
ফিরে আসার গল্প
‘বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় ফুটবল কখনওই শুধু একটি জনপ্রিয় খেলা ছিল না। ছিল মানুষের পরিচয়, সংস্কৃতি এবং একে অপরের সঙ্গে সংযোগের অন্যতম মাধ্যম।’

‘বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় ফুটবল কখনওই শুধু একটি জনপ্রিয় খেলা ছিল না। ছিল মানুষের পরিচয়, সংস্কৃতি এবং একে অপরের সঙ্গে সংযোগের অন্যতম মাধ্যম।’

ভি এম এল ইউনাইটেড কিংডম। ব্রিটিশ মুলুকের অন্যতম জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন সংস্থা, যারা এক অদ্ভুত ক্যাম্পেন চালিয়েছে বিশ্বকাপ আবহে। ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও কয়েকটি দেশের পতাকার ছবি

‘জিদানের জন্য প্ররোচনার ফাঁদ পেতেছিল ইতালি। মুহূর্তের ভুলে সেই ফাঁদে মাথা দিয়ে ফেললেন বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলার। যিনি কটূক্তি করেছিলেন বা অপমানকারী, তাঁকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা গেল, আর যিনি অপমানিত হলেন, তাঁকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছেড়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হল!’

‘‘২০০৭ থেকে ‘গ্রেট গ্রিন ওয়াল’ নাম দিয়ে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। পরিকল্পনা করা হয়েছিল— সবুজ বেষ্টনীটির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৮,০০০ কিলোমিটার, প্রস্থ প্রায় ১৫ কিলোমিটার। শুরুতে সেনেগাল থেকে জিবুতি পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে, ১১-টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল এই প্রকল্পের আওতায়।’’

‘ইউরোপে ৩০-৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরম পড়েছে, তাই নিয়ে আবার আর্টিকেল! আরে, এ তো আমাদের ডিসেম্বরের মতো গরম! তা নিয়ে এত “হিট ওয়েভ, হিট ওয়েভ” করে

‘ইতিহাস বলে, সেনেগাল কোনওদিনই সহজ রাস্তার দল ছিল না। নয়ের দশকের শেষ দিকে আফ্রিকার ফুটবল যখন নতুন করে নিজের পরিচয় তৈরি করছে, তখন সেনেগালও নিজের ভিত গড়ছিল। নীরবে।’

তীজন খুব ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছেন এই পান্ডবানীর গল্প বলা, তিনি চান, তিনিও হবেন একজন পান্ডবানীর শিল্পী। কিন্তু বাবা-মা বিশেষ সায় দেননি তাতে। তাঁরা ১২ বছর হতে না-হতেই বিয়ে দিয়ে দেন তীজনকে। কিন্তু নাছোড়বান্দা তীজন সাফ জানিয়ে দেন যে, তিনি পারফর্ম্যান্স ছাড়বেন না।

‘নিজের সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, ঘুম, বিশ্রাম এবং কবিখ্যাতিকে বিসর্জন দিয়ে তিনি নিজের ভেতরের রোম্যান্টিক কবিসত্তাকে রূপান্তরিত করলেন এক নিষ্ঠাবান গবেষকে। ব্যক্তি নগেন্দ্রনাথ হয়ে উঠলেন এক আস্ত প্রতিষ্ঠান।’

তবু, নেইমার এসে যায়। ‘কোন ক্ষ্যাপা শ্রাবণ ছুটে এল, আশ্বিনের এই আঙিনায়’— তারপর এলোমেলো করে দেয় সব৷ মেসির বুকে আছড়ে পড়ে গোল ক’রে।

বিশ্ব জুড়ে ফ্রিদা একাই হয়ে উঠেছেন এক বিশাল লাভজনক বাজার। ডায়েরির মলাট, ব্যাগ, গয়না, চাবির রিং, ফ্যাশন শোয়ের ক্যাটওয়াক— সর্বত্র ফ্রিদার চেনা কয়েকটি মুখ আর হাতে গোনা গুটিকতক ছবিই ঘুরেফিরে ব্যবহৃত হয়ে চলে, ফ্রিদার একটি নির্দিষ্ট সংস্করণ কিউরেটেড হতে থাকে।

“ফ্রিদার অন্য অনেক ছবির মতোই, ‘দ্য টু ফ্রিদাজ’-ও তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও বিশ্বাসের খতিয়ান, এবং, রেতাবলো-র মতোই, এই ছবি তাঁর ব্যক্তিগত ইতিহাস ও বিচ্ছেদের বেদনার সঙ্গে লড়াইয়ের খতিয়ান।”

‘ইরানে যেহেতু ফুটবল মাঠে মেয়েদের প্রবেশ নিষেধ, তাই ছেলের সাজপোশাকে মেয়েটি স্টেডিয়ামে ঢুকেছে। পুলিশি চোখ-রাঙানি এড়িয়ে। ইরান বনাম বাহারিনের ম্যাচ দেখবে সে। স্টেডিয়ামের নাম, আজাদি। যে অপ্রেসড, সে আজীবন থাকবে না। প্রকৃতির নিয়মই তাই।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.