প্রবন্ধ

প্রহেলী ধর চৌধুরী

কর্পোরেট বুদবুদ

‘‘এই যে না-থাকা, তা কিন্তু  শব্দটা ইংরেজি বলে নয়। জগতের কত ইংরেজি, ফার্সি, পর্তুগিজ শব্দই কালক্রমে বাংলা ভাষার আঁচলের তলায় মুখ গুঁজেছে। প্রায় সব আঞ্চলিক ভাষারই অপেক্ষাকৃত বৃহত্তর ভাষা দ্বারা অবলুপ্তির ভয় আছে।’’

শিলাদিত্য সিংহ রায়

দূরকে করিলে নিকট

লেখক-প্রকাশকের সম্পর্ক বিষয়ে উপমার অধিরাজ শংকরের দু’টি অভিমত ছিল: কোনও কারণে হতাশ হলে বলতেন, ‘শাশুড়ি-পুত্রবধূর মতো’; হতাশা কাটিয়ে উঠলে বলতেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর চেয়েও বেশি, মৃত্যুতেও শেষ হয় না’। তবুও না বললেই নয়, ভারতীয় গ্রন্থসংস্কৃতিতে লেখক-প্রকাশকের সম্পর্কটি চরিত্রগতভাবে বহুমাত্রিক— মোটের ওপর ট্র্যানজ্যাকশনালের চেয়ে বেশি রিলেশন্যাল

অরিন্দম নন্দী

‘সীমিত সময়ের জন্য উপলব্ধ’

আজকের ভারতে বেশিরভাগ শহুরে মধ্যবিত্ত বাঙালি কোন ভাষায় কথা বলেন? ‘সোনার কেল্লা’-র জটায়ুর তুলনায় অনেক বেশি ভাল হিন্দি আর ব্যাকরণের তোয়াক্কা না করে বেশ খানিকটা

Representative Image
রোদ্দুর মিত্র

ক্রিকেটের স্বার্থে

‘দু’পক্ষের এহেন টানাপোড়েনের মধ্যিখানে ইমরান আদৌ কতখানি সুস্থ— সেই বিষয়ে ঢের সন্দেহ আছে। ক্রিকেটের গ্রিক দেবতা কোথায় নেমে এলেন তবে? একজন সাধারণের দুর্দশায়? আস্তাকুঁড়ে?’

সুমন মুখোপাধ্যায়

দৃশ্যের ভাষা

“মহেশ এলকুঞ্চোয়ারের ‘ওয়ারা চিরেবন্দি’ যেমন দেখেছি, তেমনই দক্ষিণের বিজয়শ্রীর নাটকও দেখেছি, যা কিছুটা লোকায়ত আঙ্গিকের সঙ্গে জড়িত। সেগুলো আমরা আস্বাদন করেছি। হয়তো অনেককিছুই না-বোঝা থেকে গেছে। কিন্তু নাট্যভাষের সঙ্গে সংলাপে অসুবিধে হয়নি, তার একটা নিজস্ব জোর আছে।”

অভীক মজুমদার

একুশের বিষাদ

‘‘কথাটা এতক্ষণে পাওয়া গেল। ‘ভাষা-গণতন্ত্র’। বিশ্বজোড়া পাঠশালায় সে-জন্য প্রতিটি ভাষার সমানাধিকার। সে ছোট না বড়, অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী না কি দুর্বল, উপনিবেশ গড়েছে না গড়েনি, সংস্কৃতি চেনা না অচেনা, কামান-বন্দুক-গ্রেনেড আছে, না নেই— এইসব প্রশ্ন অবান্তর।’’

সংযুক্তা বসু

যাত্রার উত্তম-সুচিত্রা

যাত্রাজগতের অবিসংবাদী জুটি কাকলি চৌধুরী ও অনল চক্রবর্তীর সঙ্গে কথোপকথনে সংযুক্তা বসু… প্রত্যন্ত গ্রাম-গঞ্জ, মফসসল, শহরতলির মাঠ-ময়দানে তিন-চার হাজার দর্শক যখন এক শামিয়ানার নীচে উল্লসিত

Representative Image
সৌভিক চট্টোপাধ্যায়

জনপ্রিয়তার পাদটীকা

‘‘শংকরকে নিয়ে প্রথমদিকের আলোচনাগুলি প্রায়শই অতি-সংক্ষিপ্ত। সাধারণত, একটি অনুচ্ছেদও বরাদ্দ নয় শংকরের জন্য, কখনও-বা একটি মাত্র লাইনে আরও পাঁচজন ‘জনপ্রিয়’ লেখকের সঙ্গে একসুরে উচ্চারিত হন শংকর।’’

Representative Image
স্বস্তিক চৌধুরী

অ-সংসদীয়

‘সরকারের বয়ান, জেনারেল নারাভানে নিজের বক্তব্যের সত্যতা প্রমান করতে কোর্টে যেতে পারেন। প্রতিনিয়ত যে বিজেপি সেনাকে উচ্ছ্বসিত সম্মানে ভরিয়ে রাখে, তারাই প্রাক্তন সেনা অধ্যক্ষকে কোর্টের রাস্তা দেখাচ্ছেন।’

শুভঙ্কর দে

শংকরজেঠুকে

‘‘কত অজানারে’ বই হিসেবে প্রকাশিত হওয়ার আগে ‘দেশ’ পত্রিকায় তা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। প্রকাশের সময় থেকেই আলোড়ন পড়ে যায় পাঠক-মহলে। একুশ বছরের এক বালক ‘দেশ’ পত্রিকার অফিসে তাঁর পাণ্ডুলিপি জমা দিয়ে আসেন।’’

বরুণ চন্দ

মণিদা

‘‘মণিদার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ধীরে ধীরে মধুর হয়ে ওঠে। শেষের দিকে যখন বিভিন্ন সভায় আসতেন, তখন উঠে দাঁড়াতে পারতেন, হাঁটতেও পারতেন অল্প, কিন্তু আসতেন মূলত হুইলচেয়ারে। আমি অনেক সময়ই সেই হুইলচেয়ার ঠেলে নিয়ে গেছি। সেটা আমার ‘প্রিভিলেজ’।’’

ডাকবাংলা.কম

চোখ-কান খোলা : পর্ব ২০

‘‘এআই বিষয়টিকেই চমস্কি একবার ‘প্ল্যাজিয়ারিজম’ বলে দাগিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ, মানুষের বুদ্ধি ধার করেই তো তার সংসার চলে। তবে, সুকুমার রায়ের কথামাফিক গোঁফ কারও কেনা না হলেও, এআই-এর মালিকানা যে বেশ শক্তপোক্ত, তা এই ঘটনায় আরও একবার পরিষ্কার।’’