
শব্দের কারিগর
‘নিজের সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, ঘুম, বিশ্রাম এবং কবিখ্যাতিকে বিসর্জন দিয়ে তিনি নিজের ভেতরের রোম্যান্টিক কবিসত্তাকে রূপান্তরিত করলেন এক নিষ্ঠাবান গবেষকে। ব্যক্তি নগেন্দ্রনাথ হয়ে উঠলেন এক আস্ত প্রতিষ্ঠান।’

‘নিজের সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, ঘুম, বিশ্রাম এবং কবিখ্যাতিকে বিসর্জন দিয়ে তিনি নিজের ভেতরের রোম্যান্টিক কবিসত্তাকে রূপান্তরিত করলেন এক নিষ্ঠাবান গবেষকে। ব্যক্তি নগেন্দ্রনাথ হয়ে উঠলেন এক আস্ত প্রতিষ্ঠান।’

বিশ্ব জুড়ে ফ্রিদা একাই হয়ে উঠেছেন এক বিশাল লাভজনক বাজার। ডায়েরির মলাট, ব্যাগ, গয়না, চাবির রিং, ফ্যাশন শোয়ের ক্যাটওয়াক— সর্বত্র ফ্রিদার চেনা কয়েকটি মুখ আর হাতে গোনা গুটিকতক ছবিই ঘুরেফিরে ব্যবহৃত হয়ে চলে, ফ্রিদার একটি নির্দিষ্ট সংস্করণ কিউরেটেড হতে থাকে।

“ফ্রিদার অন্য অনেক ছবির মতোই, ‘দ্য টু ফ্রিদাজ’-ও তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও বিশ্বাসের খতিয়ান, এবং, রেতাবলো-র মতোই, এই ছবি তাঁর ব্যক্তিগত ইতিহাস ও বিচ্ছেদের বেদনার সঙ্গে লড়াইয়ের খতিয়ান।”

‘ইরানে যেহেতু ফুটবল মাঠে মেয়েদের প্রবেশ নিষেধ, তাই ছেলের সাজপোশাকে মেয়েটি স্টেডিয়ামে ঢুকেছে। পুলিশি চোখ-রাঙানি এড়িয়ে। ইরান বনাম বাহারিনের ম্যাচ দেখবে সে। স্টেডিয়ামের নাম, আজাদি। যে অপ্রেসড, সে আজীবন থাকবে না। প্রকৃতির নিয়মই তাই।’

‘কলম্বিয়ার এক নম্বর ডিফেন্ডার প্রায় মনস্থিরও করে ফেলেছিলেন, ইতালি যাওয়ার ব্যাপারে। গ্যালোঁ ভাইরা তাকে হত্যা করে শেষ করে দিয়েছিল কলম্বিয়া ফুটবলের ভবিষ্যতের একটা বড় সম্ভাবনা। সেই সঙ্গে শেষ হয়ে যায় ওই সোনালি প্রজন্মের অধ্যায়।’

‘তৎসত্ত্বেও এ-নাটকের তুলনা হয় না। লক্ষণীয়, নাটকে সরাসরি কোন দৈব অনুপ্রবেশ বা অলৌকিক হস্তক্ষেপ নেই। দ্বিতীয়ত, এক ধরনের নিয়তিতাড়িত দরিদ্র অথচ সৎ মানুষের কপাল খুলে যাওয়া আছে।’

‘বংশপরিচয়ের বাইরে গিয়ে স্বর্ণকুমারী নিজের সাহিত্যিক-সামাজিক সত্তাকে যেভাবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, আজ সে প্রসঙ্গেই কথা হওয়া উচিত। ঠাকুরবাড়ির প্রতিভার ভিড়ে, সেই মাপকাঠিতে নিজের অবস্থান তৈরি করা এ এক নতুন আত্মপরিচয়ের প্রতিষ্ঠার গল্প।’

আপাত-উদ্ভট সংলাপ কিংবা ঘটনাক্রমের মধ্যে দিয়ে রূঢ় বাস্তবতাকে তুলে আনা, প্রতীক-অবচেতন-কল্পনার অপ্রত্যাশিত ঘটনাবলি, পরাবাস্তববাদ, যৌনতার নতুন প্রকাশ, শব্দ নিয়ে খেলা— এগুলোই বলরাম বসাকের ছোটগল্পের মূল ভিত্তি। বিপন্নতার অজস্র টুকরো তাঁর বইয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

১৯৭৭ সালে, ভারতের স্বাধীনতা দিবসের দিন এলিয়েনরা যোগাযোগ করল আমাদের সঙ্গে। আমেরিকার ওহাইয়ো স্টেট ইউনিভার্সিটির Big Ear রেডিও টেলিস্কোপে ধরা পড়ল বেতার তরঙ্গ। আবার সত্যজিতের ভিনগ্রহীর গল্প চুরি করলেন স্পিলবার্গ? বিশ্ব ইউএফও দিবসে বিশেষ নিবন্ধ।

‘‘তাঁরাও যে কোনও অংশে কম নয়, সেটা প্রমাণ করার জন্য তৈরি। এটাই নারী-ক্ষমতায়নের আদর্শ বিজ্ঞাপন। সারা বিশ্ব জুড়ে নারী-স্বাধীনতা আন্দোলনের যে-জোয়ার বয়ে যাচ্ছে, ‘ফিফা’ও সামিল সেই যজ্ঞে। ‘যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে’— এই আপ্তবাক্যে বিশ্বাসী হয়েই ‘ফিফা’র এই উদ্যোগ।’’

‘কিন্তু কঙ্গোর গল্প শুধু দুর্ভোগের নয়। এটা ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পও। যেখানে যুদ্ধ ছিল, সেখানে মানুষ গান গেয়েছে। যেখানে দারিদ্র্য ছিল, সেখানে মানুষ স্বপ্ন দেখেছে। আর যেখানে হতাশা ছিল, সেখানে ফুটবল হয়ে উঠেছে আশার ভাষা।’

১৯৭২ সালে নিজের দল করলেন নীলকণ্ঠ সেনগুপ্ত, ‘থিয়েটার কমিউন’। ১ জুলাই। দল তৈরি করার সময় ওঁর দৃষ্টিভঙ্গিটা যেমন বুঝেছিলাম, যে উনি থিয়েটারটা করতে চাইছেন, অনেকটাই আবেগ থেকে।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.