প্রবন্ধ

সুশোভন অধিকারী

চিত্রবিচিত্রকথা

‘‘গ্রন্থের শিরোনাম ‘পটে লিখা’, তার সঙ্গে যুক্ত এক ব্যঞ্জনাময় সাব-টাইটেল— ‘রূপ, অরূপ আর স্মৃতির কথন’, লেখক মনসিজ মজুমদার। গ্রন্থনাম আর গ্রন্থকার একত্রে এই বইয়ের অন্দরমহল জুড়ে মুহূর্তে বিপুল আগ্রহ তৈরি করে দিল। সে বইখানা নিয়েই আজ দু’-চার কথা, না একে গম্ভীর শব্দবন্ধে গ্রন্থসমালোচনা কখনওই বলা চলে না। এ যেন চায়ের পেয়ালা হাতে শিল্পিত অবসর যাপন।’’

Representative Image
অর্পণ ঘোষ

পাথর কথা বলে

‘বইয়ের মূল বিষয়মুখ বটতলাকেন্দ্রিক হলেও, যেভাবে লেখক ঔপনিবেশিক সমাজের পটভূমি আলোচনা করে মূল প্রসঙ্গে প্রবেশ করেছেন, সেখানেই এই কাজটি স্বতন্ত্র হয়ে উঠেছে। কেন ও কীভাবে চিৎপুর ও তার সামগ্রিক সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে বটতলা-সাহিত্য জন্ম নিল তা সংক্ষেপে হলেও নিপুণভাবে দেখানো হয়েছে।’

Represenntative Image
বিজয় দে

চরিত্রের জন্ম হয়

‘বলা বাহুল্য, চরিত্ররা সেই নেশাগ্রস্ত মানুষ, যা তাদের জীবনকে নির্ধারিত ফলাফলের অপেক্ষা না করে ঠেলে দিচ্ছে জীবন-যাপনের একেক দিকে।’

ঋত্বিক মল্লিক

জাদুগ্রন্থনা

‘তাঁর পুত্র এই বইয়ে প্রতুলচন্দ্রের জাদুর কৌশল, চেনা ম্যাজিকের মধ্যে নানারকম ইম্প্রোভাইজেশন এবং জাদু-প্রদর্শনের মাধ্যমে সারা পৃথিবী মাতিয়ে দেওয়ার বর্ণনা দিয়েছেন। অত্যন্ত সুখপাঠ্য সেই সব অংশ। কিন্তু ম্যাজিশিয়ান সত্তা ছাড়াও তাঁর চরিত্রের আরও কিছু দিক এখানে এসেছে, যা বোধহয় তাঁকে সত্যি সত্যি লৌকিক থেকে অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ হিসেবে আমাদের সামনে উপস্থিত করে।’

গৌতমকুমার দে

ছোটদের রামায়ণ

আমাদের সেকেলে দিদিমা-ঠাকুমাদের গল্প বলার সংস্কৃতি যেভাবে বিলীন হয়েছে কালের গর্ভে; ঠিক সেই ধারায় সংরক্ষণের অভাবে চিরতরে হারিয়ে গেছে পণ্ডিতমশাইদের স্ব-উদ্যোগে ছাপা ও বিনে পয়সায় বিলি করা, ছোটদের কথা ভেবে লেখা আরও অনেক রামায়ণ!

Representative Image
তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: পর্ব ৭

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ফণীশ্বরনাথ রেণু, রাজকমল চৌধুরী ও রবি বর্মা।

অর্পণ গুপ্ত

গ্যালারি পেরিয়ে

‘এ-বই আদ্যোপান্ত খেলার বই। কিন্তু, এ-খেলা কেবলই সাইডলাইনের ভেতর সীমাবদ্ধ নেই। তা গ্যালারি ছাড়িয়ে বৃহত্তর গ্যালারিকেও করে নিয়েছে খেলারই অংশ। বইয়ের উপজীব্য বিশ্বকাপ ফুটবলের ৯৬ বছরের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ৩৩টি ম্যাচ।’

জয়দীপ ঘোষ

আরামের দ্বার ভেঙে

‘এ বই যতক্ষণ-পারা-যায় ছুঁয়ে বসে থাকবার বই। আরাম নয়, উপশম তো নয়ই, এ বই ছুঁলে কিন্তু তীব্র একরকমের অস্বস্তি হয়।’

আশিস পাঠক

‘মানিকবাবু’

‘লেখাগুলোর সবই নানা পত্রপত্রিকায় নানা সময়ে প্রকাশিত। বেশির ভাগই আড্ডার ধরনে, আড্ডার কথা লেখা। সে-আড্ডায় কেবল মানিকবাবু আর শাঁটুলবাবু ছিলেন না। ছিলেন না ছিলেন সেই ফুরনো কলকাতার আরও কিছু প্রদীপ।’

প্রিয়ক মিত্র

অঞ্জনবর্ণ

“অঞ্জন দত্ত-র ‘চলো লেট’স গো’ যাঁরা দেখেছেন, যাঁরা দেখেছেন ‘দত্ত ভার্সেস দত্ত’, তাঁরা জানেন, সেইসব সিনেমার আখ্যানের গতিবিধি ঠিক চেনা ছন্দে এগোয় না। সময় লাফায়, ওই স্প্রিং বোর্ডের ওপরের লাফের মতো, সেসব ছবির ন্যারেটিভে। দে’জ পাবলিশিং প্রকাশিত ‘অঞ্জন নিয়ে’ বইটা আদতে অনেকগুলো লাফের সমগ্র।”

পিনাকী ভট্টাচার্য

বাস্তুহারা কারা?

‘‘‘সুখনিবাস-যোগ্য স্থান’-ই বাস্তু। শুধু রাজনৈতিক কারণে বাস্তুহারা নয়, হাজারে-হাজারে, লাখে-লাখে যে-সব মানুষ নিজেদের শৈশবের/কৈশোরের/যৌবনের সুখের নিবাস থেকে ঠাঁই-নাড়া হয়েছে, তাদের সুখনিবাস থেকে বিতাড়িত হয়েছে, ছিটকে পড়েছে শহরের, দেশের, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তরে— তারাও কি বাস্তুহারা নয়!’’

Representative Image
অরিক্তম চ্যাটার্জি

বাংলার বাইবেল: পর্ব ৫

‘‘এখন প্রশ্ন হতে পারে যে, বাইবেল একবার নির্দিষ্ট হয়ে যাওয়ার পরেও এত পার্থক্য কেন? এর কারণ বাইবেল কেন্দ্রীয়ভাবে একরকম নির্দিষ্ট হলেও স্থানীয় ভাবে নানান প্রভাব এসে পড়ত। প্রেস তো ছিল না! আবার গোড়ার যুগেও অনেক স্থানীয় অনুবাদ হত। আর সেগুলোর চটজলদি ‘কপি’ ও তৈরি হয়ে যেত খুব অল্প সময়ে।’’