পত্রিকা

উপল সেনগুপ্ত

অ্যাবরা কা থ্যাবড়া ৬২

কথা থাকবে না, শুধু ছবি। মানে কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র। অবশ্য শুধু ব্যঙ্গ কেন, থাকবে হিহি, খিলখিল, ঠোঁট টিপে মুচকি, একলা দোকলা ফোকলা হাসি। ব্যঙ্গচিত্র কখনও হবে বঙ্গ-চিত্র, কখনও স্রেফ তির্যক দৃশ্য। ছোট্ট ফ্রেম, বিশাল ক্যানভাস।

ব্যাটম্যান: ১৯৮৭ থেকে ২০২২

‘‘দ্য ব্যাটম্যান’ (২০২২) দেখে কিছুটা অবাকই হয়েছিলাম। ঠিক যেন কমিক্সের পাতা থেকে উঠে এসেছে এই রুকি ব্যাটম্যান। সে এখনও গথামকে পুরোপুরি চেনেনি, শহরটাকে নিজের আয়ত্তে আনতে পারেনি। গোয়েন্দাগিরি করতে গিয়ে ভুল করেছে অনেক, আর তার জন্যে মাশুলও দিতে হয়েছে তাকে।’ ব্যাটম্যানের বিবর্তন।

নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়

তখন প্রবাসে রবীন্দ্রনাথ:পর্ব ১

‘যে জনাকয়েক সুন্দরী বান্ধবীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় ছিল, তারা তাঁর গোঁফ-দাড়ি দেখে সকলেই চম্পট দিল। অনেকেই অনেককে করমর্দন করছে কিন্তু ‘বাংলার জমিদার’ রবীন্দ্রনাথের ত্রিসীমানায় আর কেউ ঘেঁষে না। রবীন্দ্রনাথ যারই কাছে যান সে-ই সরে পড়ে।’ প্রথম ইংল্যান্ডের অভিজ্ঞতা।

ছবিতে ডাকবৈশাখ

গত ৩০ এপ্রিল ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি ইন্সস্টিটিউট হল-এ অনুষ্ঠিত হল ডাকবাংলা.কম আয়োজিত ‘ডাকবৈশাখ-১৪২৯’। এ বছরে, প্রথমে অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের গল্প ‘মশা’র নাট্যপাঠ করলেন। পরবর্তী পর্যায়ে অভিনীত হল চাকদহ নাট্যজন প্রযোজিত ‘বিল্বমঙ্গল কাব্য’। গিরিশ ঘোষ অনুপ্রাণিত এই নাটকের নতুন পাঠ ও নির্দেশনা উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়ের। মুখ্যচরিত্রে অভিনয় করলেন অভিনেতা দেবশঙ্কর হালদার।

উপল সেনগুপ্ত, চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

একটা গল্প একটা গান: পর্ব ১৪

ব়্যাপানজেলের একঢাল চুল, কিন্তু অসুখ হয়ে তার টাক পড়ে যায়। আর সেই অসুখ নিয়ে ইয়ার্কি মারতেই, ডাইনিবুড়ি বিশাল থাপ্পড় খায় উইল স্মিথের কাছে। আর গানটায়, এক জাঁদরেল মিলিটারি ক্য়াপ্টেন ভিনগ্রহে গিয়ে ধাঁইধাঁই গুলি চালিয়ে এলিয়েন মারছে, তার ঘাড় অ্য়াকিউট অ্যাঙ্গলে কাত, ডিনার পাক্কা সাড়ে-সাত।

তথাগত

পঁচিশে বৈশাখের কবিতা

‘আমি ব্যঞ্জনের অধীন, ভুখাপেটে কলম নুয়ে পড়ে।/ রোদে কষ্ট পাই তার চেয়ে বেশি কষ্ট ওই দেহজ গন্ধ কেন হাওয়ায় উড়িয়ে যাও।/ ছিঁড়ে খাই, ততটা হিংস্র নই। রবীন্দ্রগান আমাকে মৃদুল ঢ্যামনা করেছে।’ নতুন কবিতা।

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ১৫

‘আমার বাড়ি নামুক রুটি/ আমার পাতে পড়ুক স্যুপ/ আমার ছোট বাচ্চাদুটি/ সব বুঝেও থাকুক চুপ/ যুদ্ধ কত প্রয়োজনীয়/ না-ই বা ফেরে ক’জন লোক/ তাদের তুমি কবর দিও/ আমার গাছে আপেল হোক’ নতুন কবিতা।

অ্যাবরা কা থ্যাবড়া ৬১

কথা থাকবে না, শুধু ছবি। মানে কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র। অবশ্য শুধু ব্যঙ্গ কেন, থাকবে হিহি, খিলখিল, ঠোঁট টিপে মুচকি, একলা দোকলা ফোকলা হাসি। ব্যঙ্গচিত্র কখনও হবে বঙ্গ-চিত্র, কখনও স্রেফ তির্যক দৃশ্য। ছোট্ট ফ্রেম, বিশাল ক্যানভাস।

দেবশঙ্কর হালদার

স্পটলাইট: পর্ব ৫

মঞ্চ এক আশ্চর্য জিনিস। তার ওপর হঠাৎ কোনও অপ্রস্তুত দুর্বিপাক অভিনেতার কাছে আশির্বাদ হয়ে উঠতে পারে, কখনও তা দাঁড়ায় অভিশাপে। যতই আগে থেকে পা মেপে, ফিতে ধরে, উইংস গুণে অভিনয়ের ছক কষা থাক না কেন, সে সেই মুহূর্তে নিজ মহিমাগুণে অভিনেতাকে ভেল্কি নাচন নাচিয়ে দিতে পারে। তা কখনও দর্শকের কাছে হয়ে ওঠে প্রাপ্তি আর অভিনেতার কাছে দুঃস্বপ্ন, আবার কখনও বা ওখান থেকেই তৈরি হয় ওই মুহূর্তের অমরত্ব। স্টেজের জাদু।

ম্যাকি: পর্ব ১৫

‘ জিন যদি policy maker হয় তাহলে ব্রেন হল তার executive। এই ব্যাটা ব্রেন শুধু যদি কেরানি হত, শুধু execute করত তাহলে জিন-এর আজ এই দুর্গতি হত না। ব্রেন, পলিসি মেকিং-এও নাক গলাতে শুরু করে এমন ঝামেলা পাকাল, জিন গাইতে শুরু করল ‘এই করেছ ভালো, নিঠুর হে!’। জিন বলল, ভাই ব্রেন তুই যা ভাল বুঝিস তাই কর, দেখিস আমি যাতে না মরি। এদিকে ব্রেন সাংঘাতিক জিনিস। সে কাউকে বলল সমকামী হয়ে যা। সে সমকামী হয়ে গেল। জিন ওদিকে বলল, গেল! এই দেহটা পুরো জলে গেল রে! দেখি অন্যদিকে।’

শুভময় মিত্র

মিহি মন্তাজ: পর্ব ১৩

‘পাইলট ঘোষণা করল, ‘প্লেন টার্বুলেন্সের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। যাত্রীরা যেন এদিক-ওদিক যাতায়াত না করেন। সিটবেল্ট বেঁধে ফেলেন।’ খাবার না দেওয়া নিয়ে ডামাডোলে থ্রি এফ বিশেষ সক্রিয় হয়ে উঠতে পারেননি। বললেন, ‘প্লেন ঝাঁকিয়ে, মিথ্যে ভয় দেখিয়ে আমাদের চুপ করিয়ে দিল। এভাবে আমাদের দাবায়ে রাখা যাবে না কো।’’ বাঙালির প্লেনযাত্রা।

পৃথিবীর সেরা দশটি পৌরাণিক কাহিনি: পর্ব ৩

‘নিজের প্রাণ বাঁচাতে সেডনার বাবা মেয়েকে সমুদ্রে ফেলে দিলেন, যাতে তুষ্ট হয়ে পাখিরা তাঁকে ছেড়ে দেয়। সেডনা আবার নৌকায় উঠতে চেষ্টা করায় বাবা তার আঙুলগুলো কেটে দিলেন। রক্তাক্ত ছিন্নভিন্ন হাতেই সে আবার সে ওঠার চেষ্টা করায় এবার বাবা কেটে দিলেন তার হাত দুটোই, এবং মেয়েকে তার ছিন্নভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সমেত আবার ফেলে দিলেন জলে। সেডনা যখন সমুদ্রের অতলে ডুবে গেলো, তখন তার কাটা হাত থেকেই জন্ম নিলো মাছ, সীল, তিমি…’