Bengali literature সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

শিলাদিত্য সিংহ রায়

দূরকে করিলে নিকট

লেখক-প্রকাশকের সম্পর্ক বিষয়ে উপমার অধিরাজ শংকরের দু’টি অভিমত ছিল: কোনও কারণে হতাশ হলে বলতেন, ‘শাশুড়ি-পুত্রবধূর মতো’; হতাশা কাটিয়ে উঠলে বলতেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর চেয়েও বেশি, মৃত্যুতেও শেষ হয় না’। তবুও না বললেই নয়, ভারতীয় গ্রন্থসংস্কৃতিতে লেখক-প্রকাশকের সম্পর্কটি চরিত্রগতভাবে বহুমাত্রিক— মোটের ওপর ট্র্যানজ্যাকশনালের চেয়ে বেশি রিলেশন্যাল

শুভঙ্কর দে

শংকরজেঠুকে

‘‘কত অজানারে’ বই হিসেবে প্রকাশিত হওয়ার আগে ‘দেশ’ পত্রিকায় তা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। প্রকাশের সময় থেকেই আলোড়ন পড়ে যায় পাঠক-মহলে। একুশ বছরের এক বালক ‘দেশ’ পত্রিকার অফিসে তাঁর পাণ্ডুলিপি জমা দিয়ে আসেন।’’

বরুণ চন্দ

মণিদা

‘‘মণিদার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ধীরে ধীরে মধুর হয়ে ওঠে। শেষের দিকে যখন বিভিন্ন সভায় আসতেন, তখন উঠে দাঁড়াতে পারতেন, হাঁটতেও পারতেন অল্প, কিন্তু আসতেন মূলত হুইলচেয়ারে। আমি অনেক সময়ই সেই হুইলচেয়ার ঠেলে নিয়ে গেছি। সেটা আমার ‘প্রিভিলেজ’।’’

জগন্নাথদেব মণ্ডল

চারটি তারার তিমির

‘জীবনানন্দ দূরের কবি নন। অনুভব করি। কলকাতার ভাড়াবাড়িতে থাকি। দু’মুঠো ফুটিয়ে খাই। পথ হাঁটি। সময় পেলেই পথ হাঁটি। মানিব্যাগে ওষুধ রাখা থাকে। টলে গেলে দ্রুত খেয়ে নিতে হবে। ক্লান্ত হয়ে নিঃসঙ্গ ঘুমিয়ে পড়ি।’

তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল : পর্ব ১০

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ভাস্কর চক্রবর্তী

Poetry illustration
রাজদীপ রায়

১২ এপ্রিল

‘তোমার অনেক আগে সূক্ষ্ম হয়ে গেছি বলে/ এখন ক্রমশ ফের স্থূল হতে ইচ্ছে যায়।/
এখন কখনও ছুঁতে পারি কিছু-কিছু বই,/
তোমার বিছানা, হাত বুলিয়ে দিচ্ছি মাথার বালিশে।/ কতদিন মাথা রাখোনি এখানে তবুও মাথার দাগ/ অতিকায়, স্পষ্ট।’

Representative Image
তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: পর্ব ৯

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়, সন্দীপ দত্ত, সুবিমল মিশ্র।

blaze-of-glory-minimalist-abstract-painting
শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫০

‘সেই প্রবাদে আজও ওড়ে ফুলকি ও হেমন্ত/ আর কিছুদিন আগেও কত রঙিন ছিল মন তোর—/ রোজ একখানা মোমবাতি তোর হাতের পাতায় জ্বালতিস।’ নতুন কবিতা।

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ৫

‘২০৪ নম্বর বাসে করে সকাল হলে, সাদা পাতার মতো টুপটাপ বিদেশি মানে ফরেনাররা নেমে পড়ে। বিশেষত শীতের সকালে তো অগুনতি। ওই বাসস্টপ থেকে গৌর সেই ফরেনারদের ক্যাচ করে। তাদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে, টক করতে করতে কালীঘাট মন্দির পর্যন্ত আসে।’

Dipendranath_Cover
শমীক ঘোষ

পরিত্রাণহীন অবগাহন

দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প জীবনের দ্বান্দ্বিকতার কথাই বলে। তাঁর চরিত্ররা হেরো নয়, নিষ্ক্রিয় নয়। তারা পরিস্থিতি বোঝে, সিদ্ধান্ত নেয়, অবস্থানও নেয়। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের অসম্পূর্ণতাও বোঝে। বোঝে জীবনের পরিত্রাণহীনতার কথা।

একরাম আলি

মরণোত্তর বিনয়

‘বাংলা সাহিত্যে বিনয় মজুমদারের কবিতায় ক্যালকুলাস, ভ্যারিয়েবল এবং জ্যামিতি সরাসরি ব্যবহৃত হয়েছে। তাঁর গণিত-প্রভাবিত কাব্যচিন্তা জীবনভর ধারাবাহিক ছিল, বিশেষ করে আটের দশক থেকে তাঁর গণিত আবিষ্কার এবং কবিতায় সেগুলোর প্রয়োগ আরও সুস্পষ্ট হয়।’

Image_featured Image
শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৪৯

‘জ্যোতিউজল বিড়ালী এক পাড়ামনিব,/ ডানা পোড়ায় সারাটা রাত চাঁদের পায়ে/ ক্ষতের প্রিয় বন্ধু জোটে সজল জিভ/ জ্যোৎস্নাকে সে তলব করে চুরির দায়ে।’