
‘থিয়েটার কমিউন’
১৯৭২ সালে নিজের দল করলেন নীলকণ্ঠ সেনগুপ্ত, ‘থিয়েটার কমিউন’। ১ জুলাই। দল তৈরি করার সময় ওঁর দৃষ্টিভঙ্গিটা যেমন বুঝেছিলাম, যে উনি থিয়েটারটা করতে চাইছেন, অনেকটাই আবেগ থেকে।

১৯৭২ সালে নিজের দল করলেন নীলকণ্ঠ সেনগুপ্ত, ‘থিয়েটার কমিউন’। ১ জুলাই। দল তৈরি করার সময় ওঁর দৃষ্টিভঙ্গিটা যেমন বুঝেছিলাম, যে উনি থিয়েটারটা করতে চাইছেন, অনেকটাই আবেগ থেকে।

‘উড়ন্ত সে-সীমা থেকে আরও কিছু দূরে গেলে টিলা।/ নীচে যে-শহর, তা আসলে আংটি। শয়তানের হাতে।/ আলো ও শব্দের মধ্যে যুবতীরা সহজ টাকিলা…/ নেশার নিকষ ডানা, উড়ে যাবে কাল, সুপ্রভাতে।’

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। আজ শেষ পর্বে, অ্যাট্রোপিনের কথা।

‘কালীঘাট গেলে, অল্প বয়স থেকেই আমি মৃত্যুর খবর পাই। কাউকে চিনি, কাউকে শত চেষ্টা করেও মনে করতে পারি না। তবে একটা ব্যাপারে আমি নিশ্চিত— গলির যে-সব ছেলেমেয়েরা ছেলেবেলায় আমার সঙ্গীসাথী ছিল, তারা কেউই বেঁচে নেই। চল্লিশ পর্যন্ত ওদের কোটা। ওরা বুড়ো বা বুড়ি হয় না।’

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এ-পর্বে কিউরারি বিষের কথা…

আপনারা তো কালীঘাট মানেই কয়লা, বালি, চাকরি এবং গোটা পশ্চিমবঙ্গ চুরির কথা ভাবেন, কিন্তু মনুকা ছিল ভিন্ন গোত্রের চোর। মনুকা কী চুরি করত জানেন, পাঁঠার মাথা! এটাতেই ওর স্পেশালাইজেশন। পালা-পার্বণে কালীঘাট মন্দিরে অসংখ্য পাঁঠা বলি হত।

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এবারে, আর্সেনিক-কথার শেষ পর্ব।

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এবারে, আর্সেনিক-কথার দ্বিতীয় পর্ব।

কালীঘাট কালীমন্দিরের চত্বরে এলেই আপনি প্রথম দিকে ফুলের গন্ধ পাবেন। সকালবেলা এলে ফুলের পাশাপাশি দুধ মেরে ক্ষীর করা পেঁড়ার গন্ধও মুখে জল এনে দিতে পারে। এবার পায়ে পায়ে মন্দিরের ভেতর ঢুকুন, সেখানে ফুলের গন্ধের সঙ্গে মিশবে ধূপধুনো।

‘পরিক্রমা শেষ হলে মন ফেরে বিছানার কাছে/ শরীর তখন ঘুমে অচেতন। শিয়রে ঘড়িটি/ সাক্ষী থাকে ভ্রমণের, কাঁটা জ্বলে মুহূর্তের আঁচে…/ প্রতিটি মৃত্যুই জেনো নতুন ঘুমের জন্মতিথি।’

‘আমাদের বড্ড কাছাকাছি। জায়গাটা ঠিক কোথায়, চিন্টু বলেনি। বুঝে নিয়েছে। ঠিক হল, মাথায় ব্যান্ডেজ বেঁধেই চিন্টু যাবে সেই সিনেমার পরিচালকের বাড়ি। ও, রুমি অ্যালবাম নিয়ে এসেছে। আমি আর চিন্টু উঠে পড়েছি গঙ্গারামের রিকশায়।’

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এই পর্বে আর্সেনিকের কথা।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.