প্রবন্ধ

নাতালিয়া গেরাসিমোভা

বাংলা কবিতার দুই সূর্য

‘তাঁর লেখার মধ্যে পাঠকেরা পেয়েছিলেন দার্শনিকের অন্তর্দৃষ্টি। লিও তলস্তয় বা ফিয়োদর দস্তভয়েস্কির লেখার পাশাপাশিই তাঁর লেখায় তাঁরা পেলেন নৈতিকতা, বিশ্বাস, আর মানুষের জীবনের অর্থের অনবরত সন্ধান।’

ভাস্কর মজুমদার

ভালবাসা ও ঘৃণা

টম রিডল যখন বড় হয়ে লর্ড ভলডেমর্ট হচ্ছে, মা-বাবার ভালবাসাহীন এক অনাথ সেই ছেলেটি যখন সকলকে ঘৃণা করতে ও শাসনে রাখতে চাইছে, এবং হ্যারির মা-বাবাকে মেরে হ্যারিকেও নিধন করতে উদ্যত হচ্ছে, তখন হ্যারির মা লিলি পটারের ভালবাসা হ্যারিকে সুরক্ষা দিচ্ছে।

আদিত্য ঘোষ

আলো ও একাকিত্ব

নীলাঞ্জনা, সোহাগ, পূর্বা, শিউলি এরা একই জায়গার বিভিন্ন মধুশালার রাতপরী। একে-অন্যের কর্মজগতের প্রতিপক্ষ। কর্পোরেট জগতের মতো, সেক্টর ফাইভের ক্লান্ত বিকেলের মতো এরাও মাঝেমধ্যে একটু বিশ্রাম নিতে বাইরে আসে। সিগারেট-চা খেয়ে আবার কাজে ফেরে।

স্বস্তিক চৌধুরী

গণতন্ত্রে ব্রাত্য

‘৭ এপ্রিল আবারও রক্ত ঝরে মণিপুরে। রাতের অন্ধকারে মিসাইল হামলায় মৃত্যু হয় দুই শিশুর। তারপর থেকে ক্রমাগত বেড়ে চলা হিংসায় মৃত্যু হয়েছে সাত জনেরও বেশি সহ-নাগরিকের। হ্যাঁ সহ-নাগরিক। যাদের মৃত্যুতে আর বিচলিত হই না আমরা, নির্লজ্জ নির্লিপ্ততা গ্রাস করে আসমুদ্রহিমাচলকে।’

রাজর্ষি গুপ্ত

গণনা : পর্ব ৩

“সত্যজিৎ তাঁর সাহিত্যে বারংবার এনে ফেলেছেন নানান গণৎকার ও জ্যোতিষী চরিত্রকে, বারবার সংঘাত ঘটিয়েছেন সেই বিজ্ঞান-যুক্তির ‘নির্দিষ্ট’ আর আবছায়া ‘অনির্দেশ্য’ জগতের। কখনও তারা ভণ্ড, ক্ষতিকর। যেমন ‘গোঁসাইপুর সরগরম’-এ আত্মারাম মৃগাঙ্ক ভট্টাচার্য।”

যশোধরা রায়চৌধুরী

গণনা : পর্ব ২

‘জনগণনায় যে অজস্র নতুন-নতুন তথ্য সামনে আসতে চলেছে খুকি! যেমন ঐ স্প্রিং দিয়ে আঁটা একটা পাঞ্জা, শক্তপোক্ত বক্সিং গ্লাভস পরা আটকে রাখা জ্যাক ইন দ্য বক্স! এক ঘুঁষি বাক্স খুলতেই। ব্যস! নাকমুখ রক্তাক্ত!’

জয়ন্ত ঘোষাল

গণনা : পর্ব ১

‘ভোটের ফলাফল বেরনো পর্যন্ত মানুষের উৎকন্ঠা আছে, উদ্বেগ আছে। তারা কী হবে, জানতে চাইছে। সুতরাং তাদের কিছুটা কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা এই এক্সিট পোল। কিন্তু সেটা করতে গিয়ে, এই ভোটের ফলাফল জানার আগ্রহকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে, অহেতুক ডোপামিন নিঃসরণ হচ্ছে… ’

ডাকবাংলা.কম

চোখ-কান খোলা: পর্ব ২৭

‘ন’মাসে-ছ’মাসে একটা করে গণআন্দোলনের ঢেউ উঠলে কর্পোরেট অফিসফেরত পাবে না গিয়ে অবস্থান বা অনশনে যাবে, গম্ভীর মুখে স্লোগানে গলা মেলাবে, ছুটির দিন বা রোববারে মিছিল হলে পা-ও মিলিয়ে নেবে। তারপর বসন্ত যাবে, কোকিলও যাবে।’

দেব রায়

সিম্বলে যায় চেনা!

‘অনেকেই থাকেন গোঁজ প্রার্থী। সর্বভারতীয় দলে যদি হরগৌরী নস্কর প্রার্থী হয়ে থাকে, এর নাম হয় তো গৌরহরি লস্কর। ব্যস, খুঁজে পেতে প্রধান বিরোধী দল এঁকে ভোটে দাঁড় করাবে। ভোটকেন্দ্রে বিভ্রান্ত ভোটার যদি হরগৌরী আর গৌরহরি গুলিয়ে ফেলে, সেটাই লাভ।’

তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: শেষ পর্ব

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই ছিল অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডারের আজ শেষ পর্ব। এই পর্বে সৈয়দ মুজতবা আলী, মণীশ ঘটক, মৈত্রেয়ী দেবী ও অশোক মিত্র।

Representative Image
অমিত ধর

ছবির ‘মন’

‘কী সৃষ্টিশীল জীবন! অপূর্ব এক ফ্রেমকাহিনি! কলকাতাকে চিনেছেন মনে-প্রাণে, একাগ্রভাবে। বহু বিখ্যাত মানুষ ওঁর সঙ্গে কলকাতা ঘুরেছেন, সে-কথা বহুল আলোচিত। স্ট্রিট-ফটোগ্রাফিতে তো ওঁর তুলনা নেই বললেই চলে।’

গৌতম ঘোষ

মুহূর্তের ভাষ্যকার

‘একথা মানতেই হবে, রঘু রাইয়ের খুব প্রিয় শহর ছিল কলকাতা। উনি কলকাতায় অসংখ্য ছবি তুলেছেন। নানা সময়ে, নানা পর্বে। কলকাতার যে বৈচিত্র্য, তা রঘু রাইকে মজিয়ে রেখেছিল। রঘু রাইয়ের সঙ্গে কলকাতা নিয়ে কত কথা যে হয়েছে!’