
চোখ-কান খোলা: পর্ব ২৭
‘ন’মাসে-ছ’মাসে একটা করে গণআন্দোলনের ঢেউ উঠলে কর্পোরেট অফিসফেরত পাবে না গিয়ে অবস্থান বা অনশনে যাবে, গম্ভীর মুখে স্লোগানে গলা মেলাবে, ছুটির দিন বা রোববারে মিছিল হলে পা-ও মিলিয়ে নেবে। তারপর বসন্ত যাবে, কোকিলও যাবে।’

‘ন’মাসে-ছ’মাসে একটা করে গণআন্দোলনের ঢেউ উঠলে কর্পোরেট অফিসফেরত পাবে না গিয়ে অবস্থান বা অনশনে যাবে, গম্ভীর মুখে স্লোগানে গলা মেলাবে, ছুটির দিন বা রোববারে মিছিল হলে পা-ও মিলিয়ে নেবে। তারপর বসন্ত যাবে, কোকিলও যাবে।’

‘অনেকেই থাকেন গোঁজ প্রার্থী। সর্বভারতীয় দলে যদি হরগৌরী নস্কর প্রার্থী হয়ে থাকে, এর নাম হয় তো গৌরহরি লস্কর। ব্যস, খুঁজে পেতে প্রধান বিরোধী দল এঁকে ভোটে দাঁড় করাবে। ভোটকেন্দ্রে বিভ্রান্ত ভোটার যদি হরগৌরী আর গৌরহরি গুলিয়ে ফেলে, সেটাই লাভ।’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই ছিল অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডারের আজ শেষ পর্ব। এই পর্বে সৈয়দ মুজতবা আলী, মণীশ ঘটক, মৈত্রেয়ী দেবী ও অশোক মিত্র।

‘কী সৃষ্টিশীল জীবন! অপূর্ব এক ফ্রেমকাহিনি! কলকাতাকে চিনেছেন মনে-প্রাণে, একাগ্রভাবে। বহু বিখ্যাত মানুষ ওঁর সঙ্গে কলকাতা ঘুরেছেন, সে-কথা বহুল আলোচিত। স্ট্রিট-ফটোগ্রাফিতে তো ওঁর তুলনা নেই বললেই চলে।’

‘একথা মানতেই হবে, রঘু রাইয়ের খুব প্রিয় শহর ছিল কলকাতা। উনি কলকাতায় অসংখ্য ছবি তুলেছেন। নানা সময়ে, নানা পর্বে। কলকাতার যে বৈচিত্র্য, তা রঘু রাইকে মজিয়ে রেখেছিল। রঘু রাইয়ের সঙ্গে কলকাতা নিয়ে কত কথা যে হয়েছে!’

“রঘু রাই ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’ দেখেছিলেন। তার সূত্রেই যোগাযোগ। তবে মজার ব্যাপার কী জানেন, কালা ঘোড়ায় ওঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার আগে অবধি আমার ধারণাই ছিল না, লোকটাকে ঠিক কেমন দেখতে!” রঘু রাইয়ের স্মরণে একান্ত সাক্ষাৎকারে অনুরাগ কাশ্যপ…

আমার সঙ্গে মাঝেমধ্যেই তর্ক হত। আমাকে বলত, ‘এত রাজনৈতিক কাজ কোরো না। ঝামেলায় পড়ে যাবে। আলোকচিত্র নিয়ে থাকো!’ কিন্তু মজার বিষয়, রঘু তার কাজে অন্তঃসলিলা রেখেছিল রাজনীতিকে। ইন্দিরা গান্ধীর মন্ত্রিসভার যে ছবি, যেখানে পিছন থেকে দেখা যায় ইন্দিরা গান্ধীকে, সেই ছবিতে সত্যি সত্যিই শক্তি কার কাছে, এটা খুব স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।

প্রথম নির্বাচন তো হল পাঁচের দশকের গোড়ায়। আমার ওইটুকু বয়সের স্মৃতিতেও উজ্জ্বল, মানুষের মনে কত আনন্দ, কত উত্তেজনা! বাক্সে ব্যালটপেপার ফেলে, হাতে কালি নিয়ে, হাসিমুখে মানুষ বাড়ি ফিরছে। স্বাধীন দেশ, সেখানে মানুষ প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের মতামত ভাগ করে নিচ্ছে। তার আনন্দই তো অন্যরকম!

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এই পর্বে ইনসুলিনের বিষ হয়ে ওঠার কথা…

বঙ্গে ভোটের উত্তেজনা। নির্বাচন কোথাও উৎসব, কোথাও হাহাকারের উৎস। কখনও রঙ্গ, কখনও রাগ-অনুরাগের সম্মিলনে এই নির্বাচনের উত্তাপের আঁচ পোহাচ্ছেন বঙ্গবাসী। তারই মাঝে প্রথম ভোট দেওয়ার স্মৃতি ভাগ করে নিচ্ছেন বিশিষ্টরা। আজ লিখছেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়…

লেখ্য ইংরেজিতে বাংলা মাধ্যম থেকে পড়ে আসা অনেকেরই ভীষণ রকম দক্ষতা থাকলেও কথা বলা নিয়ে সমস্যা থাকে অনেকেরই। ভারতে, বিশেষত বাঙালিদের মধ্যে, ইংরেজি ভাষা নিয়ে এমন একটা দ্বিধাবিভক্তি আছে। এদেশে ইংরেজি মানুষ লিখতে শেখে আগে, আর বলতে শেখে পরে। কিন্তু ভাষা শেখার ক্ষেত্রে হওয়া উচিত এক্কেবারে উল্টো।

‘আমি সব সময়ে বাহুল্যবর্জনেই বিশ্বাসী। তবে যেখানে প্রয়োজন, সেখানে তো কাজ করতেই হবে। মহাশ্বেতার ক্ষেত্রে যেমন, শেষদিকে ওঁর স্মৃতি হারাতে শুরু করল, কিছু কথা ভুল লিখলেন, সেই সামান্য তথ্যপ্রমাদ সংশোধন, সংযোজন— এগুলোই তো সম্পাদকের কাজ।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.