
খেলা খোঁজার খেলা
বাঙালির কলকাতা কেন্দ্রিক জীবন থেকে দূরে লৌকিক সংস্কার ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক এই সব দেশজ খেলা থেকে গেছে আমাদের মন জুড়ে; ধুলায় মোড়া মাটির থেকে জন্ম নিয়ে তারা প্রজন্মান্তরে ‘বঙ্গ জীবনের অঙ্গ’ হয়ে রয়ে গেছে আজও…

বাঙালির কলকাতা কেন্দ্রিক জীবন থেকে দূরে লৌকিক সংস্কার ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক এই সব দেশজ খেলা থেকে গেছে আমাদের মন জুড়ে; ধুলায় মোড়া মাটির থেকে জন্ম নিয়ে তারা প্রজন্মান্তরে ‘বঙ্গ জীবনের অঙ্গ’ হয়ে রয়ে গেছে আজও…

একপ্রকার উচ্ছন্নে যাওয়া গোটা পৃথিবীতে প্রায় সবাই তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী সম্পর্কে যা ইচ্ছে তাই অসৌজন্য প্রকাশ করে। তবু এমন কিছু মানুষ আছেন যাঁরা তাঁদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাঁরা এমন কিছু উদাহরণ তৈরী করেছেন যা আমাদের শেখা উচিত।

নিজের ছবি তোলার ব্যাপারে ঋতুপর্ণ ঘোষ বরাবর ‘ভীষণ খুঁতখুঁতে; আলো, ক্যামেরা-অ্যাঙ্গেল, শরীরের ভঙ্গি, মুখের আদল, সর্বোপরি চোখের ভাষা— সবই মনমতো হতে হবে। এদিকে, সেদিন ওর মেক-আপ এবং কস্টিউম— দুটোই আমার বেশ খারাপ লেগেছিল।’

‘‘সব চরিত্র কাল্পনিক’-এ রঙের ব্যবহার থেকে শুরু করে আরও নানা কিছুতে নিরীক্ষামূলক কিছু কাজ হয়েছিল। আমার কেরিয়ারেও তাই ছবিটা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থেকে যাবে। এক্সপেরিমেন্ট করার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিতেন ঋতুদা।’

‘ঋতুদা বললেন, ‘এই শো-তে, দ্য ফার্স্ট থিং, বেঙ্গলস অডিয়েন্স উইল নোটিশ ইজ মাই এফিমিনেসি, আই ওয়ান্ট ইউ টু হাইলাইট ইট!’
আমার কাছে ‘এবং ঋতুপর্ণ’র জার্নিতে এই মুহূর্তটুকু খুব জরুরি মনে হয়’।

‘ঋতুদা ভয়ানক রেগে যায়। হুকুম করেছিল, ‘যাও, বাইরে বেরিয়ে নিল ডাউন হয়ে বসে থাকো।’ আমি সেটের বাইরে বেরিয়ে চেয়ারে বসে আছি, হঠাৎ একজন এসে বলল, ‘কী রে, তুই চেয়ারে বসে আছিস! ঋতুদা আমায় দেখতে পাঠাল তুই নিল ডাউন হয়ে বসে আছিস কি না।’’

ঋতুদাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ঋতুদা, ফ্রেমিং কীভাবে বুঝব? ঋতুদা বলেছিলেন, তুই কমিক্স-এর বই পড়, টিনটিন, বেতাল — যা ইচ্ছে; সেগুলো মন দিয়ে অনুসরণ কর; তাহলেই আলোর সেন্স, (SP- Standerd Play), (EP- Extended Play)— এগুলো সহজে বুঝে যাবি।

‘এভারেস্ট নেপালের বৃহত্তম ইন্ডাস্ট্রি। র-মেটিরিয়ালের দরকার নেই। উৎপাদনের ঝামেলা নেই। টপ ক্লাস কোয়ালিটি। তেনজিংরা ওই সাফল্য না পেলে এভারেস্টের পথে এত মানুষ এগোতেন না।’

‘রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে যাওয়া তেনজিংকে নিয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সঙ্গে রাজনীতিও শুরু হয়ে গেল। এতদিন যাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে কারও কোনও মাথা ব্যথা ছিল না, আজ তাই তেনজিং-এর জন্য মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠল। নেপাল এবং ভারত দু’পক্ষই তাদের অধিকার নিয়ে সচেষ্ট হল।’

‘কত বছরই বা আগের কথা। বছর পনেরো-কুড়ি হবে। মফসসলের এক হাসপাতালের অপারেশন ঘর। অপারেশন টেবিলে লাইগেশন অপারেশন। রোগীর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট ও মৃত্যু। সমস্ত হাসপাতালে দমবন্ধকর অবস্থা। অনিমেষের আহ্বানে সব ডিপার্টমেন্টের ডাক্তাররা ওটিতে হাজির।’

‘জয়নুল আবেদিন নেই, তাঁর আঁকা চিত্রমালা রয়েছে। ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে। রয়েছে অনাহার, বিপর্যয়, শ্রমের শোষণ, ক্রমে ধ্বংস হয়ে চলা নৈসর্গিক রূপ আর, সামাজিক দুঃসময়।’

‘মেট্রো থেকে যখন টালিগঞ্জে নামছি, তখন আরেক দফা হুড়মুড়িয়ে নামল আকাশ ভেঙে। বুঝলাম, আজ কপালে প্রভূত দুঃখ অপেক্ষা করে আছে। এই মুষলধার বৃষ্টিতে কতক্ষণ যে লাইনে দাঁড়াতে হবে, কেউ জানে না, অটো পাওয়া তো অনেক পরের কথা।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.