Memory সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫২

‘যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে পাখিগুলি বেঁচে ফিরে আসে।/ বইয়ের দোকানগুলি ধূলিসাৎ, চূর্ণ লাইব্রেরি…/ রুটির পুরনো গন্ধ লেগে আছে দেওয়ালে ও ঘাসে/ কত ধ্বংস পার হয়ে এ-শহর ফের পাখিদেরই।’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ৯

‘একবার রেঙ্গুন থেকে দু’জন এল, ওদের কলকাতা দেখাতে নিয়ে যাওয়া হবে। কেন কে জানে, আমাকেও নিয়ে গেলেন। তখনও পিসেমশাইয়ের গাড়ি ছিল না। কোনওভাবে একটা গাড়ি জোগাড় করেছিলেন, কিম্বা ভাড়া নিয়েছিলেন।’

Representative Image
হৈমন্তী বন্দ্যোপাধ্যায়

আমার বাবা হিমানীশ গোস্বামী

আমার বাবার কথা বলতে গেলে মনে পড়ে যায় তাঁর হাসিমাখানো মুখটি। কৌতুকভরা চোখদু’টি জানান দিত যে, মনের মধ্যে সঞ্চিত রসাধারে ক্রমাগত পাক দেওয়া চলছে। সেই রসের স্বাদ লেগে থাকত তাঁর বলা কথায় এবং লেখায়। কথায়-কথায় Pun সৃষ্টি করা— সোজা কথার উল্টো মানে আবিষ্কার করে মজা সৃষ্টি করা ছিল তাঁর কাছে অতি সহজ ব্যাপার।

Image for poetry
শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫১

‘ছায়া লেগে কেটে যায় তোমাদের আলোচনাগুলি।/ পাড়ার বকেয়া সন্ধে মিটিয়ে দিয়েছে স্বাতীলেখা—/ যে-ধারণা আবছায়া, তুমি তাকে ডেকেছ গোধূলি।/ এই ছোট ভালবাসা তোমারই ভ্রান্তির কাছে শেখা।’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ৫

‘রাত্তিরে কোথায় খেতেন বলতে পারব না। জিজ্ঞাসা করার মতো কেউ বেঁচে নেই। অনেক পরে জেনেছিলাম, এই বড়দা ছিলেন কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত। তখন ধারণা ছিল কুষ্ঠ ব্যাধি ছোঁয়াচে। বড়দার নাকি বালক বয়সেই এই অসুখ হয়েছিল।’

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ৭

‘কালীমন্দির থেকে বেরিয়ে কালীঘাট বাজার পেরিয়ে ট্রামলাইনের দিকে যাওয়ার আগে দেবালয়ের ঘুড়ির দোকানের পরে একটা বিখ্যাত খাটাল ছিল। সেখানে সকাল-বিকেল অনেকেই ঘটি-ক্যান নিয়ে হাজির হত। জল ছাড়া দুধ নেওয়ার জন্য। মায়ের খুব ইচ্ছে ছিল— মাঝে-মাঝেই বলত, বোতলের দুধে কী থাকে, ছেলেটার গায়ে লাগে না।’

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ৪

‘এখন যেমন প্রচুর স্বপন। শ্মশান স্বপন, নাটা স্বপন, লম্বু স্বপন, ট্যারা স্বপন, হাতকাটা স্বপন ইত্যাদি। আমার চেয়ে কয়েক বছরের বড় একজন স্বপন ছিলেন। অধ্যাপক স্বপন মজুমদার।’

Poetry illustration
রাজদীপ রায়

১২ এপ্রিল

‘তোমার অনেক আগে সূক্ষ্ম হয়ে গেছি বলে/ এখন ক্রমশ ফের স্থূল হতে ইচ্ছে যায়।/
এখন কখনও ছুঁতে পারি কিছু-কিছু বই,/
তোমার বিছানা, হাত বুলিয়ে দিচ্ছি মাথার বালিশে।/ কতদিন মাথা রাখোনি এখানে তবুও মাথার দাগ/ অতিকায়, স্পষ্ট।’

blaze-of-glory-minimalist-abstract-painting
শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫০

‘সেই প্রবাদে আজও ওড়ে ফুলকি ও হেমন্ত/ আর কিছুদিন আগেও কত রঙিন ছিল মন তোর—/ রোজ একখানা মোমবাতি তোর হাতের পাতায় জ্বালতিস।’ নতুন কবিতা।

শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়

‘হৃদি ভেসে যায়’

“আমাদের মতো সাধারণ পাঠকের কাছে অলকনন্দা মানেই ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ হলেও বাস্তবে তো তা নয়। তিনি আরও অনেক উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন চলচ্চিত্র, নাটক, টেলিভিশনে। আর ‘বর্ষা আসে, বসন্ত’র প্রথম চৌষট্টি পাতা জুড়ে তাঁর পরিবারের যে চালচিত্র তিনি এঁকেছেন তা সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।”

Representative Image
জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট: পর্ব ৪

‘‘এই দাদারা ছিলেন সব ‘কোনি’র ক্ষিদ্দা, এঁরা আমাদের স্বপ্ন দেখাতেন। কী স্বপ্ন দেখাতেন জানেন? আপনি কী ভাবছেন— ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন? ও-গুলো পরে, আগে ছিল ফার্স্ট ডিভিশনে কোনও ভাল ক্লাবে খেলা।’’

Representative Image
জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট: পর্ব ৩

‘মানুষে পশুতে ভেদাভেদ থাকত না আর-একটা বেলায়— সেটা হল শ্মশানকালীর ভাসানের দিন। শ্মশানকালী বিসর্জনের বিশাল শোভাযাত্রা। শ্মশান এলাকার মস্তান ছিল ভীম। চেতলার দিকে তখন ধ্রুবর হেব্বি নামডাক। সে-সময়ে ভীম আর ধ্রুব দিন নেই রাত নেই সোডার বোতল আর পেটো ছোঁড়াছুড়ি করত।’