ধারাবাহিক

রূপম ইসলাম

শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম : পর্ব ১৯

‘কিশিমোতো খানিকক্ষণ সমুদ্রের পাড়টা ধরে ডানদিক-বাঁদিকে অনির্দিষ্ট হাঁটাহাঁটি করলেন। তাঁর চোখ কিন্তু খুঁজছে একজন বিশেষ কাউকে। তাঁর পিছু নেওয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত খয়েরি রঙের জ্যাকেট আর লাল বেসবল ক্যাপ পরা লোকটা এখন কোথায়?’

রূপম ইসলাম

শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম : পর্ব ১৮

‘গান গাইতে গাইতেই তিনি চোখ বুলিয়ে নিতে থাকলেন ঘরটায় জড়ো করে রাখা আণবিক সংশ্লেষণে ব্যবহার করবার উপকরণসামগ্রীর উপর। একটা বিশেষ কন্টেনারের দিকে চোখ পড়ায় একনিমেষ অবাকও হলেন তিনি।’

রূপম ইসলাম

শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম: পর্ব ১৭

“বিলি গিলচারের মুখটা এখন দেখবার মতো একটা রূপ নিয়েছে। তিনি বুঝতে পারছেন না এই আলোচনাটা চলতে দেওয়া উচিত, নাকি থামালেই ভাল। তবুও যতটা পারেন মনের জোর জড়ো করে বিলি বলে উঠলেন— বাড়াবাড়ি কোরো না টেগোর, সম্পূর্ণ আষাঢ়ে গল্প বানাচ্ছ তুমি…”

রূপম ইসলাম

শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম : পর্ব ১৬

‘কাছেপিঠে ব্রহ্ম ঠাকুরকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না লক্ষ করে বিলি গিলচার বলেছিলেন— চলো এরিক, তোমায় এক জায়গায় নিয়ে যাই। আমার এক পূর্বপুরুষের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত জায়গা। পাশাপাশি তোমাকে আমার কিছু প্রস্তাবও দেওয়ার আছে…’

রূপম ইসলাম

শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম : পর্ব ১৫

‘এদের কাউকে জিজ্ঞেস করলে বিলি নিশ্চয়ই খবর পেয়ে যাবেন। কাকে জিজ্ঞেস করা যায় ভাবতে ভাবতে কিশিমোতো রাতের নির্জন সমুদ্রসৈকত ধরে হাঁটতে থাকলেন। দেখা যাক, স্থানীয় কাউকে পাওয়া যায় কি না।’

রূপম ইসলাম

শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম : পর্ব ১৪

‘ব্রহ্ম ঠাকুর হঠাৎ এ রকম লাল রঙা চশমা পরবেন কেন? তাঁর মুখই বা অমন দয়ামায়াহীন ঠেকবে কেন? আশ্চর্যের হিসেব হঠাৎ গুলিয়ে গেল। সে মনেমনে ভাবল— লোকটার কথাই কি তবে ঠিক? এ বোধহয় সত্যিই ড: ব্রহ্ম ঠাকুর নয়। তাহলে রহস্যময় এই ব্যক্তিটি আসলে কে?’

রূপম ইসলাম

শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম: পর্ব ১৩

‘অন্ধকার সিঁড়িগুলো অনেকটা নীচে নেমে এসে মাটির তলার একটা করিডোরে মিশেছে। এখন সেই করিডোর ধরে এগিয়ে চলেছেন দু’জন অন্ধকারের অভিযাত্রী। কিশিমোতোর হাতে ধরা টর্চের আলোটুকুই তাঁদের কাছে এখন অন্ধের যষ্ঠি।’

রূপম ইসলাম

শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম: পর্ব ১২

‘কিশিমোতোও একটু অন্যমনস্ক হয়ে কীসব চিন্তা করছিলেন। হয়তো তাঁর বাবার নিরাপত্তার কথাই তাঁর কাছে এখন মুখ্য হয়ে উঠছিল। ড: ব্রহ্ম ঠাকুরকে নিয়ে রস দ্বীপের গবেষণাগারে আসাটা বিলি গিলচার কী চোখে দেখবেন? এটা হঠকারী একটা সিদ্ধান্ত হয়ে গেল নাকি?’

শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম: পর্ব ১১

‘ঠিক যেমনটি সে ছকে রেখেছিল, তেমন করেই রাতের অন্ধকার এবং বাড়ির ফটকে মোতায়েন দুজন প্রহরী-পুলিশের মধ্যে একজনের নৈশাহারে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে লোকটা নিঃশব্দে পেরিয়ে এল দুটো ছাদ।’

শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম: পর্ব ১০

‘কিশিমোতোর সম্পর্কে এখনও নিঃসন্দেহ হওয়া যাচ্ছে না— একটা দোলাচলে ভুগছেন তিনি। জাপানি তরুণের এই প্রস্তাব একটা ফাঁদও তো হতে পারে!’

শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম: পর্ব ৯

‘প্রাচীনকালে ডাকাতরা যেমন ডাকাতেকালীর পুজো না দিয়ে ডাকাতিতে বেরোত না, বাপন মেকআপে হাত দেওয়ার আগে মেকআপ-কালীর আশীর্বাদ নেন।’

শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম: পর্ব ৮

‘তাঁবুর মধ্যে এক পা রাখতেই ঘাড়ের বাঁদিকে একটা ধাতব শীতল স্পর্শ অনুভব করলেন কিশিমোতো। বুঝলেন একটা রিভলভারের নলের ডগা তাঁর ঘাড়ে ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছে।’