
চারটি তারার তিমির
‘জীবনানন্দ দূরের কবি নন। অনুভব করি। কলকাতার ভাড়াবাড়িতে থাকি। দু’মুঠো ফুটিয়ে খাই। পথ হাঁটি। সময় পেলেই পথ হাঁটি। মানিব্যাগে ওষুধ রাখা থাকে। টলে গেলে দ্রুত খেয়ে নিতে হবে। ক্লান্ত হয়ে নিঃসঙ্গ ঘুমিয়ে পড়ি।’

‘জীবনানন্দ দূরের কবি নন। অনুভব করি। কলকাতার ভাড়াবাড়িতে থাকি। দু’মুঠো ফুটিয়ে খাই। পথ হাঁটি। সময় পেলেই পথ হাঁটি। মানিব্যাগে ওষুধ রাখা থাকে। টলে গেলে দ্রুত খেয়ে নিতে হবে। ক্লান্ত হয়ে নিঃসঙ্গ ঘুমিয়ে পড়ি।’

রবি ঘোষের মতো মহান অভিনেতার প্রতিভা মহান পরিচালকদের হাতেই যেন পূর্ণতা পেত। সত্যজিৎ রায়ের বাঘা এবং একের পর এক আইকনিক চরিত্র, তপন সিংহর কালজয়ী ধনঞ্জয় তার উদাহরণ। ধনঞ্জয়ের চরিত্রের এমন সিরিয়াস কমেডি অভিনয়, যেন এক নতুন অভিনয় স্কুলিং-এর সূচনা করল।

ঋত্বিক ঘটকের মৃত্যুর ঠিক পরে লেখা একটি কবিতায় শক্তি চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন, ‘… আর কেউ নেই যে কড়কাবে/বিদ্যুচ্চাবুকে এই মধ্যবিত্তি, সম্পদ, সন্তোষ/মানুষের, তুমি গেছ, র্স্পধা গেছে,

‘তিনিই দেখিয়ে দিয়েছিলেন দেশের প্রাকৃতজনের প্রাণবন্ত ধর্মবিশ্বাসের সঙ্গে কীভাবে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে সেখানকার কারুশিল্প। তিনিই আজ থেকে ৬০-৬৫ বছর আগে সাবধান করে দিয়েছিলেন, বাঙালির জীবনের সঙ্গে শিল্পকর্মের প্রত্যক্ষ ঘনিষ্ঠ সংযোগ ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।’

‘সে-যুগের সিনেমায় ছবি বিশ্বাস, অন্তত তাঁর জীবনের একটু প্রৌঢ় সময়ে ছিলেন আভিজাত্যের অমোঘ প্রতীক— এ-কথা সবাই একবাক্যে স্বীকার করবেন। তিনি অভিজাত পরিবারেরই সন্তান, কিন্তু সেটা তো তখন অজস্র! বাঙালির আর্থিক সমৃদ্ধির যুগের শেষ আলোটুকু তখনও বেশ জোরালো।’

‘সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্যে এদেশে এলেও তাঁর ভাষাবিদ ও অনুবাদক সত্তা ধর্মীয় কার্যকলাপকে অচিরেই ছাপিয়ে যায়। যে-‘বিধর্মী’দের উদ্ধারের জন্য তাঁর স্বদেশ ত্যাগ, সেই ‘হিদেন’দের সঙ্গে দীর্ঘ সহবাসের ফলে তাদের ভাষা-সংস্কৃতি সম্পর্কে কেরির মুগ্ধতা ও মমত্ব আমাদের চমকিত করে।’

‘লোককাহিনি অনুযায়ী এক চৈনিক পরিব্রাজক কোনও এক বনের মধ্যে দিনের শেষে বিশ্রামের সময়ে জল গরম করছিলেন, তখন গাছ থেকে কয়েকটি পাতা উড়ে এসে গরম জলে পড়ে। কিঞ্চিৎ ফোটার পর সেই জল রঙিন পানীয় চায়ে পরিণত হয়।’

‘এই চা উৎসবের সঙ্গে, চীন বা জাপানের মতোই জড়িয়ে থাকে ছোট্ট-ছোট্ট কবিতা, ফুল সাজানোর শিল্প, ক্যালিগ্রাফি, সেরামিক শিল্পের মতো নানা শিল্পকলা। অপূর্ণাঙ্গতা, সহজতা, অনিত্যতা, অসম্পূর্ণতার সৌন্দর্য এবং আনন্দই, এই ভারতবর্ষীয় বোধি চা উৎসবের আত্মা।’

‘ধরুন, আমি একটা কিছু ভাবছি… ধরা যাক আমি চা খাব ভাবছি, বা চা কিনব ভাবছি, তখন আমার হঠাৎ মনে পড়ে গেল এই টাটা টি-র ‘জাগো রে’ ক্যাম্পেনের কথা। পছন্দের বিজ্ঞাপন।’

‘বাবুর বৈঠকখানায় যেভাবে চা-পানের রীতি প্রচলিত হয়েছিল, মহিলাদের ক্ষেত্রে তার কি কিছু ব্যতিক্রম দেখা যায়? অবসরের ধারণা, মেলামেশা বা চার ইয়ারি আড্ডায় লিঙ্গভেদ আছে কি?’

‘প্রিয়নাথ নিজের দলকে ব্যবহার করতেন স্বদেশি চেতনার প্রসারের কাজেও। প্রতিদিন অনুষ্ঠান শেষে ইংরেজদের অত্যাচারে ধুঁকতে থাকা দেশবাসীকে জাগিয়ে তোলার উদ্দেশ্যে জ্বালাময়ী বক্তব্য রাখতেন তিনি, তাঁবু ফুঁড়ে ধ্বনি উঠত ‘বন্দেমাতরম’।’

বঙ্গবালাদের উদ্দেশ্য ছিল, মিষ্টিকে মিষ্টি নকশার ছাঁদে ফেলে মনভোলানো উপায়ে প্রস্তুত ও পরিবেশন করা।শুধু মিষ্টি পরিবেশন নয়, এর মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে বাইরের অতিথির সামনে অন্তঃপুরবাসিনীর নিজেকে বা নিজের আত্মপরিচয়কে তুলে ধরার বাসনা।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.