
বাংলার বাইবেল : পর্ব ৬
সারা পৃথিবীর মতো ভারতেও দীর্ঘদিন ধরেই একটি নিজস্ব খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের ধারা সময়ের সঙ্গে গড়ে উঠেছে। আমরা হুতোমের লেখায় কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্লেখ আগেই দেখলাম। তিনি ভারতীয় থিওলজির একজন আদিপুরুষ।

সারা পৃথিবীর মতো ভারতেও দীর্ঘদিন ধরেই একটি নিজস্ব খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের ধারা সময়ের সঙ্গে গড়ে উঠেছে। আমরা হুতোমের লেখায় কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্লেখ আগেই দেখলাম। তিনি ভারতীয় থিওলজির একজন আদিপুরুষ।

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ফণীশ্বরনাথ রেণু, রাজকমল চৌধুরী ও রবি বর্মা।

‘‘এই দাদারা ছিলেন সব ‘কোনি’র ক্ষিদ্দা, এঁরা আমাদের স্বপ্ন দেখাতেন। কী স্বপ্ন দেখাতেন জানেন? আপনি কী ভাবছেন— ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন? ও-গুলো পরে, আগে ছিল ফার্স্ট ডিভিশনে কোনও ভাল ক্লাবে খেলা।’’

‘‘এখন প্রশ্ন হতে পারে যে, বাইবেল একবার নির্দিষ্ট হয়ে যাওয়ার পরেও এত পার্থক্য কেন? এর কারণ বাইবেল কেন্দ্রীয়ভাবে একরকম নির্দিষ্ট হলেও স্থানীয় ভাবে নানান প্রভাব এসে পড়ত। প্রেস তো ছিল না! আবার গোড়ার যুগেও অনেক স্থানীয় অনুবাদ হত। আর সেগুলোর চটজলদি ‘কপি’ ও তৈরি হয়ে যেত খুব অল্প সময়ে।’’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে প্রদীপ চৌধুরী, পবিত্র মুখোপাধ্যায় ও রণজিৎ দাশ।

‘মানুষে পশুতে ভেদাভেদ থাকত না আর-একটা বেলায়— সেটা হল শ্মশানকালীর ভাসানের দিন। শ্মশানকালী বিসর্জনের বিশাল শোভাযাত্রা। শ্মশান এলাকার মস্তান ছিল ভীম। চেতলার দিকে তখন ধ্রুবর হেব্বি নামডাক। সে-সময়ে ভীম আর ধ্রুব দিন নেই রাত নেই সোডার বোতল আর পেটো ছোঁড়াছুড়ি করত।’

‘ইহুদিরা কলকাতায় এসেছিলেন মূলত ব্যবসার সূত্রে। মনে করা হয়, কলকাতায় আসা প্রথম ইহুদির নাম, শালোম বেন অ্যারন বেন ওবাদিয়া হাকোহেন। তবে তার আগে লিয়ন প্রাগার নামে একজন ইহুদি বণিক কলকাতায় এসেছিলেন বলে জানা যায়।’

‘‘প্রোটেস্ট্যান্টরা বাইবেলের অনুবাদ ও বাইবেল নির্ভর প্রচারের ওপর বিশ্বাস করতেন বেশি। কেরিও মনে করতেন যদি এ-দেশীয়দের হাতে নিজের ভাষায় বাইবেল তুলে দেওয়া যায়, তাহলে বাইবেলই তাঁদের পথ দেখাবে ও ‘অন্ধকার থেকে আলোর’ দিকে নিয়ে আসবে।’’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে দেবী রায় ও অরুনেশ ঘোষের চিঠি।

‘তখন সিনেমা হলের পাস ছিল। আর উজ্জ্বলার চানাচুর ছিল। এখন উজ্জ্বলা হল নেই, কিন্তু চানাচুর আছে। মন্টু বোস নেই, কিন্তু বসুশ্রী আছে। মন্টু বোসের মতো কোনও সিনেমার মালিকের এমন দেখনদারি ব্যক্তিত্ব ছিল না। ছোটখাট, গোলগাল, সাদা ধুতি আর গিলে-করা পাঞ্জাবি পরা মানুষটার সিগারেটে টান যারা দেখেছে, তাদের চোখে লেগে আছে।’

‘১৮৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত, সদর স্ট্রিটে অবস্থিত ওয়েসলেয়ান মেথডিস্টদের এই উপাসনালয়টি আগে ওয়েসলেয়ান মেথডিস্ট চার্চ নামে পরিচিত ছিল, তবে বর্তমানে এটির নাম সি.এন.আই ওয়েসলেয়ান চার্চ। এই চার্চ মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশি উদবাস্তুদের পুনর্বাসনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছিল।’

‘‘বাংলা বাইবেল-সংক্রান্ত প্রথম বিজ্ঞাপনটি আমারা পাই ১৭৮৩ সালের ১ নভেম্বরের ‘ইন্ডিয়া গেজেট’ পত্রিকায়। বেশ রহস্যের ঢঙে লেখা সেই বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলায় ধর্মগ্রন্থ (স্ক্রিপচার্স) অনুবাদে কেউ আগ্রহী এবং যোগ্য হলে, তাঁকে আর্থিক সাহায্য করা হবে।’’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.