
সেবা, সংকল্প, সংঘর্ষ
‘বয়স যত বেড়েছে, উত্তর ভারতের দিল্লি, পঞ্জাব কিংবা চণ্ডীগড়ের ছোট গলি পুরনো বাড়ির দালান, ভিড় বাস কিংবা গুরদোয়ারার ভিড়কে কেন্দ্রে রেখে মিলিয়ে নিতে চেয়েছি তিন বোনের তিনটি উচ্চতার তিনরকম গড়নের মিলে যাওয়া কোনও অস্তিত্ব।’

‘বয়স যত বেড়েছে, উত্তর ভারতের দিল্লি, পঞ্জাব কিংবা চণ্ডীগড়ের ছোট গলি পুরনো বাড়ির দালান, ভিড় বাস কিংবা গুরদোয়ারার ভিড়কে কেন্দ্রে রেখে মিলিয়ে নিতে চেয়েছি তিন বোনের তিনটি উচ্চতার তিনরকম গড়নের মিলে যাওয়া কোনও অস্তিত্ব।’

“আসলে সাহিত্যের সত্য সম্পর্কে অন্নদাশঙ্করের স্পষ্ট ধারণা ছিল— বৈজ্ঞানিক বা দার্শনিক সত্যের সঙ্গে সাহিত্যিক সত্যের তিনি তুলনা হয় বলে মনে করতেন না। সাহিত্যের কাজ জ্ঞানের সীমা বাড়ানো নয়, তা করবে দর্শন-বিজ্ঞান। কিন্তু সাহিত্য মানুষের মনকে এক পলকের জন্যও নিরস হতে দেয় না। সবুজ রাখে। সভ্যতার ইতিহাসে সাহিত্যের সত্য হাজার হাজার বছরে বদলায়নি।”

সচলের কথায় ফলত অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকে। কেউ আবার ভেবেছেন, এ আসলে কবির খামখেয়াল, উন্মাদনা। এই পথে সকলেই গেলে অনাসৃষ্টি কাণ্ড হতে পারে— এর গভীর ও সূক্ষ্ম তাৎপর্য সকলের পক্ষে আয়ত্ত করা অসম্ভব। তাই সচল তাঁর জীবনকালে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মপ্রধানদের কাছে ছিলেন বিপজ্জনক ব্যক্তি।

“আজ যুক্তিবাদী, বিজ্ঞানমনস্ক, নারীবাদী বা যে-কোনও প্রগতিশীল মানুষের ‘ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না’ কথাটিকে অবলম্বন করে আরও একধাপ এগিয়ে গিয়ে বলা উচিত যে, যারা এই ঈশ্বরবাদকে হাতিয়ার করে দাঙ্গা করে, তাদের বিরুদ্ধে এই দল।”

‘বইটির প্রচ্ছদে (শিল্পী: সেঁজুতি বন্দ্যোপাধ্যায়) ভারতের একটি মানচিত্রর মধ্যে একটি ভোগের হাঁড়ি দৃশ্যমান। অর্থাৎ, ভারতজুড়ে ভোগের একটি স্বতন্ত্র মানচিত্র খুঁজে বের করার একটা প্রয়াস এই বইয়ের মধ্যে রয়েছে, তার আভাস প্রচ্ছদপট থেকেই স্পষ্ট। সূচি-তে কয়েকটি ভাগ রয়েছে, ফলমিষ্টির ভোগ, ভোগরাগ, লোকদেবতার ভোগ, কুটোভোগ, সেবাভোগ ও রান্নাবান্না। প্রতিটি বিভাগই নানাবিধ বিস্ময়ে ভরা।’

‘যেমন ভাবা তেমনই কাজ। এরপর থেকে দুর্গের এদিকে ওদিকে ছোটবড় পাথরে নানা ঠাকুরের নাম লেখা হতে লাগল। মেহের আলি দূর থেকে দেখল, তেড়ে খিস্তি পর্যন্ত করল। কিন্তু যারা লিখছে তাদের হাতে দু-একবার চড়থাপ্পড় খাওয়ার পর গুটিয়ে গেল। দুর্গে লোকসমাগম বেড়ে গেল আরও।’

‘এছাড়া লোককে ভক্তিতে তটস্থ রাখার জন্য সামান্য কিছু দড়িদড়ার জোগাড় দেখতে হয়, নিষেধের পেরেক বিছিয়ে রাখতে হয়, যাতে সে সিধে সজাগ হয়ে চলে। আসল বার্তা হল: সবাইকে ভালবাসো, বিশেষত নিজের ধর্মকে। এবং সেই অনুরাগ জঙ্গি হওয়াই ভাল।’

‘জামকুড়ি মল্ল রাজবাড়ির মতোই বিষ্ণুপুর রাজপরিবার ও কুচিয়াখোল রাজপরিবারেও দুর্গাপুজো নবমীর মধ্যরাতে সবার অগোচরে এই মহামারী পটপূজা হয়। এই পুজো ঘিরে রয়েছে নানা ধরনের লৌকিক বিশ্বাস। যেমন সকলেই মনে করেন, জনসমক্ষে এই পুজো দেখলে মৃত্যু নেমে আসে।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.