
টয়ট্রেনের সাতকাহন
‘ভারতবর্ষে টয়ট্রেন গঠনের ইতিহাস জানতে হলে, আমাদের জানতে হবে— ব্রিটিশ শাসিত ভারতে ‘হিলস্টেশন’ তৈরির পূর্বসূত্র, যার সঙ্গে জড়িয়ে ঔপনিবেশিক বর্ণবৈষম্য।’

‘ভারতবর্ষে টয়ট্রেন গঠনের ইতিহাস জানতে হলে, আমাদের জানতে হবে— ব্রিটিশ শাসিত ভারতে ‘হিলস্টেশন’ তৈরির পূর্বসূত্র, যার সঙ্গে জড়িয়ে ঔপনিবেশিক বর্ণবৈষম্য।’

‘প্রেম কেড়ে নেওয়ার তরবারি যেমন কতটা ছেদ করে যায় বোঝা যায় না, তেমনি আরোগ্য-কাণ্ডের কোলকুঁজো স্টান্স এবং ভিটভিটে রেলাও তার তুখড় খেলা আবডালে রাখে। আগে কে জানত, তেড়ে ফুচকা খেয়ে নিলেই যে-জ্বালাটা ধরে, তেঁতুলজল আর অশ্রুজলে তফাত গুলিয়ে যায়!’

কাফকা আসলে বলতে চেয়েছিলেন একটা নোংরা, ক্ষতিকর, বিকটদর্শন কীটের কথা। এর পরিচয় নির্দিষ্ট করা তাঁর ইচ্ছে ছিল না। তাই বই প্রকাশের সময় নির্দেশ দিয়েছিলেন, প্রচ্ছদে বা ভেতরে কোথাও যেন পোকার ছবি না থাকে। আসলে, পোকার চেয়ে কাফকার ঝোঁক বেশি ছিল পোকার উপদ্রবের দিকে।

ম্যাজিক বিষয়ে তাঁকে কিছুটা স্বশিক্ষিতই বলা চলে। দশম শ্রেণিতে পড়াকালীন প্রকাশিত হয় জাদুবিষয়ক প্রথম রচনা। বছরচারেক যেতে-না-যেতে, লন্ডন থেকে প্রকাশিত বিখ্যাত ‘দ্য ম্যাজিসিয়ান মান্থলি’ পত্রিকায় লিখলেন জাদু নিয়ে মৌলিক প্রবন্ধ।

‘ফ্রান্সের থিয়েটারে আঠেরো শতকে খুবই জনপ্রিয় ছিল এই ক্ল্যাকাররা; আর কে না জানে, আবেগ খুবই সংক্রামক! তার মধ্যে সবচেয়ে সংক্রামক সম্ভবত হাততালি। প্রেক্ষাগৃহের একটি কোণে দু’জনের হাততালি মুহূর্তে ছড়িয়ে যায় গোটা প্রেক্ষাগৃহে।’

‘এই রায় জানায় যে, তাঁরা রাষ্ট্রের চোখে অবৈধ নন। এই রায় LGBTQIA+ সম্প্রদায়ের মধ্যে এক নতুন আলো দেখায়— প্রথমবার তাঁরা স্বাধীনভাবে ভাবতে পারেন, ‘আমাদের অস্তিত্ব স্বীকৃত, আমাদের ভালবাসা অপরাধ নয়।’’

‘এই মুহূর্তে সম্মিলিত এমার্জেন্সির তুলনায় ইন্ডিভিজুয়াল এমার্জেন্সি বাজারে ট্রেন্ডিং। দেখলাম, গার্হস্থ্য হিংসার আর্তনাদ নিয়ে পালিয়ে এসেছিল যে মেয়েটি, পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে দারুণ চিৎকার করল। চেয়ে চেয়ে দেখল পাড়ার মাতব্বররা, খুব বেশি এগিয়ে গেল না কেউ।’

‘রিহ্যাব কী? যেতে পারি কিন্তু কেন যাব? সংযম কথাটার মানে বোঝায়, ঘড়ি শুধু হাতের অলংকার নয়, সময়ের কাজ সময়ে করতে শেখায়। একটা নিয়মের মধ্যে থাকাটাও বাস্তবিক— এটা বুঝতে শেখায়; দিনের শেষে, সামাজিক থাকাটাও তো জরুরি।’

‘সবেতেই কি শুধু ছেলেরা? মেয়েরা পর্দায় আসে কেবল মিনমিনে নাচ আর তুলতুলে সংলাপ নিয়ে? ঠিক আছে, তাই-ই সই। তাহলে, তুলতুলে কয়েকটি চরিত্র নিয়েই কথা হোক আজ। কারণ, মলম আসলে নরম এবং তুলতুলেই।’

‘যে-কোনও মলম, যুগে-যুগে যার একটিমাত্র সর্বজনীন উপাদান— ফ্যাট, তার বাংলা তর্জমা কি কেউ ‘স্নেহ পদার্থ’ করতে পারে? যিনি করেছিলেন, তিনি তো আর মলমের আরাম দেওয়ার ক্ষমতার দিকটি ভেবে এই তর্জমা করেননি।’

‘পঞ্চায়েত’ সিরিজ আমাদের মনের অজান্তেই বলে দেয়— ক্ষমতার লড়াই কেবল বড় মঞ্চে হয় না, সেটা আমাদের চারপাশের ছোট-ছোট বৃত্তের মধ্যেও চলে। অফিস, পরিবার, বন্ধুবৃত্ত— সব জায়গায় এই নিঃশব্দ খেলা চলতে থাকে। এখানেই সিরিজের বিশাল সাফল্য।

‘যে যাই বলুক, এই কালোর দোকান যেন শান্তিনিকেতনের কফি হাউস। কিংবা হয়তো তার কিছু বেশিই। কত যে বিশিষ্ট মানুষজন এখানে এসেছেন, এই আড্ডায় মজে চা-শিঙাড়া গ্রহণ করেননি, এমন মানুষের হদিশ পাওয়া মুশকিল। এমনকী, আশ্রমের উৎসব-অনুষ্ঠান উপলক্ষে খাবার তৈরিতে কালোর দোকানের নামই মনে আসত সকলের আগে।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.