
ভাষাই রং চেনায়
দোল উৎসবের একটি সাংস্কৃতিক প্রেক্ষিত রয়েছে। গানেরও সময় দোল। নরেন্দ্রপুরে আমরা যখন দোল পালন করেছি, তখন খোল-করতাল-সহ নানারকমের বাদ্যযন্ত্র সহযোগে গানবাজনা করেছি। দোল এলেই খোঁজ পড়ে যেত, কে খোল বাজাবে, কে তবলা বাজাবে।

দোল উৎসবের একটি সাংস্কৃতিক প্রেক্ষিত রয়েছে। গানেরও সময় দোল। নরেন্দ্রপুরে আমরা যখন দোল পালন করেছি, তখন খোল-করতাল-সহ নানারকমের বাদ্যযন্ত্র সহযোগে গানবাজনা করেছি। দোল এলেই খোঁজ পড়ে যেত, কে খোল বাজাবে, কে তবলা বাজাবে।

“মহেশ এলকুঞ্চোয়ারের ‘ওয়ারা চিরেবন্দি’ যেমন দেখেছি, তেমনই দক্ষিণের বিজয়শ্রীর নাটকও দেখেছি, যা কিছুটা লোকায়ত আঙ্গিকের সঙ্গে জড়িত। সেগুলো আমরা আস্বাদন করেছি। হয়তো অনেককিছুই না-বোঝা থেকে গেছে। কিন্তু নাট্যভাষের সঙ্গে সংলাপে অসুবিধে হয়নি, তার একটা নিজস্ব জোর আছে।”

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ফণীশ্বরনাথ রেণু, রাজকমল চৌধুরী ও রবি বর্মা।

‘সব দ্বিধা-দ্বন্দ্ব সত্ত্বেও স্বাধীনতার অব্যবহিত পূর্ব ও পরবর্তী সময়পর্বটিতে বাঙালি বুদ্ধিজীবীরা যে হিন্দিকে সমর্থন করেছিলেন, তার একাধিক নজির রয়েছে। ‘প্রবাসী’-তেই ১৯৪৭-এর মে মাসে প্রকাশিত দেবেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের ‘বাঙালির হিন্দিশিক্ষা’ নামের নিবন্ধে লেখক হিন্দি কেন শেখা দরকার তার বিবিধ কারণ দর্শিয়েছেন।’

‘‘স্বভাবসিদ্ধ ঢঙে যেমন বাংলার সামাজিক ইতিহাসের একটা প্রবণতাকে চিনিয়ে দিয়েছিলেন, এখানে ধরিয়ে দিলেন তাঁর চৈতন্য নির্মাণে এবং হয়ে ওঠায় কৃষ্ণনগর ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তিনি কি শুধুই ‘কৃষ্ণনাগরিক’?’’
প্রমথ চৌধুরীর জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ…

‘যে-দেশে কয়েক মাইলের তফাতে বদলে যায় ভাষার গড়ন, ভাষার আদল, সেই দেশে কোন গজদন্তমিনারে বসে শহুরে বাঙালি নির্ধারণ করছে যে, পরিযায়ী রাজমিস্ত্রি, শ্রমিকরা আদতে এদেশি-ই নয়? এই ঘৃণাবোধের শিকড় কি কেবলই দেশ বা ভাষার সীমায় বাঁধা?’

‘ভারতের যে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো, তাতে ভাষা-সংস্কৃতির বিভিন্নতাকে স্বীকার করার কথা। অথচ তা আর হচ্ছে কোথায়? ট্রাম্প যেভাবে লাইবেরিয়ার ইংরেজি নিয়ে ফুট কাটেন সেই একই মানসিকতা ভিন্ন রূপে এই ভারতেও হাজির। লাইবেরিয়া সাদা মুখোশকে মুখ বলে মেনে নিয়ে প্রয়োজন মেটাতে চাইতে পারেন।’

‘‘গৃহিণী’ শব্দটিও লিঙ্গগতভাবে সীমাবদ্ধ; এই ভূমিকাটি যেন মহিলাদের জন্যই নির্ধারিত। অথচ সংসার সামলানো যে একটা কাজ আর লিঙ্গ-নির্বিশেষে যে তা করা যায়, ‘হোম মেকার’ শব্দটিতে তার আভাস আছে।’

‘শেক্সপিয়রের গল্পকে অন্য প্রেক্ষিতে ফেলে দেওয়া নিয়ে আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু তাতে শেক্সপিয়র করা হয় না। তাকে শেক্সপিয়র অনুপ্রাণিত বলা যেতে পারে।’

‘যে-যে প্রয়োজনে আমরা অভিধান দেখি তা ‘বিনা বাহুল্যে সাধিত’ করাটাও তাঁর উদ্দেশ্য ছিল। সেই সঙ্গে চেষ্টা করেছেন যাদের মাতৃভাষা বাংলা নয়, বা যারা আধুনিক চলিত ভাষা সম্পর্কে ততটা পরিচিত নয় তারাও যাতে এই অভিধান কাজে লাগাতে পারে।’

‘মাতৃভক্ত বিদ্যাসাগর জ্ঞানচর্চার প্রশ্নে ‘মাদারচোদ’ শব্দ উল্লেখে দ্বিধা করেননি। এই প্রশ্ন অবান্তর যে, বিদ্যাসাগরের এমন শব্দ ভাল না মন্দ লাগত। বরং তর্ক এটুকু: সেদিনের বাঙালিসমাজে গালাগাল অর্থে ‘মাদারচোদ’ শব্দের প্রচলন ঘটেছে।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.