
কলকাতা বেতার ১০০
১৯২৭-এর ২৬ অগাস্ট কলকাতায় নিয়মিত বেতার সম্প্রচার শুরু। সেই হিসেবে কলকাতা বেতারের শতবর্ষ শুরু হল। এই তারিখটা আমাদের কাছে বিশেষ গর্বের, কারণ অল ইন্ডিয়া রেডিয়োর এখন ৯০ বছর, সেই হিসেবে কলকাতা বেতার তার থেকে ১০ বছরের বড়।

১৯২৭-এর ২৬ অগাস্ট কলকাতায় নিয়মিত বেতার সম্প্রচার শুরু। সেই হিসেবে কলকাতা বেতারের শতবর্ষ শুরু হল। এই তারিখটা আমাদের কাছে বিশেষ গর্বের, কারণ অল ইন্ডিয়া রেডিয়োর এখন ৯০ বছর, সেই হিসেবে কলকাতা বেতার তার থেকে ১০ বছরের বড়।

আমার দাদুর খুব বেশি ছবি নেই। পিসেমশাইয়ের কাছ থেকে পাওয়া কোডাক বক্স ক্যামেরায় দু’চারটে ছবি উঠিয়েছিলাম, দাদুর বৃদ্ধ বয়সে। সেই সব ছবির চিহ্নমাত্র নেই। দাদুর ছবি আমার স্মৃতিতেই আছে। আমার স্মৃতিলুপ্তির পর, বা আমার নিজের লুপ্তির পর, দাদুর কোনও ছবি থাকবে না।

‘বিশ্বভারতী সংগীত সমিতি তাঁর গান রেকর্ড করার ক্ষেত্রে কোনও স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি। দেবব্রত গান রেকর্ড করা বন্ধ করেছিলেন সংগীত সমিতির আধিপত্যবাদের প্রতিবাদে এবং ওঁরই অনুজ একাধিক গাইয়ের প্রতি গভীর অভিমানে। এ যেন এক দীক্ষিত শিল্পীর সত্যাগ্রহ।’

এই বরিশাল শহরেই রয়েছে জীবনানন্দ দাশ সড়ক, যার আগে নাম ছিল বগুড়া রোড। তার ধারেই সর্বানন্দ ভবনে ১৯৪৬ সালে কলকাতা চলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত থাকত জীবনানন্দের পরিবার। ঠাকুরদার নামে ছিল বাড়ির নাম। পরে মালিকানা বদল হলেও সেই বাড়ি পেল একেবারে জীবনানন্দীয় নাম ধানসিড়ি।

আশৈশব শুনছি, গরমে মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে থাকে। তবে কী জানি বাপু, ছেলেবেলায় ডেইলি ডোজ অব কানমলা, চড় আর চুলের মুঠি ধরে ঝাঁকুনির চোটে তো আমার

‘ক্যালিফোর্নিয়ায় মেটা-র বিরুদ্ধে ২৯টি মার্কিন রাজ্যের করা মামলার বিচার চলছে।… অভিযোগকারীদের বক্তব্য, এই ‘ব্যবহারকারীর মনোযোগ ধরে রাখার’ অ্যালগরিদম কিশোরদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং মেটা শিশুদের নিরাপত্তা ও তাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ব্যাপারে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেয়নি। মেটা অবশ্য অভিযোগগুলি অস্বীকার করেছে।’

সুমিত সরকারের বই নিছক অ্যাকাডেমিক পাঠ্য ছিল না; সেগুলি ছিল ইতিহাসকে কীভাবে ভাবতে হয়, তার এক অনায়াস শিক্ষা। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দেন যে, অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণ করাই কেবল ইতিহাসবিদের কাজ নয়, বরং তার কাজ, সেই অতীতকে অনর্গল প্রশ্ন করতে থাকা…

পদাঘাত খেয়ে ভারতসন্তানগণ যখন আর্তনাদ করছে, ‘কোথায় হরিশ, কোথায় রামামোহন, কোথায় রামগোপাল’ বলে মূর্ছা যাচ্ছে, তখন একজন ভাল ইংরেজ প্রবেশ করেন। দুষ্টু সাহেবকে সে গলা টিপে ধরে— ‘রে দুরাচার দুর্বৃত্ত, ইংরাজ জাতির কলঙ্ক, তুই এখান হতে দূর হ’ বলে তাকে পদাঘাত করে দূর করে দেয়।

অবনীন্দ্রনাথের ‘ভারতমাতা’ দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এক বিপ্লবের ছবি। যদিও সে-ছবিতে বিপ্লবের ভাষা একেবারেই উচ্চকিত নয়, টেক্সটের আড়ালে সাবটেক্সটের মতো নীরব তার অবস্থান।

নিখিলদার সঙ্গে আড্ডা জমত, কারণ নানা বিষয়ে তাঁর অসাধারণ জ্ঞান ছিল। আরও আশ্চর্যের বিষয়, কারও বলা গুরুত্বপূর্ণ কোনও কথা উনি খুব মন দিয়ে শুনে মনে রাখতেন এবং পরে প্রয়োজনে ব্যবহার করতেন।

‘১৯৫৭ সালেই ‘নয়া দৌড়’ আর ‘মাদার ইন্ডিয়া’র সঙ্গে কয়েক মাসের এদিক-ওদিকে মুক্তি পেয়েছিল গুরু দত্ত-র ‘পিয়াসা’। অন্য দুটি ছবিতে সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার সমালোচনার পাশাপাশি সংঘশক্তিতে বলীয়ান হয়ে দেশ গড়ার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান ছিল, সেখানে ‘পিয়াসা’র কবি-নায়কও সমাজব্যবস্থার প্রতি হতাশ, বিরক্ত, বিক্ষুদ্ধ।’

উনিশ শতকের দ্বিতীয় ভাগে নতুন নাগরিক বাংলা গান যে-ক’টি প্রধান খাতে তৈরি হচ্ছিল, তার মধ্যে একটি হল জাতি ও দেশভাবনার গান।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.