
মাঝরাস্তার পথিক
‘বেকারত্ব, সংকটে ভরা সেই দশকের ইতিহাসে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের আখ্যান অবলম্বনে, তপন সিংহর এই চলচ্চিত্র, এই যুবককুলের প্রতি সমব্যথী হয়েছিল, যার সম্পূর্ণ বিপরীতাভাস তাঁরই ছবিতে উঠে আসবে আর ঠিক এক দশক পরে।’

‘বেকারত্ব, সংকটে ভরা সেই দশকের ইতিহাসে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের আখ্যান অবলম্বনে, তপন সিংহর এই চলচ্চিত্র, এই যুবককুলের প্রতি সমব্যথী হয়েছিল, যার সম্পূর্ণ বিপরীতাভাস তাঁরই ছবিতে উঠে আসবে আর ঠিক এক দশক পরে।’

‘‘শুনে মনে হবে এ যেন বিলিতি ধারণা! অথবা ‘জেন জি’ এই এই শব্দ বা সংস্কৃতির জন্ম দিয়েছে। আদৌ তা নয়, হুকআপ কালচার আগেও ছিল। কিন্তু তখন এই সংস্কৃতির নাম ছিল না। তবে হুকআপ কালচার মানেই, একজনের সঙ্গে শুধু শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এমনটা নয়।’’

দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প জীবনের দ্বান্দ্বিকতার কথাই বলে। তাঁর চরিত্ররা হেরো নয়, নিষ্ক্রিয় নয়। তারা পরিস্থিতি বোঝে, সিদ্ধান্ত নেয়, অবস্থানও নেয়। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের অসম্পূর্ণতাও বোঝে। বোঝে জীবনের পরিত্রাণহীনতার কথা।

‘‘প্রোটেস্ট্যান্টরা বাইবেলের অনুবাদ ও বাইবেল নির্ভর প্রচারের ওপর বিশ্বাস করতেন বেশি। কেরিও মনে করতেন যদি এ-দেশীয়দের হাতে নিজের ভাষায় বাইবেল তুলে দেওয়া যায়, তাহলে বাইবেলই তাঁদের পথ দেখাবে ও ‘অন্ধকার থেকে আলোর’ দিকে নিয়ে আসবে।’’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে দেবী রায় ও অরুনেশ ঘোষের চিঠি।

‘তবে চলচ্চিত্র-নির্মাতার কাছেও দেখার দু’টি পথ খোলা থাকে। একটি আপেক্ষিক, যা দৃশ্যকে শুধু গল্পের প্রয়োজনে ব্যবহার করে; অন্যটি পরম, যা দৃশ্যকে তার নিজস্ব প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রয়োজনীয় সময়টুকু দেয়। বেলা টারের চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে দ্বিতীয়টি ঘটে।’

“উমর, তোমার বাবাকে দেখলাম কোনও কোনও সংবাদমাধ্যমে। তাঁকে দেখে মনে পড়ল রামায়ণ, মনে পড়ল বৃদ্ধ দশরথের কথা। হয়তো মনে পড়ত না, যদি আমার ভাষার কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়, রাজনীতি করা এক ছেলের বাবার জবানিতে না লিখতেন, ‘ফেলে রেখে আমাকে বন্ধনে/মুক্তির লড়াই লড়বে বলে/ছেলে গেছে বনে।’”

আজকে যেভাবে ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্বকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মাদুরো-কে অপহরণ করা হল, তা শুধু আন্তর্জাতিক আইনের বিরোধী নয়, এটি হল জাতিসংঘের সনদের ওপর সজোর কষাঘাত। খুল্লমখুল্লা বুঝিয়ে দেওয়া যে, ক্ষমতাশালীদের আইনের তোয়াক্কা করার দরকার নেই।

‘‘বাংলা বাইবেল-সংক্রান্ত প্রথম বিজ্ঞাপনটি আমারা পাই ১৭৮৩ সালের ১ নভেম্বরের ‘ইন্ডিয়া গেজেট’ পত্রিকায়। বেশ রহস্যের ঢঙে লেখা সেই বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলায় ধর্মগ্রন্থ (স্ক্রিপচার্স) অনুবাদে কেউ আগ্রহী এবং যোগ্য হলে, তাঁকে আর্থিক সাহায্য করা হবে।’’

‘‘এই প্রদর্শনীতে পুরাণ ও বিভিন্ন দেবদেবীর ছবিসমূহ যেমন এসেছে, তেমনই এসেছে লোকসংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদানও। টেম্পেরা মাধম্যে অঙ্কিত ‘কালীনাচ’ শীর্ষক ছবিটির এঁর অন্যতম উদাহরণ; এই ছবিতে বিভিন্ন জনমানসের সমাগমে বহুরূপী সেজে কালীকথার প্রদর্শন হচ্ছে। এছাড়াও প্রদর্শিত হয়েছে ‘বর বরণে’ শীর্ষক ছবি।’’

‘‘একবার ভাবুন তো, কলকাতার ক্রীড়া-সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে এই হিন্দুত্ববাদী আস্ফালনের ন্যূনতম সম্পর্ক রয়েছে কি না? আর কেনই-বা বিসিসিআই ক্রিকেট পরিচালনার ক্ষেত্রে এইসব অ-ক্রিকেটীয় ব্যতক্তিদের ‘হুমকিকে’ পাত্তা দেবে?’’

দর্শক হিসেবে হার মানতে বাধ্য হলাম শ্রীরাম রাঘবন ও তাঁর লেখক টিমের কাছে। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, যুদ্ধ আসলে কী? শত্রুপক্ষ আর সৈন্যের জবরজং ইউনিফর্মের ভেতরে থাকা মানুষটার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারা কি একজন সৈন্য ওরফে মানুষের কাজ নয়? যুদ্ধের সময়ে যথানির্দেশ আক্রমণ হানা অথচ জয়ে বা পরাজয়ে আনত হওয়া কি একজন সৈন্য ওরফে মানুষের কাজ নয়?
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.