
‘সহজ পাঠ’, জটিল গল্প
‘এ তো নির্মল বাংলা বা স্বচ্ছ ভারতের ক্যামেরাবন্দিত ঘটাপটার দেখনদারি ঝাটপাট নয়, রুটিন পরিচ্ছন্নতা। সমাজ, সংসার, পরিবেশ, পরিজন সম্পর্কে শিশুর বোধের জাগরণ ঘটানোর পাঠ তো ‘সহজ পাঠ’-এর পাতায়-পাতায়।’

‘এ তো নির্মল বাংলা বা স্বচ্ছ ভারতের ক্যামেরাবন্দিত ঘটাপটার দেখনদারি ঝাটপাট নয়, রুটিন পরিচ্ছন্নতা। সমাজ, সংসার, পরিবেশ, পরিজন সম্পর্কে শিশুর বোধের জাগরণ ঘটানোর পাঠ তো ‘সহজ পাঠ’-এর পাতায়-পাতায়।’

ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় আরবানা-শ্যাম্পেন-এর সঙ্গে বাঙালির যোগ বহুদিনের; কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ প্রাক্তন ছাত্র ছিলেন, সেই সূত্রে যাতায়াত ছিল রবীন্দ্রনাথেরও। ২০০৬ সালে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা সেই শহরে। ‘দূরপাল্লা’-র এই পর্বে স্মৃতির আয়নায় ফিরে দেখা সেই ‘শ্যাম্পেনের স্মৃতি’।

‘চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর টিম-বাসে কে কী করছে, বা খেলোয়াড়রা ড্রেসিং রুমে নিজেদের মধ্যে কী বলছে, তা রেকর্ডেড হলে যে-সে যুগে-যুগে মুশকিলে পড়বে। অতি বড় ন্যায়-প্রচারকও হয়তো গেঞ্জি ছাড়তে-ছাড়তে বউকে বলেন, ওই ট্যারাটাকে দেখেই বুঝেছি, মহা বদমাশ।’

‘বড়মেয়ে বিমিরও ঠাকুমার মতো বই পড়ার নেশা। সারাদিন সে হয় পড়ে, না হয় সেলাই করে। ইলার অবশ্য ঘর-সংসারে খুব নজর। ভাইকে বলতে গেলে সে-ই সামলায়। মাকেও সাহায্য করতে চায় না বলতেই।’

‘পরবর্তী ২৭ সেকেন্ড ধরে সে এলোপাথাড়ি ছুরি চালায় ৭৫ বছর বয়সি লেখকের শরীরে। ফন্টানারের ছুরির ঘায়ে ছিন্নভিন্ন ক্যানভাসের মতো ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় তাঁর শরীর— চোখ, মুখ, হাত, বুক, পেট প্রাথমিকভাবে স্টেপল করে কোনওরকমে জুড়ে রাখার চেষ্টা হয় হাসপাতালে।’

সৃজনশীলতার সূত্র অনুপ্রেরণা, না কি শিল্পীর দক্ষতা? ‘বিজলি বাতি’ গানটা্ ২০০৬ সালের; আজ এতগুলো বছর পরে সৃজনশীলতা নিয়ে কী মতামত অনুপম রায়ের? শুনুন এবারের ‘সং স্টোরি শর্ট’-এ, পর্ব ১৬।

‘কিউবান মিসাইল সংকট থেকে মস্কোর সঙ্গে পারমাণবিক সমঝোতা সামলাতে সামলাতেই আততায়ীর বুলেট কেনেডিকে আর দেখে যেতে দিল না সেই স্বপ্নপূরণের দিন। জে এফ কে হত্যার প্রায় ছ’বছর পর, ১৯৬৯-এর ২০ জুলাই অবশেষে চাঁদের জমি জয় করল মানুষ।’

‘এবার যদি আগুন লাগে, শরীর খারাপ হয়, বাইরে বেরনো যাবে না। এটা ভেবেই দম বন্ধ লাগতে শুরু করল। তার মধ্যে রাত যত বাড়ছে, তত বিচিত্র আওয়াজ আসছে চারপাশ থেকে। কোথাও যেন ভারী কিছু পড়ল। কেউ কি লাফ দিল?’

‘হরুর মনে পড়ল জয়নারায়ণের কথা। সাবধানের মার নেই ভেবে তারা আর পরস্পরকে চিঠি লেখে না; কিন্তু মায়ের কাছে এসব ঘটনা জানার পর পরই লোক মারফত জয়নারায়ণ যোগাযোগ করে তার প্রাণের বন্ধু হরুর সঙ্গে; দেখা হয়েছিল তরুবউদির ছোটকাকার ইছাপুরের বাড়িতে।’

খেলাধুলোর মধ্যে দিয়ে ফিরে যান ছেলেবেলার দিনগুলোয়। হাজারও ব্যস্ততার মধ্যে কোনও মতেই খেলা দেখতে ভোলেন না। বিলেতের মাঠে বসে দেখেছেন উইম্বলডন চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা ফুটবল বিশ্বকাপের ম্যাচ। সেসব অভিজ্ঞতাই জানালেন জয় সরকার।

মানবজাতির যে-কোনও কাজ ‘পেরে যাওয়া’র প্রতি একটা অশেষ শ্রদ্ধা আছে। সে-কাজ যদি অনৈতিকও হয়, তা-ও তা গ্রহণযোগ্য, কিন্তু না-পারা নয়। জো-বাইডেন টক্করের লড়াই দিতে পারলেন না বলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন। তা না হলে যে ট্রাম্পের সুবিধে!

‘ওয়ান ম্যান ইন্ডাস্ট্রি বলতে ছোটবেলায় আমি এসব লোকজনকেই বুঝতাম। তা সেই ওয়ান ম্যানের দোকানের সামনে গিয়ে আমরা একটু পিছন দিকে দাঁড়াতাম। সামনের দিকে সম্পন্ন খদ্দেরদের জমায়েত, যাঁরা একজনের জন্য এক প্লেট চাউ বা একটা গোটা রোল কিনতে পারে।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.