পত্রিকা

দূরপাল্লা : পর্ব ১২

ভ্রমণের দীর্ঘতা নয়, বরং তার বিচিত্র সব অভিজ্ঞতাই স্মৃতিতে থেকে যায়। মাত্র তিন দিনের ছোট্ট ট্যুর, কুরান্ডার জঙ্গল থেকে গ্রেট ব্যারিয়র রিফ— সেই কথাই আবারও মনে করিয়ে দিল।

সুস্নাত চৌধুরী

আবার এসেছি ফিরে

‘একটি ফরাসি কাগজের শিরোনাম হয়, ‘Le marchand de la mort est mort’— মৃত্যুর ব্যবসায়ী মৃত! ভুল খবরটি দেখে নাকি গভীর আঘাত পান নোবেল। মানুষ কি তাহলে তাঁকে বিধ্বংসী ডিনামাইটের আবিষ্কর্তা হিসাবেই মনে রাখবে? এই ভ্রান্তিবিলাস তাঁর চোখ খুলে দেয়।’

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

এক শালিক: পর্ব ৪১

মধ্যপ্রদেশের কয়েকটা ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেল, জনজাতির মানুষকে অকথ্য অত্যাচার করা হচ্ছে। এই অত্যাচার মোবাইলে রেকর্ড করলেও কেউ বিচলিত নয়। আবার, চূড়ান্ত অপমানিত জনজাতির মানুষ বলছেন, উচ্চবর্ণের মানুষকে তার এই সামান্য ভুলের জন্য ক্ষমা করতে বলছেন।

আবীর কর

সাবান ও সুন্দরী

‘সাবানের সঙ্গে সিনে-সুন্দরীদের সোহাগের সম্পর্ক স্থাপনের শুরুটা হয়েছিল লাক্স টয়লেট সাবান গায়ে মেখে। সময়কাল ১৯২৯, লাক্স সাবানের প্রথম তারকা-সুন্দরী লীলা চিতনিস। তখন লাক্স সাবানের দাম দু’আনা। যদিও লাক্সের পথ চলা তারও তিন দশক আগে।’

অনুপম রায়

সং স্টোরি শর্ট : পর্ব ৭

২০০৫ সালে ব্যাঙ্গালোরে বসে লেখা এই গান। কলকাতার প্রতি, নিজের শহরের টান, এই গানের মধ্যে ফুটে ওঠে। আর ফুটে ওঠে মায়ের কাছে ফেরার বাসনা। কোথাও একটু অভিমানও হয়তো-বা। ২০১৮ সালে সৃজিত মুখার্জি তাঁর ‘উমা’ ছবিতে এই গানটি ব্যবহার করেন।

কবির সঙ্গে দেখা : পর্ব ২৮

তাঁর লেখায় দৈনন্দিন আটপৌরে দৃশ্যকল্প থেকেই আমরা চিনতে শিখি এই শহর, এই সমাজ আর তার অন্তর্নিহিত রাজনীতিকে। প্রচারের আলোর বাইরে থাকলেও তাই অচ্যুত মণ্ডলের কবিতা সিরিয়াস পাঠকের কাছে সাদরে সমাদৃত।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

ছায়াবাজি: পর্ব ১৫

মা বললেই কান্না পেয়ে গেলে, আধুনিক ছবি করা শক্ত, অন্তত আউটসাইডার-উত্তর যুগে। এই মাঝামাঝি-কাটিং ছবি বলেই বোধহয় খুব বিখ্যাত হয়েছে এই ফিল্ম, এবং সেজন্যেই আরও সন্দেহের চোখে দেখা উচিত যে কোনও মাঝ-আকাঙ্ক্ষী প্রয়াসকে।

কবীর চট্টোপাধ্যায়

খবরের কাটতি, খবরের ঘাটতি

‘এলিয়েনেশন যে নিছক সামাজিক বা অর্থনৈতিক তত্ত্ব নয়, এর যে একটা বিরাট প্রভাব পড়ে আমাদের চারপাশের রক্তমাংসের মানুষের উপরে, জাগৃতি বা ইমরানদের মানসিক ব্রেকডাউনের উপর দর্শকের দৃষ্টি টেনে রেখে তা স্পষ্ট দেখিয়ে দিল ‘স্কুপ’।’

শান্তনু চক্রবর্তী

ছোটলোকের বিটি লো!

‘‘দহাড়’ বা ‘কাঠাল’-এর অঞ্জলি বা মহিমা কোনও আগমার্কা ‘অ্যাক্টিভিস্ট’ বা সমাজ-সংস্কারক নয়। ‘ভিড়’-এর সুজয় সিং টিকাস-ও নয়। কিন্তু এরা সবাই মিলে একটা অন্য রকম ‘পুলিশের গপ্পো’ (যাকে ‘কপ-স্টোরি’ বললে একটু ছকে পড়ে যেতে হবে!) বলছে।’

রূপম ইসলাম

শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম : শেষ পর্ব

‘আধশোয়া হয়ে এক বোতল জলে মুখ ধুয়ে আর এক বোতল জল পান করে ব্রহ্ম দেখলেন এরিক দত্ত দাঁড়িয়ে আছেন একটা ইনজেকশনের সিরিঞ্জ হাতে। ঝাপসা চোখে তাঁর মনে হল, বুড়ো এরিকের চোখে যেন তিনি জল দেখতে পেলেন। তাঁর বৃদ্ধ বন্ধু কাঁদছেন।’

রূপম ইসলাম

শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম : পর্ব ২৬

‘তিনজন বামন সাইজের জংলী মানুষ এসে প্রথমেই দুটো বিষতির টেনে তুলে ফেলেছে ব্রহ্মের পিঠ আর কাঁধ থেকে। তারপর ক্ষতস্থানে কী যেন ঘষে দিয়েছে জোরে ঠুসে। ব্রহ্মকে বহন করে সেন্টিনেলিজ়দের দ্বীপের অদূরে সমুদ্রে ভাসমান একটি ভেলাতে তুলল ওরা।’

শুভময় মিত্র

মিহি মন্তাজ : পর্ব ২৩

‘টিভির পূর্ণ সমাধির পর জেঠুর হাতের নাগালে থাকত একটা ট্রানজিস্টর রেডিও। তার ব্যাটারি গলে গিয়েছিল। জল-রস বেরিয়ে পড়েছিল। জেঠুর চোখের মতো। আমি সরিয়ে-সুরিয়ে, আলাদা বাক্সে ব্যাটারি ফিট করে, তার জুড়ে, টেপ মেরে চালু করে দিয়েছিলাম।’