Memory সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ৫

‘রাত্তিরে কোথায় খেতেন বলতে পারব না। জিজ্ঞাসা করার মতো কেউ বেঁচে নেই। অনেক পরে জেনেছিলাম, এই বড়দা ছিলেন কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত। তখন ধারণা ছিল কুষ্ঠ ব্যাধি ছোঁয়াচে। বড়দার নাকি বালক বয়সেই এই অসুখ হয়েছিল।’

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ৭

‘কালীমন্দির থেকে বেরিয়ে কালীঘাট বাজার পেরিয়ে ট্রামলাইনের দিকে যাওয়ার আগে দেবালয়ের ঘুড়ির দোকানের পরে একটা বিখ্যাত খাটাল ছিল। সেখানে সকাল-বিকেল অনেকেই ঘটি-ক্যান নিয়ে হাজির হত। জল ছাড়া দুধ নেওয়ার জন্য। মায়ের খুব ইচ্ছে ছিল— মাঝে-মাঝেই বলত, বোতলের দুধে কী থাকে, ছেলেটার গায়ে লাগে না।’

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ৪

‘এখন যেমন প্রচুর স্বপন। শ্মশান স্বপন, নাটা স্বপন, লম্বু স্বপন, ট্যারা স্বপন, হাতকাটা স্বপন ইত্যাদি। আমার চেয়ে কয়েক বছরের বড় একজন স্বপন ছিলেন। অধ্যাপক স্বপন মজুমদার।’

Poetry illustration
রাজদীপ রায়

১২ এপ্রিল

‘তোমার অনেক আগে সূক্ষ্ম হয়ে গেছি বলে/ এখন ক্রমশ ফের স্থূল হতে ইচ্ছে যায়।/
এখন কখনও ছুঁতে পারি কিছু-কিছু বই,/
তোমার বিছানা, হাত বুলিয়ে দিচ্ছি মাথার বালিশে।/ কতদিন মাথা রাখোনি এখানে তবুও মাথার দাগ/ অতিকায়, স্পষ্ট।’

blaze-of-glory-minimalist-abstract-painting
শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫০

‘সেই প্রবাদে আজও ওড়ে ফুলকি ও হেমন্ত/ আর কিছুদিন আগেও কত রঙিন ছিল মন তোর—/ রোজ একখানা মোমবাতি তোর হাতের পাতায় জ্বালতিস।’ নতুন কবিতা।

শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়

‘হৃদি ভেসে যায়’

“আমাদের মতো সাধারণ পাঠকের কাছে অলকনন্দা মানেই ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ হলেও বাস্তবে তো তা নয়। তিনি আরও অনেক উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন চলচ্চিত্র, নাটক, টেলিভিশনে। আর ‘বর্ষা আসে, বসন্ত’র প্রথম চৌষট্টি পাতা জুড়ে তাঁর পরিবারের যে চালচিত্র তিনি এঁকেছেন তা সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।”

Representative Image
জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট: পর্ব ৪

‘‘এই দাদারা ছিলেন সব ‘কোনি’র ক্ষিদ্দা, এঁরা আমাদের স্বপ্ন দেখাতেন। কী স্বপ্ন দেখাতেন জানেন? আপনি কী ভাবছেন— ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন? ও-গুলো পরে, আগে ছিল ফার্স্ট ডিভিশনে কোনও ভাল ক্লাবে খেলা।’’

Representative Image
জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট: পর্ব ৩

‘মানুষে পশুতে ভেদাভেদ থাকত না আর-একটা বেলায়— সেটা হল শ্মশানকালীর ভাসানের দিন। শ্মশানকালী বিসর্জনের বিশাল শোভাযাত্রা। শ্মশান এলাকার মস্তান ছিল ভীম। চেতলার দিকে তখন ধ্রুবর হেব্বি নামডাক। সে-সময়ে ভীম আর ধ্রুব দিন নেই রাত নেই সোডার বোতল আর পেটো ছোঁড়াছুড়ি করত।’

Image_featured Image
শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৪৯

‘জ্যোতিউজল বিড়ালী এক পাড়ামনিব,/ ডানা পোড়ায় সারাটা রাত চাঁদের পায়ে/ ক্ষতের প্রিয় বন্ধু জোটে সজল জিভ/ জ্যোৎস্নাকে সে তলব করে চুরির দায়ে।’

নীলার্ণব চক্রবর্তী

সুইসাইড নোটস

‘মা ছিল ম্যাচিওরড, বাবা তো শিশুই, তাই/ মনে করত, কত কিছুই হতে পারে, ঘটে যেতে পারে যাহা-তাহা,/ কেউ আবার মরে নাকি আহা…/ মৃত্যুর রাতে বাবার সামনে যাইনি কিছুতেই, জানতাম আর/ কিছু করা যাবে না, শেষ রক্ষার সময় শেষ হয়ে গেছে…’

ময়ূরী মিত্র

পাগল দু’নয়ন 

‘মুখের ওপর সত্যি বলতে মানুষের এত অসুবিধে কেন হয় গো ! খালি সান্ত্বনা, খালি সোনা পুতুল মিঠে পুতুল বলে ন্যাকামি ৷ লজ্জা করে না!’
গল্প। পাগল দু’নয়ন

Illustration by Sayan Chakraborty
মন্দার মুখোপাধ্যায়

লাল কামিজ

‘তন্ন তন্ন করে খুঁজেও বুঝতে পারলাম না, কী সেই অ্যাকসিডেন্ট; কে ওর স্বামী! আরও সন্তানাদি আছে কি! সন্ন্যাসীদের পূর্বাশ্রমের মতোই সে-সব যেন ত্যাগ করেছে মেয়েটি। অবাকই লাগল তার নিজের মায়ের মৃত্যু-সংক্রান্ত পোস্টটি পড়ে। সাদা-কালো ছবিতে শাড়ি-পরা বাঙালি মা।’