
বিষাদের বৈচিত্র্যময় সুর
‘নেরুদাকে যতই বিষণ্ণতা, মৃত্যু এবং বিরহের কবি বলা হোক, আসলে তিনি সর্বক্ষণ নিজের মধ্যে বহন করেছেন এক সহজ স্বতঃস্ফূর্ততা ও জীবনমুখিতা। খুঁজেছেন বিষাদ পেরিয়ে যাওয়ার রাস্তা এবং তা পেয়েও গিয়েছেন।’

‘নেরুদাকে যতই বিষণ্ণতা, মৃত্যু এবং বিরহের কবি বলা হোক, আসলে তিনি সর্বক্ষণ নিজের মধ্যে বহন করেছেন এক সহজ স্বতঃস্ফূর্ততা ও জীবনমুখিতা। খুঁজেছেন বিষাদ পেরিয়ে যাওয়ার রাস্তা এবং তা পেয়েও গিয়েছেন।’

‘শুন বরনারী’ হয়ে ওঠে এক আশ্চর্য প্রেমের উপাখ্যান। উত্তমকুমার এখানে এমন এক রোম্যান্স অবতার, যিনি রোম্যান্সকে ছোঁয়াচে রোগের মতোই বিপজ্জনক মনে করেন ও তার থেকে পালিয়ে বেড়ান। কিন্তু কেন হিমু এমন করে, তার পিছনে পুরনো ব্যর্থ প্রেমের কী করুণ স্মৃতি আছে, সেসব আমরা ক্লাইম্যাক্সে জানতে পারছি।

‘বালক বয়স থেকে যখন হয়ে উঠলেন রীতিমতো প্রবাল দাশগুপ্ত, ততদিনে ইংরেজি ভাষায় প্রবন্ধ লিখেছেন প্রায় আড়াইশোটি, বাংলায় প্রায় দেড়শোটি আর এসপেরান্তোতে একশোর বেশি।’

নিভৃত স্বগতোক্তির মতো মেলে দেওয়া শব্দের সারি কেতকীর ভেতরের আনন্দ আর বেদনাকে তুলে ধরে। স্বদেশ, স্বজন আর মাতৃভাষাকে আঁকড়ে ‘কাঙালপনা’ সারাজীবন তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়।

থিয়েটারের মধ্যে যাঁর শিল্পজীবনের সূচনা, পরবর্তীকালে তাঁর গল্প, উপন্যাসে যে নাটকের রসদ রক্তমাংসে মিশে থাকবে, এ-বিষয়ে কোনও সন্দেহ থাকতে পারে না। এই বিষয়ে সংশয়হীন হওয়া যায় ভারতের থিয়েটার মানচিত্রের দিকে নিবিড়ভাবে তাকালে।

পরপর আন্তর্জাতিক সাফল্য পরিচালক অনুপর্ণা রায়ের। পুরুলিয়া, মুম্বই, ভেনিস— অনুপর্ণার এই দীর্ঘ যাত্রাপথ নিয়ে, লিঙ্গপরিচিতির লড়াই থেকে প্রতিরোধের ভাষ্য সিনেমায় তুলে ধরা, নানা বিষয় উঠে এল বিদিশা চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথোপকথনে। ডাকবাংলা.কম-এর জন্য এক্সক্লুসিভ!

ওস্তাদ দর্জিদের কথা থাক। আগেকার জমানায় মেয়েদের সেলাই বোনায় পারদর্শিতাকেও গুণাবলির মধ্যেই ধরা হত। বিয়ের বাজারে মেয়েদের কদর বাড়ত। এখন থেকে চল্লিশ বা পঞ্চাশ বছর আগে মহিলারা কম বেশি সকলেই সেলাই বোনায় পারদর্শী ছিলেন।

‘বই-পড়া জীবন-ধারণা নিয়ে পথে নামেননি শরৎচন্দ্র। পথে নেমেই চিনে নিতে চেয়েছেন পথ আর জীবনকে। যেমন দেখেছেন, যেমন চিনেছেন, লিখেছেন সেটাই। নিজস্ব ন্যারেটিভে লেখাকে কৃত্রিম করে তুলতে চাননি। তবু অপূর্ব-র মধ্যে শরৎচন্দ্রকে খোঁজে পাঠক, শ্রীকান্ত-র মধ্যেও।’

‘নিজের দৌড় সম্পর্কে বাড়াবাড়ি রকমের উচ্চ ধারণা পোষণ করাতেই তাদের ভরপুর আমোদ। যে যত বেশি অজ্ঞ, মনে-মনে সে ততই প্রাজ্ঞ। নিজেকে গা-জোয়ারি চ্যাম্পিয়ন ভেবে বসার এই মাতব্বরির খেলায় আমরা রোজই নাম লেখাই। আষাঢ়ে আত্মবিশ্বাসের পথকে ক্রমশ চওড়া করি।’

সারল্য এবং নির্মমতা, নীরবতা ও সহনশীলতার মধ্য দিয়েও পৃথিবীর গণ্ডিগুলো বারবার ভাঙতে চান বিভূতিভূষণ। অভাবের সংকীর্ণতা কখনও পথের দেবতার আকুল ডাককে পরাস্ত করতে পারে না।

যেসব শিল্পীর এই ট্রাপিজ খেলায় যার কিছু যায়-আসে না, সে তো এখন বাড়তি। তার জন্য ফ্ল্যাশ-বালবের ঝলকানি নেই, নেই প্রিন্টের খরচ, রিয়েলিটি শো-এর রিয়েলটাইমে সে ব্রাত্য। তাই বাদ পড়ে যায় অনিন্দ্য আর অনিন্দ্যরা।

১৯৬৬ সালে ‘নায়ক’ যখন উৎসবে যায়, তখন জুরিরা সত্যজিৎ রায়ের চেনা ধ্রুপদী ঘরানার বাইরে কোনো নতুন এবং প্রথাবিরোধী সিনেমাটিক ভাষাকে পুরস্কৃত করার জন্য মানসিকভাবে তৈরি হচ্ছিলেন।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.