

কবিতার ঘরদোর
‘বাংলা কবিতার উদযাপন যে কী তুমুলভাবে কলকাতা-কেন্দ্রিক, আমরা সবাই জানি। অথচ গ্রামে-মফসসলে-জেলাশহরগুলোতে নিয়ত বহমান কবিতার যে স্রোত, তা রাজধানীকেও পুষ্টি জোগাতে সক্ষম।’
‘বাংলা কবিতার উদযাপন যে কী তুমুলভাবে কলকাতা-কেন্দ্রিক, আমরা সবাই জানি। অথচ গ্রামে-মফসসলে-জেলাশহরগুলোতে নিয়ত বহমান কবিতার যে স্রোত, তা রাজধানীকেও পুষ্টি জোগাতে সক্ষম।’
‘আমি সবসময়ে স্টিক পাপেট, বা কাট-আউট পাপেট, এগুলো বেশি ব্যবহার করে। অনেকগুলো পাখি দিয়ে আমি শিকারীর জাল ছিঁড়ে উড়ে যাওয়ার গল্পও বলতে পারি, আবার অন্য ধরনের হাজারও গল্প বলতে পারি।’
গ্রক ভারত সরকারের অবাধ্য হলেও মার্কিন সরকারের অবাধ্য নয়। ‘রাজনৈতিক সমালোচনা’ ও ‘মুক্তমত’ বলতে কিন্তু গ্রক সর্বত্র কোদালকে কোদাল বলা বোঝে না।
‘হাহাকারের ধৈবত নিয়েই বিসমিল্লাহ-র বিশ্ব। বিসমিল্লাহ খাঁ-কে বাবরি পরবর্তী রামমন্দির দেখে যেতে হয়নি। হোলি বলতে তিনি শুধুই বুঝতেন হোরি, কাজরির সমাহার।’
‘তখন এত শব্দ নেই, বাড়িতে-বাড়িতে টেলিভিশন বা মোবাইল নেই। অখিলদার ঠুমরি শোনার জন্য গোটা এলাকা উন্মুখ হয়ে আছে, আর চারিদিক যেন সুরের ঝরনাধারায় ধুয়ে যাচ্ছে। আসলে অখিলদা আধুনিক গান গাইলেও, আধুনিক গানের মধ্যে শাস্ত্রীয় সংগীতের ছোঁয়া দেখা যেত।’
‘ক্রিকেট যেহেতু আমার দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে, তাই সিনেমার মতোই ক্রিকেট জনসমর্থনের অন্যতম হাতিয়ার। আকাশ চোপড়ার ধারাভাষ্যে ‘আত্মনির্ভর’ শব্দটি বারংবার উঠে এসেছিল সুচতুরভাবেই।’
‘হিমানীশ গোস্বামী ছিলেন স্বঘোষিত ‘মার্ক্সিস্ট’। তবে কার্ল মার্ক্স না, গ্রাউচো মার্ক্স। আমেরিকার ওই গুঁফো কমেডিয়ান তাঁর চার ভাই হার্পো, চিকো, জিপো আর গামোর সঙ্গে মিলে অসম্ভব মজার সব সিনেমা করেছেন।’
‘সোমবার নিশ্চয়ই মনে মনে ভাবে, আমি কেন এমন অভিশপ্ত হয়ে জন্মালাম! মানুষই তো এর জন্যে দায়ী। কিন্তু সে-বেচারা তো আর কবির ভাষায় মানুষকে তীব্র অভিযোগ জানাতে পারে না যে, ‘আমারে তুই আনলি কেন, ফিরিয়ে দে!’’
‘কল্পনার মহাকাশে বিলীন হয়ে যাওয়ার বাইশ বছর পর বিশ্বের এই যে বদলে যাওয়া, যেখানে রাষ্ট্রনেতা থেকে গড়জনতা— সকলেরই মানবিকতার বিপুল অবক্ষয়, মহাকাশ থেকে এই নীলগ্রহীর বদলে যাওয়া দেখে কি অগোচরে কষ্টই পাচ্ছেন কল্পনা?’
‘শেখ মুজিবকে দু’ভাবে দেখা উচিত। এক, মুজিব ভাই, আর দ্বিতীয়টি ‘বঙ্গবন্ধু’, ‘জাতির পিতা’, ‘বাংলাদেশের রূপকার’ ইত্যাদি ইত্যাদি। মুজিব ভাই নিঃসন্দেহে দোষেগুণে অসম্ভব বড় একজন নেতা।’
‘যে-যে প্রয়োজনে আমরা অভিধান দেখি তা ‘বিনা বাহুল্যে সাধিত’ করাটাও তাঁর উদ্দেশ্য ছিল। সেই সঙ্গে চেষ্টা করেছেন যাদের মাতৃভাষা বাংলা নয়, বা যারা আধুনিক চলিত ভাষা সম্পর্কে ততটা পরিচিত নয় তারাও যাতে এই অভিধান কাজে লাগাতে পারে।’
‘সেন্ট লুসিয়া কিন্তু আক্ষরিক অর্থে আগ্নেয়গিরির শিখরে পিকনিক। এই দ্বীপের জন্ম আগ্নেয়গিরির উদগীরণ থেকে।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2025 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.