
আলোর রং সবুজ: পর্ব ৯
‘ফিরে চলে না গেলেও, সচেতন হয়ে গেলাম যারপরনাই। মন এবং হাঁটাচলায় সমস্ত ভাব গোপন করে এগিয়ে গেলাম ডানদিক ঘেঁষে; দেখলাম যে ভিড় বেশি অথচ নজরদারি নেই; হাসিই পেল, কারণ ভিড়টা মেয়েদের।’

‘ফিরে চলে না গেলেও, সচেতন হয়ে গেলাম যারপরনাই। মন এবং হাঁটাচলায় সমস্ত ভাব গোপন করে এগিয়ে গেলাম ডানদিক ঘেঁষে; দেখলাম যে ভিড় বেশি অথচ নজরদারি নেই; হাসিই পেল, কারণ ভিড়টা মেয়েদের।’

জনপ্রিয় শিল্প-মাধ্যম রূপে বঙ্গজীবনে শ্রুতিনাটক-এর অবদান অনস্বীকার্য। সেই ঐতিহ্য অনুসরণ করেই ‘আমাদের উচ্চারণ’ আয়োজন করেছে এ রকমই এক সন্ধ্যার— আজ কাল পরশুর গল্প…
ব্রাসেল্স তো শুধু টিনটিন-এর নয়; বিশ্বখ্যাত গোয়েন্দা এরকুল পোয়ারো ও হলিউড-হার্টথ্রব অড্রে হেপবার্ন-এরও শহর। ভ্রমণপিপাসুদের অবশ্য-গন্তব্য বেলজিয়ামের সেই শহরে, বেলজিয়ান চকোলেটের স্বাদ নেওয়া থেকে রাজপ্রাসাদ দেখার অভিজ্ঞতা নিয়েই এবারের ‘দূরপাল্লা’।
শুধু বই পড়া-ই জ্ঞান অর্জন ও সংবেদনশীল হয়ে ওঠার সর্বোত্তম পন্থা, অন্যান্য শিল্প-মাধ্যম সেই সম্মানের যোগ্য নয়— এ কি একধরনের অবাস্তব উন্নাসিকতা? সিরিয়াস সাহিত্যচর্চা যদি পাঠকের মনে অহংকারের জন্ম দেয়, তা কি সামগ্রিক সাহিত্যচর্চার ব্যর্থতা নয়?

শিলিগুড়ির টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ ওয়ার্ল্ড স্কুল প্রথাগত শিক্ষা পরিকাঠামোর বাইরে, বাস্তব-বিশ্বের অভিজ্ঞতা এবং বিশ্ব-দৃষ্টিভঙ্গিকে একসঙ্গে করে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা দেওয়ায় আগ্রহী। আর এই উচ্চমানের শিক্ষা কেবল ক্লাসরুমে নয়, তার বাইরেও প্রসারিত।

‘অসম্মান এবং অবজ্ঞার ইট-পাটকেল যেটুকু যা লাগবে, তাতেও রক্তাক্ত হবে ওই বড় বউদি। সেখানে সম্মানের বঞ্চনা ছাপিয়ে, শরীর-সুখ তাকে যদি বেশি টানে তার দায়িত্ব কি আমার!’
‘নিজের হাতে তৈরি করেন পেদ্রো, বুসকেত্সের মতো একঝাঁক তরুণ তুর্কিদের। গুয়ার্দিওলার গোকুলে তখন রং ছড়াচ্ছে আরও একটি নাম— লিয়োনেল মেসি। ম্যানেজারের মতো তিনিও স্রেফ সুযোগের অপেক্ষায় দিন গুনে চলেছেন।’
‘মন্দিরের আশেপাশে ডিম-মাংস বেচা নিয়ে মাঝেমধ্যেই ঝামেলার খবর মোবাইলে দেখেছে রঘু। স্কুলের মিড-ডে মিল থেকেও নাকি ডিম তুলে দেওয়া হচ্ছে জায়গায়-জায়গায়। সামোসা মুড়তে গিয়ে অনেকবার কাগজে পড়েছে রঘু।’
‘এ আখ্যান শুনে ‘সত্যি, এ সুজলা সুফলা গ্রহে উত্তর কোরিয়া এক যাচ্ছেতাই অসভ্য ভূমি বটে’ আউড়ে হাত ঝেড়ে উঠে গেলে হবে না, চোখ ফেড়ে বুঝতে হবে, প্রায় সমস্ত দেশই একই মতবাদে বিশ্বাসী।’

‘বাবা উপরে সিঁড়ির কাছ থেকে হয়তো কিছু শুনে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কে?’, আমি কিছু বলার আগেই ভদ্রলোক একটু গলা বাড়িয়ে বললেন, ‘দাদা, আমি রাশিদ!’ বাবা তৎক্ষণাৎ উপর থেকে বললেন, ‘আয়, আমার মেয়ের সাথে চলে আয় উপরে!’

‘নাকে এল, বিড়ির গন্ধমাখা পুরুষ-শরীরের ঝাঁঝ; কিছুক্ষণের মধ্যেই পোষাকের বাঁধন ছিঁড়ে মিলিত হল দুজনে। অনভিজ্ঞ শাফিকার দেহে স্বীকৃতির স্বাদ এনে দিল শরীর-অভিজ্ঞ সেই ইসমাইল।’
‘বাবা বোঝালেন, অত বড় মাপের কবি, ব্যস্ত মানুষ, তাঁকে কি হুট করে ওভাবে বিরক্ত করা যায়? কিন্তু আমি নাছোড়। দেখা আমায় করাতেই হবে, নইলে মানব না। শেষমেশ বাবাও রাজি হলেন ঝুঁকি নিতে। একদিন ওঁর আপিসে গিয়ে দেখাই যাক, দেখা হয় কি না।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.