয়ে উঠলে বলতেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর চেয়েও বেশি, মৃত্যুতেও শেষ হয় না’। তবুও না বললেই নয়, ভারতীয় গ্রন্থসংস্কৃতিতে লেখক-প্রকাশকের সম্পর্কটি চরিত্রগতভাবে বহুমাত্রিক— মোটের ওপর ট্র্যানজ্যাকশনালের চেয়ে বেশি রিলেশন্যাল

Representative Image
সৌভিক চট্টোপাধ্যায়

জনপ্রিয়তার পাদটীকা

‘‘শংকরকে নিয়ে প্রথমদিকের আলোচনাগুলি প্রায়শই অতি-সংক্ষিপ্ত। সাধারণত, একটি অনুচ্ছেদও বরাদ্দ নয় শংকরের জন্য, কখনও-বা একটি মাত্র লাইনে আরও পাঁচজন ‘জনপ্রিয়’ লেখকের সঙ্গে একসুরে উচ্চারিত হন শংকর।’’

শুভঙ্কর দে

শংকরজেঠুকে

‘‘কত অজানারে’ বই হিসেবে প্রকাশিত হওয়ার আগে ‘দেশ’ পত্রিকায় তা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। প্রকাশের সময় থেকেই আলোড়ন পড়ে যায় পাঠক-মহলে। একুশ বছরের এক বালক ‘দেশ’ পত্রিকার অফিসে তাঁর পাণ্ডুলিপি জমা দিয়ে আসেন।’’

বরুণ চন্দ

মণিদা

‘‘মণিদার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ধীরে ধীরে মধুর হয়ে ওঠে। শেষের দিকে যখন বিভিন্ন সভায় আসতেন, তখন উঠে দাঁড়াতে পারতেন, হাঁটতেও পারতেন অল্প, কিন্তু আসতেন মূলত হুইলচেয়ারে। আমি অনেক সময়ই সেই হুইলচেয়ার ঠেলে নিয়ে গেছি। সেটা আমার ‘প্রিভিলেজ’।’’

শংকর

ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো

‘একদিন সত্যজিৎ রায়ের ফোন, ‘মণিশংকর রায়ের সঙ্গে কথা বলছি?’ বললুম, ‘আমি রায় নই, মুখার্জি।’ ওপার থেকে ভারী গলায় চলচ্চিত্রের অধীশ্বর জানালেন, ‘শারদীয় সংখ্যায় আপনার ‘সীমাবদ্ধ’টা আমার বেশ ভাল লেগেছে, কাউকে এখন কিছু বলবেন না।’ সেই হল যোগাযোগের শুরু।’ সত্যজিৎ-স্মৃতি।