
মৌলিকতার মিথ্যে
‘একটি উপন্যাস যখন লেখা হয়, তখন লেখক কি সত্যিই সম্পূর্ণ নতুন কিছু সৃষ্টি করেন? নাকি, যুগ-যুগ ধরে সঞ্চিত সাংস্কৃতিক উপাদানকে তিনি নিত্যনতুন এবং সমসাময়িক বিন্যাসে সাজিয়ে দেন মাত্র?’

‘একটি উপন্যাস যখন লেখা হয়, তখন লেখক কি সত্যিই সম্পূর্ণ নতুন কিছু সৃষ্টি করেন? নাকি, যুগ-যুগ ধরে সঞ্চিত সাংস্কৃতিক উপাদানকে তিনি নিত্যনতুন এবং সমসাময়িক বিন্যাসে সাজিয়ে দেন মাত্র?’

‘সারাজীবন অত্যন্ত নিয়মনিষ্ঠ জীবনযাপন করছেন, ওঁকে কখনও দেখিনি ভুল সময়ে খাওয়াদাওয়া বা অনুষ্ঠান করছেন। উচ্চাঙ্গ সংগীতকে আত্মস্থ করার জন্য যে-অনুশাসন লাগে, নিজের জীবনকেও সেই অনুশাসনে বেঁধে এনেছিলেন।’

‘একটা সময়ে সিল্কস্ক্রিন পদ্ধতিতে ছাপা হত ‘আর্টডাস্ট’, সুতরাং তা ছিল বেশ খরচসাপেক্ষ। প্রতিলিপিকরণ প্রযুক্তি আসবার পরে খরচ কমে, ফলে আরও বেশি সংখ্যায় ছাপা হতে থাকে ‘আর্টডাস্ট’। কিন্তু কখনওই সংখ্যাধিক্যের কারণে ‘আর্টডাস্ট’-এর সীমিত সংস্করণের ট্যাগ খুলে দেননি তার অজ্ঞাতনামা প্রকাশকেরা।’

যে-সব কর্পোরেট সংস্থায় কর্মীদের অধিকার মালিক-পক্ষের কাছে ‘বিলাসিতা’ থুড়ি ‘ফাঁকিবাজির’ নামান্তর, যাদের কাছে অফিসের কোনও নির্দিষ্ট সময় হয় না, সারাক্ষণই নাকি ‘অফিস-যাপন’ করতে হয়, তাদের কাছে ফ্রান্স-ইনফোসিসের এই ঘটনা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

‘‘আলেকজান্দার দুমার প্রকাণ্ড দেহের মতোই জীবনের ব্যাপ্তিও সুবিশাল আর চোখধাঁধানো। যেমন ধূমকেতুর মতো তাঁর উত্থান, তেমনই আশ্চর্য তাঁর ফুরিয়ে যাওয়াও। ‘লা প্রেস’ কাগজকে তিনি লিখেছিলেন, ‘আলেক্সান্দার দুমা আপনাদের জন্য নয়, লেখে নিজের জন্য।’’

নারীদের স্বাভাবিক চাহিদা বা যৌন ইচ্ছেকে বরাবরই সমাজে অসভ্যতা বা লজ্জাহীনতা বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। নারী তার কামনা বা শারীরিক চাহিদাকে প্রকাশ করলেই সেই নারীকে বলা হয়েছে কামপ্রলোভিনী, অশ্লীল কাজে লিপ্ত, পতিতা।

‘হেমিংওয়ে একবার বলেছিলেন যে, তিনি একজন ভাল মানুষ এবং ভাল লেখক দুটোই হতে চান, কিন্তু তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, কোনওটাতেই তিনি সফল হতে পারবেন না।’

‘পরিসংখ্যানের খাতিরে বলা যেতে পারে, তিনি টেস্টে ১০৯খানা ক্যাচ নিয়েছিলেন, তার চেয়ে বেশি ক্যাচ সেইসময় একমাত্র কলিন কাউড্রে আর ওয়াল্টার হ্যামন্ডের ছিল। কিন্তু ওই পরিসংখ্যান আসল কথা নয়। অমন ফিল্ডার যে বিরল, সেকথা বলেছেন কারা?’

‘‘রেফারির সিদ্ধান্তের জন্য কোনও দলকে যাতে ভুগতে না হয়, সেই উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছিল ‘ভিডিও অ্যাসিসটেন্ট রেফারি’ বা ‘ভার’ ব্যহবস্থা। কিন্তু, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রেফারিংয়ের মতো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ‘ভার’-এর প্রয়োগ যদি হতে থাকে, তাহলে মাঠের রেফারিং বিতর্ক সেই একই বৃত্তে ঘুরপাক খাবে।’’

প্রমাণের অবকাশ নেই, তবু দেশদ্রোহী। কেউ কেউ মনে করেন, চিনের দালাল। দালালির সংজ্ঞা বিষয়ে যে মানুষ অজ্ঞ, সে মানুষ আয়না দেখে না। তবু সোনম হাল ছাড়েন না। বরং কণ্ঠ ছাড়েন। ডোবার পাঁক হয়ে যাওয়া সমাজমাধ্যমই তার অস্ত্র।

‘উৎসবের দিন অপরাহ্নে বন্ধ দরজার ওপারে চলে এলাহি আয়োজন— দই, ক্ষীর, বিভিন্ন মিষ্টি সহকারে জগন্নাথদেবের ভোগ। এবং ঠিক তখনই মন্দিরের গর্ভগৃহের বাইরে জড়ো হতে থাকেন গুপ্তিপাড়া-সংলগ্ন বেহুলা, আয়দা বা সূর্যপুরের মতো আশপাশের গ্রামের ঘোষেরা। দেখতে-দেখতে চারপাশের চাতাল ছেয়ে যায় হাজার-হাজার মানুষের ভিড়ে।’

‘সে-বারের বিশ্বকাপ মূল পর্বে সেমিফাইনাল ছিল না। ফাইনাল ছাড়া আর নকআউট পর্ব বলতে কিছু রাখা হয় নি! প্রাথমিক গ্রুপ লিগ পর্ব থেকে আটটি দল ওঠে কোয়ার্টার ফাইনাল গ্রুপ পর্বে। তাদের দুটি গ্রুপে ভাগ করে আবার লিগ পর্বে খেলা হয়, ও দু’টি গ্রুপ-সেরা দল, সরাসরি ফাইনালের ছাড়পত্র পায়।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.